নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি আমাদের কথা বলতে এসেছি। আমি বাংলাদেশের কথা বলবো।আমি পৃথিবির অবহেলিত মানুষের পক্ষে ।জয় বাংলার প্রতিটি শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। ৭১-এর স্বাধীনতা রক্ষায় জিবন বাজী রেখে লড়াই করে যাবো।জিবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে ।জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ।

ক্লোন রাফা

আমি নিরপেক্ষ নই । আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।

ক্লোন রাফা › বিস্তারিত পোস্টঃ

বঙ্গঁবন্ধুর আত্মত্যাগ আর শেখ হাসিনার দৃঢ়তা । (নিজেকে শেখ হাসিনার স্থানে দাঁড় করিয়ে ভাবুন)

২৭ শে মে, ২০২৬ সকাল ৯:৪৪



বাকশাল করার জন্য বঙ্গবন্ধু তাঁর নিজ দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে পর্যন্ত বিলুপ্ত করেছেন। এরপরও যারা বাকশাল ( বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ) কে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা আখ্যা দিয়ে বিচারপতি সায়েমের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে ক্ষমতা দখল করা জিয়াউর রহমানকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা বলে তখন আমার খুব হাসি পায়। আওয়ামীলীগ ও জাসদ নিষিদ্ধ করে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি করার অধিকার যদি গণতন্ত্রের চর্চা হয় , তবে আমি বলবো, " 'ওয়াক থু' এমন গণতন্ত্রে।১৯৭৩ সালের দালাল আইনে কারাগারে বন্দী ৩৭ হাজার ৪৭১ জন রাজাকারকে সেদিন চীন, রাশিয়া , আলজেরিয়া ও ভিয়েতনামের মত হত্যা করে ফেললে আজ মুজিব নিয়ে একটা কটু বাক্য উচ্চারণের মত মানুষ এই দেশে থাকতো না। বঙ্গবন্ধু, আপনার সরলতাই স্বাধীনতার শত্রুদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে গেছে।

জার্মানিতে নূরেমবার্গ ট্রায়ালের মাধ্যমে হিটলারের নাৎসি বাহিনীর বিচার আজও চলছে। জার্মানিতে এখনও হিটলারের নাৎসি বাহিনী, গোপন পুলিশ গেস্টাপো এসব নিষিদ্ধ। শুধু শেখ মুজিব রাজাকার জামায়াতে ইসলাম নিষিদ্ধ করলেই গণতন্ত্রের পটু মারা সারা হয়ে যায়! তবে আপনি একজন নার্সিসিস্ট , বা নার্সিসিস্টিক পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডারে ভোগা একজন মানসিক রোগী।এই বাংলায় বঙ্গবন্ধুর সমকক্ষ আর কোন নেতা না পেয়ে আপনি হিংসায় জ্বলতে জ্বলতে কখনো জিয়া , কখনও ভাসানি, সোহরাওয়ার্দী ও শেরে বাংলাকে , আবার গো আযম ও কসাই কাদেরকে শেখ মুজিবের সমকক্ষ বানাতে না পেরে জিন্নাহ কে আপনার পটু পিতা বানিয়ে পালিত পিতা ডালিমের হয়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে লুঙ্গি ড্যান্স দিচ্ছেন।এতে শেখ মুজিবের কিছুই যায় আসে না। পৃথিবীর আকাশে সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র আলফা ক্যানিস মেজরিস এর মতো শেখ মুজিব বাংলার আকাশে অতি উজ্জ্বল এক নক্ষত্র।

১৯৭৫ সালের ২৬ শে মার্চ ঢাকার এক বিশাল জনসভায় বাকশাল নিয়ে বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু এই ঘুনেধরা সমাজ পাল্টানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন। ব্রিটিশদের তৈরি গোলামী আইন থেকে বাঙালি জাতিকে মুক্তির স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। বাকশাল ছিল প্রতিকুল রাজনৈতিক পরিস্থিতি, যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠন ও স্বাধীনতা বিরোধী রাজনৈতিক দল সমুহের রাজাকারদের বিচারের জন্য একটি অস্থায়ী সরকার ব্যবস্থা।কারণ তৎকালীন আমেরিকা সহ পশ্চিমা বিশ্ব শেখ মুজিবকে হত্যার ছক কষছে।তারা বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, ভয়াহব ফুড পলিটিক্সের শিকার করা , স্বাধীনতাবিরোধীদের বিচারে সরাসরি বাঁধা দিতে শুরু করেছে।

উইলিয়াম বারোস বাংলাদেশকে পৃথিবীর দরিদ্রতম ( least Developed country) হিসেবে উল্লেখ করে ' 'কৃষি বস্তি ' হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন। হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র: তৃতীয় খন্ড পড়ে দেখলে তৎকালীন বাস্তবতা কিছুটা হলেও আপনারা অনুধাবন করতে পারবেন।

১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেই শেখ মুজিবের নতুন সরকারকে স্বাধীনতা বিরোধীদের দিয়ে উৎখাতের জন্য আমেরিকার ' সিআইএ ' নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করে। একদিকে ঘরের শত্রু , অন্যদিকে বহির্বিশ্বের সব ক্ষমতাশালী শত্রু , যেমন চীন ও আমেরিকা সম্মিলিতভাবে শেখ মুজিব সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছে পাকিস্তানি আইএসআই এর সাথে মিলে।এই সময়ে হঠাৎ কানাডীয় সরকারের উন্নয়ন সংস্থার প্রধান মসিয়ে লাজোয়া বাংলাদেশ সফরে এসে শেখ মুজিব সরকারকে ৪৫ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।এসব ষড়যন্ত্রের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে শ্যামলি ঘোষের " Constitutional changes in Bangladesh, India " বইটি পড়ে দেখতে পারেন।

যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিপর্যয়কে মুজিব হত্যার কলকাঠি হিসেবে মুজিব বিরোধী নানা প্রোপাগান্ডা শুরু হয় দেশে। সিরাজ শিকদারের সর্বহারা বাহিনী ২৪ টি থানার অস্ত্র লুট করে, তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে ব্যাংক লুট ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের আওয়ামীলীগ নেতাদের হত্যা শুরু করে। ২০২৪ সালের মতো ১৯৭২ সালে জাসদ গঠিত হওয়ার পর স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকারের যেসব নেতা পাকিস্তান পালিয়ে যেতে পারেনি, তথা জিন্দা অলী শফিকুর রহমানের মত নেতারা জাসদের লুঙ্গির তলায় ঢুকে সমগ্র বাংলাদেশে গণহত্যা ও লুটপাট শুরু করে।এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বব্যাংকের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রবার্ট ম্যাকনামারা বাংলাদেশে আসেন।কারণ বাংলাদেশ সরকার তখন যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠন করার জন্য জাতিসংঘ, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের কাছে অর্থনৈতিক সহযোগিতার দরখাস্ত করেছে। রবার্ট ম্যাকনামারা কে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ পাকিস্তানের করা সব নারকীয় ধ্বংসযজ্ঞ দেখিয়ে তাদের সাপোর্ট করার জন্য আমেরিকাকে সরাসরি দায়ী করেন।ম্যাকনামারা তখন বাংলাদেশকে সাহায্য করার শর্ত হিসেবে বঙ্গবন্ধুকে রাজাকারদের বিচার বন্ধ করতে বলেছিলেন। ত্রিশ লক্ষ শহীদের আত্মার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে তাজউদ্দীন ও বঙ্গবন্ধু কেউই তা শুনেননি। কোন দেশপ্রেমিকের পক্ষেই আমেরিকার এই ঘৃণিত দাবি মানা সম্ভব নয়। যার ফলে ১৯৭৪ সালে আমেরিকা বাংলাদেশের খাদ্য সহায়তা বন্ধ করে ' ফুড পলিটিক্স " শুরু করে দেয়।৭৪ এর দুর্ভিক্ষে মানুষ হত্যার দায় চাপিয়ে দেওয়া হয় মুজিব সরকারের উপর। খালেদা জিয়ার আমলে ৯১ এর বন্যায় হাজার হাজার মানুষ মারা গেলে সেই দায় কেউ খালেদা জিয়ার উপর চাপায়নি কেন? সব দোষ কেন মুজিবের হবে?
অ্যন্থনী মাসকারেনহাস তার এক বক্তব্য স্পষ্ট করে মুজিবের দোষগুণ নিয়ে বলেছেন। মুজিব বাংলাদেশের মানুষকে সরল মনে বিশ্বাস করতেন এটাই ছিল তাঁর সবচেয়ে বড় দুর্বলতা।

জাসদের মতো সমাজতান্ত্রিক দলগুলোর পক্ষ থেকে তখন বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের আদলে জাতীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব আসে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু ও তাজউদ্দীন কেউই জাসদের বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রে সায় দেননি।মুক্তিযুদ্ধ যে চারটি ভিত্তি তথা মুজিববাদ প্রতিষ্ঠার জন্য হয়েছিল তাই বাঙালির নিজস্ব গঠনতন্ত্র।এটা নিয়ে কোন আপোষ হবে না। সমাজতন্ত্র ছাড়া তখন কিছুতেই বহির্বিশ্বের চক্রান্ত মোকাবেলা করা সম্ভব ছিলো না। সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা , বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতেই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল রাজনৈতিক দল নিয়ে ধীরে ধীরে ' বাকশাল গঠনের চেষ্টা শুরু হয়। এজন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজের রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগ পর্যন্ত বিলুপ্ত করেছেন।যদি উনার একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন থাকতো তবে ১৯৭৩ সালে ২৯৩ আসনে বিজয়ী হওয়া সাংসদদের দিয়েই তিনি একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারতেন।এর জন্য বাকশাল করার প্রয়োজনীয়তা ছিলো না।

আহমেদ ছফা , বদরুদ্দীন উমর এর মতো আমেরিকার পেইড এজেন্টরা ইনিয়ে বিনিয়ে বাকশালকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করেছেন। মুজিবের সমকক্ষ ও আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে জিততে পারে রাজনীতির মাঠে এমন রাজনৈতিক সংগঠন না পেয়ে তেনারা হতাশ হয়ে মুজিব পরিবার ও আওয়ামীলীগকে কাল্ট হিসেবে উপস্থাপন করে স্বাধীনতা বিরোধীদের ন্যারেটিভ সার্ভ করার কাজটি অত্যন্ত সচুতুর ভাবে করে যান।শেখ মুজিব এদের লাগাম টেনে ধরতে পারেননি বলেই এই দুর্দশা।শেখ মুজিব যদি চীনের মাও সেতুং এর পিএলএ এর আদলে আগে থেকেই ১৯৭২ সালের ৮ ই ফেব্রুয়ারি গঠিত হওয়া রক্ষীবাহিনীকে আরও সংগঠিত করে বাংলাদেশের হাতির পেট খ্যাত সেনাবাহিনী ধীরে ধীরে বিলুপ্ত করে দিতেন তবে বাংলাদেশের এই চরম দুর্দিন দেখতে হতো না।কারণ যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে সেনাবাহিনীর মেজরদের মধ্যে তখন রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের লোভ পেয়ে বসেছিল।রক্ষী বাহিনীর জন্য মাত্র ৯ কোটি আর সেনাবাহিনীর জন্য ১২২ কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় বাজেটে পাকিস্তান ফেরৎ সেনাবাহিনী সন্তুষ্ট ছিলো না। তাঁরা ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই চীন ও আমেরিকার সহায়তায় পাকিস্তানী আইএসআই এর মাধ্যমে মুজিব সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র করছিলো।এতে সবচেয়ে বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় কাদেরিয়া বাহিনী ও মুজিব বাহিনী দিয়ে গঠিত রক্ষীবাহিনী।শুরু হয় রক্ষীবাহিনীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মুখরোচক মিথ্যা প্রোপাগান্ডা। পুলিশের গুলিতে নিহত অপরাধী সিরাজ সিকদারের হত্যাকাণ্ডকে পুলিশের না বলে রক্ষীবাহিনীর বলে চালিয়ে দেওয়া হয় !

আয়াতুল্লাহ খোমেনি রক্ষীবাহিনীর আদলে ইরানে আইআরজিসি গঠন করলে এই দেশে তালির অভাব হয়না, যত দোষ সব যেন মুজিবের। বিপ্লবের পর মাও সেতুং এর পিপলস লিবারেশন আর্মি ( পিএলএ) ও রাশিয়ার বলশেভিকদের গঠিত রেড আর্মিতে দোষ হয় না। শুধু বাংলাদেশে বিপ্লবের পর রক্ষীবাহিনী গঠন করলেই যত সমস্যা! এজন্য দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের নাটকের সংলাপে মহাবীর আলেকজান্ডার তাঁর সেনাপতি সেলুকাস কে বলেছিলেন, " কী বিচিত্র এই দেশ"। সত্যিই সেলুকাস, কী বিচিত্র এই দেশ!

বাংলাদেশে নিযুক্ত আমেরিকার তৎকালীন রাষ্ট্রদূত ১৯৭৪ ও ১৯৭৫ সালে আমেরিকার হেনরি কিসিঞ্জার এর উদ্ধৃতি দিয়ে শেখ মুজিবকে হুমকির সুরে বলেছিলেন , " রাজাকারের বিচার বন্ধ করতে হবে! "
ভিয়েতনাম সরকার Doi Moi ( অর্থনৈতিক সংস্কার) প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে স্বাধীনতাবিরোধী রাজাকারের বিচার করলে দোষের কিছু হয় না , মাও সেতুংরা নির্বিচারে বিপ্লবের পর স্বাধীনতাবিরোধী শয়তানদের মেরে ফেললে দোষ হয় না, নূরেমবার্গ ট্রায়ালে হিটলারের নাৎসি বাহিনীর বিচার করলে দোষ হয় না , সব দোষ শুধু মুজিবের! বঙ্গবন্ধু বাকশাল পদ্ধতির মাধ্যমে এই দেশে সকল নাগরিক ও সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন, এজন্য ২৮ টি বুলেট দিয়ে তোমাকে হত্যা করা হয়েছে।
১০ বছরের নিঃস্বাপ শিশু রাসেলের মাথায় খুব কাছ থেকে রিভলবার ঠেকিয়ে ঠান্ডা মাথার হত্যা করা হয়েছে।

এজন্য বঙ্গবন্ধুর পুরো পরিবারের ২৬ সদস্যকে হত্যার দিনে আপনি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে খুনী ডালিমের ভাষণ বাজিয়ে সারারাত ডিজে ড্যান্স করেন! এসব মানবতাবিরোধী অপরাধ হয় না? শ্রদ্ধা জানাতে আসা মানুষকে মুলা সংস্কারের নামে গণতন্ত্রের ১৪ গোষ্ঠী উদ্ধার করেন এসব দোষের হয় না? শেখ হাসিনাকে ২১ শে আগষ্ট প্রকাশ্য গ্রেনেড মেরে হত্যা করতে চান, এসব দোষের নয় ? এই দেশে যত দোষ সব শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনার। শেখ মুজিব বাংলাদেশ স্বাধীন করে তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল করেছেন, আর শেখ হাসিনা হেনরি কিসিঞ্জার এর ' বটমলেস বাস্কেট " খ্যাত বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করে ' এশিয়ার রাইজিং টাইগারে পরিণত করেছেন। এসব তাদের সবচেয়ে বড় অপরাধ। এজন্য বঙ্গবন্ধুর পুরো পরিবার হত্যার পর সবচেয়ে উল্লাসিত ছিল আমেরিকা ও পাকিস্তান। আমেরিকার তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার বঙ্গবন্ধুর পুরো পরিবার হত্যার পর ২০ শে আগষ্ট খন্দকার মোশতাক ও খুনী জিয়াদের স্বীকৃতি দিয়ে বলে, " মোশতাক সরকারকে স্বীকৃতি দিয়ে আমরা নিজেদের ধন্য মনে করছি। এই হত্যাকাণ্ডের জড়িতদের প্রতি আমাদের সহানুভূতি ছিল, ও থাকবে।" এইভাবেই বাকশালের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা চালিয়ে খুনীদের হাতে বাংলাদেশ তুলে দিয়ে প্রভু আমেরিকাকে সন্তুষ্ট করা হয়েছিল ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগষ্ট একটি পরিবারের ২৬ জন সদস্য হত্যার মাধ্যমে। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন নারকীয় ও বিভৎস ইতিহাস আর দ্বিতীয়টি নেই।

" পিতা তোমাকে হত্যা করে তোমার আদর্শকে হত্যা করতে পারেনি খুনীর দল। তুমি মানে বঙ্গবন্ধু , বঙ্গবন্ধু মানেই আমাদের কাছে এক টুকরো বাংলাদেশ।"

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে মে, ২০২৬ সকাল ১০:০৩

ক্লোন রাফা বলেছেন: ঈদের আনন্দ তোলা রইলো শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন পর্যন্ত।

২| ২৭ শে মে, ২০২৬ সকাল ১০:২২

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ২০১৩ সালে আওয়ামী লীগ যখন বিনা ভোটে ১৫৩ জন এমপি নির্বাচিত করল এবং 'ডিপ স্টেট' চুপ থাকল, তখন আওয়ামী লীগের কাছে ডিপ স্টেট ভালো ছিল। ২০১৮ সালে যখন রাতের ভোট হলো এবং ডিপ স্টেট চুপ ছিল, তখনও আওয়ামী লীগের কাছে ডিপ স্টেট ভালো ছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাই মাসের কোটা আন্দোলনের পর আওয়ামী লীগ ডিপ স্টেটের বিরোধী হয়ে গেল। তারা এটাকে 'মহাচক্রান্ত' বলা শুরু করল। কিন্তু কেন? :)

৩| ২৭ শে মে, ২০২৬ সকাল ১০:৩২

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা যখন দেশে ফিরেছিলেন, তখন তিনি ছিলেন পিতৃহারা এক শোকগ্রস্ত কন্যা-যার পিতা আবার ছিলেন একজন জাতীয় নেতা। তবে ২০০৮ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে জনগণের প্রতি তাঁর কর্মকাণ্ড এবং বৈরী আচরণের ফলে কেবল "শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা" হিসেবে গড়ে ওঠা তাঁর সেই ভাবমূর্তি এখন সম্পূর্ণ ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। আজ মানুষ যখনই শেখ হাসিনার নাম উচ্চারণ করে, তখনই চোখের সামনে তাৎক্ষণিকভাবে ভেসে ওঠে এস. আলম, হাছান মাহমুদ এবং সাবেক ভূমি প্রতিমন্ত্রীর মতো ব্যক্তিদের নাম। তিনি আর কোনো নিরীহ ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিগণিত হন না। ব্যাংকগুলো থেকে প্রায় ৫ লাখ কোটি টাকা লুণ্ঠন ও পাচার করা হয়েছে। এই টাকা কবে ফেরত দেওয়া হবে? শেখ হাসিনার পরিবারের প্রত্যক্ষ ছত্রছায়ায় দেশ থেকে ১৮ থেকে ২০ বিলিয়ন ডলার পাচার করা হয়েছে।

৪| ২৭ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

সাহসী পোস্ট।
খুবই ভালো লেগেছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.