| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
# হযরত আলী (রা.) ও হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) যুদ্ধে বিরক্ত খারেজী তাঁদের উভয়কে হত্যার চেষ্টা করলো। তখন আল্লাহ খারেজী হত্যা চেষ্টাকারীরর হাত থেকে হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) রক্ষা করলেন। কিন্তু আল্লাহ খারেজী হত্যা চেষ্টাকারীরর হাত থেকে হযরত আলীকে (রা.) করলেন না। উক্ত ঘটনা প্রমাণ করে হযরত আলী (রা.) ও হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) যুদ্ধে আল্লাহ হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) পক্ষে ছিলেন।
সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
# ইব্রাহিম (আ.) বংশিয় হযরত মুয়াবিয়া (রা.) ও তাঁর সহযোগী মারওয়ান এবং তাঁদের বংশে আল্লাহ নব্বই বছর মুসলিম বিশ্বের রাজত্ব প্রদান করেন। ইব্রাহিম (আ.) বংশিয় হযরত আলী (রা.) ও তাঁর পুত্র হযরত ইমাম হাসান (রা.) ছয় বছর মুসলিম বিশ্বের খেলাফত প্রাপ্ত হন। হযরত আলী (রা.), তাঁর পরিবারের সদস্য, তাঁর বংশ ও সহযোগীদের ক্ষেত্রে হারাজ বা হত্যাকান্ডের ঘটনা চলমান আছে। ইদানিং তাঁর বংশের ইমাম আলী খামেনী হত্যাকান্ডের শিকার হন। উল্টা ইব্রাহিম (আ.) বংশিয় হযরত মুয়াবিয়া (রা.) ও তাঁর সহযোগী মারওয়ান এবং তাঁদের বংশ নব্বই বছরের রাজত্ব পায়। তারা মুসলিম রাজত্বকে বিস্তৃত ও শক্তিশালী করে। উক্ত ঘটনা প্রমাণ করে হযরত আলী (রা.) ও হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) যুদ্ধে আল্লাহ হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) পক্ষে ছিলেন।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। সদকা বা যাকাত ফকির, মিসকিন, এর কর্মচারী, (মোয়াল্লেফাতে কুলুব) অন্তর আকৃষ্ট,দাসমুক্তি, ঋণ পরিশোধ, আল্লাহর পথে ও মুসাফিরের জন্য। এটা আল্লাহর বিধান। আল্লাহ সর্বজ্ঞ সুবিজ্ঞ।
সূরাঃ ১১০ নাসর, ১ ও ২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে।
২। আর তুমি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দীনে প্রবেশ করতে দেখবে।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১৩৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৩৯। তোমরা হীন বল হবে না এবং দুঃখিত হবে না। তোমরাই বিজয়ী যদি তোমরা মুমিন হও।
# মোয়াল্লেফাতে কুলুব (অন্তর আকৃষ্ট) যাকাতের ব্যয়ের খাত। হযরত মুয়াবিয়া (রা.) ছিলেন মোয়াল্লেফাতে কুলুবের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি। হুনায়নের যুদ্ধের গণিমতের মাল থেকে রাসূল (সা.) তাঁকে একশত উট উপহার দিয়েছেন। তাঁকে ওহী লেখক পদে নিয়োগ দিয়েছেন। এ ঘটনা হযরত আলীর (রা.) মাওলা হওয়ার পূর্বের ঘটনা। মোয়াল্লেফাতে কুলুব সেই ব্যক্তি যিনি পক্ষে থাকলে অনেক উপকার এবং যিনি বিপক্ষে থাকলে অনেক ক্ষতি। মক্কার রাজপুত্র হযরত মুয়াবিয়া (রা.) খালেদ ইবনুল ওলিদ (রা.), আমর ইবনুল আস (রা.), মুগিরা ইবনে শোবা (রা.) ও ওসমান বিন তালহাকে (রা.) সাথে নিয়ে ইসলাম গ্রহণ করেন। খালেদ সাইফুল্লা খেতাব পান যা হযরত আলীর (রা.) আসাদুল্লা খেতাব থেকে বড়। হযরত মুয়াবিয়া (রা.) ও তাঁর সাথীদের ইসলাম গ্রহণে মক্কা হীন বল হয়। তখন হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) সাথী প্রবল খালেদ সাইফুল্লা (রা.) মক্কা জয় করেন। তখন মানুষ দলে দলে আল্লাহর দীনে প্রবেশ করে। কিন্তু হযরত আলীর খায়বর বিজয়ে মানুষ দলে দলে আল্লাহর দীনে প্রবেশ করেনি। সুতরাং হযরত মুয়াবিয়া (রা.) ও তাঁর সাথীদের ইসলামে অবদান বেশী।
হযরত মুয়াবিয়া (রা.) ও তাঁর সাথীগণ কখনও হীনবল হননি।তাঁরা সব সময় বিজয়ী ছিলেন। কিন্তু হযরত আলী (রা.) এবং তাঁর সহযোগী মালেক উশতার ও হযরত আবু বকরের (রা,) ছেলে মোহাম্মদ হারাজ বা হত্যাকান্ডের শিকার হন। একপক্ষকে আল্লাহ রক্ষাকরে সবসময় বিজয়ী করলেন। হযরত মুয়াবিয়াকেও (রা.) হযরত আলী (রা.) হারাতে পারলেন না। কিন্তু হযরত আলী (রা.) ও তাঁর দুই সহযোগীকে আল্লাহ রক্ষা করলেন না। উক্ত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করে হযরত আলী (রা.) ও হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) যুদ্ধে আল্লাহ হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) পক্ষে ছিলেন। হযরত আলী (রা.) হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) লানত দিয়েছেন সেই লানত তাঁর নিজের দিকে ফিরে এসেছে। শিয়ারা হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) লানত দেয়। সেই লানত তাদের দিকেই ফিরে আসে। শিয়ারা হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) লানত দেওয়া বন্ধ না করলে তাদের দিকে লানত আসা বন্ধ হবে না।
মোয়াল্লেফাতে কুলুব হিসাবে রাসূল (সা.) থেকে হযরত মুয়াবিয়া (রা.) উট উপহার পেয়েছেন। হযরত ওমর (রা.) ও হযরত ওসমান (রা.) তাঁকে সিরিয়ার শাসক বানিয়েছেন। হযরত আলী তাঁকে সিরিয়ার শাসক পদ থেকে বরখাস্ত করে মুয়াল্লেফাতে কুলুবের বিধি ভঙ্গ করেন। তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে হযরত মুয়াবিয়া (রা.) ইমারাতের বিধি ভঙ্গ করেন। কিন্তু হযরত আলী (রা.) আগে মুয়াল্লেফাতে কুলুবের বিধি ভঙ্গ করেন। সেজন্য আল্লাহ হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) পক্ষে থাকলেন।
১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:৩৭
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আরব বিশ্বের অশান্তির প্রধান কারণ শিয়া ইরান। ইরান থেকে আত্মরক্ষা করতেই আরবরা নিজ দেশে আমেরিকাকে ঘাটি করতে দিয়ে নিজেরা বিপদে আছে।
২|
১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:৩৯
শ্রাবণধারা বলেছেন: একজন প্রবল শয়তানও যুদ্ধে জয়লাভ করতে পারে। ইতিহাসে এমন উদাহরণ হাজারে হাজারে আছে। তাই বলে কোন এক শয়তান যুদ্ধে জিতে গেলে আল্লাহ তার পক্ষে ছিলেন এটা বলাটা সুস্থ মানুষের লক্ষণ নয়।
১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:১৩
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: জয়ের নিয়ম মেনে চললে মুমিনরাও জয় লাভ করতে পারে। সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১৩৯ নং আয়াতে আল্লাহ মুমিনদের হীনবল না হওয়ার কথা বলেছেন। শয়তানের সাথে শয়তানের যুদ্ধে শয়তানের জয় কোন বিষয় নয়। আর প্রবল হওয়ার আগে মুমিন যুদ্ধ না করে হিজরত করবে। মুমিন প্রবল হওয়ার পর তারা আর হীনবল হয় না।
৩|
১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৪১
রাজীব নুর বলেছেন: হযরত আলীর খুব রাগ হলে- মাটিতে গড়াগড়ি খেতেন।
১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:৩৭
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: যুদ্ধে জড়ানোর চেয়ে তাঁর সেই কাজ বেশী ভালো ছিল।
৪|
১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:৪০
রানার ব্লগ বলেছেন: আমার মনে হচ্ছে আপনি অতি চিন্তায় স্বাভাবিকতা হারাচ্ছেন। কিছুদিন বিশ্রাম নিন।
১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:৩৬
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ইরানকে যখন আমেরিকা হামলা করলো তখন আমেরিকার মিত্র হলো আরব দেশ সমূহ। যুদ্ধ যখন চলমান তখন চিন্তার বিরতি কিভাবে সম্ভব? এদিকে আমাকে প্রতি বতল গ্যাসে পাঁচশত টাকা বেশী দিতে হচ্ছে। স্ত্রীর চাহিদামত অর্থের যোগান দিতে না পারায় সে আমাকে ছেড়ে যেতে হুমকি দিয়েছে। অসভ্য শিয়ারা সাহাবায়ে কেরামের (রা।) নোংরা সমালোচনা করে যাতে সুন্নীদের হৃদয়ে রক্ত ক্ষরণ হয়। আবার তারা অমুসলিমদের হাতে মারখেলেও ভালো লাগে না। কারণ তারাও নিজেদেরকে মুসলিম বলে।
৫|
১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:৫৬
আলামিন১০৪ বলেছেন: কী আর বলব আপনাকে। ইতিহাস পড়ুন। দেখুন কী কারণে তালহা (রাঃ) ও যুবাইর (রাঃ), আলী (রাঃ) এর বিরুদ্ধে যুদ্ধে গিয়েও পরে রাসুল (সঃ) এর ভবিষ্যতবাণীর কথা মনে করিয়ে দিলে তারা যুদ্ধ থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেন।
রাসুল (সঃ) এ সংকটের কথা চিন্তা করেই, আহলে বাইতের বিষয়ে মুসলিমদের সতর্ক করেছিলেন।
১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:২৮
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:
হযরত আলীকে (রা.) যারা এক নম্বর বলে তারা সুনিশ্চিতভাবে পথভ্রষ্ট
সূরাঃ ১০ ইউনুস, ৩২ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। তিনিই আল্লাহ, তোমাদের সত্য প্রতিপালক। সত্য ত্যাগ করার পর বিভ্রান্তি ব্যতীত আর কি থাকে? সুতরাং তোমরা কোথায় চলে যাচ্ছ?
সূরাঃ ১০ ইউনুস, ৩৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৬। উহাদের অদিকাংশ অনুমানেরই অনুসরন করে।সত্যের পরিবর্তে অনুমান কোন কাজে আসে না। তারা যা করে নিশ্চয় আল্লাহ সে বিষয়ে সবিশেষ অবহিত।
সূরাঃ ৫৫ রাহমান, ১ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। আর রাহমান (পরম মেহেরবান)।
২। তিনিই শিক্ষা দিয়েছেন কোরআন।
৩। তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন।
৪। তিনিই তাকে শিখিয়েছেন বাইয়ান (ভাব প্রকাশ করতে)।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬৯। তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমাত দান করেন। আর যাকে হিকমাত দান করা হয় এর ফলে সে নিশ্চয়ই প্রচুর কল্যাণ লাভ করে।মূলত জ্ঞানী ব্যক্তিরা ছাড়া কেউই বুঝতে পারে না।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ৪০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪০। যদি তোমরা তাঁকে সাহায্য না কর, তবে আল্লাহতো তাঁকে সাহায্য করেছিলেন যখন কাফিরগণ তাঁকে ধাওয়া করেছিল (হত্যা করার জন্য), আর তিনি ছিলেন দু’জনের মধ্যে দ্বিতীয় জন। যখন তাঁরা উভয়ে গুহার মধ্যে ছিলেন, তিনি তখন তাঁর সঙ্গিকে বলেছিলেন, তুমি বিষণ্ন হয়ো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন।অতঃপর তাঁর উপর আল্লাহ তাঁর প্রশান্তি নাজিল করেন এবং তাঁকে শক্তিশালী করেন এমন সৈন্যবাহিনী দ্বারা যা তোমরা দেখনি।আর তিনি কাফেরদের কথা তুচ্ছ করে দেন।আর আল্লাহর কথাই সুউচ্চ। আর আল্লাহ পরাক্রমশালী সুবিজ্ঞ।
# সূরাঃ ৯ তাওবা, ৪০ নং আয়াতের তাফসির তাফসিরে ইবনে কাছির
৪০। আল্লাহ তা’আলা জিহাদ পরিত্যাগকারীদেরকে সম্বোধন করে বলেছেন, তোমরা যদি আমার মহান রাসূলের (সা.) সাহায্য সহযোগিতা ছেড়ে দাও তবে জেনে রেখ যে, আমি কারো মুখাপেক্ষী নই। আমি নিজে তাঁর সহায়ক ও পৃষ্ঠপোষক। ঐ সময়ের কথা তোমরা স্মরণ কর যখন হিজরতের সময় কাফেররা আমার রাসূলকে (সা.) হত্যা করা বা বন্দী করা বা দেশান্তর করার চক্রান্ত করেছিল। তখন তিনি প্রিয় সহচর আবু বকরকে (রা.) সঙ্গে নিয়ে গোপনে মক্কা থেকে বেরিয়ে যান। সেই সময় তাঁর সাহায্যকারী কে ছিল? তিনদিন পর্যন্ত তাঁরা সাওর পর্বতের গুহায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য এই যে, তাঁদের ধাওয়াকারীরা তাঁদেরকে না পেয়ে যখন নিরাশ হয়ে ফিরে যাবেন, তখন তাঁরা মদীনার পথ ধরবেন।ক্ষণে ক্ষণে আবু বকর (রা.) ভীত বিহবল হয়ে উঠেন যে, না জানি কেউ হয়ত জানতে পেরে রাসূলকে (সা.) কষ্ট দিবে। তখন রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁকে সান্তনা দিয়ে বললেন, হে আবু বকর! দু’জনের কথা চিন্তা করছ কেন? তৃতীয় জন যে আল্লাহ রয়েছেন।
সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।
সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।
সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১।প্রশংসা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর, যিনি বার্তাবাহক করেন মালাইকাকে (ফেরেশতা) যারা দুই-দুই, তিন-তিন অথবা চার-চার পাখা বিশিষ্ট। তিনি তাঁর সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
* হযরত আলীকে (রা.) যারা এক নম্বর বলে তারা সত্য ত্যাগ করে অনুমানে কথা বলে বিধায় তারা সুনিশ্চিতভাবে পথভ্রষ্ট।কারণ রাসূলকে (সা.) আল্লাহ কোরআন ও বাইয়ান শিক্ষা দিয়েছেন চল্লিশ বছর বয়সে। কিন্তু রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের সময় হযরত আলীর (রা.) বয়স ছিল তেত্রিশ বছর। হযরত আলীর (রা.) কোরআন ও বাইয়ান শিক্ষার যখন উপযুক্ত বয়স হয় নাই তার আগে উপযুক্ত বয়সে রাসূল (সা.) থেকে কোরআন ও বাইয়ান শিক্ষা গ্রহণ করেছেন বহু সংখ্যক সাহাবী (রা.)। এ তালিকায় হযরত আলীর (রা.) চাচা হযরত আব্বাসের (রা.) স্থানও হযরত আলীর পূর্বে। রাসূল (সা.) দম্পতি এবং বহু সংখ্যক সাহাবী ব্যবসায় হিকমাত প্রাপ্ত থাকলেও হযরত আলী (রা.) ব্যবসায় হিকমাত প্রাপ্ত ছিলেন না। আর হিকমাতকে আল্লাহ অনেক বেশী গুরুত্ব দিয়েছেন। ব্যবসায়ে হিকমাত প্রাপ্ত হযরত আবু বকর (রা.) সত্যবাদী খেতাবপ্রাপ্ত ছিলেন। আর আল্লাহ সত্যবাদীর সাথে থাকতে বলেছেন। হযরত আলীর (রা.) খেতাব ছিল আসাদুল্লাহ। আল্লাহ আসাদুল্লাহর সাথে থাকতে বলেননি। আল্লাহর তিন জনের তালিকায় আল্লাহ ও রাসূলের (সা.) সাথে হযরত আবু বকর (রা.) স্থান পেয়েছেন। সুতরাং সাহাবায়ে কেরামের (রা.) মধ্যে এক নম্বর হযরত আবু বকর (রা.)। হযরত আবু বকর (রা.) খেলাফত ঐক্যবদ্ধ রাখতে সক্ষম হলেও হযরত আলী (রা.) খেলাফত ঐক্যবদ্ধ রাখতে সক্ষম হননি। হযরত আবু বকর (রা.) সম্পূর্ণ সময় ইব্রাহীম বংশিয় মুসলিম বিশ্ব নেতা থাকলেও হযরত আলী (রা.)সম্পূর্ণ সময় ইব্রাহীম বংশিয় মুসলিম বিশ্ব নেতা ছিলেন না। তাঁর সাথে কিছু সময় মুসলিম বিশ্ব নেতৃত্বে শরিক ছিলেন হযরত মুয়াবিয়া। সংগত কারণে যারা হযরত আলীকে একনম্বর বলে তারা মূলত মিথ্যাবাদী।এ মিথ্যাবাদীরা হযরত আলীর শরিক হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) মোনাফেক বলে। তবে কি তাদের একনম্বর মোনাফেকের হাতে খেলাফতের একাংশ ছেড়ে দিলেন? প্রয়োজনে তিনি পুত্র হযরত ইমাম হোসেনের (রা.) মত শহীদ হতেন। তথাপি তাঁর মোনাফেকের হাতে খেলাফতের একাংশ ছেড়ে দেওয়া কেমন কাজ হলো? হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) মোনাফেক হওয়া সত্য হলে হযরত আলীর (রা.) খেলাফত সত্য নয়। হযরত আলীর (রা.) খলাফত সত্যবিধায় যারা হযরত মোয়াবিয়াকে (রা.) মোনাফেক বলে তারা সুনিশ্চিতভাবে মিথ্যাবাদী। এ মিথ্যাবাদীরা মুসলিমদের মধ্যে প্রথম মতভেদ কারী। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে। তাদের এ মহাশাস্তি হলো জাহান্নাম। তারা বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর। রাসূলের (সা.) চাচা হযরত আব্বাসের বংশে মুসলিম বিশ্বের রাজত্ব প্রায় আটশত বছর থাকলেও তাদের একনম্বরের পুত্র হযরত ইমাম হাসান (রা.) খেলাফত ত্যাগের পর তাঁর বংশে আর খেলাফত বা মুসলিম বিশ্বের রাজত্ব ফিরেনি।তবে তাদের মধ্যে হারাজ বা হত্যাকান্ড চালু আছে। ইদানিং তাঁর বংশধর আলী খামেনী হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন।আল্লাহ তাঁদেরকে মানুষ থেকে রক্ষা করছেন না। কারবালায় হযরত ইমাম হোসেনের (রা.) পক্ষে ফেরেশতা যুদ্ধ করলে তিনি মানুষ থেকে রক্ষা পেতেন। কিন্তু তাঁর পক্ষে যুদ্ধ করেছে হোসেনী ব্রাহ্মন এবং আল্লাহ তাঁকে মানুষ থেকে রক্ষা করলেন না।
৬|
১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৩:১৮
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: আপনার ভাষ্য অনুযায়ী আল্লাহ ও যুদ্ধে একটা পক্ষ অবলম্বন করেছিলেন।
আল্লাহ কি খুনাখুনি হত্যাকান্ড যুদ্ধ এগুলি পছন্দ করেন?
১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:৩১
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।
* আল্লাহ খুনাখুনীতে বিরক্ত ছিলেন। তথাপি শালিশ হলে রায় এক পক্ষে আসে এবং অন্য পক্ষকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।
৭|
১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৫১
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।
১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৫৪
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ধন্যবাদ।
৮|
১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৬
আলামিন১০৪ বলেছেন: আপনি আমার প্রশ্নের উত্তর দেন নি, মন গড়া ৪০ বছর বয়সের পরিপক্কতার যুক্তি দেখিয়েছেন...ঈসিা (আঃ) কে নবুয়্যত প্রাপ্তির জন্য ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় নি।
উপরের মন্তব্যের উত্তর আপনি দিবেন না আর আপনি পূর্বেও আমার প্রশ্নের উত্তর দেন নি-
পরকালে আল্লা্হর নিকট জবা্ব দেবার জন্য তৈরি থাকুন-
১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৫৪
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ঈসা (আ) কে আল্লাহ তুলে নিয়েছেন। চল্লিশের বেশী বয়সে তিনি আবার আসবেন। সবার সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া দরকারী বিষয় নয়। কতজন তো কত রকম প্রশ্ন করে এত্ত প্রশ্নের উত্তর কখন দেয়? আল্লাহর সাথে আমার চার বার দিদার হয়েছে। আমার ছোট কন্যা বলল, তার সাথেও আল্লাহর একবার দিদার হয়েছে। আল্লাহ আমাকে জানিয়েছেন তিনি আমাকে কোন প্রশ্ন করবে না। আর প্রশ্নই যদি না করেন তবে আর জবাব দিতে হবে কেন? আমি আমার সমগ্র সময় আল্লাহকে নিয়ে পড়ে থাকি আল্লাহ সেটা দেখছেন। সুতরাং এ বিষয়ে আপনার না ভাবলেও চলবে।
৯|
১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:৫৫
আলামিন১০৪ বলেছেন: আল্লাহর দিদার পেয়েছেন? তিনি দেখতে কেমন?
আপনার উপর ওহী নাযিল হয় না?
মুসা (আঃ) জেদ করেও আল্লাহর দিদার পায়নি আর উনি আইছে..
তারা অবতীর্ণ হয় প্রত্যেক চরম মিথ্যাবাদী ও পাপীর নিকট। আল কোরআন
শয়তানে লারে?
১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:৫৮
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: দিদার পাওয়া মানে দেখা নয়।
১০|
১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:৫৫
আলামিন১০৪ বলেছেন: তাইলে কী?
২০ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৪৯
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:
আল্লাহর সাথে আমার দিদার কেমন ছিল?
আমি বিশ্বাসী মানুষ। আমার আল্লাহর দিদারে বিশ্বাস আছে। আল্লাহর সাথে আমার দিদার হয়েছে চার বার। প্রথমবার আমি স্বপ্নে দেখলাম হাসরের মাঠ। পূর্বে জাহান্নামের গভীর খাদ। খাদের উত্তর পাড়ে ট্যালির চালের বস্তি ঘরের বিশাল বস্তি এলাকা।লোকে লোকারণ্য মাঠের পশ্চিম দিকে একটা এলাকা খালি। ঐ এলাকার সবদিকে অদৃশ্য প্রতিবন্ধক। প্রতিবন্ধকের উত্তর পাশেই আমি দাঁড়িয়ে। আমি বুঝলাম খালিস্থানেই আল্লাহর আরশ এবং ফেরেশতা সব আছেন। সেই স্থানে এক দল লোককে ধরে আনা হলো। যারা ধ ের আনলো তাদেরকে দেখা যাচ্ছে না। যাদেরকে ধরে আনা হলো তারা খুব ভীত-বিহ্বল ছিল। আল্লাহ তাদেরকে বললেন, তোমাদের জন্য জাহান্নাম বরাদ্ধ। তবে জাহান্নাম পাড়ের বস্তি এলাকায় তোমরা থাকলে থাকতে পার।তারপর লোকগুলোকে ছেড়ে দেওয়া হলো। তারা হুড়-মুড় করে বস্তি এলাকার ঘর সমূহে প্রবেশ করলো। তারপর বস্তি এলাকা জাহান্নামে নেমে গেল। আমি তখন বললাম, হে আল্লাহ আপনি এটা কি করলেন? তখন আল্লাহ বললেন, পৃথিবীতে এরা আমার সাথে তামাসা করতো, আমিও তাদের সাথে তামাসা করলাম। তারপর আমি জেগেগেলাম। আমি আরশ, ফেরেশতা ও আল্লাহকে দেখিনি, তবে আল্লাহর কথা শুনেছি।
আল্লাহর সাথে আমার দিদারের দ্বিতীয় বারে আমি স্বপ্নে দেখলাম, আল্লাহ বলছেন, আমি নূর এবং আমার পোশাক নূর, সেজন্য আমি নূরুন আলা নূর (আলোর উপর আলো)।কিন্তু আমার নবি নূর হলেও তার পোশাক নূর নয়, সেজন্য তাকে আনতা নূরুন ফাওকা নূরে (আপনি আলো আলোর উপর) বলা যাবে না। এখানেও আমি আল্লাহকে না দেখে তাঁর কথা শুনেছি। জেগে বুঝলাম যারা মীলাদ পড়ে তাদের কিছু কথায় আল্লাহ বিরক্ত।
আল্লাহর সাথে আমার দিদারের তৃতীয় বারে আমি দেখলাম, আল্লাহ বলছেন, আমি কিভাবে হয়েছি আমি সেটা জানি না। জেগে আমি বিষয়টা ভাবার চেষ্টা করলাম। আসলে কেউ জানে না সে কিভাবে হয়েছে। যারা কারো জন্ম দেখে তারা বলে কেউ কিভাবে হয়েছে।আল্লাহর পূর্বে কেউ না থাকায় তাঁর হওয়া দেখে তিনি কিভাবে হয়েছেন এটা বলার মত কেউ ছিল না। প্রথমত আল্লাহ দেখেছেন তিনি ছাড়া আর কিছু নাই। তারপর তিনি দেখেছেন তিনি ছাড়া আর কিছু হচ্ছে না। তারপর সব কিছু তিনি সৃষ্টি করেছেন বিধায় তিনি জানেন অন্যরা কিভাবে হয়েছে।
আল্লাহর সাথে আমার দিদারের চতুর্থ বারে আমি দেখলাম, আরশে আজিমে বিশাল বড় শূন্যস্থান পর্দায় আমার আল আসমাউল হুছনা সনেট কাব্যের কবিতা সমূহ প্রদর্শিত হচ্ছে। আমি মাউস নাড়িয়ে কবিতা স্ক্রল করতে চাইলাম। তখন আমি দেখলাম আমার স্ক্রলে কাজ হচ্ছে না। তথাপি কবিতা স্ক্রল হচ্ছে। তখন আমি বুঝলাম আল্লাহ নিজেই স্ক্রল করে আমার কবিতা পড়ছেন।এবার আমি আল্লাহকে দেখিনি এবং তাঁর কথাও শুনিনি তবে তাঁর কাজ অনুভব করেছি। যাদের আল্লাহ বিশ্বাস নাই তারা এটাকে অন্যভাবে ব্যখ্যা করে। সেটা তাদের বিষয়। আমার আল্লাহতে বিশ্বাস আছে। সুতরাং তাদের অবিশ্বাসের সাথে আমার বিশ্বাস মিলে না।
ইসলাম বিষয়ে আমি চার হাজারের বেশী পোষ্ট দিয়েছি। হয়ত সেজন্য আল্লাহ আমাকে দিদার প্রদান করেন। কারণ ইসলাম বিষয়ক পোষ্ট দিতে গিয়ে আমি প্রচুর খাটা-খাটনি করি। আমার স্ত্রী ও কন্যগণ রাসূলকে (না.) স্বপ্নে দেখেছে। রাসূলকে (সা.) আমিও চারবার স্বপ্নে দেখেছি। আমার ছোট কন্যাও একবার আল্লাহর দিদার পেয়েছে। আমার লেখালেখিতে তাদের অনেক ডিস্টার্ব হলেও তারা আমার বিরোধীতা করে না। আল্লাহ আমাকে অনেক রহমত করেছেন সেটার ভাগ তারাও পেয়েছে। তারা আশায় আছে আল্লাহ আমাকে আরো রহমত করবেন এবং সেটার ভাগও তারা পাবে। এখন আমি দৈনিক বিশ-ত্রিশটা বড় গ্রুপে পোষ্ট দিয়ে থাকি। এক গ্রুপে আমার পয়েন্ট ছয় লক্ষের বেশী এবং এক গ্রুপে আমার পয়েন্ট চার লাখের বেশী্ সেই গ্রুপে আমি আবার মডারেটর। আমার লেখা কেউ পড়ুক বা না পড়ুক সেটা বিষয় নয়, আমি ইসলাম বিষয়ে কি রকম ভেবেছি সেটা অন্যদের জন্য দৃষ্টান্ত।আল্লাহ তাদেরকে বলবেন তারা আমার মতকরে ইসলাম বুঝার চেষ্টা করেনি বলেই তারা ইসলাম বুঝেনি। কেউ ইসলাম না বুঝলে সেটা আল্লাহর সমস্যা না, সেটা তার সমস্যা। যারা ইসলাম বুঝলো এবং মানলো আল্লাহ তাদেরকে জান্নাত দিয়ে দিবেন এবং যারা ইসলাম বুঝলো না এবং মানলো না তাদের জন্য জাহান্নাম বরাদ্ধ। তাতেই বুঝা যায় কেউ ইসলাম না বুঝা ও না মানায় মূলত আল্লাহর কোন সমস্যা না।
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:১৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: মুসলিম সমাজের ইতিহাস বলে , তারা
পূর্ব থেকে হানাহানিতে লিপ্ত,
তাই আজও মধ্যপ্রাচ্য তথা আরব বিশ্বে শান্তি নাই ।