| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বর্তমান বিশ্বে মুসলিম জাতি সবচাইতে নিপীড়িত। এর কারনও মুসলিমরা। সততা, নীতি, আদর্শ, বিবেক, ন্যায়, শিক্ষা, প্রযুক্তি, অস্ত্র, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান, মহাকাশ, আত্মসম্মান, জ্ঞান, আধ্যাত্মিক জ্ঞান, এই সবগুলি দিয়ে একটি জাতিকে মূল্যায়ন করা হয়। বড়োই পরিতাপের বিষয় মুসলমানরা উপরের সবগুলিতেই অনেক পিছিয়ে। তবে ব্যাতিক্রম শিয়া মুসলিম ইরানিরা। তারা উপরের সবগুলিতেই অনেক এগিয়ে। এতোটাই এগিয়ে যে, তারা কাউকে ভয় পায় না, এমনকি মৃত্যুকেও না। এটাই তাদের সফলতা। পুরো জাতি ধ্বংস হলেও তাদের আত্মসম্মানকে ছোটো হতে দিবে না। সত্যিকারের বিজয় এটাই।
এবার বাংলাদেশের মুসলমানদের নিয়ে বলি, কিছুদিন পূর্বে টানা পাঁচ বার দুর্নীতিতে এক নাম্বার হয়েছিল। এদেশের মোল্লারা এক রাতে পবিত্র কোরান বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ বা হাজার হাজার টাকা কামাই করে। অতএব দুর্নীতির অন্য ক্ষেত্রগুলি না বললেও বুঝবেন। এই দেশে হাজার হাজার পীর আছে, কিন্তু তাদের কোনো আধ্যাত্মিক জ্ঞান নেই, আসলে এটা এখন যশ খ্যাতি প্রতিপত্তির ব্যাবসা এবং এদের অন্তর জিদ হিংসা অহংকারে ভরপুর। শরিয়তের আলেমদেরও যশ খ্যাতি প্রতিপত্তির ব্যাবসা এবং এদের অন্তরও জিদ হিংসা ও অহংকারে ভরপুর, ইখলাস, সে তো আকাশ জমিন দূরত্ব। শুধু শরিয়ত দিয়ে ইখলাস অর্জন কোটি বছরেও সম্ভব না এবং জিদ হিংসা অহংকারও দূর করা সম্ভব না। আর আধ্যাত্মিক জ্ঞানী পীর নাই, এজন্য এখন কারো ইখলাস অর্জন সম্ভব না এবং জিদ হিংসা অহংকার দূর করাও সম্ভব না। অর্থাৎ এই সময়টা চরম অন্ধকারের। অন্ধকার সময়কে মহান আল্লাহ কোরানে পরীক্ষার সময় অবহিত করেছেন। তাছাড়া অন্ধকার এখন গভীর, তাই আলো সম্ভবত নিকটেই।
এবার বিশ্ব নিয়ে বলি, পৃথিবীর এক দুটি দেশ এমনভাবে কথা বলে যে, বাকি পৃথিবীর সবাই তাদের পা চাটা গোলাম। যে তাদের পা চাটবে সে তাদের বাঁচতে দিবে, কিন্তু যদি পা চাটতে না চায়, তাহলে তাদের মরতে হবে অথবা চরম অত্যাচার সহ্য করতে হবে। প্রিয় বিশ্ববাসী, জুলুম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, মহান আল্লাহ এরকম সময়ে মাজলুমের পক্ষে সাহায্য করেন, ইতিহাস তাই বলে, ইনশাআল্লাহ আল্লাহর সাহায্য নিকটেই। সবাই ধৈর্য্য ধরুন, ইনশাআল্লাহ সবাই মুক্তির পথ পাবেন। এটা সামরিক যুদ্ধের মাধ্যমে হতে পারে অথবা অর্থনৈতিক ও সামরিক যুদ্ধের মাধ্যমে হতে পারে। যাদের হৃদয় অনেকটা ভালো তারা মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকুন, প্রার্থনা করুন হে স্রষ্টা আমাকে সত্যের সাথে মৃত্যু দিন। আপাতত এভাবেই ধৈর্য্য ধরুন।
ইমাম গাজ্জালী রঃ আসার সময় মানুষ এমন দ্বিধায় পড়েছিল, মানুষ একেবারেই বুঝতে পারতেছিলো না যে, সে কার অনুসরণ করবে। এখন মানুষ বুঝতে পারছে না যে, সে পীরের কাছে যাবে, না কওমীদের কাছে যাবে, না তাবলীগ জামাতের কাছে যাবে, না আহলে হাদিসের কাছে যাবে, না সালাফিদের কাছে যাবে, না হেযবুত তাওহীদের কাছে যাবে, আসলে চরম সংকটকাল। প্রিয় বিশ্ববাসী, সম্ভবত খুব শীঘ্রই একজন ইমাম গাজ্জালী রঃ এর স্থলাভিষিক্ত হবেন এবং তিনি ইনশাআল্লাহ সবকিছুর উত্তর দিবেন। হে আল্লাহ আমাদেরকে সাহায্য করুন।
সবশেষে আজকের ইরান যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার জন্য মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা, হে আল্লাহ পৃথিবীতে শান্তি নাজিল করুন, যদিও পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ খারাপ এবং শান্তি পাওয়ার যোগ্য না, তারপর দুই একজনের দিকে তাকিয়ে আপনি পৃথিবীতে মহাশান্তি নাজিল করুন, যাতে মানুষ নিজের অন্তর থেকে যশ খ্যাতি প্রতিপত্তির লোভ ধ্বংস বা পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, যাতে তাদের অন্তর পবিত্রতা লাভ করে এবং হেদায়েতের যোগ্য হয়। হে আল্লাহ আমাদের দোয়া কবুল করুন। আমীন।
( মোঃ জাহাঙ্গীর আলম আকন্দ ) ।
২|
১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:২৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: এই দেশে হাজার হাজার পীর আছে,
কিন্তু তাদের কোনো আধ্যাত্মিক জ্ঞান নেই,
.........................................................................
আমাদের সমাজ ব্যবস্হা এর জন্য দায়ী,
আমাদের দ্বায়িত্ব বোধ, সততা ও কর্মনিষ্ঠাই পারে
এই সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসা !
..........................................................................
তবে বিড়ালের গলায় ঘন্টা বাধঁবে কে ???
©somewhere in net ltd.
১|
১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৮
রাজীব নুর বলেছেন: মুসলিম জাতির কপালে অনেক দুঃখ আছে। এজন্য তারা নিজেরাই দায়ী।
বিশ্ব এগিয়ে গেছে, মুসলিমরা পিছিয়ে আছে।