| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
প্রথম ১৯২৮ সনে নির্বাক "দেবদাস" মুক্তি পায় ফনী বর্মা এবং তারকবালা অভিনীত ছিল সেটি। এরপর প্রমথেশ বড়ুয়া এবং যমুনা বড়ুয়া অভিনীত সবাক দেবদাস মুক্তি পায় ১৯৩৫ সনে। তারপর ১৯৭৯ সনে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এবং সুমিত্রা মুখোপাধ্যায় অভিনীত দেবদাস যেখানে উত্তম কুমার এবং সুপ্রিয়া দেবী চুনীলাল এবং চন্দ্র মুখী চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। তারওপর প্রসেনজিৎ এবং অর্পিতা অভিনীত দেবদাস।
বাংলাদেশে বুলবুল আহমেদ এবং কবরীর অভিনীত দেবদাস মুক্তি পায় ১৯৮২ সনে।
বোম্বেতে দিলীপ কুমার সুচিত্রা সেন অভিনীত দেবদাস মুক্তি পায় ১৯৫৫ সনে, পরিচালনায় ছিলেন বিমল রায়। এ সংস্করণ অতুলনীয়, অনবদ্য ; সেই জন্য বিমল রায়ের নামটি মনে এল।
পরবর্তীতে ২০০২ সনে শাহরুখ এবং ঐশ্বরিয়া অভিনীত দেবদাস মুক্তি পায় এবং সাড়া ফেলে; তবে এখানে চন্দ্রমুখী চরিত্রে মাধুরী অসাধারণ! দৃষ্টি কেড়েছে দর্শকের।
বিভিন্ন ভাষায় এ পর্যন্ত প্রায় ১৮ বার তৈরী হয়েছে দেবদাস চলচিত্র যেটি অন্য কোন উপন্যাসের ক্ষেত্রে ঘটেনি এ উপমহাদেশে।
বিমল রায় পরিচালিত বোম্বের হিন্দী চলচিত্রে দিলীপ কুমারের অভিনয় দেখে মনে হয় শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় দিলীপ কুমারকে দেখে দেবদাস চরিত্র এঁকেছেন তাঁর উপন্যাসে!
ছোট এক অংশ জুড়ে দিলাম৷
Click This Link
২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:০৭
মেহবুবা বলেছেন: কবিতার নাম দেবদাস। ভালো তো লিখে দিলেন।
২|
২৯ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:২৩
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: বুঝা যাচ্ছে উপন্যাস এবং এ সংক্রান্ত সিনেমা আপনার হৃদয়ে দাগ কেটেছে।
২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:১০
মেহবুবা বলেছেন: সবচেয়ে বেশী দাগ কেটেছে দিলীপ কুমার এবং সুচিত্রা সেনের অভিনয়। তবে সুচিত্রা সেনকে পার্বতী হিসেবে একটু বেশী বয়সী মনে হয় এ ছবিতে। তবে তাঁর প্রকাশভঙ্গী যথারীতি দারুণ।
৩|
২৯ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৪৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: দেবদাস থেকে অনুপ্রানিত হয়ে নতুন জেনারেশনের জন্য নির্মিত হয়েছিলো Dev-D.....
২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:১০
মেহবুবা বলেছেন: জানা ছিল না।
৪|
২৯ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৬
জুন বলেছেন: কোথায় জানি পড়লাম এই যে দেবদাস মদ খাইলো, মাতাল হইলো, পতিতালয়ে গেল, বাসা ছাড়লো কিন্ত পার্বতীকে বিয়ে করতে মায়ের অবাধ্য হইতে পারলো না। কি এক্টা অবস্থা মেহেবুবা ![]()
২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:১৩
মেহবুবা বলেছেন: এ আর নতুন কি! নিকট অতীতে দেবদাসের মায়ের মত চরিত্র এবং দেবদাসের মত একজনের সম্পর্কে জানতাম আমাদের স্থায়ী ঠিকানায় বাড়ী ছিল, যদিও দু'জনে মারা গিয়েছে! খুঁজলে আরো মিলবে বৈকি!
৫|
২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৮:২৪
শায়মা বলেছেন: ছোটবেলায় মানে নাইন টেনে থাকতে দেবদাস পড়ে ভাবতাম আহা পার্বতীর কত দুঃখ, আহা দেবদাসের কত দুঃখ। এখন বুঝি কি পরিমান অবাধ্য সন্তান ছিলো সে কিন্তু কাপুরুষ ছিলো! বাবার ভয়ে সামনে সামনে সুড় সুড় করে পালায় গেলো বিয়ে না করে অথচ পিছে পিছে গিয়ে মদ বাইজী নিয়ে জীবন শেষ!
আসল কথা
৪. ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৬০
জুন বলেছেন: কোথায় জানি পড়লাম এই যে দেবদাস মদ খাইলো, মাতাল হইলো, পতিতালয়ে গেল, বাসা ছাড়লো কিন্ত পার্বতীকে বিয়ে করতে মায়ের অবাধ্য হইতে পারলো না। কি এক্টা অবস্থা মেহেবুবা
এটা হলো আসল কথা আগে ছিলো ছেলেমেয়েরা সামনে সামনে ভদ্রতার মুখোশ আর এখন হয়েছে সামনেই অভদ্র!!!
২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:১৬
মেহবুবা বলেছেন: অবাক হই না। বাস্তবেও এমনটি বিরল নয়।
তবে শরৎচন্দ্রের শ্রীকান্ত আমার সবচেয়ে পছন্দ !
৬|
৩০ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:২৪
জুল ভার্ন বলেছেন: দেবদাস মানেই একটা আবেগ!
প্রেম মানেই শুধু মিলন নয়; কখনও কখনও প্রেম মানে আজীবনের অপূর্ণতা, নীরব আত্মত্যাগ আর না বলা হাজারো অনুভূতির ভার। সেই সত্যটিই অসাধারণ শিল্পগুণে তুলে ধরেছে দেবদাস।
এটি শুধু একটি প্রেমের গল্প নয়, বরং মানুষের অহংকার, সামাজিক প্রথা, ভুল সিদ্ধান্ত এবং নিয়তির নির্মম পরিণতির এক হৃদয়স্পর্শী উপাখ্যান। দেবদাস, পার্বতী (পারো) ও চন্দ্রমুখীর চরিত্রগুলো দর্শককে বারবার ভাবতে শেখায়- ভালোবাসা সবসময় কাছে পাওয়ার নাম নয়; কখনও কখনও ভালোবাসা মানে সারাজীবন হৃদয়ে একজনকে বহন করে চলা।
সিনেমাটির অভিনয়, সংলাপ, সংগীত, চিত্রায়ণ এবং আবেগের গভীরতা মিলিয়ে এটি শুধু একটি চলচ্চিত্র নয়, এক অনন্ত অনুভূতির নাম। প্রতিবার দেখলে মনে হয়, প্রেম মানুষকে যেমন মহিমান্বিত করতে পারে, তেমনি ভুল সিদ্ধান্ত তাকে ধ্বংসের দিকেও ঠেলে দিতে পারে। আমার কাছে 'দেবদাস' শুধু একটি সিনেমা নয়- এটা অপূর্ণ ভালোবাসার এক চিরকালীন কাব্য।
আমার বিশ্বাস, দেবদাস পৃথিবীর সেরা প্রেমের গল্পগুলোর একটি নয়; বরং অপূর্ণ প্রেমের সবচেয়ে মর্মস্পর্শী ট্র্যাজেডিগুলোর একটি। এখানে প্রেমের জয় হয় না, কিন্তু প্রেমের মহত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। দেবদাস পারোকে পায় না, পারো দেবদাসকে পায় না, চন্দ্রমুখীও তার ভালোবাসার পূর্ণতা পায় না- তবুও তিনজনের ভালোবাসাই দর্শকের হৃদয়ে অমর হয়ে থাকে। এটাই শরৎচন্দ্রের অসাধারণ কৃতিত্ব। তিনি দেখিয়েছেন, সব প্রেমের পরিণতি মিলন নয়; কিছু প্রেমের পরিণতি হয় কিংবদন্তি।
স্যরি, তোমার পোস্টের চাইতে আমার মন্তব্য বড়ো করে লেখার জন্য।
৩০ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৮:৪৪
মেহবুবা বলেছেন: থিসিস "দেবদাস" নিয়ে। ভালো বলেছেন।
৭|
৩০ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৯
রাজীব নুর বলেছেন: দেবদাস এযুগে অচল।
৩০ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৮:৪৫
মেহবুবা বলেছেন: চলচিত্রে অচল নয়। তাই তো বারবার তৈরী হয়।
৮|
৩১ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।
©somewhere in net ltd.
১|
২৯ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:২২
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: শরৎচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় দিলীপ কুমারকে দেখে দেবদাস চরিত্র এঁকেছেন তাঁর উপন্যাসে!
........................................................................................................................
এই জামানায় কি দেবদাস খুঁজে পাওয়া গেছে যে , নূতন চন্দ্রমুখী দেখতে পাবো ?
================================================
রইল আমার কাব্য,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
কাশফুলের বনে সেই যে দোলা,শৈশবের সেই খেলা,
পারু তোর মনে কি পড়ে আজও, আমাদের সেই বেলা?
অভিমানে মেঘের দেশে, হারিয়ে গেল আলো,
আমি তোকে বুঝিনি রে পারু, বাসিনি তো ভালো।
তুই যে এখন অন্য ঘরের, অন্যের ঘরের রানী,
আমার ভাগ্যে জুটলো কেবল মদের পাত্রখানি।
চোখের জলে ভিজছে বুক, পুড়ছে স্মৃতির চিতা,
আমাদের এই প্রেমের গল্পে সুখ যে বড় তিতা।
শেষ দেখাটা হলো না আর, রইল চিতার ছাই,
মৃত্যুর শেষে সাত আসমানে পারু, তোরেই আমি চাই।