নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহিত্য, সংস্কৃতি, কবিতা এবং সমসাময়িক সামাজিক বিষয়াদি নিয়ে গঠনমুলক লেখা লেখি ও মুক্ত আলোচনা

ডঃ এম এ আলী

সাধারণ পাঠক ও লেখক

ডঃ এম এ আলী › বিস্তারিত পোস্টঃ

দেশে তরুন সমাজের মাঝে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার : অশনী সংকেত

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:৫১


২০২৬ সালের ২৫ জুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ৮২ লাখ মানুষ অবৈধ মাদক গ্রহণে আসক্ত/জড়িত, এবং এই সংখ্যা একটি গবেষণার
ভিত্তিতে উল্লেখ করেন। তিনি নতুন synthetic ও semi-synthetic drugs-এর বিস্তার এবং তরুণদের ওপর এর
প্রভাবের কথাও বলেন।
Nearly 82 lakh people addicted to illicit drugs: Says home minister citing study
Source : Click This Link

২০২৬ সালের সর্বশেষ বহুল উদ্ধৃত জাতীয় গবেষণা অনুযায়ী বাংলাদেশে আনুমানিক ৮২ লাখ (৮,১৯৪,৬০৫) মানুষ
গত ১২ মাসে অন্তত কোনো একটি অবৈধ মাদক ব্যবহার করেছেন। এটি দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪.৮৮%।
গবেষণাটি বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (BMU) ও Research and Management Consultants Ltd.
পরিচালনা করে এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (DNC) গবেষণাটি তত্ত্বাবধান করে।
গবেষণাটি সত্যিই উদ্বেগজনক তথ্য দিয়েছে।

গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে:
৩৩% বলেছেন, তাঁরা ৮–১৭ বছর বয়সে মাদক ব্যবহার শুরু করেছেন।
৫৯% বলেছেন, তাঁরা ১৮–২৫ বছর বয়সে শুরু করেছেন।
অর্থাৎ প্রথম মাদক গ্রহণের বয়স অত্যন্ত কম হওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
এই দুই সংখ্যা যোগ করলে ৯২% হয়। এর অর্থ এই নয় যে ৮২ লাখের ৯২% তরুণ; বরং যাঁদের initiation/প্রথম
ব্যবহারের বয়স সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে, তাঁদের মধ্যে ৮–২৫ বছর বয়সে শুরু করার হার অত্যন্ত বেশি।

আবার দেশের ১৪-২৯ বয়সি মানুষ মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৪% । তাই বলা যায় বাংলাদেশের মাদক সমস্যায়
কিশোর ও তরুণরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী।

সে হিসাবে দেশে এখনই অশনী সংকেত ।

যে হাতে ছিল বই-খাতা
স্বপ্ন ছিল চোখে
সে হাত আজ নেশার বোতল
অন্ধকারের শোকে।

যে তরুণটি দেশ গড়বে
বুনবে নতুন ভোর
নেশার কালো ছায়া এসে
করে জীবন চোর।

কোটি নয়, সংখ্যা নয়
প্রতিটি জীবন দামি
একটি ছেলে হারিয়ে গেলে
হারায় একটি স্বপ্নখানি।

মা যে রাতে দুয়ারে বসে
আক্ষেপ বুকে নিয়ে
অপেক্ষাতে রয়
ছেলেটা আমার ফিরবে কবে?

বুকের ভিতর ক্ষয়
এ শুধু কোনো পরিবারের
একটি ঘরের ক্ষত নয়
এ যে আজ সমাজজুড়ে
অশনি সংকেতময়।

চলুন তবে হাত বাড়াই
ঘৃণা নয় দিই আলো
নেশার পথ রুখে দিয়ে
স্বপ্নগুলো রাখি ভালো।

তরুণ বাঁচুক, দেশ বাঁচুক
বাঁচুক আগামীকাল
মাদকের এই কালো স্রোতে
রুখতে হবে সর্বনাশের জাল।

মন্তব্য ২০ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (২০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে পেট্রোনাইজ করা হয় । মাদক বন্ধ হবে না ।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:২৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



আপনার বক্তব্যে যে উদ্বেগটি আছে, সেটি একেবারে উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। মাদক বিস্তারের পেছনে যদি
রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কোনো ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা, দুর্নীতি, রাজনৈতিক প্রভাব বা আইন প্রয়োগে শৈথিল্য থাকে, তাহলে
সেগুলো অবশ্যই নিরপেক্ষ তদন্ত ও জবাবদিহির আওতায় আনা প্রয়োজন। এখন রাস্ট্রিয় পর্যায় যদি এখানেও
নিরপেক্ষতা বজায় না রাখে তাহলে সরিষার ভিতরে থাকা ভুত তারাবে কে প্রশ্নটি থেকেই যায় ।

তবে “রাষ্ট্রীয়ভাবে পেট্রোনাইজ করা হয়, তাই মাদক বন্ধ হবে না”—এমন সিদ্ধান্তও তথ্য-প্রমাণ ছাড়া চূড়ান্তভাবে বলা ঠিক হবে না। মাদক সমস্যাটি শুধু রাষ্ট্রের ব্যর্থতার ফল নয়; এর সঙ্গে অবৈধ সরবরাহচক্র, সীমান্তপথ, মাদক ব্যবসায়ীদের নেটওয়ার্ক, সামাজিক ও পারিবারিক পরিবেশ, বেকারত্ব, মানসিক চাপ এবং মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ঘাটতিও জড়িত।

তাই সমস্যাটিকে ‘মাদক কখনো বন্ধ হবে না এই হতাশাবাদী জায়গাটিতেই রেখে দেই তাহলে তো সমস্যা বাড়তেই
থাকবে । তাই প্রশ্ন হওয়া উচিত কোথায় আইন প্রয়োগ ব্যর্থ হচ্ছে, কারা এর সুযোগ নিচ্ছে, কীভাবে অর্থের প্রবাহ ও
সরবরাহচক্র বন্ধ করা যায় এবং একই সঙ্গে আসক্ত তরুণদের কীভাবে চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের মাধ্যমে স্বাভাবিক
জীবনে ফিরিয়ে আনা যায়।

রাষ্ট্রের দায়িত্ব যেমন কঠোরভাবে মাদক ব্যবসা দমন করা, তেমনি নাগরিক সমাজ, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গণ
মাধ্যমেরও সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রয়েছে। অভিযোগ থাকলে তার নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রমাণভিত্তিক জবাবদিহিই
হওয়া উচিত সমাধানের পথ হতাশ হয়ে সমস্যাটিকে অনিবার্য ধরে নিলে দেশ ভয়াবহ বিপর্যায়ের সন্মুখীন হবে।

শুভেচ্ছা রইল

২| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: মাদকাসক্তদের জন্য কম ক্ষতিকর কোন একটা মাদক সহজলভ্য করা উচিৎ।
আমার মতে উন্নত দেশগুলোর মত গাজাকে বৈধ ঘোষণা করে, ক্যামিক্যাল ড্রাক নিশিদ্ধ করা দরকার।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:৪৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




সুপ্রিয় গিয়াস উদ্দিন লিটন ভাই ,আপনার মুল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ । আপনার বক্তব্যে ক্ষতি কমানোর
যে চিন্তাটি আছে, সেটি জনস্বাস্থ্যনীতির আলোচনায় অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু গাজাকে কম ক্ষতিকর মাদক ধরে
সহজলভ্য করাই সমাধান এমন সিদ্ধান্তে যাওয়ার আগে কিছু বৈজ্ঞানিক বাস্তবতা বিবেচনা করা প্রয়োজন বলে
মনে করি ।

প্রথমত, গাজা অন্যান্য কিছু অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ মাদক, বিশেষ করে শক্তিশালী সিন্থেটিক ওপিওয়েডের তুলনায় ভিন্ন
ধরনের ঝুঁকি বহন করে; কিন্তু তাই বলে এটি নিরাপদ বা ক্ষতিহীন নয়। WHO-এর সাম্প্রতিক ২০২৬ সালের
পর্যালোচনায় গাঁজার ব্যবহারজনিত স্বাস্থ্য ও সামাজিক ক্ষতি, এমনকি Cannabis Use Disorder-এর বিষয়টিও
গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে। WHO আরও উল্লেখ করেছে যে গাঁজা গ্রহণে জ্ঞানীয় ও মোটর সক্ষমতা
ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

দ্বিতীয়ত, গাজা বৈধ করলে কেমিক্যাল ড্রাগ বন্ধ হবে এমন সরাসরি বৈজ্ঞানিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত নয়। বরং
UNODC-এর ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে গাঁজার ব্যবহার বাড়ছে এবং একই সঙ্গে বিভিন্ন সিন্থেটিক/
স্টিমুল্যান্ট মাদকের ব্যবহারও বাড়ছে। অর্থাৎ একটি মাদকের বৈধতা বা নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তন করলেই অন্য
মাদকের বাজার স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হবে এমন নিশ্চয়তা নেই।

তৃতীয়ত, “উন্নত দেশগুলোতে বৈধ” কথাটিও একটু সতর্কতার সঙ্গে বলা দরকার। বিভিন্ন দেশে গাঁজা নিয়ে
আইন ও নীতি এক নয় কোথাও চিকিৎসায় ব্যবহার বৈধ, কোথাও সীমিতভাবে নিয়ন্ত্রিত, আবার কোথাও
অ-বৈধ ব্যবহার নিষিদ্ধ। WHO-ও বলেছে, দেশগুলো তাদের নিজস্ব আইনি কাঠামোর মধ্যে ভিন্নভাবে
নিয়ন্ত্রণ প্রয়োগ করে।

তাই কার্যকর মাদকনীতির প্রশ্নটি মনে হয় হওয়া উচিত কোন মাদককে সহজলভ্য করা হবে তা নয়; বরং
কীভাবে ক্ষতিকর মাদকের চাহিদা ও সরবরাহ কমানো, অবৈধ সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ, তরুণদের প্রতিরোধমূলক
শিক্ষা, এবং আসক্তদের বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা যায়। UNODC-ও মাদক সমস্যার
ক্ষেত্রে চিকিৎসা, যত্ন ও পুনর্বাসনের পাশাপাশি অবৈধ মাদকবাজারের উচ্চপর্যায়ের সংগঠকদের বিরুদ্ধে
কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

সুতরাং গাজা বনাম কেমিক্যাল ড্রাগ এমন দ্বৈত সমীকরণের পরিবর্তে evidence-based drug policy
প্রয়োজন। মাদক কম ক্ষতিকর না বেশি ক্ষতিকর এই তুলনার পাশাপাশি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো,
কোন নীতি তরুণদের মাদকাসক্তির হার কমাবে এবং সমাজের সামগ্রিক ক্ষতি সবচেয়ে কার্যকরভাবে
কমাতে পারবে।

শুভেচ্ছা রইল

৩| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:০৯

গেঁয়ো ভূত বলেছেন: আমার সরল মনে শুধু একটাই প্রশ্ন, মব করে মানুষের বাড়ি ঘর ভাঙা হয়, পোড়ানো হয়, পত্রিকা অফিসে এ মব হয়, ব্যবসা কেন্দ্রে মব হয়, অফিসে আদালত-স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় এ মব হয়। কিন্তু ইয়াবা এবং মাদকের গড ফাদারদের বাড়িতে মব হয় না কেন???

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:৫৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



ভাই গেঁয়ো ভূত , মুল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।
আপনার প্রশ্নটি আসলে খুবই সরল, কিন্তু উত্তরটি বোধহয় ততটা সরল নয় মব যদি এতই ‘কার্যকর’ পদ্ধতি হয়ে
থাকে, তাহলে ইয়াবা ও মাদকের গডফাদারদের বাড়ির ঠিকানায় সেই মবের পথটা যেন হঠাৎ হারিয়ে যায় কেন?

বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, সংবাদমাধ্যম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেখানে তুলনামূলকভাবে সহজে পৌঁছানো যায়, সেখানে
আইন-কানুনের তোয়াক্কা না করে মবের দাপট দেখা যায়; অথচ কোটি টাকার মাদক ব্যবসার নেপথ্যের হোতাদের
ক্ষেত্রে আইন যেন আচমকাই অত্যন্ত ভদ্র, ধীরস্থির এবং নিয়মতান্ত্রিক হয়ে ওঠে! এই বৈপরীত্য নিয়েই তো আসল
প্রশ্ন।

তবে সমাধান হিসেবে মবকে উৎসাহিত করা নয়; বরং প্রশ্নটা হওয়া উচিত রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান
গুলো কেন মাদকের মূল সরবরাহচক্র, অর্থের উৎস এবং প্রভাবশালী পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে একই রকম দৃঢ়তা
দেখাতে পারছে না?

কারণ মাদকাসক্ত একজন তরুণকে ধরে শাস্তি দেওয়া তুলনামূলক সহজ; কিন্তু যে সিন্ডিকেট সেই তরুণের হাতে
মাদক পৌঁছে দেয়, তাদের অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া এবং প্রভাবশালী আশ্রয়দাতাদের আইনের
আওতায় আনা সেখানেই প্রকৃত সক্ষমতা ও জবাবদিহির পরীক্ষা।

তাই কথাটা মন্দ বলেননি মবের হাত নয়, আইনের হাতটাই যেন গডফাদারদের দরজায় আগে পৌঁছায়।
তাহলেই বোঝা যাবে, মাদকবিরোধী অভিযান সত্যিই মাদকের বিরুদ্ধে, নাকি শুধু মাদকাসক্তদের বিরুদ্ধে!

শুভেচ্ছা রইল

৪| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:৪৭

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাংলাদেশে প্রায় ৮২ লাখ মানুষ অবৈধ মাদক গ্রহণে আসক্ত/জড়িত,
এবং এই সংখ্যা একটি গবেষণার ভিত্তিতে উল্লেখ করেন।

...............................................................................................
মানুষের মাঝে হতাশা আর অর্থনৈতিক দৈন্যতা এর মূল কারন ।
আগে মাদক ছিলো বিলাসিতা এখন হতাশা বা কষ্ট ভূলে থাকার উপাদান ।
তাই চাহিদা থাকলে এর সরবরাহ থামানো যাবেনা ।
অনেকে বলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে পুলিশ জেনেও না জানার ভান করে !
কারন তারও প্রয়োজন ।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




আপনার মুল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।
আপনার মন্তব্যে মাদক সমস্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তব দিক উঠে এসেছে। একসময় মাদক অনেকের কাছে
হয়তো বিলাসিতা বা নির্দিষ্ট একটি শ্রেণির ভোগের বিষয় ছিল; কিন্তু হতাশা, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, পারিবারিক
অস্থিরতা, বেকারত্ব কিংবা মানসিক চাপের সঙ্গে মাদকাসক্তির সম্পর্ককে এখন আর উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।
অর্থাৎ শুধু সরবরাহ বন্ধ করার চেষ্টা করলেই সমস্যার শিকড় উপড়ে ফেলা যাবে না চাহিদা কেন তৈরি হচ্ছে,
সেটিও সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।

চাহিদা থাকলে সরবরাহ বন্ধ করা যাবে না এ কথাটি সমস্যাটি মোকাবেলার একটি দিক তুলে ধরে। রাষ্ট্রের
কাজই হলো অবৈধ বাজারের সরবরাহ কমানো, মাদক ব্যবসার অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া এবং
একই সঙ্গে এমন সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে মানুষ হতাশা বা কষ্ট ভুলতে মাদকের
ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে না।

আর পুলিশের বিষয়ে আপনার শেষ কথাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তবে পুলিশ জেনেও না জানার ভান করে এটি
যদি কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার সাধারণীকরণ হয়ে যায় তাহলে তা সমস্যাটিকে দমাবে কে? তাই : কোথাও যদি
আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কোনো সদস্য মাদক ব্যবসা সম্পর্কে জেনেও নিষ্ক্রিয় থাকেন বা কোনো ধরনের
সুবিধা নেন, তাহলে সেই অভিযোগের স্বাধীন তদন্ত, প্রমাণভিত্তিক ব্যবস্থা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি
নিশ্চিত হচ্ছে কি না তা সরকারী ভাবে তদন্ত করে দেখতে হবে ।

কারণ ৮২ লাখ মানুষের মতো বিশাল একটি জনগোষ্ঠীকে মাদকঝুঁকির মধ্যে রেখে শুধু মাদকাসক্তকে ধরো
এই নীতি দিয়ে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। একই সঙ্গে প্রয়োজন চাহিদা কমানো, সরবরাহের চেইন ভাঙা,
দুর্নীতি ও পৃষ্ঠপোষকতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন এবং তরুণদের জন্য অর্থবহ শিক্ষা-
কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা।

শেষ পর্যন্ত মাদক সমস্যার সবচেয়ে কঠিন প্রশ্নটি হয়তো এটাই আমরা শুধু মাদকসেবীকে খুঁজব, নাকি সেই
সামাজিক হতাশা, অর্থনৈতিক সংকট এবং মাদক-বাণিজ্যের কাঠামোকেও খুঁজে বের করব, যা একজন
তরুণকে মাদকের দিকে ঠেলে দেয়? আমার মনে হয়, টেকসই সমাধানের জন্য দ্বিতীয় প্রশ্নটি এড়িয়ে
যাওয়ার সুযোগ নেই।

শুভেচ্ছা রইল

৫| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৪

নতুন বলেছেন: কিছু অপরাধীদের গুলি করে মেরে ফেলা উচিত।

নারী শিশু ধর্ষন করে হত্যাকারী, মাদক ব্যাবসায়ীদের গডফাদার।

সবাই রাজনিতিক ক্ষমতার ছত্রছায়ায় দেশে মাদক ব্যবসা করছে। এটা ঠিক হবার না।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



বিনা বিচারে গুলি করা ঠিক হবেনা । তবে অপরাধিদের ধরে ধরে বিচার করা হোক ।

শুভেচ্ছা রইল

৬| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫

Aivon বলেছেন: Struggling to create the right visuals from an idea? AI text-to-image generator turns simple text prompts into detailed, high-quality images tailored to your creative vision. Describe the subject, scene, style, or mood you want, and generate visuals for social media, marketing, storytelling, design concepts, and other creative projects without professional design skills.

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




ভাল ট্রাই করে দেখব

৭| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫

Aivon বলেছেন: Struggling to create the right visuals from an idea? AI text-to-image generator turns simple text prompts into detailed, high-quality images tailored to your creative vision. Describe the subject, scene, style, or mood you want, and generate visuals for social media, marketing, storytelling, design concepts, and other creative projects without professional design skills.

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



ভাল ট্রাই করে দেখব ।

৮| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২০

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- আমার এলাকা উত্তর বাড্ডা এবং এর আশপাশের প্রায় সকল এলাকার চিত্র প্রায় একই রকমের। কি রকমের? এলাকায় অপরিচিত কিশোর, স্কুল পড়ুয়া ছেলে আর অছাত্র অনেক চোখে পড়ে। এরা কেউ কেউ হয়তো এলাকায় নতুন ভাড়া এসেছে কিন্তু বেশির ভাগই অন্য এলার বাসিন্দা। এদের মধ্যে অস্বাভাবিক কেয়ারলেস আচরণ করতে দেখা যায়। প্রকাশ্যে বিন্দাস সিগারেট (কখনো কখনো গাজা) টানছে। এলার প্রায় প্রতিটা কোনাতেই ইয়াবার লেনদেন হচ্ছে, দেখা না গেলেও বুঝা যাচ্ছে। যে ছেলেগুলি আমাদের চিনে তারা দেখলে আড়ালে সরে যাচ্ছে, অপরিচিতরা কাউকেই পাত্তা দিচ্ছে না। আপনি কিছু বলতেও পারবেন না। কারণ পিচ্চি গুলি ঝাক বেঁধে থাকে।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




অবস্থাতো দেখি খুবই বেগতিক । সকলের মাঝে সচেতনতা প্রয়োজন ।

শুভেচ্ছা রইল

৯| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৩৯

কিরকুট বলেছেন: যেই দেশের হর্তাকর্তারা মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকে সেই দেশে কখনোই মাদকের সমস্যা কাটবে না । এখন তো শুনছি গেঞ্জিরা নিজেরাই মাদক তৈরী করে মার্কেটে সাপ্লাই দেয় । ভাবুন একবার কি ভয়াবহ ।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




গেঞ্জিরা নিজেরাই মাদক তৈরী করে মার্কেটে সাপ্লাই দেয় এতো দেখি আরো ভয়াবহ অবস্থা ।

শুভেচ্ছা রইল


১০| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭

রাজীব নুর বলেছেন: বাংলাদেশের এমন কোনো এলাকা বাদ নেই যেখানে মাদক পাওয়া যায় না।

১১| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৫০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:


মনে হয় সঠিক কথাটিই বলেছেন ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.