| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।
সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?
* আল্লাহর সুন্নাতে পরিবর্তন ও ব্যতিক্রম না থাকায় এর পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হয়।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।
সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।
* রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরাম (রা.) বিষয়ে আল্লাহর পূর্ব বিধান ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের ঘোষণা থাকায় আল্লাহর অপছন্দের কাজ করেও তাঁরা ছাড় পেয়েছেন। সাহাবায়ে কেরাম (রা.) পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ বিগ্রহে লিপ্ত হয়ে হাজারে হাজারে নিহত হয়েছেন। এতে সাহাবা (রা.) মুমিন থাকলেও অসাহাবা কাফের হয়ে যায়। এ কুফুরী বাড়তে থাকায় হযরত ইমাম হোসেন (রা.) কারবালায় তাঁর প্রতিপক্ষে কোন মুমিন খুঁজে পাননি। তারা তাদের ইমামের মাথা কেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয়।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।
সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।
* যারা আল্লাহর সুন্নাতের সাথে মতভেদে লিপ্ত তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।আর সে মহাশাস্তি হলো জাহান্নাম। আল্লাহর পূর্ব বিধান ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের ঘোষণা থাকায় মতভেদে লিপ্ত হয়েও সাহাবায়ে কেরাম (রা.) জাহান্নাম থেকে রক্ষা পাবেন। অসাহাবাদের জন্য এ সুবিধা নাই। আল্লাহর সুন্নাত কি?
সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।
সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।
সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।
* আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন পথ ও অভিন্ন ফিকাহ। রাসূলের (সা.) সময় এটি অলিখিত ছিল। রেসালাতের মাওলা হযরত আলী (রা.) এটি সংকলন করে আমির হযরত আবু বকর (রা.) কর্তৃক অনুমোদন করিয়ে খেলাফতের মকল মসজিদের ইমামের নিকট এর কপি পৌঁছে দিলে মুসলিমদের ইবাদতের নিয়ম বিভিন্ন রকম হয়ে যেত না। তিনি এ দায়িত্ব পালন না করায় আল্লাহ তিনি ও তাঁর বংশকে বহু ক্ষেত্রে মানুষ থেকে রক্ষা করেননি। ইদানিং তাঁর বংশের আলী খামেনীকে ইসরায়েল হত্যা করেছে। বাংলাদেশের নির্বাচনে তাঁর বংশের সৈয়দ আব্দুল্লা মোহাম্মদ তাহের, সৈয়দ রেজাউল করিম ও সৈয়দ বাহাদুর শাহ মতভেদে লিপ্ত ছিল। মতভেদে লিপ্ত মুমিন অমুসলিম ও মোনাফেকের তাবেদারে পরিণত হয়। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি এমন অবস্থায় বিদ্যমাণ আছে।
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১।প্রশংসা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর, যিনি বার্তাবাহক করেন মালাইকাকে (ফেরেশতা) যারা দুই-দুই, তিন-তিন অথবা চার-চার পাখা বিশিষ্ট। তিনি তাঁর সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
* আল্লাহ ইচ্ছা করলে মুমিনগণকে ফেরেশতা দিয়ে অমুসলিম ও মোনাফেক থেকে রক্ষা করতে পারেন। কিন্তু তাদের মতভেদের প্রাপ্য মহাশাস্তি বিধায় আল্লাহ তাদেরকে ফেরেশতা দিয়ে অমুসলিম ও মোনাফেক থেকে রক্ষা করেন না। কারবালায় হযরত ইমাম হোসেনের (রা.) পক্ষে ফেরেশতা যুদ্ধ না করে যুদ্ধ করেছে হুসাইনী ব্রাহ্মণ। পরিণামে প্রতিপক্ষ তাঁর মাথাকেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয়। শিয়া মিত্র হামাস ধ্বংসস্তুপে পরিণত হলেও তাদের পক্ষে ফেরেশতা যুদ্ধ করেনি এবং এখন ইরানের পক্ষে ফেরেশতা যুদ্ধ করছে না। জামায়াত দলে অভিন্ন ফিকাহ চালু না করায় তাদের নেতাদেরকে আল্লাহ মানুষ থেকে রক্ষা করেননি। মতভেদে কারোমত সঠিক হলেও তারা মতভেদ নিরসনে কাজ না করলে আল্লাহর শাস্তি থেকে তারা রেহাই পায় না। সুতরাং মতভেদ নিরসনে সকল পক্ষের মুমিনকে একসাথে কাজ করতে হবে। নতুবা তারা অমুসলিম ও মোনাফেকদের তাবেদারীর বৃত্তভেদ করতে পারবে না। রাসূল (সা) বিভিন্ন মত অনুমোদন করেছেন এ খুশিতে বিভিন্ন মতের সমর্থন ঠিক না। কারণ আল্লাহর সুন্নাতের পরিবর্তে এ সংক্রান্ত হাদিসটি মূলত বাতিল।
০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৯
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:
কলমের সাহায়্যে আল্লাহ
তাঁর সুন্নাতের যে সব অজানা বিষয় জানিয়ে থাকেন সেসব বিষয়কে বিদয়াত বলা কুফুরী
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।
সূরাঃ ৯৬ আলাক, ১ নং থেকে ৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। পড় তোমার রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন
২।সৃষ্টি করেছেন মানুষকে ‘আলাক’ হতে
৩। পড় তোমার রব মহামহিমাম্বিত
৪। যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন।
৫। তিনি শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে, যা সে জানতো না।
সূরাঃ ৫৩ নাজম, ৩ নং ও ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আর সে মনগড়া কথা বলে না।
৪। এটাতো ওহি যা তার প্রতি ওহি হিসেবেই পাঠানো হয়।
সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।যা অভিন্ন পথ দেখায়।
সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।
সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।
সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।
* আল্লাহর সুন্নাতে পরিবর্তন ও ব্যতিক্রম নাই।তিনি কলমের সাহায্যে এর অজানা বিষয় জানিয়ে থাকেন। যা ওহী অনুযায়ী গঠিত হয়। যা অভিন্ন পথ দেখায়।এর পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হয়। এর সাথে যারা মতভেদে লিপ্ত তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।তাদের সে মহাশাস্তি হলো জাহান্নাম। এরা বিভিন্ন শিয়ায় বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন পথে জাহান্নামে যায়। সালাফীদের অবস্থাও একই রকম। তারাও বিভিন্ন পথে জাহান্নামে যায়। অভিন্ন পথের দৃষ্টান্ত কি?
সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।
সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।
সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।
সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।
* আখারিনের শুরার মাধ্যমে ইমাম আবু হানিফার (রা্.) নেতৃত্বে আমির অনুমোদীত যে অভিন্ন ফিকাহ উপস্থাপন করা হয়েছেস সেইটা আল্রাহর অভিন্ন পথের একমাত্র দৃষ্টান্ত। এটি কলমের সাহায়্যে গঠিত হয়েছে। এর কোন বিষয়কে বিদায়াত বলা কুফুরী। অজ্ঞ লোকেরা মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিস দিয়ে এর সাথে মতভেদে লিপ্ত হয়ে ফিতনা সৃষ্টি করে। কলম দিয়ে অজানা বিষয় জানার নমুনা-
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৩৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৯। আর তোমরা তাদের বিরুদ্ধে কিতাল (যুদ্ধ) করতে থাকবে যতক্ষণ না ফিতনা দূরীভূত হয় এবং আল্লাহর দ্বীন সর্বত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।অতঃপর যদি তারা বিরত হয় তবে তারা যা করে আল্লাহতো এর দর্শক।
সূরাঃ ৪৯ হুজরাত, ১০ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০। মু’মিনগণ পরস্পর ভাই ভাই; সুতরাং তোমরা ভাইদের মাঝে ইসলাহ (শান্তি স্থাপন) কর, আর আল্লাহকে ভয় কর যাতে তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২০১ নং আয়াতের অনুবাদ-
২০১। আর তাদের মধ্যে কিছু লোক বলে, হে আমাদের রব! আমাদেরকে ইহকালে কল্যাণ দান করুন এবং পরকালে কল্যাণ দান করুন। আর আমাদেরকে জাহান্নামের আগুন হতে রক্ষা করুন।
সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে দিয়েছি সুস্পষ্ট বিজয়।
সূরাঃ ১১০ নাসর, ১ ও ২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে।
২। আর তুমি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দীনে প্রবেশ করতে দেখবে।
সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৪৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৪। নিশ্চয়ই আমরা তাওরাত অবতীর্ণ করেছিলাম; তাতে ছিল পথনির্দেশ ও আলো। নবিগণ, যারা আল্লাহর অনুগত ছিল তারা ইয়াহুদীদিগকে তদনুসারে বিধান দিত, আরো বিধান দিত রব্বানীগণ, এবং বিদ্বানগণ। কারণ তাদেরকে আল্লাহর কিতাবের রক্ষক করা হয়েছিল। আর তারা ছিল উহার সাক্ষী।সুতরাং মানুষকে ভয় করবে না। আমাকেই ভয় কর। আর আমার আয়াতসমূহ তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করবে না। আল্লাহ যা নাজিল করেছেন সে অনুযায়ী যারা হুকুম প্রদান করে না তারাই কাফির।
* ফিতনার সাথে অবিরাম যুদ্ধ করতে হবে। তবে ইসলাহের (শান্তি স্থাপন) প্রস্তাব পেলে ইসলাহকে গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ আল্লাহর কাম্য হলো কল্যাণ, কিন্তু যুদ্ধে অকল্যাণ। রাসূল (সা.) হুদায়বিয়ার ইসলাহ করায় আল্লাহ এটাকে সুস্পষ্ট বিজয় বলেছেন। পরে মক্কা বিজয় হয়ে দলে দলে লোক আল্লাহর দীনে প্রবেশ করেছে। হযরত আলী (রা.) সিফফিনে হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) সাথে ইসলাহ করেছেন। পরে হযরত মুয়াবিয়া (রা.) কন্সটান্টিনোপল (ইস্তাম্বুল) জয় করেছেন। অবিরাম যুদ্ধ সংক্রান্ত আয়াতের বিধায় ইসলাহের আয়াত দ্বারা মানসুখ হয়। মানসুখ বিধান না মানায় সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৪৪ নং আয়াতে অনুযায়ী খারেজী হযরত আলীকে (রা.) কাফের ফতোয়া দিয়ে হত্যা করে নিজেরা কাফের হয়ে যায়।কলমের সাহায্যে কোরআনের এক আয়াতের সাথে অন্য এক বা অনেক আয়াতের সমম্বয় সাধন করে নতুন অজানা বিষয় জানা যায়।আল্লাহর সুন্নাতে কোরআন ও হাদিস সরাসরি না মেনে এর সম্বয়ের আদেশ আছে। এক হাদিসে বলা আছে দাঁড়িকে ছেড়ে দাও। আরেক হাদিসে আছে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ। দুই হাদিসের সমম্বয় হলো দাঁড়িকে পরিস্কার পনিচ্ছনতা অনুযায়ী ছাড়া। সুতরাং দাঁড়িকে অপরিস্কার অনুযায়ী ছেড়ে দাঁড়িতে জট তৈরী করা বিদয়াত এবং দাঁড়িকে অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় ছেড়ে বিশাল বড় করাও বিদয়াত। দাঁড়িকে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতায় ছেড়ে িএর মাধ্যমে চেহারার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হলো সুন্নাত। যেন দাঁড়ির সৌন্দর্যে অমুসলিমরা মুসলিমদেরকে সুসভ্য জাতি বলে মনে করতে পারে।আল্লাহর পাগল জাতীয় যারা আছে তারা এ হিসাবে পড়বে না। কারণ ইসলামে পাগলের হিসাব নাই।আর পাগলের আচরণ সুনিশ্চিতভা্বেই সুন্নাত নয় এবং তাদের বিদয়াতেরও হিসাব নাই।ভালো মানুষ রাসূল (সা.) বা অন্য কারো সুন্নাতে নয় বরং আল্লাহর সুন্নাত পালন করে সৃন্নী হয়। আল্লাহর অনেক সুন্নাতই কলমের সাহায্যে বিবিধ আয়াতের সমম্বয়ে জানা যায়।আর বাংলাদেশ জামায়াতের বিষয় হলো তাদের দলের ভিতরে বিভিন্ন পথের অনুসারী আছে, যা সঠিক ইসলাম নয়। একই আমিরের অনুসারী হয়ে তাদের ইবাদতের নিয়মের বিভিন্নতা মূলত কোন সংগত কাজ নয়।
২|
০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:২০
রাজীব নুর বলেছেন: সব হাদিস বাতিল করে দেওয়া প্রয়োজন।
কারণ আমাদের আছে কোরআন শরীফ। হাদিসে গন্ডগোল আছে। মূরগী পর্যন্ত ফেরেশতাদের ভোর বেরলা দেখে এবং চিৎকার করে ডেকে ওঠে। উফ!
০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:০৭
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: রাজীব নুর কি মুসলিম? হাদিস নিয়ে তার চিন্তার দরকার কি?
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:১৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মওদুদিবাদ কি সঠিক পথ ?