| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস... খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে... কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়। আমার অদক্ষ কলমে... যদি পারো ভালোবেসো তাকে... ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে, যে অকারণে লিখেছিল মানব শ্রাবণের ধারা.... অঝোর শ্রাবণে।।
বাকস্বাধীনতা নাকি বাকসন্ত্রাস?
বাকস্বাধীনতা একটি গণতান্ত্রিক সমাজের মৌলিক অধিকার। কিন্তু বাকস্বাধীনতা মানে যা খুশি তাই বলা নয়; অন্যের সম্মান, নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতাকে উপেক্ষা করারও নাম নয়।
কোনো ব্যক্তি, পরিবার, গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক দলকে অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ ও বিদ্বেষমূলক ভাষায় আক্রমণ করা, ইচ্ছাকৃতভাবে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে সামাজিক বা রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করা, কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে ঘৃণা ও সহিংসতা উসকে দেওয়ার চেষ্টা- এসব কখনোই দায়িত্বশীল মতপ্রকাশের অংশ হতে পারে না।
যে ভাষা মানুষের মধ্যে বিদ্বেষ ছড়ায়, সংঘাত উসকে দেয়, অন্যের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে এবং আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোর ঝুঁকি সৃষ্টি করে, তা বাকস্বাধীনতা নয়- তা বাকসন্ত্রাস।
গণতন্ত্রে মতভেদ থাকবে, সমালোচনা থাকবে, প্রতিবাদও থাকবে। তবে তা হওয়া উচিত তথ্য, যুক্তি ও শালীনতার ভিত্তিতে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা যেমন সুরক্ষিত থাকা প্রয়োজন, তেমনি সেই স্বাধীনতার সঙ্গে দায়িত্ববোধও সমানভাবে জরুরি।
কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনেরও উচিত নয় সহনশীলতার নামে এমন বক্তব্যকে সমর্থন করা, যা ঘৃণা, বিদ্বেষ বা সহিংসতার পরিবেশ তৈরি করে। কারণ সমাজে শান্তি, সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখা সবারই দায়িত্ব।
স্বাধীনতা তখনই অর্থবহ হয়, যখন তা দায়িত্ববোধের সঙ্গে চর্চা করা হয়। আর দায়িত্বহীন বাকস্বাধীনতা শেষ পর্যন্ত স্বাধীনতার নয়, অরাজকতার পথই প্রশস্ত করে।
©somewhere in net ltd.
১|
৩১ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:০৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাকস্বাধীনতা একটি গণতান্ত্রিক সমাজের মৌলিক অধিকার।
...........................................................................................
এদেশে যতদিন মব কালচার চলবে, ততদিন এসব মূল্যবোধের
কোন দাম নেই ।