নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

একালের আওয়ামী লীগের সাথে সে কালের বিএনপির পার্থক্য কি?

৩১ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২১



সে কালের বিএনপি বিভিন্ন সময় আন্দোলনের গল্প শুনাতো। একালের আওয়ামী লীগ বিভিন্ন সময় আপা আসার গল্প শুনায়। এর মধ্যে দু’বছর পার হয়েছে আপা আসেননি। সামনে ডিসেম্বরের মহাক্ষণে আপা আসবেন। তাতে জমায়েত হবেন পাঁচ কোটি লোক।আপার সময় এরা ভোট দিলেও তো ভোট কেন্দ্রে লম্বা লাইন থাকার কথা ছিল। তাহলে সিল টাক্কাটাক্কি করতে হলো কেন? কেনইবা তখনকার নির্বাচনকে ভোটার বিহীন নির্বাচন বলতে হলো? আপা যখন জনতার তাড়া খেলেন তখন এরা কোথায় ছিল? এদের ডিসেম্বরের অপেক্ষা কেন? এরাতো এখন বেরিয়ে আপার গদি ফাঁকা করে আপাকে ডেকে আনতে পারে। নিরাপদে গদিতে বসতে পারবেন এটা জানলে কি আপা দিল্লি বসে থাকেন? পাঁচ কোটি মানুষ কি তবে মস্ত বড় বেকুব?

একালের বিএনপি মস্তবড় বাঘ! যেমন সেকালে আওয়ামী লীগ মস্ত বড় বাঘ ছিল। যাদের ভয়ে জামায়াত ছিল গুপ্ত এবং বিএনপি ছিল সুপ্ত। নাহিদের ডাকে গুপ্ত ও সুপ্ত বেরিয়ে এসে আপাকে তাড়িয়ে দিয়ে তারা এখন সরকারি ও বিরোধী দল। নাহিদরা এখন পদ যাত্রা, তাড়া খেয়ে বেড়ানো এবং হালকা-পাতলা মার খাওয়ার মধ্যে ব্যস্ত আছে। আওয়ামী লীগ এখন গুপ্ত। তারা আবার কার ডাকে বেরিয়ে আসবে সেটা দেখার জন্য সময়ের অপেক্ষা।

বিএনপি এক ঘন্টা অফিস কমিয়েছে এটা ভালো দিক। বাজার উথাল-পাথাল নয় বলেই মনে হচ্ছে। বেতন না বাড়লেও দেনার চাপে মাথা ঘুরাচ্ছে না। ইউনুসের নির্বাচনে ভোটাররা ভোট দেওয়ার কালি দেখিয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছে। বিএনপি কি তেমন নির্বাচন উপহার দিতে পারবে? নাকি আবার ভোটের জন্য হাহাকার শুরু হবে? আমাদের দেশটি উন্নত নয় আমাদের জনতা অনুন্নত হওয়ার কারণে। আপা এবং ভাই কি একই রকম হবেন? নাকি ভাইয়ের জনপ্রিয়তায় আপার জনপ্রিয়তা ঢাকা পড়বে। সেকালের কর্মকর্তারা কর্মচারিদেরকে মসকরা করতেন এখন কর্মকর্তাদের মধ্যে ভদ্রভাব আছে। এটা থাকতে থাকতে চাকুরী শেষ করতে চাই। একজন বলেছিল আপনার অসুবিধা কি? জবাবে সে বলেছে আপনি সুবিধাটা দেখলেন কোন যায়গায়? এখন একটা সুবিধা আছে, সেটা হলো একঘন্টা অফিস কম।

ক্ষমতায় যারা থাকে থাকুক। জনতা চায় খানিকটা শান্তি। সরকারকে কর দিয়ে এর কাছ থেকে শান্তি চাওয়া কি অপরাধ? শান্তির বদলে গুম, খুন, মব এসব হলে কেমনটা লাগে? এ দিকে প্রতিবেশী বলছে দেশটা এক ঘন্টায় নিয়ে নিতে পারবে। সাথেই আছে মঘের মুল্লুক। তারা উপহার দিয়েছে তের লক্ষ রহিঙ্গা। বিশ্বের কোথাও না কোথাও যুদ্ধ হচ্ছেই। প্রতিবেশী দেশ যদি আমাদেরকেও সেই ভয় দেখায় তবে কেমনটা লাগে? আপা-ভাইয়ের গদি টানাটানি সেটাও একটা ব্যাপার। আশংকা, আতংক সব আছে। শুদূ শান্তিটুকু নাই। এলাকার শাস্তি রঞ্জনও চলে গেল ইন্ডিয়া। আমরা আছি চিন্তা নিয়ে।

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ৩১ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শেখ হাসিনা ফিরে না এলেও আপনি ফিরে এসেছেন দেখে খুশি হলাম ।

৩১ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৮:১৭

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আজকাল ব্লগে লোকজন খুব একটা আসে না, যেমন এখন ব্লগে আমি ছাড়া মাত্র দু’জন ব্লগার আছে। তথাপি মাঝে মাঝে একটু ঢুঁ মেরে দেখি ব্লগে কারা আছে।

২| ৩১ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:১১

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: একালের বিএনপি মস্তবড় বাঘ! যেমন সেকালে আওয়ামী লীগ মস্ত বড় বাঘ ছিল।
যাদের ভয়ে জামায়াত ছিল গুপ্ত এবং বিএনপি ছিল সুপ্ত।

...........................................................................................................
আবার তাহলে গুপ্ত , সুপ্ত খেলা শুরু হলো ???
দেশটা অস্হিরতায় থাকলে , সাধারন পাবলিক
কষ্ট ছাড়া কিছুই পাবেনা ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.