| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মায়াস্পর্শ
মনের বিপরীতে পার করে এসেছি সহস্রকাল, হঠাৎ এক উদ্ভ্রান্ত অবয়বে বেঁচে থাকি এপার ওপার।
আন্ডারগ্রাউন্ড শোতে এটাই আমার প্রথম ড্রামস বাজানোর একটা মুহূর্ত।
কিছু গল্প আসলে পরিকল্পনা করে শুরু হয় না।কিছু গল্প হঠাৎ করে একটা মুহূর্ত থেকে জন্ম নেয় আর তারপর ধীরে ধীরে একটা মানুষের পরিচয় হয়ে যায়।
আমার গল্পটাও ঠিক তেমন।২০০৮ থেকে ২০২১ প্রায় এক যুগ আমি মিউজিকের সাথে ছিলাম। এখন পেছনে ফিরে তাকালে মনে হয়, ওই সময়টা শুধু গান করা বা ইনস্ট্রুমেন্ট শেখার সময় ছিল না। ওই সময়টা ছিল নিজেকে খুঁজে পাওয়ার সময়।
আমার প্রথম স্টেজ পারফরম্যান্সের কথাটা এখনো পরিষ্কার মনে আছে।
সেদিন একটা শো ছিল। আমি সামনে দাঁড়িয়ে, নিজের মতো করে নাচানাচি করছিলাম। মঞ্চে গান করছিলেন আমার বড় ভাইয়ের মতো একজন মানুষ ''আব্দুল্লাহ।''তিনি আমার আপন ভাই ছিলেন না, কিন্তু সম্পর্কের জায়গাটা তার থেকেও অনেক গভীর ছিল। ছোটবেলার অনেকটা সময় তার সাথে কেটেছে। তিনি ছিলেন আমার মিউজিকের অন্যতম বড় অনুপ্রেরণা।উত্তরবঙ্গের মানুষ তাকে "জেমস" নামে চিনতো। তার নিজের একটা পরিচয় ছিল, নিজের একটা গ্রহণযোগ্যতা ছিল।সেদিন আমি শুধু একজন দর্শক ছিলাম।
কিন্তু হঠাৎ করেই মঞ্চ থেকে তিনি মাইকে বললেন,"এবার গান গাইবে..."তারপর আমার নাম বললেন।
সত্যি বলতে, ওই মুহূর্তের জন্য আমি একদম প্রস্তুত ছিলাম না। কয়েক হাজার মানুষের সামনে দাঁড়ানো এটা কখনো কল্পনাও করিনি।কিন্তু কিছু মুহূর্ত আসে, যেখানে ভয় আর চিন্তা করার সময় থাকে না।আমি মঞ্চে উঠলাম।প্রায় ৩ হাজার মানুষের সামনে প্রথমবার গান করলাম।আর সেদিনই হয়তো বুঝেছিলাম মঞ্চ আমার জন্য কোনো ভয় পাওয়ার জায়গা না।বরং মঞ্চ এমন একটা জায়গা, যেখানে আমি নিজেকে সবচেয়ে বেশি খুঁজে পাই ।
তারপর শুরু হলো আসল যাত্রা।গিটার শেখা, কিবোর্ড বাজানো, বেস গিটার একটার পর একটা নতুন জগৎ খুলতে লাগলো।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসে আমি থেমে গেলাম ড্রামের কাছে।কেন জানি না, ড্রামের সাথে একটা আলাদা সম্পর্ক তৈরি হয়ে গেল। মনে হতো, এটা শুধু একটা ইনস্ট্রুমেন্ট না এটা আমার ভেতরের রাগ, কষ্ট, আনন্দ, সবকিছুর একটা প্রকাশ।
প্রথম দিকে কমার্শিয়াল মিউজিক করলেও ধীরে ধীরে আমি ঢুকে গেলাম আন্ডারগ্রাউন্ড মিউজিকের জগতে।
আর সেখানে গিয়ে যেন নিজের আসল জায়গাটা খুঁজে পেলাম।
সেই সময় Chris Adler এর ড্রামিং আমাকে ভীষণভাবে প্রভাবিত করেছিল। তার বাজানোর প্যাটার্ন, পাওয়ার, টাইমিং আর এনার্জি আমাকে মুগ্ধ করতো।আমি প্রায় সবসময় তাদের গান কভার করতাম। ধীরে ধীরে সেই influence আমার নিজের বাজানোর স্টাইলের মধ্যে চলে আসে। আমার ব্যান্ডের অন্য সদস্যরাও সেই গানগুলো কভার করতো।
আসলে একজন মিউজিশিয়ানের জীবনে কিছু মানুষ আসে, কিছু ব্যান্ড আসে যারা তার চিন্তা করার ধরনটাই বদলে দেয়।
আমার জন্য সেই সময়টা ঠিক তেমন ছিল।
ড্রামের journey শুরু হয়েছিল Di-Illumination ব্যান্ডের মিঠু ভাইয়ের কাছে। প্রথম তিন মাস তার কাছ থেকে শেখাটা ছিল আমার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
এরপর শেখার সুযোগ হয়েছিল Niyaz Kamran Abir ভাইয়ের কাছে। উনি কিছুদিন Artcell এর সাথেও বাজিয়েছিলেন। খুবই সেন্সিবল একজন মিউজিশিয়ান এবং তার থেকেও বড় কথা, একজন ভালো মানুষ।
কিন্তু মিউজিক শুধু শেখা আর বাজানোর গল্প না।
মিউজিকের সাথে জড়িয়ে থাকে মানুষ। জড়িয়ে থাকে স্মৃতি।
২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর একটা তারিখ যেটা আমার জীবনের গল্পের একটা বড় অংশ।সেদিন আব্দুল্লাহ ভাই মর্মান্তিকভাবে আমাদের ছেড়ে চলে যান।তিনি খুন হন।সেদিন বিকেলেও আমাদের শো ছিল, শেষ শো আর করা হয়নি তার সাথে। যে মানুষটা আমাকে প্রথম মঞ্চে দাঁড়ানোর সুযোগ দিয়েছিল, যে মানুষটা আমার চোখে একজন inspiration ছিল তার চলে যাওয়া একটা শূন্যতা তৈরি করেছিল।কিছু মানুষ জীবনে খুব অল্প সময়ের জন্য থাকে, কিন্তু তাদের প্রভাব থেকে যায় সারাজীবন।
প্রায় ৪ বছর হয়ে গেছে কোনো শো করা হয় না।
মাঝে মাঝে পুরোনো ছবিগুলো দেখি। প্রথম শোয়ের ছবিটা দেখলে একটা অদ্ভুত অনুভূতি হয়।
মনে হয়, সেদিন যেন আমি নিজের মধ্যে ছিলাম না।
আমি শুধু একটা জায়গায় দাঁড়িয়ে ছিলাম, আর মিউজিক আমাকে চালাচ্ছিল।স্টেজে বাজানোর অনুভূতি আসলে ভাষায় বোঝানো কঠিন।যখন সামনে একদল উন্মাদ তরুণ-তরুণী মাথা নাড়ছে, হেডব্যাং করছে, আর তোমার চার হাত-পায়ের প্রতিটা stroke গিয়ে মিশছে সেই মুহূর্তের সাথে তখন একটা অদ্ভুত শান্তি আসে।
একটা feeling আসে, যেটা অন্য কোথাও পাওয়া যায় না।তখন মনে হয়,
"Yes… this is where I belong."কারণ মঞ্চ শুধু একটা জায়গা না।মঞ্চ হলো সেই জায়গা যেখানে তুমি পৃথিবীকে দেখাতে পারো তুমি আসলে কে।
The stage is not where you perform.
The stage is where you reveal yourself.
একটা হঠাৎ পাওয়া মাইকের ডাক থেকে শুরু হওয়া গল্প।একজন মিউজিকের মানুষের অনুপ্রেরণা থেকে শুরু হওয়া গল্প।
একটা ড্রামের শব্দের মধ্যে নিজের পরিচয় খুঁজে পাওয়ার গল্প।আর হয়তো কোনো একদিন আবার সেই আলো জ্বলবে, সামনে মানুষ থাকবে, আর চারটা stroke আবার বলে উঠবে
আমি এখনো এখানেই আছি।
০১ লা জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০১
মায়াস্পর্শ বলেছেন: হুম ভাই, উনি মারা যাওয়াতে অনেক ঝামেলা হয়ে গেছে। উনি একজন লিজেন্ড ছিলেন আমাদের কাছে।
২|
০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:১৭
দানবিক রাক্ষস বলেছেন: ঠিক বলেছেন, কিছু ব্যান্ড আসে যারা চিন্তা করার ধারনাটাই বদলে দেয়,
আমার চিন্তাধারার মাঝে SLAYER, BEHEMOTH এর প্রভাব অনেক বেশী।
এর পর যদি কখনো হ্যাভি মেটাল শো করেন তাহলে জানায়েন, হেডব্যাং করতে যাব, অনেক দিন শো দেখতে যাই না।
০১ লা জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৪
মায়াস্পর্শ বলেছেন: বেশ বলেছেন ভাই। এখন সব বুইড়া বুইড়া ব্যান্ডের গান শোনা হয়। এই ধরেন ওপেথ , পিঙ্কফ্লয়েড, ড্রিম থিয়েটার এগুলি শুনি। জানিনা আর কখনো শো করবো কিনা। করলে অবশ্যই জানাবো। অনেক ধন্যবাদ।
৩|
০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৩
অপ্সরা বলেছেন: বাপরে!!!
তুমিও দেখছি গুরু!!!
প্রথম ছবি দেখে বুঝা যাচ্ছে তখন তুমি পিচকা ছিলে। ![]()
০১ লা জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪
মায়াস্পর্শ বলেছেন: না বাবা, আমি ওসব গুরু টুরুর মধ্যে নাই। আপনিই গুরু।
ছবিটা 2020 সালের। এই তো মাত্র ৬ বছর আগের।
ধন্যবাদ আপু।
৪|
০১ লা জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:৪৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: এটা শুধু একটা ইনস্ট্রুমেন্ট না এটা আমার ভেতরের
রাগ, কষ্ট, আনন্দ, সবকিছুর একটা প্রকাশ।
.......................................................................
সব মানুষ চায় তার অনুভূতি গুলো প্রকাশ করার মাধ্যম থাকুক ।
ইদানীং অনেকেই বলে মেয়েরা এই ব্যাপারে তাদের স্বামীদের
বেছে নেয় । ইচ্ছে মত ঝাল মিটায় !!!
কেউ কেউ মারপিট করে দাঙ্গা বাজাতে পসন্দ করে ।
০২ রা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৩১
মায়াস্পর্শ বলেছেন: হা হা ভাই , ঠিক বলেছেন।
প্রবাদ আছে না ''সংসার সুখের হয় রমণীর গুনে''। তাই স্বামীদের একটু বেশি ধৈর্য্যশীল হতে হয়।
৫|
০২ রা জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৮
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।
৬|
৩০ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৩০
মিরোরডডল বলেছেন:
লেখাটা যেমন ভালো লেগেছে, ছবিটাও সেরকম মার্শ।
জীবনের গল্প পড়তে ভালো লাগে, আর সেটা যদি হয় মিউজিক নিয়ে তাহলেতো আরো ভালো।
মার্শ’র পারফর্মেন্স দেখবো না, সেইসময়ের?
হয়তো কোনো একদিন আবার সেই আলো জ্বলবে
হয়তো না, উইশ থাকবে আগামীতে যেনো আগের চেয়ে আরও ভালো কিছু করতে পারে, করতে হবে
মার্শ'র জন্য অনেক শুভকামনা।
৩১ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১১
মায়াস্পর্শ বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ। কেমন আছেন আপনি? গতকাল আমার প্রথম দিকের লেখাগুলোর মন্তব্যগুলো পড়ছিলাম।
লেখাটা যে ভালো লেগেছে সেজন্য আমি অনেক খুশি। সেই সময়ের ভিডিও নেই। আমি খুঁজে পেতে চেষ্টা করছি। যেই ফোনে ছিল সেটা কোনো ভাবে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আমার অনেক আর্কাইভড আইটেমস আর রিকভার করতে পারিনি। দেখি কোথাও পেলে এখানে অ্যাড করে দিবো।
৩১ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:৫৮
মায়াস্পর্শ বলেছেন: আমার আগের নষ্ট একটা ফোন থেকে এটুকু পেয়েছি। ডাটা ট্রান্সফার হয়না সেটা থেকে। তাই ভিডিও করে নিয়ে এখানে দিলাম।
৭|
৩০ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:১৩
খায়রুল আহসান বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। গল্প বলার স্টাইলটা ভালো, ভাষাও ভালো। +
আপনার পারফর্মেন্সের কোন ভিডিও লিঙ্ক থাকলে সেটাও এখানে দিয়ে দিবেন, আমরা দেখবো।
"এটা শুধু একটা ইনস্ট্রুমেন্ট না এটা আমার ভেতরের রাগ, কষ্ট, আনন্দ, সবকিছুর একটা প্রকাশ" - চমৎকার বলেছেন।
জনাব আব্দুল্লাহ খুন হলেন কিভাবে, এবং কেন?
৩১ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৬
মায়াস্পর্শ বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ। সালাম নিবেন, শ্রদ্ধেয়।
আপনি খুব অল্প কথায় যেভাবে পুরো বিষয়টি এত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেন, সত্যিই সেটা প্রশংসার দাবিদার।
দুঃখের বিষয়, সেই সময়কার কোনো ভিডিও আমার কাছে নেই। তবে বিভিন্ন জায়গা থেকে সংগ্রহ করার চেষ্টা করছি।
জনাব আব্দুল্লাহ খুন হলেন কিভাবে, এবং কেন?
আসলে উনি ছিলেন একটু অন্যরকম মানুষ স্বাধীনচেতা, আপসহীন। মা-বাবা থাকলেও অনেকটা না থাকার মতোই বড় হয়েছেন। ছোটবেলা থেকেই উনার ভেতরে একটা দুর্দান্ত সাহস ছিল। অন্যায় দেখলে চুপ করে থাকতে পারতেন না। কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না, কিন্তু এলাকার সিনিয়র-জুনিয়র সবাই উনার উপস্থিতিকে আলাদা গুরুত্ব দিত। উনার মধ্যে একটা সাহসী, দাপুটে ব্যক্তিত্ব ছিল, যেটা আমাদের খুব ভালো লাগত। আমরা শুধু সেই বাহ্যিক দৃঢ়তাটাই দেখেছি; ভেতরে যে কতটা কষ্ট, হতাশা আর চাপা কান্না জমে ছিল, সেটা তখন বুঝতেই পারিনি।
একসময় আমাদের এলাকায় কিছু বহিরাগত বখাটে পৌর পার্কে সাধারণ মানুষ, প্রেমিক-প্রেমিকাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ছিনতাই করত। উনি সেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে একাই দাঁড়িয়ে যান। কয়েকজনকে ধরে এমনভাবে শাসন করেছিলেন যে তারা বুঝে গিয়েছিল, এই এলাকায় সবাই চুপ করে থাকলেও একজন মানুষ অন্তত অন্যায়ের সামনে মাথা নত করবে না। সেই ঘটনাতেই সম্ভবত ওদের ক্ষোভের শুরু।
গান ছিল উনার সবচেয়ে বড় ভালোবাসা। স্বপ্ন ছিল নিজের ব্যান্ড "ডাইনামিক ব্যান্ড"-এর একটি নিজস্ব সাউন্ড সিস্টেম থাকবে, যেন কোনো অনুষ্ঠানে অন্যের ওপর নির্ভর করতে না হয়। অনেক কষ্ট করে, ধার-দেনা করে অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণ করেছিলেন। কিন্তু ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস! প্রথম শোয়ের দিনই শর্ট সার্কিটে পুরো সাউন্ড সিস্টেম নষ্ট হয়ে যায়। সেই ঘটনাটা উনাকে ভেতর থেকে ভেঙে দেয়। ধীরে ধীরে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন, নেশার দিকে ঝুঁকে যান, মানুষের সঙ্গে আচরণও বদলে যেতে থাকে। শরীরটাও দিন দিন দুর্বল হয়ে যাচ্ছিল।
ঠিক সেই দুর্বল সময়টারই সুযোগ নেয় আগের সেই বখাটেরা। একদিন দুপুরে ফোন করে ঈদগাহ মাঠে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে পেছন থেকে একটি বড় ঢালাই করা স্ল্যাব দিয়ে উনার মাথায় আঘাত করা হয়। এরপর নিজেকে বাঁচানোর জন্য হাত দিয়ে একের পর এক ছুরির আঘাত ঠেকানোর চেষ্টা করেছিলেন। হাতের ক্ষতগুলোই সাক্ষী ছিল, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি বেঁচে থাকার জন্য লড়াই করেছিলেন। কিন্তু মাথায় পাওয়া গুরুতর আঘাতই শেষ পর্যন্ত তাঁকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়।
মৃত্যুর আগ মুহূর্তেও তাঁর কণ্ঠে ছিল সেই চিরচেনা সাহস। বারবার বলছিলেন
"আমার কাছে যদি শুধু একটা ছুরি থাকত, তাহলে ওদের কাউকেই ছাড়তাম না।"
এরপর হাসপাতালেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
৩১ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:৫৮
মায়াস্পর্শ বলেছেন: আমার আগের নষ্ট একটা ফোন থেকে এটুকু পেয়েছি। ডাটা ট্রান্সফার হয়না সেটা থেকে। তাই ভিডিও করে নিয়ে এখানে দিলাম।
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:০৩
রাজীব নুর বলেছেন: আব্দুল্লাহর মৃত্যু না হলে আপনার জন্য ভালো হতো।