নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

“কলিমদ্দিকে আবার দেখা যায় ষোলই ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বাজারের চা স্টলে। তার সঙ্গীরা সবাই মুক্তি, সে-ই শুধু তার পুরনো সরকারি পোশাকে সকলের পরিচিত কলিমদ্দি দফাদার।”

কলিমুদ্দি দফাদার

“ঘুরছি আমি কোন প্রেমের ই ঘুর্নিপাকে, ইশারাতে শিষ দিয়ে কে ডাকে যে আমাকে”

কলিমুদ্দি দফাদার › বিস্তারিত পোস্টঃ

শব্দের শক্তি, ভাষার মাধুর্য....

২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৫২

এমিরেটস, কাতার এয়ার লাইন্স ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট রিক্রুটমেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে গ্রুপ ডিসকাশন। গ্রুপ ডিসকাশনের সারমর্ম হচ্ছে—৬-৮ জন কয়েকটি গ্রুপে একটি নির্দিষ্ট টপিক নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করবে। নিজের পক্ষের যুক্তি খন্ডন, উপস্থাপনা, বলার বাচনভঙ্গি সহ অনন্যা সহপাঠী প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ করা।

যেমন: টপিকে যখন একজন প্রার্থী তার নিজের যুক্তি তুলে ধরে এবং তার বিপরীতে প্রতি উওর যদি এভাবে আসে,
"What he or she just said doesn't make sense.
This is absolutely hilarious.How can someone think like that."
তাহলে ৯৯% সম্ভবনা থাকে ওই রাউন্ড থেকে বাদ।

তাহলে প্রশ্ন থাকে, কিভাবে‌ বা কি উওর দিতে হবে?

"Well! what my colleagues said might have some logic.
However, from my point of view...—যুক্তি তুলে ধরবে......"

Emirates, কাতার এয়ারলাইন্সগুলো তে বিশ্বের নানা প্রান্তের নানা ধর্মের-বর্ণের, ভাষা, জাতের মানুষ এসে কাজ করে, রুম শেয়ার করে থাকে। পাশাপাশি বিশ্বের প্রায় ৮১ টি দেশে তারা যাত্রী সেবা প্রদান করে। গ্রুপ ডিসকাশনের মাধ্যমে তারা আদতে সহপাঠী সহ বিমানের যাত্রীদের প্রতি আরো আন্তরিক ও দায়িত্বশীল আচরণের প্রতি উদ্ধোধ করে, নিজের একক শ্রেষ্ঠত্বকে পাশে রেখে।

বাংলাদেশে এখন হিন্দু ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় শারদীয় দুর্গোৎসব। আশ্চর্যজনক হলে সত্যি, এই উৎসবকে কেন্দ্র করে শীর্ষস্থানীয় কোন আল্লামা, আলেম বা শায়েখ কারো কাছেই দায়িত্বশীল কোন কথাবার্তা বা শব্দচয়ন শুনিনি। বরং জুম্মার খুতবা থেকে ওয়াজ মাহফিলে সর্বস্ব একই কথা—মুর্তি উপাসনাকারীরা মুশরিক, কাফের এবং মুরতাদ।‌ পুজার সময় সেই স্থানটি হয় অভিশপ্ত। উৎসবে অংশগ্রহণকারী সকল মুসলিমরা মুনাফিক, শিরকে লিপ্ত, আল্লাহর লানত ইত্যাদি, ইত্যাদি, ইত্যাদি.....

‌এমন‌ বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্য করে আপনারা কিভাবে সাম্প্রদায়িক ভ্রাতৃত্ব, ইসলামের উদারতা প্রতিষ্ঠা করবেন? অথচ এই উৎসবের ভাবান্তর বা প্রতিক্রিয়া এভাবে আসলে ও পারতো—সনাতনী ধর্মালম্বীরা তাঁদের উৎসব পালন করুন, তবে একৈশ্বরবাদ বা মুসলিম ধর্ম বিশ্বাসীদের সেখানে না যাওয়া ই শ্রেয়। কারন ইসলামে একাধিক ইলাহে উপাসনা করাতে নিষেধ রয়েছে।

আফসোস লাগে এইটা ভেবে যে "আমরা আসলে কার কাছ থেকে শিখবো"?

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪৪

আলামিন১০৪ বলেছেন: সনাতন ধর্ম পূর্বে একেশ্বরবাদী ছিল- কালের পরিক্রমায় আজ পৌত্তলিকতায় রূপ নিয়েছে

২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৪৫

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
সনাতন ধর্ম পূর্বে একেশ্বরবাদী ছিল- কালের পরিক্রমায় আজ পৌত্তলিকতায় রূপ নিয়েছে যিনি‌ অনুসন্ধানকারী তিনি‌ নিজে থেকে সত্যি খুঁজে বের করেন নিবেন অথবা অন্য ধর্মাবলম্বীদের আচার- ব্যবহার,‌আইন অনুশাসন দেখে প্রভাবিত হবেন। বিদ্বেষপূর্ণ ঘৃনা ছড়িয়ে কি লাভ??

অন্য ধর্মাবলম্বীরা তো প্রশ্ন রেখে যেতে পারে- বংগ দেশের ইসলামের আর ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠা মাদ্রাসা, ওয়াজ-মাহফিল আর কথায় কথায় কুরআন কে সাইডে রেখে হাদিসের প্রচার তো আরব দেশে বা প্রাকৃ ইসলামী যুগে ছিলো না। কালের পরিক্রমায় বংগ দেশিয় ইসলামের এই পরিবর্তন কেন?

২| ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:০৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: যত বেশি ওয়াজ করছে তত বেশি মানুষ যেন শারদীয়া অনুষ্ঠান বেশি অংশ নিচ্ছে । এবার যে জাঁকজমক ভাবে পালন হচ্ছে চিন্তার বাইরে ।

২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৪৯

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
শারদীয় উৎসব নিয়ে এখন পর্যন্ত তাহেরী হুজুর বক্তব্য ভালো লেগেছে। তাঁদের উৎসব তাঁদের কাছে; আমার কেহই ঘৃন্য বক্তব্য বা উষ্কানি মুলক বক্তব্য প্রদান না করি। তাহেরী কিন্তু সার্বজনীন স্বীকৃত বা নামধারী কোন ইসলামীক আলেম না। কিন্তু তিনি এতো সুন্দর ভাবে বলেছেন.....

৩| ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৪২

শ্রাবণধারা বলেছেন: ওয়াজি হুজুররা যদি সুন্দর সুন্দর কথা বলেন, তাহলে দেখবেন, এদের কথা আর কেউ শুনতে যাবে না। এদের পুরো ব্যবসাটাই ঘৃণার ওপর নির্ভরশীল।

একদিন সকালে কাজে যাওয়ার আগে ফেসবুক খুলেছি দেখি, এক হুজুর মাহরাম ছাড়া নারীদের চলাফেরা করা যাবে না এই বয়ান দিচ্ছেন। ১৫-২০ সেকেন্ড শুনেই বন্ধ করে দিলাম। কিন্তু বিষয়টা মাথায় গেঁথে গেল।

কাজে গেলাম। সকালেই গুরুত্বপূর্ণ মিটিং। মিটিংয়ে যিনি সভাপতি তিনি নারী। ৩০-৪০ কিলোমিটার গাড়ি চালিয়ে কলেজপড়ুয়া ছেলেদের হকি খেলতে যাওয়ার জায়গায় নামিয়ে দিয়ে কাজে এসেছেন। আরেক প্রদেশ থেকে একজন নারী কর্মকর্তা এসেছেন প্রেজেন্টেশন দিতে। রাতে হোটেলে ছিলেন, আজ এই শহরে কয়েকটা মিটিং করে, কাল অন্য প্রদেশে যাবেন প্রেজেন্টেশন দিতে।

এই নারীদের কথা শুনতে শুনতে সেই মাহরাম ছাড়া চলাফেরার বয়ানের কথা মনে পড়ল। প্রাগৈতিহাসিক বানরগুলোকে ফ্লাশ করে দেওয়াটা যে কত জরুরি সেটা উপলব্ধি করলাম!

২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:২১

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
ওয়াজি হুজুরেদের কথা না হয় বাদ দিলাম, একজন সাবেক মেরিন অফিসার যিনি রিটায়ার্ডের পর ইসলামী দ্বীনি কাজে ব্যাস্ত। "হালাকা" নামাজের পর দ্বীনি আলাপকালে এমনটা ও বলেছেন যে- এদেশে মহিলারা গার্মেন্টসে কাজ করে এটাও নাকি একটা পশ্চিমা ষড়যন্ত্র‌। মেয়েরা সেখানে অবাধে পুরুষের সাথে মেলামেশা করে। বাংলাদেশে গার্মেন্টসে কর্মরত মহিলাদের দেড় লক্ষ শিশু বাচ্চা পিতৃপরিচয় হীন। এরা কখনো ইসলামের কোন খেদমতে আসবে না। মসজিদে জুতা চুরি করা ও এক ধরনের প্রি- প্ল্যান্টেড বা ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার।

পরের টা শুনে আবার আপনার জন্যে ভাবনায় পড়ে গেলাম!!!!! যারা জীবিকার তাগিদে খ্রিষ্টান দেশে বসবাস করে তাদের জন্যে জান্নাত হারাম। কানাডা থেকে এখন আপনার জান্নাতে যাওয়ার ব্যাপারে আমি সন্দিহান! দেখেন তাঁদের মাধ্যমে কিছু ডোনেশন দিয়ে যদি জান্নাতে একটি প্লট বুকিং করতে পারেন তাহলে হয়তো ৭০ কি হুরের দেখা পাইলে ও পেতে পারেন ....

৪| ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৪০

আলামিন১০৪ বলেছেন: গালাগাল ছাড়াও যে সমালোচনা করা যায়, ব্লগে এসে ভুলতে বসেছি-

২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৩

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:

শুধু ব্লগে না এইটা ই এখন এদেশে রাজনৈতিক এবং সামাজিক বাস্তবতা। আমরা কেউই হয়তো এর বাইরে না....

৫| ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৪০

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাংলাদেশে এখন হিন্দু ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় শারদীয় দুর্গোৎসব।
....................................................................................................
আজ সকালে পূজা উৎযাপন কমিটির বয়ান শুনছিলাম,
এই বৎসর নাকি সবচেয়ে আনন্দঘন ভাবে, সবচেয়ে বেশী অনুদান পেয়ে তারা
খুশী এবং সর্বত্রখুশীর আমেজ ।

শ্রাবণধারা বলেছেন:@হুজুর মাহরাম ছাড়া নারীদের চলাফেরা করা যাবে না এই বয়ান দিচ্ছেন।
.......................................................................................................
এই বি ষয়টি সৌদী থে কে ধার করে ছে, ঐ গাধার বাচ্চাদে র মগজ ধোলাই হয়ে ছে ।

২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
আজ সকালে পূজা উৎযাপন কমিটির বয়ান শুনছিলাম,
এই বৎসর নাকি সবচেয়ে আনন্দঘন ভাবে, সবচেয়ে বেশী অনুদান পেয়ে তারা
খুশী এবং সর্বত্রখুশীর আমেজ ।


নির্বাচিত সরকার আসাতে বোঝা যাচ্ছে ওনারা কিছুটা স্বস্তি আর নিরাপদ বোধ করছে।
ঢাকার কিছু প্রধান সড়কে প্রতিমা বিসর্জনের ট্রাক গান আর নাচানাচি দেখলাম।
শাঁখারী বাজার সহ পুরান ঢাকার হিন্দু এড়িয়াতে আরো বেশি আয়োজন হওয়ার কথা...

৬| ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৯

অর্ক বলেছেন: শেখার জায়গার এতো অভাব পড়ছে! ওদের তো আমি বানর আর মানুষের মাঝামাঝি প্রাণী মনে করি। দু'জন মানুষের কতো পার্থক্য দেখলেন!

২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৪

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:


সামান্য কিছু অর্থের বিনিময়ে এক হুজুর সারা সন্ধ্যা বসুন্ধরা মালিকের গুণগান গেয়ে দোয়া করলেন।
উনাদের নীতি নৈতিকতা রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মতোই কলুষিত....

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.