নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

একাধীক স্ত্রী থাকা রাসূল (সা.) ও সাহাবার (রা.) সুন্নাত হলেও এটি আল্লাহর সুন্নাত নয়

০৯ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ২:২৫



সূরাঃ ৪ নিসার ১২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৯। আর তোমরা যতই ইচ্ছা করনা কেন তোমাদের স্ত্রীদের প্রতি সমান ব্যবহার কখনোই করতে পারবে না, তবে তোমরা কোন এক জনের প্রতি সম্পূর্ণ ঝুঁকে পড়বে না ও অপরকে ঝুলিয়ে রাখবে না; যদি তোমরা নিজেদিগকে সংশোধন কর ও সাবধান হও তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু।

সূরাঃ ৯৫ তীন, ৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৮। আল্লাহ কি বিচারকদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ট বিচারক নন?

* স্ত্রীদের প্রতি সমান ব্যবহার কখনোই করা যায় না এবং আল্লাহ বিচারকদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ট বিচারক বিধায় একাধীক স্ত্রী থাকার বিষয়টি আল্লাহর সুন্নাত থেকে বেরিয়ে গেছে। রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.)একাধীক স্ত্রী থাকার বিষয়টি তবে কি?

সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।

* রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামকে (রা.) আল্লাহ ক্ষমা করায় তাঁদের একাধীক স্ত্রী থাকার দায়মুক্তি রয়েছে।চার বিবাহের আয়াতের বিষয়টি তবে কি?

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৮৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮৬। আল্লাহ কারো উপর এমন কোন কষ্ট দায়ক দায়িত্ব অর্পণ করেন না যা তার সাধ্যাতীত।সে ভাল যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। সে মন্দ যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। হে আমাদের প্রতিপালক যদি আমরা ভুলে যাই অথবা আমাদের ত্রুটি হয় তবে আমাদেরকে পাকড়াও করো না। হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের পূর্ববর্তিগণের উপর যেমন গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছিলে আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করবেন না।হে আমাদের প্রতিপালক এমন ভার আমাদের উপর অর্পণ করবেন না যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই।আমাদের পাপ মোছন করুন, আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন, আপনিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের উপর আমাদেরকে জয়যুক্ত করুন।

* সাহাবায়ে কেরামের (রা.) পরের লোকদের ক্ষেত্রে চারবিবাহের আয়ত মানসুখ সাব্যস্ত হবে। কারণ তাদের অপরাধের ক্ষমার ঘোষণা নাই।তবে অপারগ ক্ষেত্রে আয়াতটি মানসুখ হবে না। আর অপারগতার বিচার শালিশ বা বিচারক করবেন।তবে একাধীক বিবাহ মোটেই কোন সাওয়াবের কাজ নয়। কারণ এর অবস্থান আল্লাহর সুন্নাতের বাইরে।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

* আল্লাহর সুন্নাত এমন এক বিষয় যে এর পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হয়। আল্লাহর সুন্নাত বিষয়ে মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিস উপস্থাপন করে তর্কে লিপ্ত হওয়া অপরাধ।

মন্তব্য ৩৯ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৩৯) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৫:১২

জিকোব্লগ বলেছেন:



ইসলামের সুন্নত (আরবি: سنة) হলো ইসলামি নবী মুহাম্মদ (সঃ) এর কাজকর্ম
এবং বক্তব্যের একাধিক ঐতিহ্য এবং অভ্যাস, যা মুসলমানদের অনুসরণের জন্য
একটি আদর্শ রূপে প্রতিষ্ঠিত।

আল্লাহর সুন্নত আবার কী জিনিস! নিজে নিজে অদ্ভুদ ভাষা প্রয়োগ করে মানুষকে
বিভ্রান্ত করা থেকে বিরত থাকুন।

আপনি হয়তো ভাবছেন, মুসলিমদের এইসব বলে ইসলামের খেদমত করছেন ,
প্রকৃতপক্ষে এইসব বলে মুসলিমকে বিভ্রান্ত করে, ইসলামের ক্ষতি করছেন।

০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:১৬

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: রেফারেন্স দেওয়া আছে। কষ্ট করে কোরআন থেকে পড়ে নিয়েন।

২| ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

রাজীব নুর বলেছেন: সুন্নত আর ফরজ না মেনে কোটি কোটি মানুষ সুন্দর জীবনযাপন করে যাচ্ছে।
আমার বন্ধু শাহেদ জামাল স্পষ্ট বলে, সুন্নত মুন্নত আর ফরয টরয নিয়ে আমার কোনো মাথা ব্যথা নাই।

০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:১৭

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: যারা মুসলিম নয় ইসলামের বিষয় নিয়ে তাদের মথাব্যথা থাকার কথাও নয়।

৩| ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:৪৯

নতুন বলেছেন: তার অর্থ খলিফা এবং সাহাবারা এটা বোঝে নাই? তারা এতো বিয়ে করেছিলো কেন?

০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:০৯

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: তাঁদের ক্ষেত্রে একাধীক বিয়ের দায় মুক্তি ছিল। তাঁরা এর সুবিধা গ্রহণ করেছেন।

৪| ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:৫০

জিকোব্লগ বলেছেন:



০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:১৬০

লেখক বলেছেন: রেফারেন্স দেওয়া আছে। কষ্ট করে কোরআন থেকে পড়ে নিয়েন।

রেফারেন্সে কোথায় এবং কোরআনে কোথায় "আল্লাহর সুন্নত" আছে !
আজবতো , ধর্মীয় লেবাস ধরে মনগড়া ইসলামের যা কিছু তাই বলে যাচ্ছেন!

০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:১০

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: সূরা ৩৫ এর ৪৩ নং আয়াতের আরবী পাঠে আল্লাহর সুন্নাত পেয়ে যাবেন। গুগুল সার্চ দিলেই পেয়ে যাবেন।

৫| ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: সুতরাং বুঝা গেলো আল্লাহ পাকের একাধিক স্ত্রী নেই।

খুব ভালো পোস্ট।

০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: সুন্নাত হলো কথা, কাজ ও অনুমোদন। আল্লাহর স্ত্রী নেই। একাধীক স্ত্রী বিষয়ে তাঁর অনুমোদন নাই। রাসূল (সা) ও সা্হাবা (রা) বিষয়ে এ বিধান শিথিল। তাঁরা এর সুবিধা গ্রহণ করেছেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় এখনও এ ক্ষেত্রে শিথিল অবস্থা বিদ্যমান আছে বিচারকের রায় সাপেক্ষে।

৬| ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৩

জিকোব্লগ বলেছেন:



০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:১০০

লেখক বলেছেন: সূরা ৩৫ এর ৪৩ নং আয়াতের আরবী পাঠে আল্লাহর সুন্নাত পেয়ে যাবেন। গুগুল সার্চ দিলেই পেয়ে যাবেন।




السنة < নবী ﷺ-এর জীবনধারা ও নির্দেশ
سنة الله < আল্লাহর নির্ধারিত বিধান

আপনি আরবীভাষায় ব্লগটি লেখতেন। বাংলা আরবি মিশাল করে , ভুলভাল বাংলা
অর্থ দিয়ে, মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন। ইতিমধ্যে জ্যাক স্মিথের মন্তব্য , তা প্রমান করে।


আপনি কি আরবি ভাষায় কথা বলতে পারেন, বুঝতে পারেন, লিখতে পারেন, পড়ে সঠিকভাবে বুঝতে পারেন?

০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:০৯

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: সুন্নাত হলো কথা, কাজ ও অনুমোদন। আল্লাহর কথা সত্য, কাজ ন্যায়, অনুমোদন সাধ্যের মধ্যে যেটা সেটা। আল্লাহর কথা, কাজ ও অনুমোদন মিলেই আল্লাহর বিধান সাব্যস্ত। আল্লাহর কথা থেকেই বুঝা গেছে তিনি একাধীক বিয়ে সমর্থন করেন না। তবে এ ক্ষেত্রে তিনি রাসূল (সা) ও সাহাবায়ে কেরামকে (রা) সুবিধা দিয়েছেন। এখনও স্ত্রী তাঁর দায়িত্বে অপারগ হলে বিচারকের রায়ে একাধীক বিয়ে চলতে পারে।

৭| ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:১৮

জিকোব্লগ বলেছেন:



আপনিতো দেখি প্রকট বিভ্রান্ত সৃষ্টিকারী। এখন আমার কথা থেকে
ঘুরে গিয়ে ও আমার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে, অন্য প্রসঙ্গ আনছেন।
সেই প্রসঙ্গের মধ্যেও আবার অনেক বিভ্রান্ত আছে ।

০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:১৭

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আল্লাহ ও রাসূল (সা) তাঁদের কথা ৭৫% মানুষকে বুঝাতে পারেননি। আমি তো এক অধম বনি আদম। একালে একধীক বিয়েতে অনেক ঝুঁকি আছে। অনেক সময় এতে টুনটুনি খোয়া যায়। সুতরাং বুঝে আসুক বা না আসুক একধীক বিয়ে থেকে দূরে থাকা নিরাপদ।
ফেসবুকে অনেক বড় গ্রুপে আমার পোষ্ট চলমান আছে। কোথাও কোন বিরোধীতা দেখছি না।

https://www.facebook.com/groups/1817981205012931/user/100011924479022

৮| ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:৫১

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: @মহাজাগতিক চিন্তা - যুক্তি তর্কে এখন পর্যন্ত আপনি'ই এগিয়ে আছেন আর সব বিষয়ে সবার সাথে তর্কে জাড়াবেন না, সবার তো আর কুরআন হাদিসের জ্ঞান নেই, তাছাড়া সবাই সব বিষয় বুঝবেও না।

০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:২১

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: কেউ তর্কে জড়াতে চাইলে আমি আমার সাধ্যমত তাকে বুঝাতে চেষ্টা করি। তবে সবার কথা সবার বুঝে আসে না।

৯| ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:৪৯

নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: তাঁদের ক্ষেত্রে একাধীক বিয়ের দায় মুক্তি ছিল। তাঁরা এর সুবিধা গ্রহণ করেছেন।


মানুষ ২য় বিয়ে সন্তানের আসায় করতে পারে যদি প্রয়োজন মনে করে।

কিন্তু যদি কোন পুরুষ জীবনে ৮-১০ জন স্ত্রী থাকে সেটার পেছনে কামনা অবশ্যই সবচেয়ে বড় কারনে করে থাকে।

রাসুল সা: এবং ৪ জন খলিয়ার মোট ৪১ জন স্ত্রী ছিলো। ৪ জন নারীকে তালাক দিয়েছিলো এবং ৩ জন দাসী ছিলো যদিও ৩ খলিফার নারী দাসীর সংখ্যার রেফারেন্স পাওয়া যায় না।

ঐ সময় যৌনতা অবশ্যই পুরুষদের মাঝে অনেক বড় একটা ফ্যাক্টর ছিলো।

০৯ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৫

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ঐ সময় যৌনতা অবশ্যই পুরুষদের মাঝে অনেক বড় একটা ফ্যাক্টর ছিলো। তেমন কিছু না হলে কেউ কি এত্তগুলা বিবাহ করে? কারণ স্ত্রীদের প্রতিপালনে অনেক খরচ হয়। তাদের সব মৌলিক চাহিদা পূরণ করেই তবে তাদেরকে স্ত্রী হিসাবে পাওয়া যায়। তাদের সেই সব স্ত্রীরা আবার সংসারের কাজও করতেন না। তাঁদের জন্য আবার দাসী রাখতে হত। সেই দাসী দেখে স্বামীর মাথা ঘুরায় কিনা সেজন্য স্বামীর দাসীর সাথেও মিলনের অধিকার ছিল। কিন্তু বিষয়টা আল্লাহর পছন্দের ছিল না। সেজন্য তিনি এ বিষয়ে তাঁর মনভাব ব্যক্ত করেছেন এবং দাসীকে মুক্তি দেওয়া বিষয়ে উৎসাহিত করেছেন। এখন একাধীক স্ত্রী খুব কম লোকের আছে। কদাচিৎ এমনটা দেখা যায়।

১০| ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:১৪

জিকোব্লগ বলেছেন:



বুঝলাম , আপনার গুরু মানে আপনি যার কাছে থেকে ইসলামিক শিক্ষা প্রাপ্ত হয়েছেন ,
সেই ইসলামিক বিভ্রাম্তি ছড়াচ্ছে , আর আপনি তো শিষ্য হিসেবে একই পথেই যাবেন।

আপনার কয়টি স্ত্রী? কতগুলো বিয়ে করার প্ল্যান করছেন?

০৯ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:২৭

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আমি একাধীক বিবাহের বিপক্ষে পোষ্ট দিলে আমার কয়টি স্ত্রী থাকার কথা? আমি, আমার বাপ ও দাদা সবার স্ত্রী একজন।

১১| ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:২৪

নিমো বলেছেন: @চিকাভাইরাস, সবাইকে কি তের কথা মত ব্লগ লিখতে হবে?

০৯ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৮

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: কারো মত প্রকাশে আমার কোন আপত্তি নাই। তবে কেউ বেশী অগোছালো মন্তব্য করলে সেটি আমি মুছে দেই।

১২| ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৭

জিকোব্লগ বলেছেন:



জায়গামতো লাগাতে, এবার আপনি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন, এর আগেতো নিজের দুর্বলতা ঢাকতে প্রসঙ্গ এড়িয়ে যাচ্ছিলেন।
তবে আপনার মুরিদরাতো ইসলাম বিদ্ধেষী। আপনার শিক্ষক, আপনি ও আপনার মুরিদ। ডট গুলো মেলানো যাচ্ছে।

০৯ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৪৩

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আমি তা’মিরুল মিল্লাত মাদ্রাসা, মীরহাজির বাগ ঢাকা এর ছাত্র। আমার শিক্ষক, সহপাঠি এবং ঐ মাদ্রাসর ছাত্ররা আমার পোষ্টের বিরোধীতা করে না। আমার ছাত্রদের মধ্যেও অনেক বড় বড় আলেম আছেন যারা আমার কথার বিরোধীতা করে না। তবে আমার ছাত্রদের মাঝে যারা জেনারেল শিক্ষিত তাদের কেউ কেউ আমার সাথে দর্কে জড়াতে চায়। অনেকে ইসলামকে ইসলামের জায়গায় রাখে নাই। সেজন্য ইসলাম বিদ্বেষ অনেক ক্ষেত্রে তৈরী হয়েছে। এখানে এক পক্ষের দোষ দেখলে তো হবে না।

১৩| ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩২

নিমো বলেছেন: @চিকাভাইরাস, তোদের মত ধর্মের ষাড়ের থেকে ইসলাম, বিদ্বেষ শিখতে হবে।গা্ঁয়ে মানে না, আপনি মোড়ল হয়ে, ধর্মের ঠিকাদারি করার দরকার কী?

০৯ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৪৫

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ধর্মের বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে এ বিষয়ে কথা বলতে হয়। নিচক ধারণা থেকে ধর্ম বিষয়ে মতামত উপস্থাপন করা ঠিক না।

১৪| ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৪

নিমো বলেছেন: লেখক বলেছেন: কারো মত প্রকাশে আমার কোন আপত্তি নাই। তবে কেউ বেশী অগোছালো মন্তব্য করলে সেটি আমি মুছে দেই।
এগুলোতো স্বয়ং নবীর চেয়েও ধর্ম বেশি বুঝে। নবী বেঁচে থাকলে, এদের হাতে মব সন্ত্রাসের শিকার হত।

০৯ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৪৭

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: নিশ্চিত জ্ঞান বাদ দিয়ে ধারণা থেকে কথা বললে একটু উল্টা-পাল্টা তো হবেই।

১৫| ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৮

নিমো বলেছেন: জিকোব্লগ বলেছেন:আল্লাহর সুন্নত আবার কী জিনিস

কুরআনে "সুন্না" শব্দটি কয়েকবার এসেছে, তবে সেখানে নবী বা রাসূলের সুন্নাহ (সুন্নাত আল-রাসূল, সুন্নাত আল-নবি অথবা সুন্না আল-নবাওয়ীয়াহ) বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়নি, অর্থাৎ মুহাম্মদ-এর পথ/প্রথা (কিছু আয়াত রয়েছে যেখানে মুসলমানদের মুহাম্মদকে মান্য করার কথা বলা হয়েছে—নীচে দেখুন)। চারটি আয়াতে (৮.৩৮, ১৫.১৩, ১৮.৫৫) "সুন্নাত আল-অওয়ালীন" শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে, যা মনে করা হয় "প্রাচীনদের পথ বা প্রথা" বোঝাতে। এটি এমন কিছু হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে যা "অতীত হয়ে গেছে" অথবা অমুসলিমদের আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস গ্রহণে বাধা দিয়েছে। "সুন্নাত আল্লাহ" (আল্লাহর পথ) আটটি আয়াতে পাঁচটি সুরায় এসেছে। এছাড়া, সুরা ১৭.৭৭-এ অন্যান্য, প্রাচীন মুসলিম রাসূলদের (ইবরাহিম ইসলামে, মূসা ইসলামে ইত্যাদি) পথ এবং "আমাদের পথ", অর্থাৎ আল্লাহর পথের উল্লেখ রয়েছে:[২৮][২৯]

[এটি] তাদের পথ (সুন্না) যারা আমরা তোমার আগে প্রেরণ করেছি, এবং তুমি আমাদের পথে কোনো পরিবর্তন পাবে না (সুন্নাতুনা)।

এটি কিছু পণ্ডিতদের (যেমন জাবেদ আহমদ গামিদি) মতে, সুন্নাহ কুরআন এবং মুহাম্মদের পূর্বে বিদ্যমান ছিল, এবং এটি আসলে আল্লাহর নবীদের ঐতিহ্য, বিশেষত ইবরাহিম-এর ঐতিহ্য ছিল। খ্রিষ্টানরা, ইহুদীরা এবং ইসমাইলের আরব বংশধররা, আরবীকৃত আরব অথবা ইসমাইলites, যখন মুহাম্মদ এই প্রথাটিকে ইসলামের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে পুনরুদ্ধার করেন।

০৯ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৪৯

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আপনার এ মন্তব্যটি বেশ চমৎকার হয়েছে।

১৬| ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০০

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: @জিকোব্লগ- আপনার যদি কোরআন হাদিস সম্পর্কে কোন জ্ঞন না থাকে তাহলে আপনি নিয়মতি 'মহাজাগতিক চিন্তা' সাহেবের পোস্ট পড়বেন, ওনার ফেসবুকের গ্রুপেও কুরআন হাদিস সম্পর্কে প্রচুর পোস্ট রয়ছে, আপনি আগে ওগুলো সব স্ট্যাডি করে আসেন তারপর ওনার সাথে লাগতে আসেন। আপনি কোন কিছু না বুঝে অহেতুক একজন আলেমর সাথে তর্ক করছেন।

০৯ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৫৪

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ক্লিক হেয়ার

আমি যে লিংক দিলাম সে গ্রুপে আমি মডারেটর। অনেক গ্রুপে আমি এডমিন। এছাড়া বহু গ্রুপে আমার পোষ্ট প্রতিনিয়ত প্রকাশিত হয়। সে ক্ষেত্রে আমার বিরোধীতা বিরল ঘটনা।

১৭| ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:০৮

রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: @জিকো ব্লগ, আপনি অযথা তর্ক করছেন। সুন্নাত (Sunnah) শব্দের অর্থ পথ, পদ্ধতি, রীতি, অভ্যাস বা চলার পথ। আল-কোরআনে "আল্লাহর সুন্নাত" (Sunnatullah) বলতে আল্লাহ তাআলার সুনির্দিষ্ট নিয়ম, অমোঘ বিধান বা চিরন্তন কার্যপদ্ধতিকে বোঝানো হয়েছে, যার কখনো পরিবর্তন বা ব্যতিক্রম হয় না। আপনি আল্লাহর সুন্নাতের কোনো পরিবর্তন পাবেন না" (সূরা আল-আহযাব: ৬২; সূরা আল-ফাতহ: ২৩)। সুন্নাত আরবী কোরআনের শব্দ। এই সুন্নাত শব্দটিকে আমরা রাসুল সাঃ এর সুন্নাত বলে থাকি আল কোরআনের আল্লাহর সুন্নাত শব্দটিকে দেদারসে ভূলে গিয়েছি। আরেকটি আয়াত আমি তুলে ধরি।
سُنَّةَ مَن قَدۡ أَرۡسَلۡنَا قَبۡلَكَ مِن رُّسُلِنَاۖ وَلَا تَجِدُ لِسُنَّتِنَا تَحۡوِيلًا
"আপনার পূর্বে আমি আমার যে সব রাসূল প্রেরণ করেছিলাম, তাদের ক্ষেত্রেও এরূপ নিয়ম ছিল। আর আপনি আমার নিয়মের কোনো ব্যতিক্রম পাবেন না।" [১৩, ১২]
তো যাই হোক মহাজাগতিক চিন্তা আরবী ভাষায় অনেক দক্ষ মানুষ। আরবী শব্দ বাংলায় অনুবাদের ক্ষেত্রেও তিনি অনেক অভিজ্ঞ। তাই তার ভূল ধরা ঠিক হবে না।

০৯ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৫৮

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আমার বিষয়ে আমি কিছু বলতে চাই না। তবে আল্লার শিক্ষকগণ অনেক বড় আলেম। তাঁরা আমার পোষ্টের বিরোধীতা করেন না।

১৮| ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:১২

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কমেনটস পড়ে কাত হয়ে গেলাম । :-0

১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:০০

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: তাহলে বলা যায় আলোচনা জমে উঠেছে। ব্লগে অনেকেরই ইসলাম বিষয়ে বেশ জানা-শুনা আছে।

১৯| ০৯ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:২৯

রাশিদুল ইসলাম লাবলু বলেছেন: @ জিকো ব্লগ
, ﴿ اسْتِكْبَارًا فِي الْأَرْضِ وَمَكْرَ السَّيِّئِ ۚ وَلَا يَحِيقُ الْمَكْرُ السَّيِّئُ إِلَّا بِأَهْلِهِ ۚ فَهَلْ يَنْظُرُونَ إِلَّا سُنَّتَ الْأَوَّلِينَ ۚ فَلَنْ تَجِدَ لِسُنَّتِ اللَّهِ تَبْدِيلًا ۖ وَلَنْ تَجِدَ لِسُنَّتِ اللَّهِ تَحْوِيلًا ﴾
উচ্চারণ:
ইস্তিকবা-রান ফিল আরদি ওয়ামাকরাস সায়্যিই, ওয়ালা-ইয়াহীকুল মাকরুস সায়্যিই ইল্লা-বিআহলিহী, ফাহাল ইয়ানজুরু-না ইল্লা-সুননাতাল আউওয়ালীন, ফালান তাজিদা লিসুননাতিল্লাহি তাবদী-লাও, ওয়া লান তাজিদা লিসুননাতিল্লাহি তাহবী-লা-।
বাংলা অনুবাদ:
(তারা) পৃথিবীতে অহংকার ও মন্দ ষড়যন্ত্রের কারণে (এ আচরণ করছে)। আর মন্দ ষড়যন্ত্র কেবল তার পরিকল্পনাকারীদেরই পরিবেষ্টন করে। সুতরাং তারা কি পূর্ববর্তীদের নিয়মের প্রতীক্ষা করছে? অথচ আপনি আল্লাহর নিয়মে কোনো পরিবর্তন পাবেন না এবং আল্লাহর নিয়মে কোনো বিচ্যুতিও পাবেন না।

লক্ষ্য করুন সুননাতাল আউওয়ালীন বা পূববর্তীদের সুন্নাত বা নিয়ম আবার পরবর্তীতে বলা হচ্ছে সুননাতিল্লাহি বা আল্লাহর সুন্নাত । সুতরাং মহাজাগতিক চিন্তা যা বলছে সঠিক বলছেন। আসলে আমরা এখন সুন্নাত শব্দের অর্থটািই পরিবর্তন করে ফেলেছি।

১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:০২

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: মুসলিমগণ আল্লাহর সুন্নাতকে উপেক্ষা করেই বেশী সমস্যায় আছে।

২০| ১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১:৫১

জিকোব্লগ বলেছেন:



আলোচনা চলছিল বাঁশের সাথে।এর মধ্যেই কঞ্চিরা এমনভাবে পা চালিয়ে ময়দানে নেমে পড়ল যে,
দেখে মনে হচ্ছে বাঁশের চেয়েও এখন কঞ্চিরাই বেশি বড়সড় হয়ে গেছে!

যাই হোক, এখানে এসে দেখি ইঁদুর, সাপ আর নর্দমার ময়লা—সব মিলেমিশে এক অপূর্ব সমাহার
তৈরি হয়েছে। সত্যিই বাহ! বাহ! বাহ! এমন দৃশ্য তো রোজ দেখা যায় না।

এর মধ্যে আবার একটা দুর্গন্ধময় নর্দমার ময়লা আবার আগ বাড়িয়ে সবচেয়ে বেশি লাফালাফি
করছে। উহার স্বভাবই হলো—যে পোস্টেই ঢোকে, সেখানেই পচা দুর্গন্ধ ছড়িয়ে দিয়ে পুরো পরিবেশটাই
নষ্ট করে ফেলে।

ব্লগে যারা ইসলামবিদ্বেষী এবং ইসলাম নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াতে ওস্তাদ, তারাই এখানে এসে আপনার মুরিদ
হয়ে বসেছে—এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। বরং এটিই স্বাভাবিক। আর যারা ইসলাম সম্পর্কে
সত্যিকারের জ্ঞান রাখেন, তাদের এখানে দেখা না যাওয়াটাও খুবই স্বাভাবিক। ডটগুলো মিলিয়ে দেখলে
ছবিটা একেবারে পরিষ্কার হয়ে যায়।

ইসলামবিদ্বেষী আর বিভ্রান্তি ছড়ানোদের তো আপনাকেই দরকার—তাদের এজেন্ডা এগিয়ে নিতে একজন
‘আইকন’ তো চাই-ই। তাই আপনাকে পীর, বাবা ইত্যাদি বানিয়ে বাসায় বসে প্রতিদিন উলুধ্বনি দিয়ে
পূজা করলেও আশ্চর্যের কিছু নেই। হা হা হা… শেষমেশ দেখা গেল, আমার ধারণাটাই ঠিক ।

তবে একটা কথা মানতেই হবে—জ্যাক স্মিথের দুটা মন্তব্য ভালো হয়েছে। সেই মন্তব্যে লাইক রইল।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.