| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস... খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে... কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়। আমার অদক্ষ কলমে... যদি পারো ভালোবেসো তাকে... ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে, যে অকারণে লিখেছিল মানব শ্রাবণের ধারা.... অঝোর শ্রাবণে।।
লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....
লাল বদরঃ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া একটি নতুন ও রাজনৈতিক কটূক্তিবাচক শব্দ বা স্লোগান। কোটা সংস্কার আন্দোলন ও সরকার পতনের সময় সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা সংহতি প্রকাশ করে নিজেদের ফেসবুক প্রোফাইল পিকচার (ডিপি) লাল রঙে রাঙিয়েছিলেন।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার বিতর্কিত "আর্মির" (অর্থাৎ পাকিস্তানি আর্মি বা সেনাবাহিনী) বা সহায়তাকারী বাহিনী 'আল-বদর'-এর সাথে মিলিয়ে সেই লাল প্রোফাইল পিকচার ব্যবহারকারী বা আন্দোলনকারীদের ব্যঙ্গ করে 'লাল বদর' নাম দেওয়া হয়েছে।
ব্যবহারের ক্ষেত্রঃ রাজনৈতিক আলোচনা ও সামাজিক মাধ্যমে একে অপরকে আক্রমণ করতে শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এক পক্ষের মতে, যারা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে প্রোফাইল লাল করেছিলেন তাদের অনেকেই এখন ভিন্ন রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন- এমন অভিযোগে তাদের বিরোধীরা এই শব্দ ব্যবহার করে।সংক্ষেপে, এটি একটি রাজনৈতিক পরিভাষা, যা মূলত জুলাইয়ের অভ্যুত্থানে ফেসবুক প্রোফাইল লাল করা কর্মী বা ব্যক্তিদের নির্দেশ করতে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নেটিজেনরা ব্যবহার করছেন।
কালা বদরঃ শব্দটিও মূলত 'লাল বদর' শব্দের প্রতিপক্ষ হিসেবে বা একই ধারাবাহিকতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক শব্দ। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় যারা প্রতিবাদ জানাতে নিজেদের ফেসবুক প্রোফাইল পিকচার বা ডিপি লাল করেছিলেন, তাদের যেমন বিরোধীরা 'লাল বদর' বলে ডাকতে শুরু করে; ঠিক তেমনিভাবে যারা সেসময় আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষ নিয়ে প্রোফাইল পিকচার বা ডিপি কালো করেছিলেন (বিশেষ করে লাইলাতুল শোকের মাসের আবহে বা আন্দোলনের বিরোধিতায়), তাদের লক্ষ্য করে ক্ষুব্ধ নেটিজেনদের একাংশ 'কালা বদর' শব্দটি ব্যবহার করে।
"ছাপরি".....
‘ছাপরি’ শব্দের অর্থ, উৎপত্তি ও সামাজিক প্রেক্ষাপটঃ
সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ছাপরি’ বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত একটি স্ল্যাং। বিশেষ করে ভারত, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার তরুণদের মধ্যে শব্দটি জনপ্রিয়। সাধারণত অতিরিক্ত চাকচিক্যপূর্ণ বা অদ্ভুত ফ্যাশন, আচরণ কিংবা নিজেকে জোর করে ‘কুল’ দেখানোর চেষ্টাকে ব্যঙ্গ করতে শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
ফেসবুক, টিকটক, ইনস্টাগ্রাম রিলস বা ইউটিউব শর্টসে উগ্র চুলের স্টাইল ও রং, আঁটসাঁট বা ছেঁড়া পোশাক, অতি ঝলমলে সাজসজ্জা, অদ্ভুত অঙ্গভঙ্গি এবং ঝুঁকিপূর্ণ বাইক স্টান্ট- এসব আচরণের সঙ্গে শব্দটি প্রায়ই যুক্ত করা হয়।
তবে শব্দটির একটি সংবেদনশীল সামাজিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট রয়েছে। ‘ছাপরি’ শব্দটি হিন্দি-মারাঠি ‘ছাপ্পর’ থেকে এসেছে, যার অর্থ খড়, বাঁশ বা টিন দিয়ে তৈরি অস্থায়ী ঘর বা চাল। মহারাষ্ট্র ও উত্তর ভারতের ছাপ্পরবন্দ নামে একটি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যগত পেশা ছিল ঘর বা দোকানের চাল তৈরি ও মেরামত করা।
ব্রিটিশ আমলে ১৮৭১ সালের Criminal Tribes Act-এর আওতায় ভারতের বহু প্রান্তিক ও যাযাবর জনগোষ্ঠীকে অন্যায়ভাবে ‘অপরাধপ্রবণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ‘ছাপরি’ শব্দটি সামাজিকভাবে নিম্নবিত্ত, বস্তিবাসী বা তথাকথিত ‘অরুচিশীল’ মানুষের পোশাক-আচরণকে উপহাস করার ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হতে থাকে।
বর্তমানে শব্দটি নিছক ট্রোলিং বা মজার স্ল্যাং হিসেবে ব্যবহৃত হলেও, এর ভেতরে শ্রেণিবৈষম্য (Classism) এবং জাতিগত বৈষম্যের (Casteism) ঐতিহাসিক ছায়া রয়েছে।
অর্থাৎ, কারও ফ্যাশন বা আচরণ পছন্দ না হলে তাকে ‘ছাপরি’ বলা সহজ; কিন্তু শব্দটির পেছনের ইতিহাস মনে রাখলে বোঝা যায়- 'ছাপরি' শুধু একটি মজার শব্দ নয়, সামাজিক শ্রেণি ও প্রান্তিকতাকে বিদ্রূপ করার একটি পুরোনো প্রবণতারও প্রতিফলন।
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২০
জুল ভার্ন বলেছেন: বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেই যদি কারও পকেটের টাকা দেখে তাকে মব দিয়ে শাস্তি দেওয়ার রাজনীতি করি- তাহলে বৈষম্য যায়নি, শুধু বৈষম্যের মালিকানা বদলেছে!
বড়লোকের সম্পদ কমিয়ে দিলেই সমতা আসে না; বরং আইনের শাসন, সমান সুযোগ ও ন্যায্য প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করলেই বৈষম্য কমে।
নইলে মুখে ‘বৈষম্যবিরোধী’, আর কাজে ‘তুমি বেশি পেয়েছ- তাই তোমাকে কমাব’-এটাও তো বৈষম্যেরই নতুন সংস্করণ!
২|
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৭
রানার ব্লগ বলেছেন: ছাপরি শব্দটা মুলতো মুম্বাই এর লোকাল শব্দ । এটা হিন্দিও না । আমি বাংলা ভাষায় এই শব্দ কে স্থান দিতে আগ্রহী না ।
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২১
জুল ভার্ন বলেছেন: আপনার মতামতকে আমি সম্মান করি। তবে একটি বিষয় মনে রাখা দরকার- আপনি, আমি বা আমরা কেউই বাংলা ভাষায় কোনো শব্দকে ‘স্থান দেওয়া’ বা ‘স্থান না দেওয়ার’ মালিক নই।
ভাষা কোনো ব্যক্তির ইচ্ছায় চলে না; ভাষা গড়ে ওঠে মানুষের ব্যবহার, সমাজের পরিবর্তন ও সময়ের প্রবাহে। পৃথিবীর প্রায় সব ভাষাই অন্য ভাষা ও সংস্কৃতি থেকে শব্দ গ্রহণ করে সমৃদ্ধ হয়েছে।
কোনো শব্দ আমাদের পছন্দ নাও হতে পারে- আমরা সেটি ব্যবহার না-ই করতে পারি। কিন্তু সময়ের প্রবাহকে রুদ্ধ করে ভাষার স্বাভাবিক বিবর্তন থামিয়ে দেওয়া কারও পক্ষে সম্ভব নয়। শেষ পর্যন্ত ভাষা অভিধানের চেয়ে মানুষের মুখেই বেশি বেঁচে থাকে।
৩|
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১৮
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: এমন অনেক শব্দ আছে যা অভিধানে নেই মানুষের মুখে মুখে যুগের পর যুগ চলে আসছে, আবালবৃদ্ধবণিতা সকলেই সেই শব্দসমূহ বোঝে।
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৫
জুল ভার্ন বলেছেন: অভিধান ভাষার শব্দকে সংরক্ষণ করে, কিন্তু মানুষের মুখ ভাষাকে বাঁচিয়ে রাখে। অনেক শব্দ হয়তো কোনো অভিধানে নেই, অথচ প্রজন্মের পর প্রজন্ম মানুষের মুখে মুখে ঘুরে এতটাই পরিচিত হয়ে উঠেছে যে- আবালবৃদ্ধবণিতা সবাই তার অর্থ বোঝে। যেমন- মনের ভাষা, চোখের ভাষা, এমনকি কিছু না বলেও অনেক কিছু বলে দেওয়া যায়!
কাজেই ভাষা শুধু বইয়ের পাতায় নয়; মানুষের জীবন, অনুভূতি আর মুখের কথাতেই ভাষার প্রকৃত জন্ম ও বিকাশ।
৪|
০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৪
গহীনে রক্তক্ষরণ বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন । বিশেষ করে শেষে “ছাপরি” শব্দটির যে মানবিক আবেদন ফুটিয়ে তুলেছেন, সেটার মূল্য বোঝার মত মানুষ আমাদের দেশ থেকে উদ্বায়ী গেছে (ব্যতিক্রম ব্যতিত)। আমি বলব, এই উদ্বায়ী হওয়া শুরু হয়েছিল মূলতঃ ১৯৭২ সাল থেকেই । আমি পরিবর্তন দেখতে দেখতে বড় হয়েছি । ছবির মত মনে আছে সব কিছু । আমরা এমনটি ছিলাম না । জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষ ছেলেবেলায় গলায় গলায় মিলে বড় হয়েছি । মানুষ মানুষকে সম্মান করত, কাউকে নিয়ে ব্যাংগ-বিদ্রুপ করা যায় ? এ আমরা কখনও কল্পণাও করতে পারতাম না ( ব্যতিক্রম ছিল হয়তো, আমার নজরে আমি দেখিনি আমার কৈশোর বেলায় ) । তখনকার সমাজটা এত সুন্দর ছিল কেন জানেন ? তখনকার মানুষ জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে ধার্মিক ছিলেন । তারা বিশ্বাস করতেন অপরাধ করলে শাস্তি হবে পরকালে । হিন্দু সহ অন্যান্য ধর্মের মানুষরাও এটা বিশ্বাস করতেন । মানুষের অধিকার হরণ করা হলে তাকে নরকে বা জাহান্নামে যেতে হবে, এমন একটা ভয় তাদের অন্তরে ছিল । সমাজের কিছু মুরুব্বীজন, কিছু শিক্ষক ছিলেন, যাদের ব্যক্তিত্ব সততা, ন্যায়-নিষ্ঠা ছিল সকল সমালোচনার উর্ধে । পরিবারের ভেতরে আদর্শের চর্চা, ধর্মের চর্চা ছিল । সৎ কাজের আদেশ ছিল, অসৎ কাজের নিষেধ ছিল । তাই সামাজিক ভারসাম্য ছিল । কী যে হয়ে গেলাম ! হঠাৎ করে ৭২ সাল থকে সব কিছুই কেন জানিনা ক্রমে ক্রমে বদলে যেতে থাকে মানুষের চরিত্র । যেমন বললেন, “ছাপরি” বলে আজ মানুষ মানুষকে হেয় করে ? এই অবস্থা আমার চোখের সামনে দেখেছি, কিভাবে অল্প বয়সী তরুণরা প্রথমতঃ একটা গুরুতর অপরাধ করল । লঞ্চের আপার ক্লাসের ভাড়া না দিয়ে ডেকের ভাড়া দিয়ে কেবিনে জোর করে প্রবেশ করেছিল এবং তাদেরকে সেই কাজে বাঁধা দেয়ায় লঞ্চের প্রায় বৃদ্ধবয়সী কেরানীকে ঘুষি মেরেছিল । তখন কেবিনে বসা কয়েকজন সিনিয়র সিটিজেন, মুরুব্বীজন একটু শাসনের সুরেই বলেছিলেন, “ এই বাচ্চারা , তোমরা কি আদব কায়দা কিছু শেখনাই” ? ছেলেগুলো তাদের জামারর কলার ঝাকি মেরে বলেছিল, মুরুব্বীরা থামেন । জ্ঞান দিবেন না । এটা বংগবন্ধুর বাংলাদেশ । এখানে আমরা যা বলব, সেটাই আইন । ঐ পাকিস্তানী আইন এখানে চলবে না । মানুষ সম্ভবতঃ এভাবেই ক্রমান্বয়ে তাদের নীতি, আদর্শ থেকে বিচ্যুত হতে হতে আজ এ পর্যায়ে এসে ঠেকেছে । কোনদিন এই রাষ্ট্রের জনশক্তিকে মানবতাবাদী জনশক্তিতে রূপান্তরের চেষ্টা কোন সরকারই বিগত ৫৫ বছরে করেনাই । অতএব এমন একটা যুগে আপনাদের মত লেখকদের অন্তর থেকে যখন “ছাপরি” এর অপব্যবহার নিয়ে সচেতনতা দেখি, তখন মনে হয়, হয়তো আমরা এখনো সবাই পঁচে যাইনি । ধন্যবাদ আপনাকে ।
০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৬
জুল ভার্ন বলেছেন: আপনার কথাগুলো পড়ে মনে হলো- এ শুধু একজন মানুষের স্মৃতিচারণ নয়, আমাদের সমাজের দীর্ঘ পরিবর্তনের একটি জীবন্ত দলিল।
সমাজের অবক্ষয় হঠাৎ করে হয় না; ছোট ছোট মূল্যবোধের পতন একসময় বড় সামাজিক সংকটে রূপ নেয়। একসময় ধর্মীয় বিশ্বাস, পারিবারিক শিক্ষা, শিক্ষক ও মুরুব্বীদের শাসন এবং পারস্পরিক সম্মান- এসবই মানুষের আচরণের ওপর এক ধরনের নৈতিক নিয়ন্ত্রণ তৈরি করত। আজ সেই জায়গাগুলো অনেকটাই দুর্বল হয়ে গেছে।
‘ছাপরি’ শব্দটি এখানে শুধু একটি শব্দ নয়; মানুষকে হেয় করার যে প্রবণতা, সেটিই আসল সমস্যা। মতের অমিল থাকতে পারে, প্রজন্মের পার্থক্য থাকতে পারে- কিন্তু মানুষের মর্যাদাকে ছোট করা কোনো সুস্থ সমাজের লক্ষণ হতে পারে না।
তবে আপনার লেখার শেষ কথাটিই সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক- আমরা এখনো সবাই পচে যাইনি।
যতদিন মানুষ এই অবক্ষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলবে, নিজের সন্তানকে মূল্যবোধ শেখাবে, অন্যের প্রতি সম্মান দেখাবে এবং অন্যায়কে অন্যায় বলতে দ্বিধা করবে না- ততদিন সমাজের ফিরে আসার পথটাও খোলা থাকবে।
সমাজ পরিবর্তনের শুরু আসলে রাষ্ট্র থেকে নয়, মানুষের চরিত্র ও পরিবার থেকে। সেই জায়গাটাই আমাদের আবার নতুন করে গড়ে তুলতে হবে।
ওহ 'উদ্বায়ী' শব্দটার জন্য স্পেশাল থ্যাংকস।
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: কারও ফ্যাশন বা আচরণ পছন্দ না হলে তাকে ‘ছাপরি’ বলা সহজ;
কিন্তু শব্দটির পেছনের ইতিহাস মনে রাখলে বোঝা যায়- 'ছাপরি' শুধু একটি
মজার শব্দ নয়, সামাজিক শ্রেণি ও প্রান্তিকতাকে বিদ্রূপ করার একটি
পুরোনো প্রবণতারও প্রতিফলন।
................................................................................................
অর্থাৎ বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন করেও আমরা বৈষম্য বজায় রেখেছি
আমাদের মন ও মননে । শুধু মাত্র শ্লোগান হচ্ছে যারা বড়লোক টাকা বেশী
তা মব করে কমায়ে আনো তাহলে বৈষম্য কমবে ।