নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

পরকালে আল্লাহর বন্ধু, দাস নাকি কয়েদী হবেন?

২২ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:১৪




সূরাঃ ৫১ যারিয়াত, ৫৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৬। আমি জিন ও মানুষকে এ জন্য সৃষ্টি করেছি যে, তারা আমারই ইবাদত করবে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৫। আল্লাহ, তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই।তিনি চিরঞ্জীব চির বিদ্যমাণ।তাঁকে তন্দ্রা অথবা নিদ্রা স্পর্শ করে না।আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সমস্তই তাঁর।কে সে যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর নিকট সুপারিশ করবে? তাঁর সামনে পিছনে যা কিছু আছে তা’ তিনি জানেন।তাঁর ইচ্ছা ছাড়া তাঁর জ্ঞানের কিছুই কেউ আয়ত্ব করতে পারে না।তাঁর ‘কুরসী’ আকাশ ও পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত।এ দু’টির হেফাজত তাঁকে ক্লান্ত করে না।আর তিনি পরম উচ্চ-মহিয়ান।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৬। দ্বীনের মধ্যে কোন জবরদস্তি নেই। নিশ্চয়ই ভ্রন্তি খেকে সঠিক পথ প্রকাশ হয়েছে। অতএব যে লোক তাগুতের বিরোধিতা করবে এবং আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন করবে সে দৃঢ়তর রজ্জুকে শক্ত করে ধরলো যা কখনো ছিঁড়ে যাবে না এবং আল্লাহ হলেন সর্বশ্রোতা মহাজ্ঞানী।

* নিজের মতই আল্লাহর মানুষ ও জ্বীনের ইবাদত পাওয়ার ইচ্ছা চিরস্থায়ী। তবে তাদের থেকে তাঁর জবরদস্তি ইবাদত পাওয়ার ইচ্ছা নাই। আপোষে কোন মানুষ ও জ্বীন আল্লাহর চিরস্থায়ী ইবাদত করবে? জান্নাতীরাতো আল্লাহর ইবাদত করবে না। তারা জান্নাতে আল্লাহর বন্ধু হিসাবে তাঁর মেহমান হয়ে তাঁর আপ্যায়নে থাকবে।

সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ৪৬ থেকে ৪৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৬। উভয়ের মাঝে পর্দা আছে।আর আরাফে কিছু লোক থাকবে যারা প্রত্যেককে তাদের লক্ষণ দ্বারা চিনবে।আর তারা জান্নাতবাসীদেরকে ডেকে বলবে, তোমাদের শান্তি হোক। তারা তখনও জান্নাতে প্রবেশ করেনি, কিন্তু তারা এ বিষয়ে আশ্বস্ত।
৪৭। যখন তাদের দৃষ্টি অগ্নিবাসীদের দিকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে তখন তারা বলবে, হে আমাদের রব আমাদেরকে যালিমদের সাথী বানিয়ে দিবেন না।
৪৮। আরাফবাসীগণ যে লোকদেরকে লক্ষণ দ্বারা চিনবে তারা তাদেরকে ডেকে বলবে, তোমাদের দল ও তোমাদের অহংকার কোন কাজে আসল না।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

* আরাফবাসীগণও জান্নাতে প্রমোশন পাবে। অবশিষ্ট থাকবে অগ্নিবাসী। তারা চিরস্থায়ী অগ্নিবাসী থাকার ঘোষণা শুনবে। তারা পৃথিবীতে ফিরে আল্লাহর ইবাদত করে জান্নাত লাভের আর্জি জানাবে। কিন্তু তাদের সে আর্জি না মঞ্জুর হবে। তারপর তারা চিরস্থায়ী ইবাদতের বিনিময়ে আরাফে থাকার আর্জি জানাবে। তাদের সে আর্জি মঞ্জুর হবে। নতুন সিদ্ধানের সাথে সাংঘর্ষিক আয়াত কোরআন থেকে মানসুখ হয়ে তার থেকে উত্তম আয়াত কোরআনে যুক্ত হবে। যাতে বলা থাকবে তারা আর্জি অনুযায়ী ইবাদত না করলে তারা জাহান্নামের কয়েদী হবে। কিন্তু স্বচক্ষে জাহান্নাম দেখার পর কেউ ইবাদত না করার সাহস পাবে না। তবে তাদেরকে চিরস্থায়ী ভয়ের মধ্যে রাখতে জাহান্নাম চিরস্থায়ী বিদ্যমাণ থাকবে।তারমাণে যারা ইহকালে আল্লাহর ইবাদত করবে না বা ঠিকঠাক ইবাদত করবে না তারা পরকালে চিরস্থায়ী আল্লাহর ইবাদত করবে। চিরস্থায়ী জাহান্নামী হুজুরগুলা তখন তাদের হুজুর থাকবে। এদের চিরস্থায়ী শাস্তি হলো আফসুস। তারা বলবে যদি পৃথিবীতে ইবাদত করতাম তবে জান্নাতে আল্লাহর মেহমান হিসাবে থাকতে পারতাম। সেইতো ইবাদত করছি. তবে এর বিনিময়ে কোন দিন জান্নাত পাওয়া হবে না। অতি চালাকদের হবে এমন আফসুসের অবস্থা।

মন্তব্য ৯ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৯) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:৪৪

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ৫৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৬। আমি জিন ও মানুষকে এ জন্য সৃষ্টি করেছি যে, তারা আমারই ইবাদত করবে।

..........................................................................................................
ইবাদত হলো মূল কথা

২২ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:২৬

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ইহকালে হোক অথবা পরকালে হোক, মানুষ ও জ্বীন আল্লাহর ইবাদত করবে। যারা ইহকালে আল্লাহর ইবাদত করছে না তারা পরকালে আল্লাহর ইবাদত করবে। কারণ তারা সৃষ্টি হয়েছে আল্লাহর ইবাদত করার জন্য।

২| ২২ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:৫১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



পরকালে আল্লাহর বন্ধু, দাস নাকি কয়েদী হবেন? এই প্রশ্নটি গভীর আধ্যাত্মিক তাৎপর্য বহন করে। ইসলামের
দৃষ্টিতে মানুষ পৃথিবীতে এক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে, এবং পরকালে তার অবস্থান নির্ধারিত হয় তার
ঈমান, আমল এবং আল্লাহর সাথে সম্পর্কের ভিত্তিতে। এই আলোচনাকে আমরা তিনটি দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ
করতে পারি আল্লাহর বন্ধু (ওলী), আল্লাহর দাস (আব্দ), এবং আল্লাহর বন্দী বা শাস্তিপ্রাপ্ত (কয়েদী)।

আল্লাহর দাস (আব্দ) সবারই মৌলিক পরিচয়। ইসলামে প্রত্যেক মানুষই মূলত আল্লাহর “আব্দ” বা দাস। এটি
কোনো অবমাননাকর পরিচয় নয়; বরং এটি মানুষের সর্বোচ্চ সম্মানের পরিচয়, কারণ সে সর্বশক্তিমান স্রষ্টার অধীন।
আপনার লেখাতেও যেমন উল্লেখ রয়েছে আল্লাহ বলেন: আমি জিন ও মানুষকে সৃষ্টি করেছি কেবল আমার ইবাদতের
জন্য। (সূরা আদ-ধারিয়াত আয়াত ৫৬)

এখানে বোঝা যায়, দাসত্ব মানে নিঃশর্ত আনুগত্য, ভালোবাসা ও আত্মসমর্পণ। যারা এই দাসত্বকে আন্তরিকভাবে
গ্রহণ করে, তারাই পরবর্তী স্তরে উন্নীত হতে পারে।

আল্লাহর বন্ধু (ওলী) হল বিশেষ মর্যাদা। যারা ঈমান ও তাকওয়ার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করেন, তারা
আউলিয়া বা আল্লাহর বন্ধু হিসেবে পরিচিত হন।

আল্লাহ বলেন জেনে রাখো! নিশ্চয়ই আল্লাহর বন্ধুদের কোনো ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না,,,
যারা ঈমান এনেছে এবং তাকওয়া অবলম্বন করেছে।” (সূরা ইউনুস ৬২-৬৩)
হাদিসে কুদসিতে এসেছে , যে আমার কোনো বন্ধুর সাথে শত্রুতা করে, আমি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করি…
(সহীহ বুখারী)।এই স্তরে পৌঁছানো মানে হলো আল্লাহর ভালোবাসা লাভ করা। তারা পরকালে নিরাপত্তা, শান্তি
ও সম্মানের অধিকারী হবে।

আল্লাহর কয়েদী বা শাস্তিপ্রাপ্ত অবাধ্যদের পরিণতি হবে ভয়াবহ ।যারা আল্লাহর আদেশ অমান্য করে, অবিশ্বাস
বা গুনাহের পথে জীবন কাটায় এবং তাওবা করে না, তারা পরকালে শাস্তির সম্মুখীন হবে।
আল্লাহ বলেন;আর যারা অবাধ্যতা করে এবং আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করে, তারাই আগুনের অধিবাসী।
(সূরা আল-বাকারা আয়াত ৩৯)।

আরও বলা হয়েছে “যখন তাদেরকে শৃঙ্খল ও বেড়ি দিয়ে টেনে নেয়া হবে জাহান্নামের আগুনে,,” (সূরা গাফির :৭১)।
এখানে কয়েদী শব্দটি প্রতীকীভাবে বোঝায় শাস্তির মধ্যে আবদ্ধ থাকা, স্বাধীনতা হারানো এবং অনুশোচনায়
নিমজ্জিত থাকা।

মানুষের সামনে মূলত তিনটি সম্ভাব্য অবস্থান রয়েছে:-
দাসত্ব; এটি সবার মৌলিক অবস্থা কিন্তু এর মান ও গুণগত দিক ভিন্ন হতে পারে।
বন্ধুত্ব; যারা দাসত্বকে ভালোবাসা, ইখলাস ও তাকওয়ার মাধ্যমে উন্নত করে, তারা আল্লাহর বন্ধু হয়ে ওঠে।
কয়েদী; যারা দাসত্ব অস্বীকার করে বা অবহেলা করে, তারা শাস্তির মধ্যে পতিত হয়।

অতএব, দাস হওয়া থেকে কেউ মুক্ত নয়; বরং প্রশ্ন হলো কেওকি কি সচেতন, ভালোবাসাপূর্ণ দাস হয়ে
“বন্ধু” হবেন? নাকি অবাধ্য দাস হয়ে কয়েদীতে পরিণত হবেন?

মূল কথা হলো মানুষের প্রকৃত স্বাধীনতা আল্লাহর দাসত্বেই নিহিত। দুনিয়ার সাময়িক স্বাধীনতা যদি আল্লাহর
অবাধ্যতায় পরিণত হয়, তবে তা শেষ পর্যন্ত বন্দিত্বে রূপ নেয়। অন্যদিকে, আল্লাহর প্রতি আন্তরিক দাসত্ব
মানুষকে এমন এক মর্যাদায় পৌঁছে দেয়, যেখানে সে আল্লাহর বন্ধু হিসেবে স্বীকৃত হয়।

সুতরাং, এই জীবনের প্রতিটি কাজ, সিদ্ধান্ত ও নৈতিক অবস্থান নির্ধারণ করবে পরকালে আমরা আল্লাহর প্রিয়
বন্ধু হবো, নাকি শাস্তিপ্রাপ্ত বন্দী।

ঈদ শুভেচ্ছা রইল

২২ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:২৯

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: যারা ইহকালে আল্লাহর দাস তারা পরকালে আল্লাহর বন্ধু হয়ে তাঁর জান্নাতের মেহমান হবে। আর যারা ইহকালে আল্লাহর দাস বা সঠিক দাস হয়নি পরকালে তারা আল্লাহর দাসত্বে নিযুক্ত হবে।

৩| ২২ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:৫৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ঈদ মুবারক ।

২২ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ঈদ মোবারক।

৪| ২২ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:৩৯

নতুন বলেছেন: ফরিদ ভাই, ঈদ মোবারক।

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে মাথা হ্যাং হয়ে আছে, আসেন ক্যাচাল করি।

* নিজের মতই আল্লাহর মানুষ ও জ্বীনের ইবাদত পাওয়ার ইচ্ছা চিরস্থায়ী। তবে তাদের থেকে তাঁর জবরদস্তি ইবাদত পাওয়ার ইচ্ছা নাই। আপোষে কোন মানুষ ও জ্বীন আল্লাহর চিরস্থায়ী ইবাদত করবে? জান্নাতীরাতো আল্লাহর ইবাদত করবে না। তারা জান্নাতে আল্লাহর বন্ধু হিসাবে তাঁর মেহমান হয়ে তাঁর আপ্যায়নে থাকবে।


আপনি বলেছেন যে তারা আল্লাহের বন্ধু হিসেবে তার মেহমান হয়ে থাকবে! তার আপ‌্যায়নে থাকবে!

এটার কি কোন কোন আয়াতে বলেছে যে জান্নাতে যারা থাকবে তারা বন্ধু হিসেবে থাকবে?

আরেকটা জিনিস ধর্মভীরুরা চিন্তা করে না সেটা হইলো, পৃথিবিতে এযাবত ১২০বিলিওন মানুষ এসেছে আজ যদি কেয়ামত হয় তবে এর মধ্যে বড় একটা সংখ্যা চিরদিন জাহান্নামে থাকবে।

একটা জিনিস জানতে ইচ্ছা করে এই মানুষ গুলিকে জাহান্নামে পুড়িয়ে সৃস্টিকর্তার কি লাভ?
আর বাকি যারা জান্নাতে থাকবে তারা অনন্তকাল জান্নাতে আনলিমিটেট সুখে থাকবে, সেটা দিয়েই কি লাভ?

২২ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:১৭

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আমরা একটা বিড়াল পালি তাতে আমাদের কিলাভ? আমাদের ঘরের মশা ও তেলাপোকা আমরা মেরেফেলি তাতে আমাদের কি লাভ? লাভের বিষয়টা যার তিনি ভালো জানেন তাঁর কি লাভ? বিশ্ব শান্তির জন্য ইসরাইল-আমেরিকা ইরান অভিযান করছে,কথাটা ইসরায়েলের। আত্মরক্ষার চেষ্টা করে ইরান কি তবে অপরাধ করছে? কেউ ইহকালে আল্লাহর ইবাদত করলে আচ্ছা, না করলে বহুত আচ্ছা। পরকালে তারা অনন্তকাল আল্লাহর ইবাদত করবে। সেজন্য যারা আল্লাহর ইবাদত করে না আল্লাহর মনচায় তাদের দরজা-জানালা সোনা-রূপা দিয়া বানাইয়া দিতে। তাতে আবার তাঁর আপ্যায়নের লোক ব্যাপক হারে কমে যাওয়ার আশংকায় তিনি সেটা করেন না। আল্লাহ বলেছেন মানুষ ক্ষতির মাঝে নিমজ্জিত, তারমানে কোন কিছুতেই তাঁর কোন ক্ষতি নাই। যে মানুষ এখন ইবাদত করে জান্নাত পাবে পরকালে তাদের আর ইবাদত করা লাগবে না, কিন্তু যারা জান্নাত পাবে না তা্রা অনন্তকাল আল্লাহর ইবাদত করবে। বেশী চালাকেরা থাকবে এ দলে। জ্ঞানী মানুষেরা বিপদগ্রস্থ্যদের দলে থাকলে তাদের লাভ। জ্ঞানীদের সাথে থাকতে পারলে তাদের ভালো লাগবে। আল্লাহ যা করেন সবার মঙ্গলের জন্য করেন।

৫| ২২ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:০০

শূন্য সারমর্ম বলেছেন:


আল্লাহ উনার ইচ্ছায় আমাকে যা দিবে, দিবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.