| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ শুরুর আগে বাংলাদেশের যে ফিলিং স্টেশনে সারাদিন ১০০০ লিটার পেট্রোল বিক্রি হতো, এখন সে স্টেশনে ৩০০০ লিটার পেট্রোল সকাল সাতটা থেকে বিক্রি শুরু হয়ে দুপুর ১২ টার মধ্যে শেষ হয়ে যাচ্ছে।
এই চিত্র সারাদেশের।
এ থেকে মোটামুটি এটা ধরে নেওয়া যায়, কেউ কেউ বাইরে তেল মজুদ করছে। এবং যতদূর জেনেছি, অনেক জায়গায় খোলা বাজারে অনেক বেশি দামে পেট্রোল-অকটেন বিক্রি হচ্ছে।
এটা চিন্তা করতেই অস্বস্তি লাগে, কিছু মানুষ ট্যাংক ভরে তেল নিয়ে সেই তেল বাইরে বিক্রি করছে, আবার পরদিন স্টেশনে লাইন দিয়ে দাড়িয়ে আবার তেল নিচ্ছে।
যে কোন দূর্যোগে কিছু মানুষের নীচতা আমাদের এ তল্লাটে সর্বজনবিদিত। সব দূর্যোগেই কিছু মানুষ তাদের নীতি নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করে।
অথচ, যাদের তেলের আসলেই প্রয়োজন, বা তেল না পাওয়ার কারণে যাদের চরম ভোগান্তি হচ্ছে, তারা তেল পাচ্ছে না।
কিছুক্ষণ আগে বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদন দেখলাম, আমাদের দেশেই যথেষ্ট পরিমাণে পেট্রোল ও অকটেন উৎপন্ন হয়। মোট চাহিদার ৪০ থেকে ৪৫ পারসেন্ট পেট্রোল এবং ৩৮ পারসেন্ট অকটেন দেশীয়ভাবেই গত অর্থবছরে উৎপন্ন করা হয়েছে।
যে ফিলিং স্টেশনে আগে ঠিক যে পরিমাণ তেল বিক্রি হতো, এই যুদ্ধকালীন সময়েও তারা যদি ঠিক সে পরিমাণ তেল বিক্রি করতে পারতো, তাহলে হয়ত হরমুজ সংকট আমাদের খুব কম স্পর্শ করতো।
.
এই যে তেল কালোবাজারি হচ্ছে এ সম্পর্কে সরকারের কর্তাব্যক্তিরা খুব ভালোভাবে ওয়াকিবহাল। তবে কালোবাজারীদের বিরুদ্ধে সরকারের কোন ঘোষণা চোখে পড়েনি।
এটা সত্যি প্রত্যেকটা ফিলিং স্টেশনে সরকারের চেক পয়েন্ট বসিয়ে গাড়ির কাগজপত্র পরীক্ষা করা ও প্রয়োজন মূল্যায়ন করে তেল দেওয়ার ব্যবস্থা করা সরকারের জন্য কঠিণ, কারণ সরকারের এ কাজে যথেষ্ট জনবল নেই।
কিন্তু যে কাজটা করা যায়, তা হলো তেল মজুদকারী ও খোলাবাজারে তেল বিক্রয়কারীদের বিরুদ্ধে আন্তরিক ও ফলপ্রসূ অভিযান চালানো।
সরকার ইচ্ছা করলেই এ কাজটি করতে পারে।
সরকারের যে ক্যাপাসিটি আছে এই ক্যাপাসিটিতেই, সরকার যদি ইচ্ছা করে, পুলিশ বা গোয়েন্দা বিভাগকে কাজে লাগিয়ে প্রত্যেক উপজেলায় কিছু কালোবাজারি মজুদ ও বিক্রেতাকে বের করা সম্ভব।
সেগুলো জনসমক্ষে এনে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে এসে বাকি সবাইকে সতর্ক করলে তেলের উপর এই চাপ কমার একটা সম্ভাবনা তৈরী হয়।
তেল মজুদকারী ও খোলাবাজারে বেশি দামে বিক্রেতাদের আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
আমি জানি না, সরকার এই কাজটি কেন যথেষ্ট প্রায়োরিটি দিয়ে করছে না।
সরকার কি এই কাজটাকে কম গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে?
নাকি সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ জনসমক্ষে আসছে না?
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:৩১
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: এই যে তেল কালোবাজারি হচ্ছে এ সম্পর্কে সরকারের
কর্তাব্যক্তিরা খুব ভালোভাবে ওয়াকিবহাল।
............................................................................
আমাদের দেশ প্রেমের পরীক্ষা হচ্ছে,
জাতি হিসাবে আমরা নীচুজাত এই প্রমান দিচ্ছি
প্রতিদিন ।
আমাদের পাছায় পেটানো না হলে আমরা সহজ সরল
পথে হাঁটতে জানিনা ।