| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
লিখতে চাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। রাজনীতি,সাংস্কৃতিক বা ধর্মের ব্যাপারে মতামতের ভিন্নতা থাকা সত্বেও মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে আক্রমনাত্বক বা উষ্কানীমূলক কিছু না লিখে সকলের সহনশীলতার পরিচয়ই লেখার উৎকর্ষ সাধনের একমাত্র হাতিয়ার।যদিও লেখার হাত পাকা না। বাংলা মাতৃভাষা হলেও বানানে হয় অনেক ভুল। তার পরেও চেষ্টা করছি কিছু লেখার। সত্য বলার মতো সাহসী লোকের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এখন দেখি সবাই দু\'ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেউ আওয়ামী লীগ কেউবা বিএনপি। সঙ্গত কারণেই লেখা হয়ে উঠে আওয়ামী পন্থী অথবা বিএনপি পন্থী।পন্থী নিয়ে লিখতে লিখতে আমরা মূল স্রোতধারা থেকে ছিটকে পড়ছি। কি লিখছি বোঝাই দায়। মনে হয় কোন দলকে গালি দিচ্ছি।

ভারত কোন ভাবেই বাংলাদেশ স্বাধীন করার জন্য সৈন্য পাঠায়নি! সৈন্য পাঠিয়েছিল পাকিস্তানকে বিভক্ত করতে ও তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানকে লুটপাট করার উদ্দেশ্যে। প্রতিবেশি দূর্বল হলে দাদাগিরি করতে পারবে এটাই ছিল ইন্দ্রিরাগান্ধির ভিষন ও মিশন যা তার নাতনিপ্রিয়ঙ্কাগান্ধি অকপটে সংসদে স্বীকার করেছেন। ভারতে বিবিসির বিখ্যাত সাংবাদিক সুবির ভৌমিকএকই কথা বলেছেন যে, ভারত তার নিজের স্বার্থে পাকিস্তানকে দুটুকরো করতে সৈন্য পাঠিয়েছিল বাংলাদেশের জনগনকে ভালোবেসে সৈন্য পাঠায়নি।
অন্যদিকে বাটপার পাকিস্থানী নেতারা মজিবে ন্যায্য পাওনা অর্থাৎ নির্বাচিত মজিবকে প্রধান মন্ত্রী করতে কত টালবাহনা সেই সুযোগটাই নিয়েছে ভারত। অন্যদিকে মজিব পূর্বপাকিস্তানের মূখ্য মন্ত্রীচেয়ে পাকিস্তানের প্রধান মন্ত্রী হওয়া লোক জেঁকে বসেছিল সেটা তার পাওয়া উচিত ছিল কিন্তু সুচতুর মজিব লোভের বশবতি হয়ে কখনই বাংলাদেশে স্বাধিনতা চায়নি। তাইতো দেশ স্বাধীন হলে যখন মজিবকে লন্ডনে নেওয়া হলো তখন রাজকীয় সংবর্ধনা দেখে মজিব বললো কি হয়েছে? তাকে বলা হলো দেশ স্বাধীন হয়েছে, তখন মজিব আশ্চর্য হয়ে বললো দেশ স্বাধীন হয়েছে? তা লোকজন মারা গেছে নাকি? তাকে জানানো হলো ৩ লক্ষ লোক মারা গিয়েছে সেই ৩ লক্ষকেই মজিব ৩০ লক্ষ বানিয়ে ফেললো সেই ইতিহাস এখানে।
১৫ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৫২
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: মোদির পোলা আপার সেনা সবাই হুমড়ে খেয়ে পড়বে সেটা আমি জানি কাজী আপা। প্রমান ছাড়া একটা কথাও আমি লিখিনি সব প্রমানের লিঙ্ক দেওয়া আছে তারপরে যদি কেউ ঘেউঘেউ করে তার জন্য আমি মুগুর রেডি রেখেছি। ![]()
২|
১৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৩
শাহিন-৯৯ বলেছেন:
প্রথম কথা হলো, ৭১ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন না হলেও একদিন না একদিন টেবিল টকের মাধ্যমে আমাদের স্বাধীনতা আসতো, এক হাজার মাইল দুরত্ব, ভাষা ভিন্ন, সংস্কৃতি ভিন্ন এক সাথে থাকা কখনো সম্ভব ছিল না। কলোনী হিসাবে থাকা যেত কিন্তু আমাদের এই বঙ্গের ইতিহাস তা বলে না, কিছুকাল দমিয়ে রাখা যায় কিন্তু স্বাধীনতা দাবানল ছড়িয়ে পড়তই।
১৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:০৪
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: চমৎকার মন্তব্যে প্রীত হলাম। এটা ঠিক কোন না কোন দিন আমরা স্বাধীন হতামই।
৩|
১৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৫
শাহিন-৯৯ বলেছেন:
৩০ লাখ শহীদ হয়েছে এইটা স্বাভাবিক বিবেকে কেউ বিশ্বাস করবে না। কিন্তু একজনও যদি স্বাধীনতার জন্য শহীদ সেটাই বেশি। অধিকার আদায়ে রক্ত দেওয়া মানেই বিজয় ছিনিয়ে আনা আমরা তা এনেছি।
১৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:০৬
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: দারুণ বলেছেন। আম্লিগের চেতনা ব্যবসা কারণে আজ আমাদের দেশের এই অবস্থা। আমাদের এখন সিংগাপুর মালয়েশিয়ার মতো হওয়ার কথা ছিল।
৪|
১৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৯
শাহিন-৯৯ বলেছেন:
পৃথিবীতে কেউ নিজের স্বার্থের বাহিরে গিয়ে কাজ করবে না, কখনো কোন ব্যাক্তি করেনি, এখনো কেউ করে না, ভবিষ্যতে কেউ করবেও না আর একটি দেশ বিনা লাভে সৈন্য, অস্ত্র ক্ষয় করে সাহয্য করবে এটা বিশ্বাস বোকামী তবে ভারত নিজের কূটকেীশল করতে যেয়ে দিনশেষে আমাদের স্বাধীনতা ত্বরান্তিত হয়েছে এই যা।
১৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:১১
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: সঠিক বলেছেন। তবে ভারতীয় মূত্রখোরগুলো বলে ওরা নাকি আমাদেরকে স্বাধীন করে দিয়েছে সেই সংগে মজিব পোলারাও ভারতের অবদানের জন্য শির নত করে বলে দেশ যতদিন আছে ততদিনই ভারতের আনুগত্য মেনে সেবা দাস হয়ে খেদমত করে যেতে হবে।
৫|
১৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:১২
আলামিন১০৪ বলেছেন: সত্য তিতা-
বাস্তবতা হলো সবাই স্বার্থপর- ভারত ব্যতিক্রম কেন হবে? পাকিস্তানীদের সাথে দূরত্ব/সন্হে/অবিশ্বাস তৈরিতে ভারতের ইন্ধনের চাইতে গর্দভ পাকি শাসকদের অবদান বেশি।
২০ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:৩৬
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: কথা সঠিক বলেছেন।
৬|
১৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:৩৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার কথা অনুযায়ী মেনেই নিলাম যে ইন্ডিয়া পাকিস্তানকে টাইট দিতে বাংলাদেশে সেনা পাঠিয়েছিল। আপনার কাছে কি মনে হয় পাকিস্তান ভাগ হওয়া ভুল ছিল? ৩ লাখ কিংবা ৩০ লাখ যে কয়জনই মারা যাক, এতে কি পাকিস্তানের অপরাধ কম হবে? এগুলা নিয়ে ৫৫ বছরে কম আলোচনা হয় নাই। এখনকার সময়ে এসব আলোচনা একদম অপ্রাসঙ্গিক। পাকিস্তানও আমাদের শত্রু, ইন্ডিয়াও আমাদের শত্রু-একসাথে এই রকম ভাবতে পারলেই আপনি খাঁটি বাংলাদেশী।
। আদারওয়াইজ...
২০ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:৪৫
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: আপনি ভেকধারী সুশীল সাজার চেষ্টা না করে মনে যা আছে সেটা বলে ফেলেন। পাকিস্তানের ভুল ছিল কিন্তু ভারতের দালালেরা ১গুন ভুলকে লক্ষগুন বলে প্রচার করেছে এবং এখনো করছে। যত ভারী শিল্পকারখান সবই হয়েছিল পাকিস্তানের সময়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সেগুলোও। পাকিস্তান অর্থনীতিতে খারাপ করেছে কিন্তু জ্ঞানবিজ্ঞানে অনেক উন্নতি করেছে সেটা অস্বীকার করার উপায় নেই। আমরা ভারতের দালালী করে এতো দিন কি করলাম?
৭|
১৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৩১
শাহিন-৯৯ বলেছেন: সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার কথা অনুযায়ী মেনেই নিলাম যে ইন্ডিয়া পাকিস্তানকে টাইট দিতে বাংলাদেশে সেনা পাঠিয়েছিল। আপনার কাছে কি মনে হয় পাকিস্তান ভাগ হওয়া ভুল ছিল? ৩ লাখ কিংবা ৩০ লাখ যে কয়জনই মারা যাক, এতে কি পাকিস্তানের অপরাধ কম হবে? এগুলা নিয়ে ৫৫ বছরে কম আলোচনা হয় নাই। এখনকার সময়ে এসব আলোচনা একদম অপ্রাসঙ্গিক। পাকিস্তানও আমাদের শত্রু, ইন্ডিয়াও আমাদের শত্রু-একসাথে এই রকম ভাবতে পারলেই আপনি খাঁটি বাংলাদেশী।
। আদারওয়াইজ...
শত্রু মিত্র এই চিন্তায় এগিয়ে যাওয়ার পথে সবচেয়ে বড় বাঁধা!!! একটি রাষ্ট্রের কোন বন্ধু থাকে না কোন শত্রু থাকে না, থাকে স্বার্থ।
আমাদের সবচেয়ে বড় দূর্বলতা হলো আমরা এখনো একটি রাষ্ট্র কাঠামো তৈরি করতে পারেনি যে কাঠামোর ভিতরেই দেশ পরিচালিত হবে। বিএনপি এক চিন্তা লীগের এক চিন্তা ইসলামী দলগুলোর এক চিন্তা। যে যখন ক্ষমতায় আসে সে তখন নিজের খায়েশ মত দেশ চালায় অথচ ৭২ সালেই এটা ঠিক করা উচিত ছিল কোন কাঠামোয় দেশ চলবে। যখন রাষ্ট্রে মূলনীতি ঠিক হয়ে যাবে তখন যে কোন দেশের সাথে আলাপ করা যাবে পানির মত সহজ পদদ্ধিতে তখন শত্রু মিত্র গল্প তৈরি করা লাগবে না।
২০ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:৪৬
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: সঠিক বলেছেন।
৮|
১৫ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:০০
মাথা পাগলা বলেছেন: আপনারে বামাতির মতো বোঝাই, দেখেন বোঝেন কিনা।
ফিলিস্তিনি যে এতোদিন ধরে যুদ্ধ জর্জরিত, কোন দেশ ফিলিস্তিনির হয়ে যুদ্ধ করার জন্য নিজের দেশের সেনা পাঠিয়েছে? বর্ডার খুলে দিয়ে ১ কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে?
আমেরিকাকে উপেক্ষা করে ভারত যদি ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও রাজাকারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বাংলাদেশকে সহযোগিতা না করত, তাহলে আজ রাজাকারদের এই ভারত যন্ত্রণাও থাকত না।
খামেনির জানাজায় ভারত অংশগ্রহণ করেছে, অথচ ডলারখেকোরা কোনো উচ্চবাচ্য না করে আমেরিকার স্বাধীনতা উদযাপনে ব্যস্ত!
২০ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:০৩
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: আপনি যেমন বামাতির মতো বোঝাইলেন আমিও তেমনি ভারতের দালালীর মতো বুঝলাম।
৯|
১৫ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৩
অরণি বলেছেন: @ মাথা পাগলা
মাথাটা কেটে ফেলুননা ভাইয়া? আপনার মাথা পুরোটাই গেছে
। ভারতের গরুর মুত পানকারীরা না আসলে বাংলাদেশ কি স্বাধীন হতোনা? আপনি যে ভারতীয় প্রোডাক্ট সেটা আপনি নিজেই বলে দিচ্ছেন ভাইয়া? ভাইয়া রাগ করবেন না। ![]()
১০|
১৫ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৫
অরণি বলেছেন: @মাথা পাগলা
মাথা মোটা ভাইয়া পাকিস্তান ২৫ বছরে যা নিতে পারেনি ভারত ২৫ দিনেই তা দিয়ে গেছে। না কি ভুল বললাম মাথা মোটা ভাইয়া?
১১|
১৫ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ৮:৩৭
শেরজা তপন বলেছেন: কোন রাষ্ট্রই অন্য রাষ্ট্রের বন্ধু হয় না যদি বন্ধুত্বের পেছনে বিশেষ স্বার্থ না থাকে।
* ভারতের যে সৈন্যগুলো বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য প্রান দিয়েছে তারা নিজেরাই জানেনা কিজন্য তাদের এই মহামুল্যবান জানটা গেল!!!
২০ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৩১
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: যথাযথ বলেছেন।
১২|
১৫ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:০৮
জুল ভার্ন বলেছেন: গতকালই ভারতীয় পার্লামেন্টে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেছেন- "ইন্দিরা গান্ধী পরিকল্পিত ভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার নামে পাকিস্তানকে দ্বিখণ্ডিত করে ভারতকে শক্তিশালী করেছে- সেজন্য ইন্দিরা গান্ধী নিজের কৃতিত্ব জাহির করেননি"!
২০ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:০১
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: মোদির পয়দা করা পোলারা ভারতের ষড়যন্ত্রের কথা জানতেও চায়না বুঝতে উহারা চেতনা নিয়ে দেশকে পিছনে টানছে। বিশ্বে বহুদেশ যুদ্ধকরে স্বাধীনতা অর্জন করেছে তারা চেতনা নিয়ে ব্যবসা করছেনা। বাংলাদেশের চেতনাবাজরা ৭১ নিয়ে ব্যবসা জিইয়ে রাখতে চায়। ভারতে যেমন দেশপ্রেম মানে মুসলিম ও পাকিস্তানকে ঘৃনা করা ঠিক তেমনই চেতনাবাজদের দেশপ্রেম মানে পাকিস্তানকে ঘৃনা করা ও ভারতের দালালী করা।
১৩|
১৫ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:০৯
শ্রাবণধারা বলেছেন: এতো দেখি রাজাকার জঙ্গিদের হাটবাজার!
ভারত যেহেতু বাংলাদেশে সৈন্য পাঠিয়ে পাকিস্তানকে বিভক্ত করেছে, এখন পাকিস্তানের সাথে যুক্ত হওয়ার সময় হয়েছে। পাকি জঙ্গিদের সাথে বাংলার জঙ্গিরা এক হলে ভারতের গজওয়াতুল হিন্দ যুদ্ধ শুরু হবে। ![]()
জোকস এপার্ট, পরাশক্তি কিন্তু আপনাদের ব্যবহার করে, এরকম একটা জঙ্গি এলায়েন্স তৈরির চেষ্টা করছে।
২০ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:০৮
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: আমরা দেশে থেকে বাস্তব অবস্থার প্রেক্ষিতে যা দেখছি তাই বলার চেষ্টা করছি এতে করে যদি কোন দালাল চক্র বেজার হয় তাহলে আমার কি করার আছে?
ওদের অনেক ভুল ছিল তারপরও পাকিস্তান আমাদের দেশে যা করেছে তা গত ৫৬ বছর ধরেও হয়নি সেটা শিল্পকারখানা হোক বা শিক্ষাই হোক।
১৪|
১৫ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:১৫
আব্দুল হাদী আল নাফী খান বলেছেন: এটা (বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নেয়া) ভারতের একটা সফল কূটনীতির প্রয়োগ। কিছু টুকরো স্টেটমেন্টের ভিত্তিতে ভারতের ভূমিকা যাচাই করা ঠিক হবে না। ভারতের ভূমিকা যাচাই করতে হলে আমাদের পড়াশোনা এবং আনবায়াসড মূল্যায়ন দরকার। আমি "র এর কাওবয়েরা" এবং "পূর্ব-পশ্চিম" বইয়ের সূত্রে বলতে পারি- পাকিস্তান ভারতকে পাঞ্জাব এবং বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে অস্থির করার চেষ্টায় লিপ্ত ছিল, সে হিসেবে এই বিভাজন ভারতের প্রত্যাশিত ছিল। পূর্ব পাকিস্তানের গণঅসন্তোষ ভারতের জন্য ইন্টারফেয়ার করার সুযোগ নিয়ে আসে। ইন্দিরা গান্ধী যখন পশ্চিমা দেশগুলোকে বিপুল পরিমাণ শরণার্থী এবং বাংলাদেশের দুর্দশা নিয়ে অবহিত করে- তাদের সবাই নীরব ছিল- ঠিক যেমনি সবাই রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে নির্বাক। এই নীরবতা ইন্দিরাকে যুদ্ধে অংশ নেয়ার নৈতিক সুযোগ দিয়ে দেয়।
নিজস্ব অনুধাবনঃ
আর পরবর্তীতে আমাদের ভালো লাগুক বা না লাগুক, তারা তাদের কার্যক্রম থেকে সর্বোচ্চ ফায়দা নেবার চেষ্টা করবেই, সেটা তাদের কাজকে যত ভাবে ইন্টারপ্রিট করা যায় তত ভাবেই। যেকোন দক্ষ রাষ্ট্রই তা করবে। মোদ্দা কথা, নিজের স্বার্থে বা পরের স্বার্থ- যাই হোক ভারত সাহায্য করেছে। এই আলোচনা খুবই হাইপোথেটিক্যাল (কিন্তু ইন্টারেস্টিং) যে, যদি ভারত এফেক্টেড না হতো, যুদ্ধে অংশ নিত?- আমার মনে হয় না।
২০ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:১১
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: ভারত এফেক্টেড না হলেও যুদ্ধে অংশ নিত সেটা তার নাতনি ও ভারতের কথাবার্তায় বোঝা যায়। উপরের লিঙ্ক দেখা যেতে পারে।
১৫|
১৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:০৩
সাইফুলসাইফসাই বলেছেন: কথাগুলো সত্য মনে হলো
২০ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:১৭
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
১৬|
১৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৩৫
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: যেহেতু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ভারতের ষড়যন্ত্রের ফসল তাই এই স্বাধীনতা কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না- চলেন পাকিস্তানের সাথে আবার যোগ দেয়ার জন্য শাহাবাগে আন্দোলন শুরু করি।
আর ভারতের উস্কানীতে যে সকল মুক্তিযোদ্ধারা গন্ডগোল বাঁধিয়ে পাকিস্তানকে ভাগ করেছে তাদের ফাঁসির জন্য শাহবাগে তেব্রো আন্দোলন শুরু করতে হবে।
মাত্র ৩ লাখ মানুষ মেরেছে আর হাজার হাজার নারীদের ধর্ষণ করেছে তাতে কি হয়েছে!! - পাকিস্তান জিন্দাবাদ।
আপনার পোস্টের কল্যাণে যেহেতু আমরা আসল সত্য জানিতেই পারিলাম, তাহলে আগামী কাল থেকে দেশের সকল প্রতিষ্ঠানের বাংলা পতাকা নামিয়ে পাকিস্তানের পতাকা উড়াতে হবে।

২০ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:১৪
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: ভারতের দালালদের বাংলাদেশে কোনদিন ঠাঁই হবেনা। পাকিস্তানের সংগে যোগ দেওয়ার জন্য দেশ স্বাধীন হয়নি।
১৭|
১৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৪৩
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আগামীকাল জাতিসংঘের কাছে আবেদন করুন- "বাংলাদেশ হচ্ছে ভারতের ষড়যন্ত্রের ফসল, আমরা এই স্বাধীনতা মানি না, অচিরেই বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্রের লিস্ট থেকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানের সাথে যুক্ত করা হোউক"
২০ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:১৬
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: ভারতের দালালদের চর্মযন্ত্রনা দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে ভারতের দালালী না করায় উহারা কত কষ্টে আছে এই দালালদের বাংলাদেশে কোনদিন ঠাঁই হবেনা।
১৮|
১৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ২:৫৯
কলাবাগান১ বলেছেন: এক পোস্টে সকল রাজাকার /রাজাকারনী দের চিনা হল। এরা ব্যাংকে বসে বসে থেকে যখন পা ফুলে যায়, তখন আবার চিকিৎসার জন্য ভারত ছাড়া চিন্তাই করতে পারে না
২০ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:২১
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: অনেকেই এই পোষ্টে বুঝতে পারলো যে কাহারা ভারতের দালালী না করলে ঘুমাতে পারেনা। যারা ভারতে চিকিৎসার জন্য যায় তাদেরকে ফ্রি চিকিৎসা দেয় বুঝি? দালালীর সীমারেখা অতিক্রম করেছেন তারমানে সুপার দালাল।
১৯|
১৬ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৬
রাজীব নুর বলেছেন: এইসব করে ইতিহাস বদলাতে পারবেন না। বরং মানুষের কাছে ঘৃণার পাত্র হবেন।
২০ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:২১
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: ইতিহাস আপন মহিমায় চলে।
২০|
২১ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:২৩
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: ৭১ এ তো বাংলাদেশের ১ কোটিরও বেশি মানুষ ভারত সীমান্ত অতিক্রম করেছিলো বনভোজন করতে।
চোর চুরি করলে তার সব দায়ভার কি এককভাবে চোরের নাকি সেই সাথে গৃহস্থের অসতর্কতাও দায়ী?
যে ভারতের সাথে পাকিস্তানের ইতোমধ্যে দুটো বড় যুদ্ধ হয়ে গেছে সেই ভারত তার দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ (অথবা ষড়যন্ত্র) নিবে, এটা স্বাভাবিক। বিষয়টি এরকম না পাকিস্তান ছিলো অলি আউলিয়া, খুব সজ্জন শান্তিপ্রিয় প্রতিবেশী কিন্তু বিনা উস্কানিতে ভারত ষড়যন্ত্র করে তাঁকে খণ্ড বিখণ্ড করে ফেলেছে।
২৪ বছরে পশ্চিম পাকিস্তানের ব্রাহ্মণ শ্রেণীর মুসলমানরা তথা অবাঙ্গালী উর্দুভাষী পাঞ্জাবীদের বাঙ্গালীদের প্রতি আচরণের খতিয়ান নিম্নরূপ:
/ভাষা ও সাংস্কৃতিক বৈষম্য
/শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য
/রাজনৈতিক বৈষম্য
/অর্থনৈতিক বৈষম্য
/সামরিক বৈষম্য
/অবকাঠামো উন্নয়ন বৈষম্য
/মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় বৈষম্য
/৭০ এ উপকূল এলাকায় ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে অসংখ্য মানুষের প্রাণহানির পরও যথাযথ ত্রাণ সহায়তার ব্যবস্থা না করা
/৭০ এর নির্বাচনে জেতার পরও লীগকে ক্ষমতা হস্তান্তর না করা
এসবও কি ভারতের ষড়যন্ত্র ছিলো?
পাকিস্তান একের পর এক তার ঘরের সদর দরজা সহ সব দরজা জানালা মূল ফটক খুলে রাখবে আর সুযোগের অপেক্ষায় থাকা ভারত সুখনিদ্রায় ডুবে থাকবে এমনটা ভাবা কি ঠিক?
পশ্চিম পাকিস্তানী শাসকেরা ছিলো অপদার্থ, অদূরদর্শী ও অপরিনামদর্শী। সুতরাং অন্ধের মতো ওদের পদাঙ্ক অনুসরণ করা খুব গর্বের কিছু না।
অবশ্য জামায়াতি মোনাফেক রাজকাররা নিজেদের অতি বুদ্ধিমান ভাবলেও এর মানে এই না যে জনগণ তার ঘটে কিছু বুদ্ধি রাখে না। তারা খুব ইনসাফের কথা বলে কিন্তু একইসাথে তারা পশ্চিম পাকিস্তানের অবাঙ্গালী পাঞ্জাবী মুসলিম শাসকদের ২৪ বছর ব্যাপী বেইনসাফি ধামা চাপা দেয়ার জন্য ভারতীয় ষড়যন্ত্রের একতরফা বয়ান দেয়। এজন্যই গত ৮৫ বছর ধরে জামায়াতি রাজাকাররা জনগনের লাল কার্ড দেখে আসছে, তা সে বর্তমান পাকিস্তানেরই হোক অথবা বর্তমানে বাংলাদেশের।
আর ইতিহাস থেকে শিক্ষা না নেয়ায় পাকিস্তানের পাঞ্জাবীস্তানে রূপান্তরিত হওয়ার আশংকা তৈরি হয়েছে।
২১|
২১ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৩৭
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: @লেখকঃ "যত ভারী শিল্পকারখান সবই হয়েছিল পাকিস্তানের সময়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সেগুলোও"।
পাকিস্তান আমলে হওয়া কোন কোন ভারী শিল্প কারখানা থেকে রপ্তানী করে এখন আমরা সবোচ্চ বৈদেশিক মূদ্রা আয় করি?
আমরা তো জানি যে শিল্প থেকে আমাদের সর্বোচ্চ আয় হয়, সেই তৈরি পোষাক খাত সংস্লিষ্ট যাবতীয় কারখানা।
এটা ঠিক যে পূর্ব পাকিস্তানে ওদের তৈরি করা পাটের কারখানার আয়ে পশ্চিম পাকিস্তানে অনেক নতুন নতুন শহর গড়ে উঠেছিলো। আবার এটাও সত্য যে ওই পাটের কারখানা চালানোর জন্য দক্ষ বিহারী শ্রমিকরাও ৭১ এর মুক্তিসংগ্রামে বিশেষ কোন কাজে আসেনি। বাঙ্গালীদের জবাই করে নগদে আমাদের প্রতিদান দিয়েছিলো।
পাকিস্তান শাসনামলের ২৪ বছরে পশ্চিমে প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠনা ক্রমশ বেড়েছিলো আর তার বিপরীতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে কমেছিলো।
২২|
২১ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৩৯
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: পাঞ্জাবীস্তান জিন্দাবাদ!
২৩|
২১ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪
নতুন বলেছেন: আমাদের জনগনের যারা ভাদা আর পাদা তারা সবসময় দুই ধরনের ন্যারেটিভ তৈরি করে রাজনিতিক সার্থ হাসিলের জন্য।
পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের সহাবস্থান সম্ভব হচ্ছিল না। তাই স্বাধীনতা ছিল সময়ের দাবি।
ভারতেরও কৌশলগত প্রয়োজন ছিল পাকিস্তানকে দুর্বল করা। সে কারণেই তারা আমাদের সহায়তা করেছিল। একটি প্রচলিত কথা আছে— "আপনার শত্রুর শত্রুই আপনার বন্ধু।"
ভারতের সেই সহায়তার ফলে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করতে পেরেছি। এজন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা থাকা উচিত। তাই বলে মাথা বিক্রি করা উচিত না।
তবে কৃতজ্ঞতা আর নতজানু পররাষ্ট্রনীতি এক জিনিস নয়। স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আমাদের সম্পর্ক হবে পারস্পরিক সম্মান ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে—যেটি অতীতে অনেক সময় বজায় রাখা হয়নি।
আজ যারা পাকিস্তান কিংবা ভারত—দুই দেশেরই অন্ধ বন্দনায় ব্যস্ত, তাদের অবস্থান সত্যিই প্রশ্নের জন্ম দেয়।
বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানকে সবচেয়ে বেশি খাটো করে তারা, যারা পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ইতিহাসকে এখনো মেনে নিতে পারেনি।
আবার যারা সুযোগ পেলেই পাকিস্তান বা ভারতের অযৌক্তিক প্রশংসায় মেতে ওঠে, তাদের মধ্যেও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতি ভালোবাসা খুঁজে পাওয়া কঠিন। মনে হয়, স্বাধীনতার চেয়ে পরনির্ভরশীলতাই তাদের বেশি পছন্দ।
কিছু ভারত-ভক্তের বক্তব্য শুনলে মনে হয়, সুযোগ পেলেই তারা স্বাধীন বাংলাদেশের পরিচয়ের চেয়ে ভারতের সঙ্গে একীভূত হওয়াকেই বেশি গুরুত্ব দেবে।
অথচ স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা, সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় পরিচয়—এগুলোই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন ও গর্ব। এই গর্বের মূল্য সবাই উপলব্ধি করে না।
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৪৪
কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আপার সেনারা এখন আপনাকে ঝাপটে ধরবে