| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। লোকে তোমাকে যুদ্ধলব্ধ সম্পদ সম্বন্ধে প্রশ্ন করে; বল, যুদ্ধলব্ধ সম্পদ আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের।অতএব আল্লাহকে ভয় কর। নিজেদের মধ্যে সুসম্পর্ক স্থাপন কর এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আনুগত্য কর, যদি তোমরা মুমিন হও।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৪৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৬। তোমরা আল্লাহ ও রাসুলের আনুগত্য করবে ও নিজেদের মধ্যে বিবাদ করবে না।করলে তোমরা সাহস হারাবে এবং তোমাদের শক্তি বিলুপ্ত হবে।তোমরা ধৈর্য ধারণ করবে, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৪৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৫। হে মুমিনগণ! তোমরা যখন কোন দলের সম্মুখিন হবে তখন অবিচলিত থাকবে। আর অধিক আল্লাহর যিকির করবে, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। সত্য স্পষ্টভাবে প্রকাশিত হওয়ার পরও তারা তোমার সাথে বিতর্কে লিপ্ত হয়।মনে হচ্ছিল তারা যেন মৃত্যুর দিকে চালিত হচ্ছে আর তারা যেন উহা প্রত্যক্ষ করছে।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৪৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৯। যখন মোনাফেক ও যাদের অন্তরে ব্যাধি রয়েছে তারা বলে,‘এদের দীন এদেরকে বিভ্রান্ত করেছে’।(তখন এর জবাবে বলা যায়)কেহ আল্লাহর উপর নির্ভর করলে আল্লাহ তো (তাদেরকে সাহায্য প্রদানে)পরাক্রান্ত ও প্রজ্ঞাময়।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬0 নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৩৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৯। আর তোমরা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে থাকবে যতক্ষণ না ফিতনা দূরীভূত হয় এবং আল্লাহর দীন সর্বত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।অতঃপর যদি তারা বিরত হয় তবে তারা যা করে আল্লাহতো এর দর্শক।
৪০। যদি তারা মুখ ফিরায় তবে জেনে রাখ যে আল্লাহই তোমাদের অভিভাবক। কত উত্তম অবিভাবক আর কত উত্তম সাহায্যকারী তিনি।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬১ ও ৬৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬১। তারা যদি সন্ধির দিকে ঝুঁকে পড়ে তবে তুমিও সন্ধির দিকে ঝুঁকে পড়বে।আর আল্লাহর উপর ভরসা করবে। তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
৬৪। হে নবি! তোমার জন্য ও তোমার অনুসারী মুমিনদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।
* আল্লাহ নিজেদের মধ্যে সুসম্পর্ক স্থাপন করতে আদেশ করেছেন। তারজন্য নিজেদের মতভেদ নিরসন করতে হবে। কারণ মতভেদ বিবাদের কারণ। আর বিবাদ সাহস হা্রানো ও শক্তি বিলুপ্ত হওয়ার কারণ।যাতে মুসলিম অমুসলিমের তাবেদার হয়ে পড়েছে। আর অমুসলিম মুসলিমকে অমুসলিম না বানিয়ে শান্তি পায় না।তখন অমুসলিম প্রভুর সন্তুষ্ঠির জন্য ঈমান হারা হতে দেখা যায়। অমুসলিম প্রভুর তাবেদারকে মোনাফেক হিসাবে বিদ্যমাণ থাকতে দেখা যায়। আর মুমিন ও মোনাফেকের বিভেদ সুনিশ্চিত বিষয়।মতভেদ নিরসন ও বিভেদ রোধে অভিন্ন ফিকাহ লাগে। সেজন্য আখারিনের শুরায় ইমাম আবু হানিফার (রা.) নেতৃত্বে অভিন্ন ফিকাহ সংকলিত হয়। ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় আব্বাসীয় আহলে বাইত আমির খলিফা হারুনুর রশিদ আখারিনের শুরার অভিন্ন ফিকাহ পরিশোধন করে হানাফী মাযহাব নামে অনুমোদন করলে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম এর অনুসারী হয়। যা এখনো অব্যাহত আছে। এরা আল্লাহর অধিক যিকির করে বিধায় সূরাঃ ৮ আনফাল, ৪৫ নং আয়াত অনুযায়ী এরা সাফল্য লাভ করবে। সাফল্য হলো নাজাত। সংগত কারণে মুসলিমদের একমাত্র নাজাত প্রাপ্ত দল হানাফী। তাদের সাথে যারা বিবাদে লিপ্ত তাদের জন্য জাহান্নাম নির্ধারিত। জাহান্নামী মোনাফেক মুমিন হানাফীদেরকে বিভ্রান্ত বললেও পরাক্রান্ত আল্লাহর সাহায্য তারাই পায়। তারা একাধারে প্রায় এগারশ বছর মুসলিম বিশ্বের শাসক ছিল। এখনো মুনলিমদের অধিকাংশ অঞ্চল ও দেশ হানাফীদের। নিজের শত্রুকে সন্ত্রস্ত রাখার পরমাণু অস্ত্র হানাফী পাকিস্তানের আছে। অমুসলিমদের ১০% এর বেশী শুধুমাত্র তারাই আছে। তাদের এক তৃতীয়াংশ হতে হানাফী তাবলীগ জামায়াত সারা বিশ্বে দাওয়াতী কার্যক্রম পরিচালনা করছে। মুসলিম বিরোধী ফিতনা দূরীভূত করতে হানাফীরা অবিরাম যুদ্ধ করে। কিছুকাল পূর্বে আফগান হানাফী আমেরিকা, রাশিয়া, বৃটিশ ও নেটোর সাথে জয়ী হয়েছে এবং পাক হানাফী জয়ী হয়েছে ভারতের সাথে। অমুসলিমদের সাথে সন্ধির ক্ষেত্রেও হানাফীরা অন্যদের থেকে এগিয়ে।হিন্দুস্থানে মুসলিম গণহত্যার গযওয়ায়ে হিন্দে তাদের জয়ী হওয়ার কথা।সংগত কারণে তাদের পরকালিন কল্যাণও অপেক্ষমাণ আছে। তাদের বিরোধীরা ইহকালে অমুসলিমের তাবেদার এবং পরকালে তাদের জন্য আছে জাহান্নাম। সৃষ্টির মধ্যে মহানবির (সা.) স্থান সবার উপরে। তাঁর কোন কোন কাজে আল্লাহ আপত্তি তোলায় আল্লাহর কাজের পরিবর্তে রাসূলের (সা.) কাজ বাতিল হয়। হানাফী এ বিধি পালন করায় অজ্ঞলোকেরা তাদের অহেতুক বিরোধীতা করে নিজেরা পথভ্রষ্ট হয়।
০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:০৪
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: কোন বিষয়ে ভেদাভেদের দরকার নাই। একটা অপ্রয়োজনিয় বিষয় কেন চালু রাখতে হবে?
২|
০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:২৯
রাজীব নুর বলেছেন: বিশ্ব কোথায় চলে গেছে।
আমরা মুসলমানরা পিছিয়ে আছি।
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:১৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ১-সালাত আদায় করা নিয়মিত , ২- মিথ্যা কথা না বলা, ৩- যাকাত দেয়া , ৪- মানুষকে সহায়তা করা , ৫- লোক না ঠকানো , ৬- আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া , ৭- মোনারকি বা রাজার শাসন মেনে না নেয়া । ৮-সৎ ভাবে জীবন যাপন করা ।
উপরের লেখা ৮ টি বিষয় (সাথে আরো ১/২ টি থাকতে পারে ) নিয়ে মাযহাবগুলো মাঝে কোনো বিভেদ আছে ? এসব বিষয় নিয়ে কি শাফেয়ি বা হানবালি মাযহাব হানাফি মাযহাব থেকে আলাদা কোনো কথা বলেছে ?
কুরআনের বেসিক বিষয় গুলো নিয়ে কোনো মাযহাবের মাঝে ভেদাভেদ নেই । যত ভেদাভেদ দেখি শুধু মোললাদের মাঝে ।