| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সুব্রত দত্ত
পরিশ্রমকে সঙ্গী করে কত মানুষ উর্ধ্বে গেলো, আকাশের ঐ তারার দলে/ চিরদিনই অলস আমি, আছি পড়ে অনন্তকাল এই ধরনীর গাছের তলে।
আমার গানের চয়েজ কেমন- সেটা আমার নিজের পক্ষে বলা নিঃসন্দেহে কঠিনই হবে। তবে এটুকু বুঝি- মূলত ক্ল্যাসিক ধারার গানের প্রতি আমার একটা ঝোঁক কাজ করে এবং আমি সুর কিংবা মিউজিক্যাল ইন্ট্রুমেন্ট অপেক্ষা লিরিকের প্রতি বেশি খেয়ালি। সুন্দর লিরিক বরাবরই আমাকে টানে। হাতেগোণা ২৫/৩০টি গান সম্ভবত আমি বিগত ২০ বছর ধরে শুনে চলছি আর তাতে আমার বিরক্তিও নেই। ঐ গানগুলোর পাশাপাশি আরো নানা ধরনের গান সাময়িক ভালো লাগার তালিকায় যুক্ত হয়ে কয়েকদিন টানা আগ্রহ ধরে রেখে আবার মাসখানেক সময়ের মধ্যে নিষ্প্রভ হয়ে যায়। সেগুলো আবার অনেকদিন পর শুনতে ভালোও লাগে। গত কয়েকদিন ধরে বেশ কয়েকটা গান নতুনভাবে ভালো লাগছে এবং লক্ষ করে দেখি সেই গানগুলো যে ব্যান্ড-এর গান তাদের কিছু গান আমি অতীত থেকেও পছন্দ করি। হয়তো এখন একটি গান প্রথমবার শুনছি কিন্তু ঐ রকমের প্রবণতার কোনো গান আমার চিরদিনের লিস্টে আগে থেকেই আছে। গান নিয়ে আমার সবচেয়ে বোকা-বোকা ব্যাপারটা হলো আমি গানটাই শুনি কেবল, কে গাইছেন, কোন ব্যান্ড, কোন ঘরানার গান, এর সুর-লয়-তালের সূত্রগুলো কেমন- এসবের কোনোটাই খেয়াল করি না। আমি ঐ ২৫/৩০টা গানের বেশির গান সম্পর্কেই কোনো বিশেষ তথ্য দিতে পারবো না। বিস্তারিত জানা বা বোঝার আগ্রহও হয়নি কোনোদিন। গত কয়েকদিন ঐ প্রথম প্রথম শোনা গানগুলোর গায়ক, ব্যান্ড কিংবা ঘরানা জানার আগ্রহে একটু মনোযোগ দিয়ে তাকিয়ে দেখলাম ঐ গানগুলোর অধিকাংশই ‘অবসিকিউর’ ব্যান্ডের গান। ইচ্ছে হলো একটা কিছু লিখবো এই ‘অবসিকিউর’ ব্যান্ড নিয়ে। এর কারণ দুটো- এই ব্যান্ড সম্পর্কে কিছু জানা-বোঝা এবং দীর্ঘদিন না লেখার অভ্যাস থেকে একটু বের হওয়া। এই এআই এসে যে বিপদটা ঘটিয়েছে তা আমি হাড়ে হাড়ে বুঝতে পারলেও প্রত্যাশিত হারে লেখা হচ্ছে না। ‘অবসিকিউর’ নিয়ে জানার সবচেয়ে ভালো উপায় কী? নিঃসন্দেহে এআই। কিন্তু মন চাইলো আগে উইকিপিডিয়ায় একটু খোঁজ করি। দুঃখজনক ব্যাপার হলো সেখানে তেমন কিছু নেই আসলে। এর ইতিহাস এবং প্রতিষ্ঠার পেছনকার কোনো গল্প নেই উইকিপিডিয়ার কাছে। তবুও এআইকে জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে হচ্ছে না। অবসিকিউর ব্যান্ডকে নিয়ে অনেকেই অনেক কিছু জানেন তবু আমার নতুন জানাকেই এখানে যুক্ত করছি।

‘অবসিকিউর’ শব্দটির অর্থটি চমকপ্রদ, এটি কিছুটা নেতিবাচক ব্যঞ্জনা তৈরি করলেও একটি ব্যান্ডের নাম হিসেবে আমি তাকে একশোতে একশোই দিবো। অবসিকিউর মানে এমন কিছু যা অস্পষ্ট, অখ্যাত, অশ্রুত কিংবা এমন কিছু যা বিখ্যাত নয়, লোকগোচরে নয় কিংবা ম্লান। চমৎকার কিছূ গান তৈরি করে নিজেকে অস্পষ্ট কিংবা অখ্যাত বলাটা মন্দ নয় কাব্যিক দৃষ্টিতে। ব্যান্ডটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৫ মার্চ ১৯৮৫ সালে অর্থাৎ আশির দশকে। বাংলাদেশের সঙ্গীত জগতে মূলত সত্তরের শেষ দিক থেকে ব্যান্ড, পপ কিংবা রক গানের আবির্ভাব ঘটে এবং তা অতিদ্রুত সময়ে মানুষের মাঝে জনপ্রিয়তা পায়। সেই অর্থে আমার ধারণা এই ব্যান্ডও নিশ্চয়ই প্রথমদিকে দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। ব্যান্ডের প্রধান ভোকালিস্ট শাহিদ হাসান টিপু এই ব্যান্ডটির প্রতিষ্ঠাতা তিনি খুলনায় এই ব্যান্ডটি প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর সম্পর্কে এবং ব্যান্ড গড়ে ওঠার পেছনকার গল্প নেটে খুঁজলে পাওয়া যাবে হয়তো কিন্তু আমি এখনো সেদিকে মনোযোগ দেইনি। ২০১৯ সালে এই ব্যান্ডের ১৩তম অ্যালবাম ‘টিটোর স্বাধীনতা’ প্রকাশ পায়। এর আগে বেশ দারুণ দারুণ গান সংবলিত অ্যালবাম প্রকাশ পায় সেই ১৯৮৬ সাল থেকেই। ‘অবসিকিউর’-এর যে গানগুলো আমার প্রিয়-
মাঝ রাতে চাঁদ যদি (Click This Link)
রজনী কাটে (https://www.youtube.com/watch?v=dlH5vDYr6rg)
নিঝুম রাতের আঁধারে (https://www.youtube.com/watch?v=kPuCPUWgmY8)
কাল সারা রাত (Click This Link)
মনে পড়ে (Click This Link)
নীলাঞ্জনা (Click This Link) 
২|
০২ রা আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪০
সুব্রত দত্ত বলেছেন: সেটা অনেকের কাছেই শুনেছি। এবং আমার কাছের ও আশেপাশের অনেককেই দেখলাম এই ধীর লয় তাদের পছন্দ না। আমি মূলত লিরিকগুলো বেশি পছন্দ করি। আর মৃদু নস্টালজিক মিউজিক ফিল হয় এদের গানে।
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৪৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ব্যান্ডের গান এত ধীর লয়ে হলে আমার ভালো লাগেনা ।