নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষ মরে গেলে পঁচে যায় আর বেঁচে থাকলে বদলায়

সৈয়দ কুতুব

নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!

সৈয়দ কুতুব › বিস্তারিত পোস্টঃ

এনসিপি কেন পারল না ?

১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:১৬


প্রশ্নটা শুনতে বেশ ভারী আর দার্শনিক ঠেকছে, তাই না? সোশ্যাল মিডিয়ার ইনটেলেকচুয়াল থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের গম্ভীর প্রফেসর , সবাই ইদানীং কপালে ভাঁজ ফেলে এই এক প্রশ্নই করছেন। নেপালের জেন-জি অভ্যুত্থানের নায়করা ক্ষমতায় যেতে পারল, কিন্তু বাংলাদেশের এনসিপি কেন পারল না? চমৎকার বিতর্ক ! শুধু সমস্যা একটাই—তুলনাটা করার আগে যে তুলাদণ্ডটা ঠিকঠাক মিলিয়ে নেওয়া দরকার ছিল, সেই শ্রমটুকু কেউ দেন নি ।

একটু নেপালের দিকে তাকানো যাক। রবি লামিছানে কিন্তু আকাশ থেকে টুপ করে পড়েননি। তিনি আমেরিকায় সাধারণ অভিবাসী হিসেবে সাবওয়ে রেস্টুরেন্টে কাজ করেছেন, সেখান থেকেই সাংবাদিকতায় পড়াশোনা। ২০১৭ সালে আমেরিকান নাগরিকত্ব বিসর্জন দিয়ে দেশে ফিরে ‘সিধা কুরা জনতা সঙ্গ’ শো-তে মন্ত্রী-আমলাদের ঘাম ছুটিয়ে ছাড়তেন। ২০১৩ সালে টানা ৬২ ঘণ্টার টক শো করে গিনেস রেকর্ড গড়া এই মানুষটি বছরের পর বছর জনমানুষের বিশ্বাস অর্জন করেছেন। এরপর ২০২২ সালে যখন রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি) গড়লেন, তখন তার পেছনে ছিল দীর্ঘ লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা।

আবার বালেন্দ্র শাহর কথাই ধরুন। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করে ভারত থেকে স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার্স করা এই তরুণ ২০১২ সাল থেকেই র‍্যাপ সংগীতের মাধ্যমে সমাজের পচন ধরিয়ে দিচ্ছিলেন। ২০২২ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কাঠমান্ডুর মেয়র হয়ে তিনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আর স্বচ্ছতার যে নজির গড়েছেন, তা মিথ হয়ে গেছে। তাকে যখন অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান হওয়ার টোপ দেওয়া হলো, তিনি সগৌরবে তা প্রত্যাখ্যান করে বলেছিলেন; আমি ভোটে জিতেই আসব। ২০২৫-এ এসে যখন এই দুই পরীক্ষিত জননেতা এক হলেন, তখনই আরএসপি অজেয় শক্তিতে পরিণত হলো। এটাই তাদের আসল ম্যাজিক।

উল্টো দিকে এনসিপির যাত্রাটা যেন অনেকটা রেডিমেড গল্পের মতো। আন্দোলন হলো, সরকার পড়ল, আর অমনি দলের নেতারা নতুন সরকারের উপদেষ্টা সেজে বসলেন ! ডিসি-এসপি পদায়নের মতো প্রশাসনিক সুবিধাও তাদের হাতের নাগালে চলে এল। এমনকি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসও তাদের প্রতি যে বিশেষ উষ্ণতা দেখিয়েছেন, তা একজন নিরপেক্ষ অভিভাবকের সাজে কি খুব একটা মানানসই ছিল? নেপালের অন্তর্বর্তী প্রধান সুশীলা গার্কি কিন্তু কেবল নির্বাচনটাই করিয়েছিলেন, কোনো বিশেষ দলের পিঠ চাপড়ে দেননি। পার্থক্যটা ঠিক এখানেই।

এখন অনেকে অজুহাত দিচ্ছেন যে বিএনপি-জামায়াতের মতো বিশাল ভোটব্যাংকের সামনে মাঠ নাকি খুব কঠিন ছিল। মেনে নিলাম। কিন্তু একটু ঠান্ডা মাথায় ভাবুন আরএসপি কোনো রাষ্ট্রীয় আনুকূল্য ছাড়াই একদম সহজ মাঠে গোল দিয়েছে, আর এনসিপি সব রকম রেফারি সাপোর্ট পেয়েও কঠিন মাঠে খেই হারিয়ে ফেলেছে। তাহলে তুলনাটা আসলে কার পক্ষে যাচ্ছে? তার ওপর দলটির গায়ে লেগেছে চাঁদাবাজি, ধর্ষণ আর মব কালচারকে প্রশ্রয় দেওয়ার মতো গুরুতর সব অভিযোগ। এগুলো কোনো রটনা নয়, একদম শ্রীঘর আর মামলার নথিপত্র। আরএসপির খাতায় এমন কালিমার ছিটেফোঁটাও নেই।

সবচেয়ে বড় গোলমালটা পাকিয়েছে তাদের মতাদর্শ নিয়ে। এনসিপি নিজেদের মধ্যপন্থী দাবি করলেও তাদের আসল চেহারাটা আসলে ধোঁয়াশায় ঘেরা। মুখে প্রগতিশীলতার বুলি অথচ কাজে বারবার কট্টর ডানপন্থার দিকে ঝুঁকে পড়া - এই দ্বিচারিতা সাধারণ মানুষ ধরে ফেলেছে। জামায়াতের সাথে জোট করবে না বলে কসম কেটে শেষে সেই নির্বাচনী সমঝোতাতেই যাওয়া ! অর্থাৎ, নিজেদের ঘর সামলাতেই তারা হিমশিম খাচ্ছিল। বিশেষ করে নারী অধিকারের প্রশ্নে তাদের অস্পষ্ট অবস্থান আর নারীবিরোধী শক্তির সাথে গোপন আঁতাত বলে দেয়-তাদের পরিবর্তনের দাবিটা আসলে কতটা ফাঁপা ছিল।

আসলে আমরা ভুল অংকে উত্তর খুঁজছি। আরএসপি আর এনসিপি কক্ষনোই এক জিনিস নয়। একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ফসল, অন্যটি স্রেফ অ্যাক্টিভিজমের জোয়ারে ভেসে আসা এক অপক্ক আয়োজন। একটি নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে, অন্যটি রাষ্ট্রীয় ছাতার নিচে রোদ পোহাতে চেয়েছে। এই দুইয়ের তুলনা করা মানে হলো: দুই দৌড়বিদের একজন সাইকেলে চড়ে এসেও হেরে গেছেন, আর আমরা গভীর উদ্বেগে ভাবছি পায়ে হেঁটে আসা লোকটা কেন জিতল ! রাজনীতিতে মোড়ক বদলালেই ভেতরের জিনিস বদলায় না ; এটা বুঝতে বাংলাদেশের মানুষের বেশি সময় লাগেনি ।

নেপালে আরএসপি পারল, বাংলাদেশে এনসিপি কেন পারল না - প্রথম আলো

মন্তব্য ২০ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২০) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৫৫

ঊণকৌটী বলেছেন: নেপালের জনগণের মধ্যে সত্যিকারের দেশপ্রেম আছে, তারা সর্বোচ্চ দেশের হিতসাধনকারী কে সেইটা বুঝতে পেরেছেন |

১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৫৯

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ভারতের জনগণ কবে বুঝবে মোদি যে সমাজ কে বিভাজিত করে ফেলেছে ? কোনো কারণ ছাড়াই মুসলিম দের মারে , খুন করে বিজেপি আর আরএসএস জল্লাদেরা ।

২| ১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:২৬

মেঠোপথ২৩ বলেছেন: যে পরিমান ইফতার পার্টি, মৌজ মাস্তি নিয়ে বিলাসী জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে এনসিপির নেতারা , তাতে এনসিপির সামনে সুন্দর কোন ভবিষ্যত দেখতে পারছি না।

১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১২

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমি এনসিপির ফিউচার নিয়ে ভাবি না । আমি ভাবছি যে যা যারা তুলনা করছে উহারা কি বুঝে নেপালের সাথে তুলনা করছে ?

৩| ১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৩৭

ধুলো মেঘ বলেছেন: জুলাই বিপ্লব একটা অসাধারণ ঐতিহাসিক মাইলফলক হতে পারত। এই বিপ্লবের অর্জন খেয়ে ফেলেছে মূলত তিনটি ঘটনাঃ
১। অনলাইন দেবতা পিনাকী-ইলিয়াসের ডাকে ৩২ নং ধানমন্ডি অসভ্য জানোয়ারের মত গুঁড়িয়ে দেওয়া।
২। হাদী হত্যাকান্ডের বিচার দাবীতে ভারতীয় দূতাবাসকে টার্গেট করে হামলার চেষ্টা করা, হাসানাত আবদুল্লাহ কর্তৃক সেভেন সিস্টার স্বাধীন করে দেবার শিশুসুলভ হুমকি।
৩। প্রথম আলো - ডেইলি স্টারের সামনে গরু জবাই ও জিয়াফত পর্যন্ত ঠিক ছিল, কিন্তু অগ্নিসংযোগ করে সাংবাদিক হত্যার চেষ্টা, ছায়ানট ও উদীচির কার্যালয়ে হামলা - এই সো কল্ড জেনজিকে বর্বর হিসেবে চিহ্নিত করে দিল।

১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার কথা সঠিক ।

৪| ১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৫২

মেঠোপথ২৩ বলেছেন: এনসিপির অর্থের উৎস সম্পর্কে আমার বিড়াট কৌতুহল। কোণ প্রকার আয় রোজগার ছাড়াই নেতারা বিলাসি জীবন যাপন করছে । রমজান মাসে প্রতিদিন যে ধরনের বিলাসবহুল ইফতার পার্টি থ্রো করছে তাতো অবিশাষ্য ! টাকা কি ভুতে জোগাচ্ছে ? আসিফ মাহমুদকে দুদক যেভাবে ক্লীন ইমেজ বলে ছাড় দিয়েছে তা কি কোনভাবে বিশ্বাস করা যায় ? নিজেদের আয়ের উৎসের কোন ঠিক ঠিকানা নাই কিন্তু অন্যদের চাঁদাবাজ চাঁদাবাজ বলে চেচালে আর কিছুদিন পরে আর জনগনের মাঝে এদের বক্তব্য গ্রহনযোগ্যতা আর পাবে না।

১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: যখন সুযোগ পেয়েছে একটু বিলাসি জীবন যাপন করলে ক্ষতি নেই ।

৫| ১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৫৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



জামাতের সাথে জোটে না গেলে নীজ শক্তিতে কটা সিট পেত?
নাকি জামানত হারাত ?
এই বিষয়টি নিয়েও কিছু কথা বলুন ।

১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনাকে আমার পারসোনাল মতামত শেয়ার করছি ; এনসিপিকে বিএনপি ছয় আসন ছেড়ে দিতে রাজি হয়েছিলো। তবে সরকারে নিতে রাজি হয় নি । বিএনপি-জামায়াত নিজেদের মাঝে আলোচনা করে ঠিক করেছে এনসিপিকে বিরোধী দলে রাখবে । তাই জামায়াতের সাথে জোট বেধেছে । সরকারি দলে থাকলে রাতারাতি পপুলারিটি কমে যাবে আর বিরোধী দলে থাকলে পপুলারিটি বাড়ে । এটাই বাংলাদেশের পলিটিক্স ।

আপনি খেয়াল করলে দেখবেন যে বিএনপি যেমনটি বলেছিলো ছয় আসন ছাড় দিবে এনসিপিও ছয় আসনই পেয়েছে । এর বাহিরে মিরজা আববাস এর আসন নিয়ে যেতে চেয়েছিলো কিনতু বিএনপি কঠোর হয়ে যায় ; তাই নাসির জিততে পারে নি । সবই নিজেদের মাঝে সমঝোতার ফলাফল ।

৬| ১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:০৩

রাসেল বলেছেন: আমাদের নীতিবান সাংঘাতিকরা সরকারের খুব তোষামোদ করিতেছে।

১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২১

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এটা নিয়ে আলাদা আলোচনার দাবি রাখে ।

৭| ১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:২১

আব্দুল হাদী আল নাফী খান বলেছেন: এনসিপি কোন আদর্শিক নেতার ছায়ায় আসতে পারেনি। বাংলাদেশে কোন সুস্থ, বিবেকবান ও নির্লোভ নেতৃত্ব সর্বশেষ কবে এসেছে- তাও একটা প্রশ্ন। আর নেতৃত্বে গিয়ে কোন স্বচ্ছতার বা ত্যাগের দৃষ্টান্তও তারা দেখাতে পারেনি যাতে মানুষ আকর্ষিত হবে। হয় তারা আগেই কলুষিত ছিল কিংবা ক্ষমতা তাদের কলঙ্কিত করে ফেলেছে। উদাহরন হিসেবে বলা যায়, নাহিদ তার আয়ের উৎস বলেছে- পরামর্শ দেয়া- চোখ বন্ধ করে বলতে পারি- এটা সুস্পষ্ট মিথ্যা।
সরকারপ্রধান হিসেবেও তারা পছন্দ করেছে লোভী এক লোক- যে ত্যাগ করবে কী? ক্ষমতায় ঠিকমত বসার আগেই নিজের স্বার্থ উদ্ধারে নামতে এক লহমা দেরী করে নাই। দেড় বছর ক্ষমতায় থেকে কয়টা ভাল জিনিস করতে পেরেছে?
আমাদের দরকার ছিল নতুন নেতৃত্ব তৈরি করা- আদর্শ ও ন্যায় সমাজে সঞ্চারিত করা- যেটা আমরা ভুলে গিয়েছি। সে সুযোগ এসেছিল। লোভী ইউনুস আর এনসিপির শীর্ষ কজন- সেটা উচ্ছন্নে দিয়েছে।

১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ভেতরের কথা গড়গড় করে বলে দিলেন; ইহা যদি সবাই বুঝতো তাহলে কাজই হয়েছিলো । :-*

৮| ১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:২৭

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



এন,সি,পি ভাগ হয়ে যাওয়ায় মূল ক্ষতিটা হয়েছে।

ভবিষ্যতে যদি ডা; তাসনিম জারাদের মতো লিডাররা আবার একীভূত হোন, তখন এনসিপি একক ভাবে নির্বাচনে বেরিয়ে আসবে।

(উপরের মন্তব্য মুছে দিবেন, প্লিজ। টাইপো ছিলো)

১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি এনসিপিতে যোগ দিয়ে ভুল করেছেন ; সরাসরি জামায়াতে যোগ দিলেই ভালো হতো । আমির হামজা যেহেতু এমপি হতে পেরেছেন নেক্সট টাইম আপনিও হতে পারবেন আশা করি । জামায়াতে আইডিয়াবাজ মানুষজনের বড়োই সংকট ।

৯| ১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৫৮

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: উনারা সবাই দেশপ্রেমিক, একমাত্র উনারাই পারেন দেশে ইনসাফ কায়েম করতে।

বেশী কথা বলে লাভ নেই, শুধু বসে বসে দেখে যান।

১১ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:০৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ইনসাফ কায়েম করতে গিয়ে হাতিয়াকে কাকে যেন রেইপ করেছে সোনার ছেলেরা । একটা গান শেয়ার করছি । ছোটো ভাই বেরাদার রা বানিয়েছে শুনে মজা পাবেন ।

https://youtu.be/Jvrf9Yj43ZI?si=sHZAyedX8hb31edy

এদের গান শুনলে আপনার মন ভালো হয়ে যাবে ।

১০| ১১ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:০৩

আমি নই বলেছেন: বাংলাদেশে পাগল এবং শিশু ছারা সবাই ধান্দাবাজ একারনেই অন্য দেশ পারলেও বাংলাদেশ পারেনা।

১১| ১১ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:৩৫

শ্রাবণধারা বলেছেন: এনসিপিরা একেবারে খাস বাংলাদেশি, তার উপর আবার একটু বর্বর শ্রেণির জঙ্গি টাইপও আছে। তার উপর চুপা শিবির। কিভাবে পারবে?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.