নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষ মরে গেলে পঁচে যায় আর বেঁচে থাকলে বদলায়

সৈয়দ কুতুব

নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!

সৈয়দ কুতুব › বিস্তারিত পোস্টঃ

কমরেড তারেক রহমান , লাল সেলাম ।

১৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১:৪৮


ভোটের কালি নখ থেকে মোছার আগেই তিনি কাজ শুরু করেছেন। এই কথাটা তিনি নিজেই বলেছেন, গতকাল, ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে। আর এই কথাটা পড়ে আমার বুকের ভেতরে একটা উষ্ণতা অনুভব করেছি , যেটা আগে কখনো আসেনি। বাংলাদেশ অনেক নেতা দেখেছে। কিন্তু যিনি ক্ষমতায় বসেই পিছিয়ে পড়া মানুষের কথা ভাবেন, যিনি বৈষম্য দূর করার কথা শুধু বক্তৃতায় না বলে সত্যিই বরাদ্দ দেন, তারেক রহমান সেই বিরল প্রজাতির নেতা। পঁচিশ দিনে তিনি যা করেছেন, সেটা একটু গুছিয়ে বলা দরকার, কারণ এত কিছু একসাথে হয়েছে যে অনেকের চোখ এড়িয়ে গেছে।

প্রথমেই কৃষক। দেশের বারো লাখ প্রান্তিক কৃষক, যারা দশ হাজার টাকার ঋণ শোধ করতে পারেননি, যারা ব্যাংকের খাতায় বছরের পর বছর খেলাপি হয়ে বসে ছিলেন তাদের সেই ঋণ মাফ হয়ে গেছে। পনেরোশো কোটি টাকা। শুধু এই একটা সিদ্ধান্তের জন্য। এই মানুষগুলো এখন আবার ব্যাংকে যেতে পারবেন, নতুন ঋণ নিতে পারবেন, নতুন মৌসুমে চাষ করতে পারবেন। এর দাম কি টাকায় পরিমাপ করা যায়?

তারপর জ্বালানি। ইরানে যুদ্ধ লেগেছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলছে না ঠিকমতো, বিশ্ববাজারে LNG এর দাম তিন মাসে দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এই মুহূর্তে একজন দুর্বল নেতা হাত গুটিয়ে বসে থাকতেন, দাম বাড়িয়ে দিতেন, মানুষকে বলতেন সহ্য করতে। তারেক রহমান সেটা করেননি। চব্বিশ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে আলো জ্বালিয়ে রেখেছেন। গ্যাস চালু রেখেছেন। সিদ্ধান্তটা কঠিন ছিল, কিন্তু তিনি নিয়েছেন।

এরপর যে কাজটা করেছেন সেটা হয়তো সবচেয়ে কম আলোচনা হয়েছে, কিন্তু আমার কাছে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ। দেশের মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জেম, খাদেম -মন্দিরের পুরোহিত, সেবাইত - বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ -গির্জার যাজক - এই মানুষগুলো প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মানুষের পাশে থেকেছেন, জীবনের কঠিন মুহূর্তে পরামর্শ দিয়েছেন, কিন্তু রাষ্ট্র কোনোদিন তাদের দিকে ফিরেও তাকায়নি। আজ থেকে প্রতি মাসে তারা সম্মানী পাবেন। ইমাম পাবেন পাঁচ হাজার, মোয়াজ্জেন তিন হাজার, খাদেম দুই হাজার। পুরোহিত পাঁচ হাজার, সেবাইত তিন হাজার। প্রতি বছর চার হাজার চারশো কোটি টাকা। চার বছরে সতেরো হাজার ছয়শো কোটি। এই মানুষগুলো এত বছর পরে অবশেষে রাষ্ট্রের কাছ থেকে একটু স্বীকৃতি পেলেন।

ফ্যামিলি কার্ড চালু হয়েছে, পর্যায়ক্রমে চার কোটি পরিবারের নারী প্রধানরা মাসে আড়াই হাজার টাকা পাবেন। চৌদ্দই এপ্রিল থেকে কৃষক কার্ড আসছে। ষোলোই মার্চ থেকে দিনাজপুরে খাল খনন শুরু হচ্ছে। প্রতিটা ঘোষণায় তারিখ আছে, প্রতিটায় মানুষের নাম আছে।

এত কিছুর মাঝে একটা ছোট্ট খবর চাপা পড়ে গেছে। দেশের পনেরো লাখ সরকারি কর্মচারীর বেতন কমিশনের জন্য চল্লিশ হাজার কোটি টাকা আলাদা রাখা ছিল। সেই টাকার উনচল্লিশ হাজার আটত্রিশ কোটি সাত লাখ টাকা এই সব কাজে চলে গেছে। বেতন কমিশন এ বছর আর হচ্ছে না। কিন্তু সরকারি কর্মচারীরা তো পচা , এটা সবাই জানে। তাদের বেতন না বাড়লে কারো খুব একটা মাথাব্যথা নেই।

আসলে এটাই সত্যিকারের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা। যে শ্রেণিকে সমাজ আগে থেকেই অপছন্দ করে, তার বরাদ্দ সরিয়ে যাদের সমাজ ভালোবাসে তাদের দিলে কেউ প্রশ্ন করে না। কৃষক ভালো, ইমাম ভালো, গরিব নারী ভালো ; শুধু সরকারি কর্মচারী খারাপ। এই সমীকরণটা মাথায় রেখে বাজেট বানালে রাজনীতি অনেক সহজ হয়ে যায়।

মার্ক্স বলেছিলেন ধনীর থেকে নিয়ে গরিবকে দাও। তারেক রহমান সেটা একটু ঘুরিয়ে করেছেন। সরকারি কর্মচারদের বেতন-ভাতা থেকে নিয়ে, ব্যাংককে দিয়েছেন, জ্বালানি কোম্পানিকে দিয়েছেন, ধর্মীয় নেতাদের দিয়েছেন, আর চার কোটি পরিবারকে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আয় এখনো সেভাবে আসেনি, কিন্তু খরচ দারুণ গতিতে এগোচ্ছে। সমাজতন্ত্রে আয়ের আগে ব্যয় করাটাই আসল সাহস। সেই সাহস তারেক রহমানের আছে, এটা এখন পরিষ্কার। লাল সালাম, কমরেড।

মন্তব্য ৩০ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৩০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ২:০৫

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: তাহলে আমার আশার গাছে
ফল ফলতে শুরু করেছে ?

.......................................................
এতে চাঁদগাজীর আপত্তি নেই তো ?

১৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ২:১০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: চাঁদগাজীর আপত্তি কেন থাকবে ? তিনি নিজেই আরেক কমরেড । :)

২| ১৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ২:২৯

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: তিনি কমরেড তারেক রহমান বলতে চাননা,
বলেন খাম্বামিয়া !

...............................................................
প্রযুক্তির যুগে, আমগাছে লিচু ফলে,
অতএব, আমরা ব্যতিক্রম আশা করতে পারিনা ???

১৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ২:৩২

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: তারেক রহমান যে গতিতে কাজ করছেন গাজি সাহেব একদিন নিজে থেকেই বলবেন আমার ভুল হয়ে গেছে । :)

৩| ১৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:৩৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



যে ভাবেই হোক, মানুষে বলতে পারবেনা তারেকের নারকীয় কাজ।
পক্ষান্তরে বলবে তারেকের মানবীয় কাজ , এখন দেখবেন
আন্তর্জাতিক পুরস্কার কেমন করে আসে, চাই কি
মানবীয় কাজের জন্য অনারারি ডক্টরেট
মিলে যেতে পারে অচিরেই ।
খাম্বা মিয়া হতে উত্তরণ
ঘটতে পারে জাতির
উন্নতির স্তম্ভ মিয়ায় ।

শুভেচ্ছা রইল

১৫ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:০০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: তারেক রহমান জাদু দেখাচছেন ।

৪| ১৫ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:৪২

রিফাত হোসেন বলেছেন: এসব পে টে আর না থাকলেও চলবে! টেবিলের নিচে আগে রফা হত, এখন ডাবল দফা হবে। যাদের টেবিল নাই তারাও বাদ যাবে না। এইবার চ্যাম্পিয়নের বড় কিছু থাকলে, সেটাও ক্রস হলে অবাক হব না।

১৫ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:০১

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি যে বিষয়ে আলোকপাত করেছেন সেটার ভয় সবার মনের মাঝেই রয়েছে বিএনপি সরকার কে নিয়ে ।

৫| ১৫ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:৪২

কলাবাগান১ বলেছেন: আপনি এটাকে বড় জোড় বলতে পারেন অনউৎপাদন (বানান পারি না) খাতে ব্যয়...দেশের পাচ পয়সার উপকার হবে না....গিমিক... দেশে ব্রিলিয়ান্ট শিক্ষক/গবেষক ছাত্র/ছাত্রী রা ধুকছে কোন গবেষনায় ফান্ডিং নাই বিধায়....সামান্য কিছু ফান্ডিং গবেষনা ক্ষাতে একটা দেশকে বিরাট সাফল্য এনে দিতে পারে...। ছাত্র/ছাত্রী রা পাশ করে বের হচ্ছে কিন্তু কোন ট্যাকনিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড ছাড়া, তাই তারা আমেরিকার/পশ্চিমা বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয় গুলিতে উচ্চ শিক্ষার তেমন সুযোগ পাচ্ছে না যেখানে লক্ষ লক্ষ ভারতীয়/চীন ছাত্র/ছাত্রী দ্বারা উন্নত বিশ্বের গবেষনাগার গুলি পরিপূর্ণ

এই দোষ ৫৪ বছর এর ধরে থাকা সব সরকার এর উপর বর্তায়....

আমেরিকাতে বাংলাদেশ এম্বাসিকে অনুরোধ করেছিলাম যে, বাংলাদেশের ইকনমিতে উপকার হবে এমন রিসার্চ করা আমেরিকার ল্যাবগুলিতে সরকারিভাবে ফান্ডিং কার জন্য..। অনেক দেশেই করে থাকে.... সারজীবন তো উন্নত বিশ্ব থেকে 'ভিক্ষা' করেই গেল বাংলাদেশ....। এখন কিছুটা প্রতিদান দিক না...। এম্বাসি হয়ত আমার ইমেইল পড়েও দেখে নাই উত্তর পাওয়া তো দুরের কথা

১৫ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:০২

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কি আর করা যাবে বলুন । এভাবে দিন চলে যাবে।

৬| ১৫ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:০১

শ্রাবণধারা বলেছেন: মার্ক্স সত্যি কি এটা বলেছিলেন না কি- ধনীর থেকে নিয়ে গরিবকে দাও? হা হা :) :)

বিএনপির এই সবই অসম্ভব ভালো উদ্যোগ। এই সুবিধাগুলো যদি তারা সত্যিই প্রান্তিক নারী ও প্রান্তিক কৃষকদের কাছে পৌঁছাতে পারে, তাহলে সেটা খুব বড় কাজ হবে- যেটা এতদিন বাংলাদেশে কেউ করেনি।

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে গরিব মানুষকে মাসে আড়াই হাজার টাকা দেওয়া অনুৎপাদনশীল নয়। এটা হলে অনেক দরিদ্র ছেলে-মেয়ে শিশুশ্রমে জড়িয়ে পড়ার বদলে স্কুলে যেতে পারবে, পড়াশোনা শিখতে পারবে। অন্তত তারা যদি দুই বেলা খাবার খেতে পারে, তাহলে জীবিকা নিয়ে নতুন করে ভাবার ও কাজ করার সুযোগ পাবে।

১৫ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:০৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জনাব আপনার সাথে একমত ।

৭| ১৫ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:২৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

এখন সাধারণ মানুষদের জন্য কাজ করতে হবে।

১৫ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:০৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: যাদের ভাতা দিলো এরা কেউই অসাধারণ না।

৮| ১৫ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:২৬

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
একটি বিষয় লক্ষ্যণীয় বিনা পরিশ্রমে অর্জিত থাকার কোন মূল্য দেয় না বাংলাদেশের মানুষ।

১৫ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:০৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সঠিক ।

৯| ১৫ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:১৩

রাসেল বলেছেন: আপনার উল্লেখিত উদ্যোগের জন্য সাধুবাদ জানাই। অর্থনৈতিক উন্নয়নের (অবকাঠামো উন্নয়ন, নতুন শিল্প ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কৃষির আধুনিকায়ন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তা, ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রসার এবং দক্ষ মানবসম্পদ) কি উদ্যোগ দেখতে পেলেন? চাঁদাবাজির বেলায় কিন্তু পুরোনো ঐতিহ্য অটুট—আগের মতোই চলছে, যেন “পূর্বাবস্থা সংরক্ষণ প্রকল্প” বেশ সফল!

১৫ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:০৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: লিডার হয়তো এসব দিকেও নজর দিবেন ।

১০| ১৫ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:০৫

নতুন বলেছেন: তারেক রহমানের শুরুটা খুবই ভাল হয়েছে।

চাদাবাজী, দূনিতির বিরুদ্ধে তার পদক্ষেপে তার দলের মানুষও নাখোশ হওয়া শুরু করেছে। এটা ভালো লক্ষন।

তবে আশা করি তিনি দলের বড় নেতাদের সমর্থন পাবেন এবং চাদাবাজী, দূনিতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সবাই এগিয়ে আসবে।

যদি বিএনপি জনগনের কাছে যেতে না পারে তবে মধ্যবর্তী নিবাচন এবং জামাতের আগমন দেখার সম্ভবনাই বেশি।

আশা করি তিনি ইমাম, মন্দিরের সাহাজ্যর পর্ব শেষ করে অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কাজ শুরু করবেন ।

১৫ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:০৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার সাথে একমত ।

১১| ১৫ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:২৮

মোগল সম্রাট বলেছেন:

৫৬০ টা মসজিদ বানায়া যেমন হাসিনা তার পতনকে তরান্বিত করেছিলো ঠিক তেমনি ইমাম মোয়াজ্জেন, পুরোহিত, ভিক্ষুদের মাসে মাসে সম্মনি চালু করলে তারেক জিয়ার পতন আরো দ্রুত হয়ে যাবে।

এটা আামর প্রেডিকশন। মিলে গেলে আমি দায়ী না।



১৫ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:০৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: তারেক রহমানের পরিণতি শেখ হাসিনার মতো হবে না । একটা বিশেষ কারণ আছে ।

১২| ১৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১২

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: ধর্মীয় উপসনালয়ে কাজ করার জন্য কারো বেতন/ভাতা হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি না। ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত বা যাজক হওয়া উচিত স্বপ্রোনোদিত হয়ে। এগুলো ধর্মীয় কাজ, টাকা দিয়ে করানো হলে সেখানে ধর্মীয় ভাবাবেগ বলে কিছু আর অবশিষ্ট থাকে না। পাশাপাশি এসব উপাসনালয়গুলো হতে সকল রকম শব্দ-দূষণকারী মাইক সরিয়ে নেয়া উচিত, স্পিকার থাকলে সমস্যা দেখছি না, বিশেষ করে ঢাকা শহরে। এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত। ধন্যবাদ।

১৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ, বেশ চিন্তাশীল একটি মন্তব্য করেছেন।

১৩| ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:০৫

রাজীব নুর বলেছেন: জনাব, তারেক জিয়া কিন্তু সিটিকরপোরেশনের ঝাড়ুদার, পিয়ন, মেথরদের ইদ উপলক্ষে ৫ হাকার করে টাকা দিয়েছেন।

১৬ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:১৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শেখ হাসিনার চেয়ে ভালো কাজ করেছেন .। :)

১৪| ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:১০

রাজীব নুর বলেছেন: তারেক সাহেব এখনও কমরেড হতে পারেননি।

১৬ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:১৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার চোখে কেবল শেখ হাসিনাই কমরেড ।

১৫| ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৩৬

এইচ তালুকদার বলেছেন: ভালো লিখেছেন। দেখা যাক ভবিষ্যতে কি হয়।

১৭ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:২৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সবাই খুব আশা করছেন যে তারেক রহমান এবার ভালো করবেন ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.