নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-৭)

০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:৫৩




সূরাঃ ৭ আরাফ, ২ নং ও ৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২। তোমার প্রতি কিতাব নাজিল করা হয়েছে, যেন এর দ্বারা সাবধান করার বিষয়ে তোমার মনে কোন সংকোচ না থাকে।আর ইহা মুমিনদের জন্য উপদেশ।
৩। তোমাদের রবের নিকট হতে তোমাদের প্রতি যা নাযিল হয়েছে তার অনুসরন কর এবং তাঁকে ছাড়া অন্য অভিভাবকের অনুসরন করবে না। তোমরা খুব অল্পই উপদেশ গ্রহণ কর।

সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ৩০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩০। একদলকে তিনি হেদায়েত প্রদান করেছেন আর অন্য দলের জন্য পথভ্রষ্টতা নির্ধারিত হয়েছে।তারা আল্লাহকে ছাড়া শয়তানকে তাদের অভিভাবক করেছিল, আর তারা মনে করতো তারা হেদায়েত প্রাপ্ত।

* রবের পক্ষ থেকে নাযিল করা কিতাবের উপদেশ রবকে ছাড়া অন্য অভিভাবকের অনুসরন করা যাবে না। রব কি বিভিন্ন পথ দেখান? উত্তর ‘না’ হলে রবের পক্ষ থেকে নাযিল করা কিতাব অভিন্ন পথ দেখায় এবং এ অভিন্ন পথে রবের সুন্নাতের সাথে বিন্দু পরিমাণ মতভেদ গৃহিত হয় না। যারা শয়তানকে অভিভাবক মানে তারা রবের সুন্নাতের সাথে মতভেদ করাকে হেদায়াত মনে করে।শয়তান তাদেরকে বিভিন্ন পথে পরিচালিত করে এবং তার অনুসারীরা মনে করে তারা এক মহাহেদায়াতে আছে।যেমন শিয়ায়ে আলীর (রা.) মধ্যে বহুপথ বিদ্যমাণ। আহলে হাদিসের মধ্যে বহুপথ বিদ্যমাণ। ফিকাহ অনুসারীদের মধ্যে বহু পথ বিদ্যমাণ। এসব বহু পথের মধ্যে হানাফী ফিকাহ আমির কর্তৃক পরিশোধীত ও অনুমোদীত। আর আমিরের অনুমোদন গ্রহণ করা রবের সুন্নাত।সুতরাং রবের সুন্নাতের একমাত্র পথ হানাফীদের পথ এবং এর সাথে মতভেদে তৈরী করা কোন পথ রবের পথ নয়। কারণ এসব পথের সাথে রবের সুন্নাতের কোন সংযোগ নাই।

সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ১৭০ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৭০। যারা কিতাবকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করে ও সালাত কায়েম করে, আমিতো এরূপ সৎকর্ম পরায়নদের শ্রমফল নষ্ট করি না।

সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ১৭৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৭৯। আমিতো বহু মানুষ ও জিনকে জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছি।তাদের হৃদয় আছে এর দ্বারা তারা বুঝে না।তাদের চোখ আছে এর দ্বারা তারা দেখে না। তাদের কান আছে এর দ্বারা তারা শুনে না। ওরা পশুর মত, বরং তারচেয়ে বেশী বিভ্রান্ত।ওরাই গাফিল।

সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ১৮৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৮৬। আল্লাহ যাদেরকে বিপথগামী করেন তাদের হেদায়েতকারী নেই, আর তাদেরকে তিনি তাদের অবাধ্যতায় উদভ্রান্তের মত ঘুরে বেড়াতে দেন।

* যারা কিতাবকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করে এবং হৃদয় দিয়ে কিতাব বুঝে হেদায়াত তাদের প্রাপ্য। যারা কিতাবকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করে না এবং হৃদয় দিয়ে কিতাব বুঝে না, তাদের জন্য হেদায়াত নাই। তারা তাদের অবাধ্যতায় উদভ্রান্তের মত ঘুরে বেড়ায়।কিতাবে কি ভিন্ন ভিন্ন রবের কথা আছে? উত্তর ‘না’ হলে অভিন্ন রবের পথ বিভিন্ন কেমন করে হয়? সুতরাং রবের পছন্দের পথ একটাই। রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) নামে মোনাফেক মিথ্যা হাদিস প্রচার করে রবের দিকে বিভিন্ন পথ দেখায়। তারা বলে সব পথ সঠিক, এরপর কেউ কোন পথে চলবে সেটা তাদের ইচ্ছা, কিন্তু এটা মূলত মিথ্যা কথা। কারণ রব রাসূলের (সা.) পর আমিরের অনুসরনের বিধান রেখেছেন। আর আমির অনুমোদীত পথ একটি বিধায় সেটাই রবের অভিন্ন পথ। সেটা হানাফীদের পথ বিধায় এর সাথে মতভেদে রচিত কোন পথ রবের পথ নয়।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:০২

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আল্লাহ যাদেরকে বিপথগামী করেন তাদের হেদায়েতকারী নেই,
.............................................................................................
আপনার এই পোষ্টের মাধ্যমে জানতে চাই
বর্তমান বিশ্বে এইযে হানাহানি, কে
মুমিন , কে কাফের ?
কে ইনসাফ এনে দিবে ?

............................................................................................
শোনা যায় ইরানের শাসকরা যথেষ্ট অত্যাচার করে নিজ জনগনের উপর
কেন অন্য মুসলিম বিশ্বের সহিত তাদের সখ্যতা হয়না ???

২| ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:৪৯

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:


কলমের সাহায্যে আল্লাহর নতুন নতুন অজানা বিষয় জানিয়ে দেওয়া চিরস্থায়ী সুন্নাত বিদয়াত সংক্রান্ত সকল হাদিস বাতিল করে

সূরাঃ ৯৬ আলাক, ১ নং থেকে ৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। পড় তোমার রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন
২।সৃষ্টি করেছেন মানুষকে ‘আলাক’ হতে
৩। পড় তোমার রব মহামহিমাম্বিত
৪। যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন।
৫। তিনি শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে, যা সে জানতো না।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৫। আল্লাহ, তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই।তিনি চিরঞ্জীব চির বিদ্যমাণ।তাঁকে তন্দ্রা অথবা নিদ্রা স্পর্শ করে না।আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সমস্তই তাঁর।কে সে যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর নিকট সুপারিশ করবে? তাঁর সামনে পিছনে যা কিছু আছে তা’ তিনি জানেন।তাঁর ইচ্ছা ছাড়া তাঁর জ্ঞানের কিছুই কেউ আয়ত্ব করতে পারে না।তাঁর ‘কুরসী’ আকাশ ও পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত।এ দু’টির হেফাজত তাঁকে ক্লান্ত করে না।আর তিনি পরম উচ্চ-মহিয়ান।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।

* কলমের সাহায্যে আল্লাহর নতুন নতুন অজানা বিষয় জানিয়ে দেওয়া চিরস্থায়ী সুন্নাত এর পরিবর্তে উপস্থাপিত আয়াত মানসুখ এবং হাদিস বাতিল করে। রাসূলের (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) কিছু কাজে আল্লাহর ঘোর আপত্তি ছিল। যেমন বদরের বন্দী মুক্তির কারণে উহুদের বিপর্যয় ঘটেছে এবং সাহাবায়ে কেরামের (রা.)পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে হাজার হাজার মুসলিম নিহত হয়েছেন।আল্লাহর পূর্ব বিধান ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের ঘোষণা থাকায় এসব ঘটনায় সাহাবায়ে কেরাম (রা.) মুমিন থাকলেও পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত অসাহাবা কাফের হয়ে যায়। যা তাদের চিরস্থায়ী শাস্তির কারণ হয়। বিদয়াতের হাদিস কলমের সাহায্যে আল্লাহর নতুন নতুন অজানা বিষয় জানিয়ে দেওয়া চিরস্থায়ী সুন্নাত এর প্রতিবন্ধক বিধায় আল্লাহর সুন্নাতের পরিবর্তে এসব হাদিস বাতিল হবে।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০১। মরুবাসীদের মধ্যে যারা তোমাদের আশেপাশে আছে তাদের কেউ কেউ মুনাফিক। মদীনাবাসীদের মধ্যেও কেউ কেউ মোনাফেকী রোগে আক্রান্ত। তুমি তাদের সম্পর্কে জান না। আমরা তাদের সম্পর্কে জানি।আমারা সিগ্র তাদেরকে দু’বার শাস্তি দেব। এরপর তারা মহা শাস্তির দিকে যাত্রা করবে।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৭। আর যারা মসজিদ নির্মাণ করেছে ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এবং ইতিপূর্বে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম করেছে তার গোপন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের জন্য, তারা শপথ করেই বলবে তারা ভাল কিছু করার জন্যই ওটা করেছে; আর আল্লাহ সাক্ষি দিচ্ছেন নিশ্চয়ই তারা মিথ্যাবাদী।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।
* ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে মোনাফেক রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) প্রচুর মিথ্যা হাদিস প্রচার করে সেজন্য আল্লাহর সুন্নাতের পরিবর্তে হাদিস বাতিল না করে কোন উপায় নাই। কারণ আল্লাহর সুন্নাতে পরিবর্তন ও ব্যতিক্রম না থাকায় কোন কিছু আল্লাহর সুন্নাতকে রদ করার ক্ষমতা রাখে না। উল্টা এসব ক্ষেত্রে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হয়ে যায়। বিদয়াতের হাদিস আল্লাহর সুন্নাতের পরিবর্তে উপস্থাপিত বিধায় এসব হাদিস ইসলামের বিধান সাব্যস্ত করার দলিল নয়। ইসলামে পালনিয় হলো অভিন্ন ফিকাহ। এর উপর মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিসকে স্থান দিতে গিয়ে মুসলিম তিহাত্তর দলে বিভক্ত হয়েছে। এর মধ্যে অভিন্ন ফিকাহের অনুসারীরা হেদায়াতে আছে। কোন হাদিসের কিতাব অভিন্ন পথ না দেখানোর কারণে সুনিশ্চিতভাবে হাদিস মানতে হবে অভিন্ন ফিকাহের আওতায়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.