| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ২০ তা-হা, ৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫। দয়াময় আরশে সমাসীন আছেন।
* দয়াময় আরশে সমাসীন আছেন। অন্য আয়াত অনুযায়ী তিনি সবার সাথে আছেন। সবাই আরশে নাই। সুতরাং দয়াময় আরশের সাথে সাথে সবার সাথে অন্যত্রও আছেন। সুতরাং যারা বলে দয়াময় শুধুমাত্র আরশে আছেন তারা মিথ্যা কথা বলে। কারণ দয়াময় আরশে সমাসীন আছেন। এটা সত্য, কিন্তু তিনি শুধুমাত্র আরশে সমাসীন আছেন। এটা সত্য নয়। দয়াময় শুধুমাত্র আরশে সমাসীন আছেন।দয়াময় সেটা বলেননি।শুধুমাত্র যোগ করে দয়াময়ের শুধুমাত্র আরশে থাকার কথা বলা দয়াময় সম্পর্কে মিথ্যা কথা বলা হয়। সবাই আরশে না থেকে সবাই সর্বত্র থাকে। সেজন্য সবার সাথে দয়াময় সর্বত্র থাকেন। আরশ সর্বত্রের বাইরে নয়। সেজন্য দয়াময় সর্বত্র থাকেন। এটা বললে দয়াময় সম্পর্কে মিথ্যা কথা বলা হয় না।দয়াময় টয়লেটে থাকেন কি? কেউ টয়লেটে প্রবেশ করতে দয়াময়কে টয়লেটের বাইরে রেখে যায় কি? দয়াময় থেকে এমন সংবাদ নাই। দয়াময় থেকে সংবাদ আছে তিনি সবার সাথে থাকেন। সুতরাং দয়াময় সবার সাথে টয়লেটেও থাকেন। দয়াময় যাদের সাথে থাকেন তিনি কখনই তাদের সঙ্গ ত্যাগ করেন না। আর সেজন্যই তিনি দয়াময়।যিনি কখনো সাথে থাকেন এবং কখনো সাথে থাকেন না তাঁকে কি দয়াময় বলা যায়? সুতরাং দয়াময় সম্পর্কে মিথ্যা বলা সালাফী সঠিক নয়, বরং দয়াময় সম্পর্কে সত্যবলা হানাফী সঠিক। হানাপী বলে দয়াময় সর্বত্র আছেন।
সূরাঃ ২০ তা-হা, ২৫ নং আয়াত হতে ৩২ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫। মূসা বলল, হে আমার রব! আমার বক্ষ প্রসস্ত করে দিন।
২৬। আমার কাজকে সহজ করে দিন।
২৭। আমার জিহবার জড়তা দূর করে দিন।
২৮। যাতে তারা আমার কথা বুঝতে পারে।
২৯। আমার জন্য করে দিন একজন উজির আমার আহল থেকে।
৩০। আমার ভাই হারুন।
৩১। তার দ্বারা আমার শক্তি সুদৃঢ় করুন।
৩২। আর তাকে আমার কাজে অংশিদার করুন।
সূরাঃ ২০ তা-হা, ৯০ নং আয়াত হতে ৯৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৯০। হারুন তাদেরকে পূর্বেই বলেছিলো, হে আমার কওম (সম্প্রদায়) এটা দারাতো শুধু তোমাদেরকে পরীক্ষায় ফেলা হয়েছে। তোমাদের রব দয়াময়, সুতরাং তোমরা আমার অনুসরন কর এবং আমার আদেশ মেনে চল।
৯১। তারা বলেছিলো, আমাদের নিকট মূসা ফিরে না আসা পর্যন্ত আমরা এর পুজা হতে কিছুতেই বিরত হব না।
৯৩। মূসা বলল, হে হারুন, তুমি যখন দেখলে তারা পথভ্রষ্ট হয়েছে তখন কিসে তোমাকে নিবৃত করলো?
৯৪। আমার অনুসরন হতে? তাহলে কি তুমি আমার আদেশ অমান্য করলে?
৯৪। হারূন বলল, হে আমার সহোদর! আমার দাড়ি ও চুল ধরবে না। আমি আশংকা করেছিলাম যে তুমি বলবে, তুমি বনি ইসরাঈলদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করেছো ও আমার বাক্য পালনে যত্নবান হওনি।
* রাসূলের (সা.) আহাল থেকে তাঁর উজির ছিলেন হযরত আলী (রা.)। তাঁর দ্বারা আল্লাহ রাসূলের (সা.) শক্তি সুদৃঢ় করেছেন। কিন্তু হযরত হারুনের মতই তিনি রাসূলের (সা.) উম্মতের ঐক্য ধরে রাখতে পারেননি। তাঁর কারণে রাসূলের (সা.) উম্মত শিয়া-সুন্নী বিভাজনে বিভক্ত হয়েছে।কিন্তু রাসূলের (সা.) আহলের সদস্য তাঁর চাচা আব্বাস (রা.) রাসূলের (সা.) উজির না থাকলেও তাঁর কারণে মুসলিমদের মাঝে বিভেদ তৈরী হয়নি। হযরত আব্বাসের (রা.) ছেলে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) শৈশবেই জ্ঞান প্রাপ্ত হয়েছেন। তিনি ছিলেন মোফাসেসেরে কোরআন। তাঁর আহাল আবুল আব্বাস অজনপ্রিয় উমাইয়া শাসনের অবশান ঘটিয়ে আব্বাসীয় শাসন প্রতিষ্ঠিত করেন।আব্বাসীয় ও তাঁদের হানাফী অনুসারী মুসলিমবিশ্ব শাসন করেছে প্রায় বারশত বছর। এখনো হানাফী তুর্কী, আফগান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ মুসলিমদের শক্তিকেন্দ্র। তুর্কী বীর, আফগান সুদৃঢ়, পাকিস্তান আনবিক শক্তি কেন্দ্র এবং বাংলাদেশী হলো গেরিলা যোদ্ধা। দুই তৃতয়িাংশ মুসলিম হানাফী। মুসলিমদের বেশীর ভাগ এলাকা, জনসংখ্যা ও দেশ হানাফীদের। অন্যরা হানাফীদের সাথে বিভেদ তৈরী করা ছাড়া ভালো কোন কাজে লাগে না। রাসূলের (সা.) উজিরের শিয়া বহু শিয়ায় বিভক্ত। এরা মুসলিমদের অন্যতম বিভেদ সৃষ্টিকারী অভিশপ্ত গুষ্ঠি।সুতরাং এখন রাসূলের (সা.) উজিরের শিয়া বাদ দিয়ে হানাফীতে মুসলিমদের ঐক্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।
সূরাঃ ২০ তা-হা, ১১৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৫। আমি তো ইতিপূর্বে আদমের প্রতি নির্দেশ দান করেছিলাম।কিন্তু সে ভুলে গিয়েছিল; আমি তাকে সংকল্পে দৃঢ় পাইনি।
সূরাঃ ২০ তা-হা, ১১৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৭। অতঃপর আমি বললাম, হে আদম! নিশ্চয়ই এ তোমার ও তোমার স্ত্রীর শত্রু, সুতরাং সে যেন কিছুতেই তোমাদেরকে জান্নাত হতে বের করে না দেয়, দিলে তোমরা দুঃখ-কষ্ট পাবে।
সূরাঃ ২০ তা-হা, ১২০ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২০। অতঃপর শয়তান তাকে কুমন্ত্রণা দিল, সে বলল, হে আদম! আমি কি তোমাকে বলে দেব অনন্ত জীবন প্রদ বৃক্ষের কথা ও অক্ষয় রাজ্যের কথা?
* চল্লিশের কম বয়সি হযরত আদমকে (আ.) আল্লাহ সংকল্পে দৃঢ় পাইনি। তিনি আল্লাহর কথার গুরুত্ব না দিয়ে তিনি শয়তানের কথার গুরুত্ব দিয়েছেন। তাতে তিনি অনেক দুঃখ-কষ্ট পেয়েছেন। রাসূলের (সা.) চল্লিশের কম বয়সি উজির হযরত আলী (রা.) উম্মতের মাওলা হয়ে অভিন্ন ফিকাহ সংকলন করে প্রচার না করে তিনি রাসূলের (সা.) সহচর হযরত ওসমানের (রা.) খুনির মাওলা হয়েছেন। তারপর তিন দল মুসলিম তাঁর সাথে যুদ্ধ করে। একদল তাঁকে কাফের ফতোয়া দিয়ে হত্যা করে। জীবনে তিনি অনেক দুঃখ-কষ্ট পেয়েছেন। এখনো তাঁর আহলে বাইতের মধ্যে হত্যাকান্ড চালু আছে। ইদানিং তাঁর আহলে বাইত আলী খামেনী নিহত হয়েছেন। পক্ষান্তরে রাসূল (সা.) ও তাঁর উজিরের চাচা হযরত আব্বাস (রা.) উম্মতের জনপ্রিয় ব্যক্তি। তাঁর আহলে বাইত ও তাঁদের অনুসারী হানাফীদেরকে আল্লাহ তাঁর রহমত ও বরকতে মুড়িয়ে দিয়েছেন। আল্লাহর রহমত ও বরকত যখন যে দিকে থাকে মুসলিমদেরকে তখন ছায়ার মত সে দিকে থাকতে হয়। তবেই তারা আল্লাহর রহমত ও বরকত পায়। তার জন্য তারা এখন হানাফীদের সাথে থাকবে। তাহলে তারা অমুসলিমদের মোকাবেলায় নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে পারবে-ইনশাআল্লাহ। আমেরিকা-ইসরায়েলের দোসর সালাফী নেতৃত্বে মুসলিমদের ভালো কিছু হওয়ার সম্ভাবনা নাই। মুসলিমদের অন্য গুষ্ঠিগুলো হয় অমুসলিমদের সাথে আছে, নয়তো তারা অচেতন অবস্থায় আছে। তাদের কারো দ্বারা মুসলিমদের ভালো কিছু হওয়ার সম্ভাবনা নাই। মুসলিমদের জন্য লাভ জনক হানাফী এবং শুধুই হানাফী। এটাই তাদের সবচেয়ে ভালো ঠিকানা।
২১ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৬
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:
সালাফী বা আহলে হাদিস হয়ে জান্নাত প্রাপ্তির কোন সম্ভাবনা নাই
সূরাঃ ২১ আম্বিয়া, ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭। তোমার পূর্বে আমি ওহীসহ পুরুষ পাঠিয়েছিলাম; তোমরা না জানলে আহলে যিকরকে (যিকর সমৃদ্ধ)জিজ্ঞাসা কর।
সূরাঃ ১৬ নাহল, ৪৩ ও ৪৪ নং আয়তের অনুবাদ-
৪৩।তোমার পূর্বে আমরা পুরুষ ভিন্ন (বার্তা বাহক) প্রেরণ করিনি। আমরা তাদের প্রতি ওহী প্রেরণ করেছিলাম।অতএব আহলে যিকরকে জিজ্ঞাস কর, যদি তোমরা না জান।
৪৪।সুস্পষ্ট প্রমাণ ও কিতাব সমূহ সহ।আর মানুষকে তাদের প্রতি যা অবতীর্ণ করা হয়েছে তা, সুস্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য আমরা আপনার প্রতি নাজিল করেছি যিকর। যেন তারা চিন্তা ভাবনা করতে পারে।
সূরাঃ ৫৪, কামার ১৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৭। কোরআন আমি সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?
* কোরআনের উপদেশ গ্রহণ করতে হবে কোরআন দ্বারা উপদেশ প্রদানকারীর নিকট থেকে এটাই আল্লাহর নির্দেশ।এখানে আহলে হাদিস বা সালফীর কোন স্থান নাই। কোরআনের উপদেশ কি?
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।
সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।
সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।
সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।
সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।
* আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ আল্লাহর বিধান। এর পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল। যারা এর সাথে মতভেদে লিপ্ত হয়ে সালাফী বা আহলে হাদিস হয় তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে। আর তাদের সে মহাশাস্তি হলো জাহান্নাম।
সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।
সূরাঃ ১৯ মারিয়াম, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। তাদের পর আসলো অপদার্থ পরবর্তিগণ, তারা সালাত নষ্ট করলো ও লালসা পরবশ হলো। সুতরাং তারা অচিরেই কুকর্মের শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে।
* রাসূলের (সা.) অসংকলিত অভিন্ন ফিকাহ সংকলন করে প্রচার করেননি মাওলা, আমির (খলিফা) ও ইমামগণ। আল্লাহ তাঁদেরকে মানুষ হতে রক্ষা করেননি। প্রথম খলিফা অভিন্ন ফিকাহ সংকলন করে প্রচার করার মত পর্যাপ্ত সময় পাননি। আল্লাহ তাঁকে রেহাই দিয়েছেন। তারপর তিন খলিফা মানুষের হাতে নিহত হয়েছেন।তারপর আল্লাহ খেলাফত তুলে নিলেন। তারপর নিহত হলেন দুই ইমাম। অপদার্থ পরবর্তিগণ সালাত নষ্ট করলে ইমাম আবু হানিফা (র.) অভিন্ন ফিকাহ সংকলন করলেন।
সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।
সূরাঃ ১১ হুদ, ৬৯ নং থেকে ৭৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৯। আমার ফিরিশতাগণ তো সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের নিকট এসেছিল। তারা বলল, সালাম, সেও বলল, সালাম।সে অবিলমন্বে এক কাবাবকৃত গো-বৎস নিয়ে আসলো।
৭০। সে যখন দেখলো তাদের হাত এর দিকে প্রসারিত হচ্ছে না, তখন সে তাদেরকে অবাঞ্চিত মনে করলো এবং তাদের সম্বন্ধে তার মনে ভীতি সঞ্চার হলো। তারা বলল, ভয় করবে না, আমরা তো লুতের সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।
৭১। তার স্ত্রী দন্ডায়মান ছিল। অতঃপর সে হেসে ফেলল। অতঃপর আমি তাকে ইসহাকের এবং তার পরবর্তী ইয়াকুবের সুসংবাদ দিলাম।
৭২। সে বলল, কি আশ্চর্য! সন্তানের জননী হব আমি? যখন আমি বৃদ্ধা এবং আমার স্বামী বৃদ্ধ! এটা অবশ্যই এক অদ্ভুত ব্যাপার!
৭৩। তারা বলল আল্লাহর কাজে তুমি বিস্ময় বোধ করতেছ? হে আহলে বাইত তোমাদের প্রতি রয়েছে আল্লাহর রহমত ও বরকত । তিনিতো প্রশংসিত সম্মানিত।
সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।
সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।
* ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও মহানবির (সা.) আহলে বাইত আব্বাসীয় মুসলিম বিশ্ব আমির হারুনুর রশিদ ইমাম আবু হানিফা (র.) সংকলিত অভিন্ন ফিকাহ পরিশোধন করে হানাপী মাযহাব নামে অনুমোদন করলে প্রায় ছিয়াশিজন মুসলিম বিশ্ব আমির এবং দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম এর অনুসারী হয়। আব্বাসীয় আহলে বাইত ও তাঁদের হানাফী অনুসারীদেরকে আল্লাহ রহমত ও বরকতে মুড়িয়ে দিলেন। তারা প্রায় বারশত বছর মুসলিম বিশ্ব শাসন করে। এখনো মুসলিমদের বেশীরভাগ এলাকা, জনসংখ্যা ও দেশ হানাফীদের। তাদেরকে বিভ্রান্ত করতে অমুসলিমরা সালাফী বা আহলে হাদিস মতবাদের সৃষ্টি করে। যারা মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিস দিয়ে মুসলিমদেরকে বিভ্রান্ত করার কার্যক্রম চালায়। এদের ভরসা আল্লাহ না হয়ে অমুসলিমরা হয়ে থাকে।এরা এবং এদের সহযাত্রীদের সবাই জাহান্নামের যাত্রী। কারণ এদের সাথে কোন মুসলিম বিশ্ব আমির নাই। অথচ রাসূলের (সা.) পর মুসলিম বিশ্ব আমিরের মান্যতার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে মে, ২০২৬ দুপুর ২:২৫
রাজীব নুর বলেছেন: মুসলিমদের আগে মানুষ হতে হবে। তাহলে ভালো কিছু সম্ভব।