| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৈয়দ কুতুব
নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!

এশার নামাজ শেষ হয়েছে বেশিক্ষণ হয়নি। মসজিদের ভেতর রফিকুল্লাহ সাহেব একা বসে আছেন। বয়স বাষট্টি। হাতের তসবিটা নাড়ছেন, কিন্তু গোনা হচ্ছে না আসলে। চোখ গেছে দূরে—বাজারে আলো জ্বলছে, রিকশার ভিড়, দোকানের সামনে মানুষের ঠেলাঠেলি। ঈদের আগের রাত। এই রাতটা কতবার দেখেছেন তিনি! একটু পরে ইমরান এসে পাশে বসল। বয়স পঁয়ত্রিশ, মদিনায় পড়েছে কয়েক বছর। ইউটিউবে চ্যানেল আছে, লক্ষের বেশি লোক দেখে। লোকে বলে আধুনিক আলেম—কথাটা তার নিজের কাছেই একটু বেমানান লাগে।
দুজনেই চুপ করে বসে রইলেন কিছুক্ষণ। মহল্লার কোথাও কেউ তাকবির দিচ্ছে, বাচ্চারা চিৎকার করছে। আকাশে ঈদের চাঁদ উঠেছে। রফিকুল্লাহ সাহেব দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, "এই যে মানুষ ছুটছে কাপড় কিনতে—ঠিক হচ্ছে কি?" ইমরান শান্ত স্বরে বলল, "নবীজি নিজে সুন্দর পোশাক পরতেন ঈদে। উমর (রা.) বাজারে গিয়েছিলেন পোশাকের জন্য, নবীজি তাকে থামাননি। পোশাক কেনাটা সমস্যা না, হুজুর।"
রফিকুল্লাহ সাহেব ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞেস করলেন, "সমস্যা কী তাহলে?" ইমরান উত্তর দিল, "নিয়ত আর পরিমাণ।"
রফিকুল্লাহ সাহেব একটু থামলেন। তারপর ভেতরের কষ্টটা প্রকাশ করলেন, "আমার পাশের বাড়িতে রহিমার মা থাকেন। ছেলেটা গার্মেন্টসে কাজ করত, ঈদের আগে ছাঁটাই হয়েছে। ওই বাড়িতে বাচ্চার জন্য একটা নতুন জামাও নেই। আর এই পাড়ার মানুষ পাঁচ হাজার টাকার পাঞ্জাবি কিনছে।" ইমরান কিছু বলল না। এই কথার জবাব আসলে যুক্তি দিয়ে হয় না।
খানিক নীরবতার পর ইমরান বলল, "হুজুর, রহিমার মায়ের কথাটা সত্যি। এটা আমাদের ব্যর্থতা। কিন্তু আরেকটা দিকও আমাদের ভাবতে হবে—ঈদে যে কোটি কোটি টাকার কাপড় বিক্রি হয়, সেই টাকায় চলে গার্মেন্টসের মেয়েটা, পুরান ঢাকার দর্জি, মানিকগঞ্জের তাঁতি। তাদের সারা বছরের আয়ের বড় একটা অংশ আসে এই সময়ে। ইসলাম কখনো বলেনি অর্থনীতি থামিয়ে দাও।" রফিকুল্লাহ সাহেব এভাবে ভাবেননি কখনো। একটু অস্বস্তি হলো, কিন্তু মুখে কিছু বললেন না।
প্রসঙ্গ পাল্টে তিনি বললেন, "আচ্ছা, ঈদগাহের মিম্বারের কথা বলো। এটা কি সুন্নাহর খেলাফ না?" ইমরান স্বীকার করল, "হ্যাঁ হুজুর। নবীজি ঈদের মাঠে মিম্বার নিয়ে যেতেন না। এটা তাঁর সচেতন পছন্দ ছিল।" রফিকুল্লাহ সাহেব যেন কিছুটা স্বস্তি পেলেন, "তাহলে স্বীকার করছ?"
ইমরান বুঝিয়ে বলল, "করছি। কিন্তু সুন্নাহর খেলাফ আর বিদআত এক কথা না। বিদআত হয় যখন কোনো কাজকে ইবাদত মনে করা হয়, অথচ দ্বীনে তার কোনো ভিত্তি নেই। মিম্বার কেউ ইবাদত মনে করে রাখে না।" রফিকুল্লাহ সাহেব চুপ করে রইলেন। একটু পরে জিগ্যেস করলেন, "কাল তাকবির কয়টা দেবে?"
ইমরান একটু হেসে বলল, "এই মসজিদে হানাফি মাজহাব, তাই ছয়টা অতিরিক্ত। আমি শাফেয়ী মতে পড়লে বারোটা হতো। দুটোই সহিহ হাদিসে আছে। চোদ্দশো বছর ধরে আলেমরা একমত হননি—আমরা দুজনও একমত হতে পারব না।" রফিকুল্লাহ সাহেব একটু থমকে গেলেন। ভেবেছিলেন ছেলেটা হয়তো বলবে বারোটাই সঠিক। কিন্তু সে যখন বলল দুটোই সহিহ, তখন প্রবীণ মানুষটির জেদ কমে গেল।
তবুও তিনি সাবধান করে দিলেন, "ইমরান, আমি বুঝি তুমি কী বলতে চাও। কিন্তু একটু একটু করে ছাড় দিতে দিতে একদিন দেখব মূলটাই নেই। সুবিধার যুক্তি দিয়েই তো সব কিছু ঢোকানো যায়।" ইমরান এই কথাটা উড়িয়ে দিতে পারল না। ইতিহাস সাক্ষী-এভাবেই অনেক কিছু হারিয়ে গেছে। সে বিষণ্ণ সুরে বলল, "হুজুর, আপনি ঠিকই বলছেন। কিন্তু সমাধান কী? সব কিছু বিদআত বলে বন্ধ করলে মানুষ দ্বীন থেকে মুখ ফেরাবে। আবার সব কিছুতে ছাড় দিলে দ্বীনের আকৃতি থাকবে না। মাঝখানের রাস্তাটা বড় সরু।"
দূরে আতশবাজি ফুটল। আকাশে আলো উঠল, তারপর মিলিয়ে গেল। দুজন আর কিছু বললেন না। রফিকুল্লাহ সাহেব উঠে দাঁড়ালেন। তসবিটা হাতে নিয়ে বিদায় জানালেন, "তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।" ইমরান প্রতিউত্তরে বলল, "ঈদ মোবারক, হুজুর।" রফিকুল্লাহ সাহেব দুই পা সামনে এগিয়ে হটাত থেমে গেলেন। পেছন ফিরে বললেন, "কাল নামাজের পর রহিমার মায়ের বাড়িতে যাবে আমার সাথে?"ইমরান বিনয়ের সাথে বলল, "যাব।" রফিকুল্লাহ সাহেব আর কিছু না বলে মসজিদ থেকে বেরিয়ে গেলেন।
২২ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমিও দেখেছি গতকাল ।
২|
২২ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৭
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: মাঝখানের রাস্তাাটা বড় কঠিন,এবং সরু।এটাই পুলসিরাত
২২ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ঠিক বলেছেন ।
৩|
২২ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯
নতুন বলেছেন: রফিকুল্লাহ সাহেব দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, "এই যে মানুষ ছুটছে কাপড় কিনতে—ঠিক হচ্ছে কি?" ইমরান শান্ত স্বরে বলল, "নবীজি নিজে সুন্দর পোশাক পরতেন ঈদে। উমর (রা.) বাজারে গিয়েছিলেন পোশাকের জন্য, নবীজি তাকে থামাননি। পোশাক কেনাটা সমস্যা না, হুজুর।"
রফিকুল্লাহ সাহেব ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞেস করলেন, "সমস্যা কী তাহলে?" ইমরান উত্তর দিল, "নিয়ত আর পরিমাণ।"
মাঝে মাঝে মনে হয় মানুষের কি কমন সেন্স এতোই কমে গেছে যে এইসব সাধান জিনিস গুলি মানুষ এই সব মোল্যাদের জিঙ্গাসা করে?
আবার মনে হয় মানুষ হয়তো মজা নিতেই এমন প্রশ্নগুলি ওয়াজে বা বক্তাদের করে থাকে।
২২ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: হুজুরদের সাথে মজা নিলে পাপ হবে ।
৪|
২২ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:০২
সামিউল ইসলাম বাবু বলেছেন: কথা সত্য।
রাসূল সঃ এর সাহাবাগন একে অপরের সাথে দেখা হলে বলতেন তাকব্বাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।
ঈদ মোবারক বলার প্রচলন রাসূল সঃ এর যুগে ছিলোনা। অতএব এটি বিদআত।
২২ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বিদআত হলো দ্বীনের মধ্যে এমন কিছু নতুন আবিষ্কার করা যেটাকে ইবাদত মনে করা হয় অথচ শরীয়তে তার কোনো ভিত্তি নেই। "ঈদ মোবারক" কেউ ইবাদত মনে করে বলে না - এটা একটা শুভেচ্ছা বিনিময়ের মতো ।
৫|
২২ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:৩৭
নকল কাক বলেছেন: আগে শবে বরাতে দুটো রুটি হালুয়া খেতাম। ঈদের দিন কোলাকুলি করতাম। মাজার জিয়ারতে যেতাম। এখন সোয়াহিহ ইসলামের ঠেলায় সব বাদ দিতে হয়েছে।
২২ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: একবারে খাটি কথা বলেছেন ।
৬|
২২ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৬
সাইফুলসাইফসাই বলেছেন: চমৎকার লেখা
২২ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম ।
৭|
২২ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৮
শূন্য সারমর্ম বলেছেন:
কামড়াকামড়ি চলুক, ইদ মুবারক।
২২ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এসব বিষয় নিয়ে কামড়াকামড়ি শেষ হবে না ।
৮|
২২ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:১৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: মাঝখানের রাস্তাাটা বড় কঠিন,এবং সরু।এটাই পুলসিরাত
....................................................................................
হৃদয়ে র মাঝে সঠিক চিন্তাটাই জীবন ও সঠিক পথচলা
ধন্যবাদ ভিন্ন চিন্তার মাঝে বিচরণ ।
২২ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ ।
৯|
২২ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:২১
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
লেখাটি বিষয়বস্তুর দিক থেকে বেশ গভীর, সংবেদনশীল এবং চিন্তাশীল। পাঠে আনন্দ প্লাশ শিক্ষা দুটোই মিলে।
লেখাটির গুরুত্বপুর্ণ দিকটি হলো এর ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি। দ্বীনের অনুশীলন, সুন্নাহ বনাম বিদআত, এবং
সামাজিক-অর্থনৈতিক বাস্তবতা এই তিনটি জটিল বিষয়কে আপনি অত্যন্ত স্বাভাবিক ও মানবিক কাল্পনিক
সংলাপের মাধ্যমে উপস্থাপন করেছেন। বিশেষ করে নিয়ত ও পরিমাণ এবং মাঝখানের সরু পথ এই ধারণা
গুলো লেখার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে সফলভাবে দাঁড়িয়েছে।
রফিকুল্লাহ সাহেব ও ইমরান দুই প্রজন্মের আলেমের মানসিকতা খুব বাস্তবসম্মতভাবে ফুইয়ে তুলেছেন। একজন
রক্ষণশীল অভিজ্ঞতা থেকে কথা বলেন, অন্যজন যুক্তি ও প্রেক্ষাপট দিয়ে বিষয় বোঝাতে চান। কারো অবস্থানকে
ছোট করা হয়নি এটি লেখার একটি ভাল দিক ।
সংলাপগুলো স্বাভাবিক, প্রাঞ্জল এবং বাস্তব জীবনের মতো। কোথাও অতিরঞ্জন নেই, আবার কোথাও অতিরিক্ত
জটিলতাও নেই। ভাষা সহজ হলেও ভাবের গভীরতা বজায় আছে।
লেখাটি কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয় না; বরং ভাবতে বাধ্য করে। শেষের দৃশ্য রহিমার মায়ের বাড়িতে
যাওয়ার প্রস্তাব একটি শক্তিশালী মানবিক উপসংহার, যা তাত্ত্বিক আলোচনা থেকে বাস্তব করণীয়তে নিয়ে আসে।
তবে কিছু জায়গায় ধর্মীয় আলোচনা (যেমন বিদআতের সংজ্ঞা) আরও সামান্য ব্যাখ্যাসহ দিলে আমাদের মত
সাধারণ পাঠকের জন্য আরও স্পষ্ট হতে পারত। ইমরানের যুক্তিগুলো কিছু ক্ষেত্রে একটু বেশি পরিপাটি শোনায় ,
বাস্তব সংলাপে সামান্য দ্বিধা বা অসম্পূর্ণতা থাকলে আরও জীবন্ত লাগত। আধুনিক মোল্লার জানা উচিত ছিল
মানিকগঞ্জে এখন তাতী নাই বললেই চলে, একসময় শিবালয় ও সাটুরিয়ায় তাতের খট খটানীতে মুখর ছিল এলাকা
এখন মানিকগঞ্জের তাঁত শিল্প বিলুপ্তির পথে
বরং মানিকগঞ্জের কাছে দোহার( রুহিতপুরী তাঁতের লুঙির জন্য এখনো খ্যাত কিংবা টাঙ্গাইলের তাঁতী ( তাতের শাড়ী
বিশেষ করে টাঙ্গাইল মসলিন শাড়ির জন্য বিখ্যাত) বললে যুক্তি আরো বেশি শক্তি পেতো ।
পরিবেশের বর্ণনা শুরুতে সুন্দর হলেও মাঝের অংশে কিছুটা কমে গেছে সেখানে সামান্য পরিবেশগত চিত্রায়ন
যোগ করলে দৃশ্য আরও প্রাণবন্ত হতে পারত।
যাহোক, লেখাটিতে অত্যন্ত সংযত ও চিন্তাশীলভাবে সমসাময়িক ধর্মীয় ও সামাজিক বাস্তবতাকে তুলে ধরেছেন।
দুই প্রজন্মের আলেমের সংলাপের মাধ্যমে আপনি মতপার্থক্যের মধ্যেও পারস্পরিক সম্মান, ভারসাম্য এবং
মানবিক দায়িত্ববোধের একটি সুন্দর চিত্র এঁকেছেন। বিশেষ করে শেষের মানবিক মোড়টি লেখাটিকে শুধু
তাত্ত্বিক আলোচনায় সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব জীবনের প্রয়োগের দিকে নিয়ে গেছে, যা এর সবচেয়ে বড়
উল্লেখযোগ্য একটি দিক ।
ঈদ শুভেচ্ছা রইল
২২ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ইমরান সাহেব কে বুঝে শুনে পরিপাটি দেখেয়েছি । ইমরান হলো আধুনিক ভাবনার মানুষ যিনি কঠোর ভাবে ফরজ বিষয়গুলো কুরআন ও হাদিস অনুযায়ী মেনে চলেন । তিনি ইকোনমি , কালচার , সোশাল সায়েনস নিয়ে পড়াশোনা করেছেন । ইমরান সাহেব বিদাআত বলতে বুঝেন : এক, কাজটা দ্বীনের অংশ হিসেবে করা হচ্ছে। দুই, এটাকে ইবাদত মনে করা হচ্ছে। তিন, শরীয়তে এর কোনো ভিত্তি নেই।
ঈদ মুবারক বলা , শামিয়ানা টাঙানো , মিমবারে দাড়িয়ে খুতবা দেয়া , নতুন জামা কাপড় কেনা -এগুলো জীবনের স্বাভাবিক অংশ। বিদআতের জায়গা হলো ইবাদতের ভেতরে ।
১০|
২২ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:১৩
প্রামানিক বলেছেন: ছয় তকবীর আর বারো তকবীর নিয়ে কবে যে কিলাকিলি লাগে সেই চিন্তায় আছি।
২২ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৩১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ![]()
১১|
২২ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৩৭
রাসেল বলেছেন: ইসলামের সরল ও সত্য উপস্থাপনার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
২২ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৩৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য ।
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:২৯
মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: কিছুক্ষণ আগে বেসবুকে দেখলাম ছবিগুলি