| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দ্বীপ ১৭৯২
দ্বীপ সরকার। জন্মঃ ১লা মার্চ ১৯৮১ ইং। গ্রাম-গয়নাকুড়ি। বগুড়া জেলার শাজাহানপুর থানা। পিতা-মৃত হাবিবুর রহমান। মাতা-আলহাজ্ব আছিয়া বিবি। মুসলিম পরিবারে জন্ম। গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন ১৯৯৯ ইং। সম্পাদিত লিটেল ম্যাগ, কুয়াশা। প্রকাশিত বই ৫টি। ভিন্নভাষার গোলাপজল ২০১৮। ডারউইনের মুরিদ হবো ২০১৯। ফিনিক্স পাখির ডানা ২০২০। জখমগুচ্ছ ২০২৩। বুবুন শহরের গল্প ২০২৪।
নীলিতারা
জানালা খুললেই
বাতাসের প্লেনে উড়ে আসে হিমযাত্রী
আমার লোমকূপের রাস্তা ধরে বরফের ঘোড়া দৌড়োয়
ঘোড়ার পায়ের শব্দে আমার ঘুম ভাঙ্গে
আমাদের এখানে পৌষের ভোর নামে——
ফুটপাথের ছায়াগুলো যেনো খবরের কাগজের ছাপা অক্ষর,
কালো কালো অক্ষরগুলো হকারের কণ্ঠে চড়ে দৌড়োচ্ছে——
পৃথিবীর সংবাদগুলো সুন্দরী রমণীর হাসি হয়ে যেই
চায়ের কাপে এসে ধুঁয়ো হয়
আমরা তা চা’য়ের লিকার বানিয়ে খাচ্ছি
পৌষ বিকেলে আমরা ছাদে উঠি——
হিম হিম কুয়াশা
গ্রামের উঠতি বয়েসী বালিকারা খোঁপায় পিন্দেছে নিওরের বেণি
বেণির বাহাদুারিতে ভরকে যাচ্ছে গোধূলি
এরপর আস্তে আস্তে, রাত্রী নামতে শুরু করে
বাঁকা চাঁদ, সাদা দস্তানায় চড়ে এদেশ থেকে ওদেশে যায়
কী সুন্দর করে কথা কয় বাঁকা চাদ আর মেঘ——
বাঁকা চাঁদ আর মেঘের ভাষা বুঝেছিলো নীলিতারা
আমার বাড়ির সাথেই ওদের বাড়ি
তারাও এখন বরফের ভাষায় কথা কয়,হাসে
রাগি প্রেমিক বরফের মতোন ঠান্ডা হয়ে যায়,মহুর্তে
পৌষ আসলে নীলিতারা পাখি হয়ে যায়
প্রতিদিন ভোরে,খেজুরে রসে চুমু জমা রাখে——
তারপর আকাশের নীল দিগন্তে হারিয়ে যায়
সকালে রস বিক্রেতা হাঁক ছাড়ে ‘এই রস নিবি, রস’
আমি তখন আশি টাকা দরে এক কেজি রস কিনে নেই
২|
১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:২০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাঁকা চাঁদ আর মেঘের ভাষা বুঝেছিলো নীলিতারা
আমার বাড়ির সাথেই ওদের বাড়ি
.....................................................................
ভালোবাসার টানে অনেক কিছুই শেখে অতি দ্রুত
আর তখনই পাখা মেলে উড়ে যেতে চায়
অজানা ঠিকানায় !
©somewhere in net ltd.
১|
১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৫
সালমান মাহফুজ বলেছেন: সুন্দর লিখনশৈলী । একরাশ মুগ্ধতা ।