নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস...খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে...কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়।আমার অদক্ষ কলমে...যদি পারো ভালোবেসো তাকে...ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে,যে অকারণে লিখেছিল মানবশ্রাবণের ধারা....অঝোর

জুল ভার্ন

এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস... খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে... কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়। আমার অদক্ষ কলমে... যদি পারো ভালোবেসো তাকে... ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে, যে অকারণে লিখেছিল মানব শ্রাবণের ধারা.... অঝোর শ্রাবণে।।

জুল ভার্ন › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরো...

২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫২

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরোচ.....

বিপ্লবের লক্ষ্য কী- পরিবর্তন, নাকি প্রদর্শন?
বাংলাদেশে জেন-জি স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে; কিন্তু প্রশ্ন- স্বৈরাচার গেছে, স্বৈরাচারী মানসিকতা কি গেছে?
যে তরুণ প্রজন্ম গণতন্ত্র, অধিকার ও মর্যাদার দাবিতে রাজপথ কাঁপিয়েছিল, তাদেরই একটি অংশের মধ্যে যদি গালাগালি, অশ্রদ্ধা, মব-সংস্কৃতি ও আইন অমান্য করার প্রবণতা জায়গা করে নেয়, তাহলে সেই বিপ্লবের সামাজিক অর্জন কোথায়?

স্বৈরাচার উৎখাত করা বিপ্লবের একটি অধ্যায়; নিজের আচরণে সভ্যতা প্রতিষ্ঠা করা তার পরবর্তী পরীক্ষা।
অন্যদিকে, ভারতের তরুণ প্রজন্মের কিছু অংশের প্রতিবাদ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রদর্শনকেন্দ্রিক সংস্কৃতি নিয়েও প্রশ্ন তোলা যায়। প্রতিবাদের বিষয়বস্তুকে ছাপিয়ে যদি পোশাক, শরীর প্রদর্শন কিংবা ভাইরাল হওয়ার প্রতিযোগিতাই মুখ্য হয়ে ওঠে, তাহলে মূল বক্তব্যটাই আড়ালে পড়ে যায়।

ককরোচঃ ভারতেও জেন-জির একটি অংশের প্রতিবাদী সংস্কৃতি নিয়ে আবির্ভূত হয়েছে, যাদেরকে ককরোচ বলা হয়। প্রশ্নঃ প্রতিবাদের মূল বক্তব্য, সামাজিক দাবি কিংবা রাজনৈতিক সচেতনতাকে সামনে না রেখে যখন শরীর প্রদর্শন, যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ অঙ্গভঙ্গি এবং ভাইরাল হওয়ার প্রতিযোগিতা মুখ্য হয়ে ওঠে, তখন প্রশ্ন জাগে- এটি কি সত্যিই প্রতিবাদ, নাকি প্রতিবাদের মোড়কে নিছক প্রদর্শন?

তবে পোশাকের স্বাধীনতা আর অশ্লীলতা এক বিষয় নয়; প্রতিবাদের স্বাধীনতাও দায়িত্বহীনতার ছাড়পত্র নয়।
প্রশ্নটা বাংলাদেশ কিংবা ভারতের নয়- প্রশ্নটা তরুণ প্রজন্মের মূল্যবোধ, দায়িত্ববোধ ও পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে।
বিপ্লবের সার্থকতা গালাগালিতে নয়, যুক্তিতে; মবের শক্তিতে নয়, আইনের শাসনে; প্রদর্শনে নয়, চিন্তার গভীরতায়।
প্রজন্ম বদলালেই সমাজ বদলায় না। সমাজ বদলায় তখনই, যখন নতুন প্রজন্ম পুরোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর পাশাপাশি নিজের আচরণেও নতুন সভ্যতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

★স্পষ্ট করে বলছি- কে কি পোশাক পরবেন, তা তাঁর ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। কিন্তু পোশাকের স্বাধীনতা আর যেকোনো আচরণকে সমালোচনার ঊর্ধ্বে রাখার দাবি এক বিষয় নয়। পোশাকের দৈর্ঘ্য দিয়ে কারও চরিত্র নির্ধারণ করা যায় না; একইভাবে স্বাধীনতার দোহাই দিয়ে প্রতিটি প্রদর্শনকেও অর্থবহ প্রতিবাদ বলা যায় না।
প্রতিবাদের শক্তি শরীর প্রদর্শনে নয়, বক্তব্যের গভীরতায়; ভাইরাল হওয়ার সক্ষমতায় নয়, সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার ক্ষমতায়।
বিপ্লব হোক কিংবা প্রতিবাদ- লক্ষ্য যদি হয় সমাজ বদলানো, তাহলে প্রশ্ন করতে হবে: আমরা কি মানুষের চিন্তা বদলাচ্ছি, নাকি কেবল মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি?

মন্তব্য ১ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৫৩

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বিপ্লব হোক কিংবা প্রতিবাদ- লক্ষ্য যদি হয় সমাজ বদলানো,
তাহলে প্রশ্ন করতে হবে: আমরা কি মানুষের চিন্তা বদলাচ্ছি,
নাকি কেবল মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি?

..................................................................................
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কথা, কিন্ত এর সুষ্ঠু আলোচনা, তর্ক, বিতর্ক করে
সঠিক অবস্হান করার সময় চলে যাচ্ছে । অমিত সম্ভাবনা দেখেছিলাম
কিন্ত রাজনীতির মাঠ ও নেতারা ঐ পরিমানে জ্ঞানী নয় ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.