নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

\'এম এল গনি\' cut & paste করে Google-এ search করলে আমার সম্পর্কে জানা যাবে। https://www.facebook.com/moh.l.gani

এমএলজি

এমএলজি › বিস্তারিত পোস্টঃ

আজকাল বিবাহযোগ্য নারী-পুরুষ যে কারণে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে ভয় পায়

১৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৩৪

বছর দশেক আগের কথা। আমি তখন কানাডায় ব্যবসারত অস্ট্রেলিয়ান এক ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্মে সিনিয়র স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করি। আমার এক সহকর্মী ছিলেন যার বয়স কমবেশি ৪৫ বছর। বেশ ভালো বেতন আহরণ করতেন - তারপরও তিনি ছিলেন অবিবাহিত।

দীর্ঘদিন এক সাথে চাকুরী করায় যে মাপের ঘনিষ্ঠতা তৈরী হয়েছিল তাতে আলাপ-আলোচনা মাঝে মাঝে ব্যক্তি পর্যায়ে চলে যেত। একদিন তার কাছে জানতে চেয়েছিলাম তিনি কেন বিয়েশাদি করে সংসারী না হয়ে গার্ল ফ্রেন্ড নিয়ে থাকছেন। উত্তরে তিনি যা জানালেন তা ছিল আমার ধারণারও অতীত।

বছর দশেক আগে তিনি বিয়ে করে সংসারী হয়েছিলেন যেখানে তাদের দুই শিশু সন্তান রয়েছে। কয়েক বছর আগে সংসারটি ভেঙে যায়। সেই থেকে তার প্রাক্তন স্ত্রী এক বয়ফ্রেন্ডের সাথে থাকছেন, আর, তিনি আছেন এক গার্লফ্রেন্ডের সাথে। স্ত্রী যেহেতু নতুন বিয়ে করেননি তাই তার ভরণপোষণের জন্য আমার সেই সহকর্মীকে মাসিক টাকা দিতে হয়। তার উপর আবার দুই বাচ্চার জন্যও অর্থ যোগান দিতে হয়।

প্রতি মাসে এই তিনজনের আর্থিক চাহিদা মেটানোর পর ভদ্রলোকের হাতে বেতনের টাকা হতে খুব কিছু বাকি থাকেনা। ফলে, মোটা অংকের বেতন পেলেও তাঁকে থাকতে হয় এক বেডরুমের একটি ভাড়া বাসায়। কেননা, বিচ্ছেদের সময় বাড়ি বিক্রি করে অর্ধেক টাকা স্ত্রীকে দিতে হয়েছিল।

এ অবস্থায় কাউকে বিবাহ করে সংসারের খরচ মেটানোর অবস্থা তার নেই। এমনই কষ্টের জীবন তার। - -

কানাডা-আমেরিকা বা অন্যান্য উন্নতদেশগুলোতে এমন ঘটনা লাখে লাখে। প্রাক্তন স্বামী ভালো বেতনের চাকুরী করলে তাদের ডিভোর্স পাওয়া স্ত্রীরা নতুন করে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ না হয়ে বয়ফ্রেন্ডের সাথে বসবাস করতে শুরু করেন যাতে প্রাক্তন স্বামীর কাছ থেকে মোটা অংকের মাসিক ভাতা পাওয়া যায়। বাচ্চারাও সাবালক না হওয়া পর্যন্ত পিতার কাছ থেকে তাদের টাকা পেতে থাকবে, যা তাদের মা-ই প্রাক্তন স্বামীর কাছ থেকে সংগ্রহ করেন।

উন্নতদেশগুলোতে উপযুক্ত বয়সেও বিয়ে না করে নারী-পুরুষ বয়ফ্রেন্ড-গার্লফ্রেন্ড রিলেশনশিপে থাকার একটি বড়ো কারন অর্থনৈতিক বিবেচনা। পুরুষটির মনে ভয় জাগে কোনোকারণে বিবাহ ভেঙে গেলে তার অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের কি হবে?

সমাজের বাস্তবতা মেনে নিয়ে সেসব দেশে বিবাহিত যুগলের সন্তান আর বয়ফ্রেন্ড-গার্লফ্রেন্ড রিলেশনশিপের সন্তানের মর্যাদা অভিন্ন। - -

আজকাল বাংলাদেশেও বিবাহযোগ্য নারীপুরুষেরা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চায়না। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এর মূল কারন কি বলে আপনার মনে হয়?

https://www.facebook.com/moh.l.gani/

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৫২

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: বিবাহ হচ্ছে একটি দীর্ঘ মেয়াদী কয়েদ খানা।

২| ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ২:৫৭

কলাবাগান১ বলেছেন: বাংগালীকে হাইকোর্ট দেখাচ্ছে পোস্ট দাতা.. আর সব দোষ নারীর উপর চাপিয়ে দিচ্ছেন...। নারী ডিভোর্স এর পর বয় ফ্রেন্ডের সাথে থাকছে তাতে উনার আপত্তি কিন্তু বাবাও যে গার্ল ফ্রেন্ডের সাথে থাকছে সেখানে তো কোন আপত্তি দেখলাম না....।

শুধু কি বাবাই কে সাপোর্ট করতে হয়? উত্তর হল 'না'। সাপোর্ট কে করবে সেটা কোর্ট ডিসাইড করে ইনকাম এর বেসিসে.... মায়ের ইনকাম যদি বেশি হয়, কোর্ট ডিসাইড করবে যে মাকে Alimony pay করতে হবে। সম্পূর্ন বিষয় টাই gender neutral.
ঝামাতি চিন্তাধারাই হল যত তাড়াতাড়ি নাবালক বয়সে যেন বিয়ে শাদী দিয়ে দেওয়া হয়.....। অন্যের বিয়ে শাদী নিয়েই বেশী চিন্তিত

৩| ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:৩৫

শ্রাবণধারা বলেছেন: বেশ ভাল বেতন আহরণ করেও অবিবাহিত! হা হা :) :) ভাই, আপনি কানাডায় এখন পর্যন্ত কত সংখ্যক বিবি আহরণ করেছেন? :)

৪| ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ ভোর ৪:০৮

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: তাদের মা-ই প্রাক্তন স্বামীর কাছ থেকে সংগ্রহ করেন।
................................................................................
এমন মানসিকতা আমাদের সমাজে ছিলনা, এমনও দেখেছি
বিবাহ বিচ্ছেদ হলে নারী তার আত্নমর্যাদার কারনে প্রাক্তন স্বামীর
কিছুই র্প্শশ করতে চায়না ।
বর্তমানে আমাদের সমাজে মানদন্ড পাল্টে গিয়েছে লাজ,লজ্জা,হায়্
উঠে গেছে এখন সব কিছুই সম্ভব ।

৫| ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ ভোর ৪:১৫

এইচ এন নার্গিস বলেছেন: বিয়ে করা কে এই প্রজন্ম ব্যাকডেটেড ভাবে। কারন বিয়ে টিকবে কিনা তার ভরসা খুব কম। বিয়ে করে যদি বিয়ে ভেঙ্গেই যায় তবে সেই ঝুঁকি কেন নিতে যাবে ? বিয়ে একটা বিরাট দায়িত্ব পূর্ণ ব্যাপার । সন্তান পৃথিবীতে এনে তাকে ভালমতো খাবার, বাসস্থান,চিকিৎসা আর শিক্ষার খরচ না দিতে পারলে বা অবহেলা করলে কঠিন শাস্তি পেতে হয়। বউ মারার যার অভ্যাস আছে তাদের বিয়ে না করাই উচিৎ। কারন সন্তানের সামনে মারামারি মানে সন্তানের নিরাপত্তা দিতে না পারা। আর সেটা যখন সোশ্যাল সার্ভিস দের কানে যায় তখন সন্তান কে সরিয়ে নায়। পুলিশের কাছে রিপোর্ট থাকে আর বউ যদি চার্জ করে তবে সেই মানুষ টির চাকরি পেতে সমস্যা হবে। এই হচ্ছে নিয়ম কানুন আধুনিক দেশ গুলোতে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.