| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
স্বপ্নের শঙ্খচিল
আমার মনের মাঝে শঙ্খচিল ডানা মেলে প্রতিদিন,ভুলতে পারিনি সেই অভিমান আবার ফিরে আসা তোমার কাছে !
রেমিটেন্স যোদ্ধাদের ৭.৫% ট্যাক্স কেটে নিবার সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে !?
এই তথ্যটি সঠিক হলে আগামী দিনে সরকার রেমিটেন্স হারাবে ।
যেখানে প্রনোদনা দিয়ে রেমিটেন্স আনা হতো, সেখানে এই অদ্ভূদ সিদ্ধান্ত কেন ?
পাঠক আপনি বলুন এই সিন্ধান্ত বর্তমান সরকার কিভাবে নিলো ।
শোনা্ যায় বিষয়টি গত সরকার গোপনে বিগত অগাষ্ট .২০২৫ ইং সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো যা
এখন বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে ।
তবে বিষয়টি এখনো ঘোষনায় আসেনি যে, এই রেমিটেন্স শুধুমাত্র পাঠানো বেতন থেকে
কর্তন করা হবে নাকি, ইউটিউব বা কন্টেন্ট ক্রিয়েটারদের অর্জিত টাকা থেকে কর্তন
করা হবে । অথচ গ্রাহককে অবশ্যই বিস্তারিত সার্কুলার মাধ্যমে জানানোর আবশ্যকতা ছিলো ।
ব্যাংক বলছে , বৈধ রেমিট্যান্স করমুক্ত: বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধ উপায়ে (ব্যাংকিং চ্যানেল) পাঠানো
আয়ের ওপর এখন পর্যন্ত কোন আয়কর নেই।
প্রণোদনা: বৈধ পথে পাঠানো রেমিট্যান্স উৎসাহিত করতে সরকার উল্টো ২.৫% প্রণোদনা প্রদান করে থাকেন।
তবে ১লা জুলাই ২০২৬ ইং থেকে এই সংক্রান্ত কোন আইন প্রয়োগ হবে কিনা সেজন্য অপেক্ষা করতে হবে ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে :
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা দেশে অর্থ পাঠানো বাড়িয়েছেন।
ফলে চলতি মাসের প্রথম ১৯ দিনেই প্রায় আড়াই বিলিয়ন প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন, যা গত বছরের একই সময়ের
তুলনায় ৩৮ শতাংশ বেশি।
এতে দেখা গেছে, চলতি মে মাসের প্রথম ১৯ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৪৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার।
আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৭৯ কোটি ৩০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স–প্রবাহ বেড়েছে ৩৮ শতাংশ।
সার্কুলারে কি বলা আছে ?
ফ্রিল্যান্সার ও অনলাইন আয়: ফ্রিল্যান্সার, ইউটিউবার, বা ফেসবুক ক্রিয়েটরদের মতো যারা সরাসরি বিদেশ
থেকে ফ্রিল্যান্সিং বা রিমোট কাজের আয় (রেমিট্যান্স) আনছেন, বিভিন্ন ব্যাংক জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর)
আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট হারে উৎসে কর কর্তন করছে।সংশ্লিষ্ট নিয়ম: ফ্রিল্যান্সিং আয়ের ওপর এনবিআর-এর
নীতিমালা অনুযায়ী ১০% পর্যন্ত উৎসে কর কর্তনের বিধান রয়েছে, যা বিভিন্ন ব্যাংক ও প্ল্যাটফর্ম তাদের নিজস্ব
সেবামূল্যের সাথে সমন্বয় করে কেটে থাকে।
যুক্তরাষ্ট্রে কি হচ্ছে ?
যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশসহ বিশ্বের যেকোনো দেশে রেমিট্যান্স (প্রবাসী আয়) পাঠাতে নগদ লেনদেনে
প্রতি ১০০ ডলারে অতিরিক্ত ১ ডলার কর দিতে হবে। নতুন এই ফেডারেল এক্সাইজ ট্যাক্স চলতি বছরের
প্রথম দিন ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে।
বাণিজ্যে পাল্টা শুল্ক আরোপের পর এবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের ওপর ৫ শতাংশ কর আরোপের প্রস্তাব দিয়েছেন। ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল অ্যাক্ট’ নামে হাউস বাজেট কমিটিতে অনুমোদিত আইনের আওতায় এই কর আরোপ করা হবে।
এই আইনে মার্কিন নাগরিক ছাড়া সব অভিবাসীর প্রেরিত অর্থে করারোপ করা হবে। গ্রিন কার্ডধারী ও এইচ-১বি ভিসাপ্রাপ্তরাও
এর আওতায় পড়বেন। কর আরোপের ক্ষেত্রে ন্যূনতম সীমা নির্ধারণ করা হয়নি, অর্থাৎ ছোট অঙ্কের অর্থ পাঠালেও কর
প্রযোজ্য হবে। ফলে বাংলাদেশিদের প্রেরিত প্রবাসী আয়েও এই কর প্রযোজ্য হবে। খবর সিএনবিসি টিভি ১৮ ডট কম।
বাংলাদেশি রেমিট্যান্সে এর প্রভাব:
যেহেতু অনেক বাংলাদেশি অভিবাসী নগদ অর্থে (ক্যাশ) রেমিট্যান্স পাঠিয়ে থাকেন, তাই ওই নির্দিষ্ট মাধ্যমে টাকা
পাঠালে ১ শতাংশ অতিরিক্ত কর দিতে হচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা বৈধ কোনো ডিজিটাল অ্যাপ ব্যবহার
করে সরাসরি বাংলাদেশের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠালে এই বাড়তি করের ফাঁদে পড়তে হবেনা।
©somewhere in net ltd.
১|
২৬ শে মে, ২০২৬ ভোর ৪:৪৫
ঢাকার লোক বলেছেন: বিষয়টা সরকারি ভাবে পরিস্কার করা দরকার যাতে যারা বিদেশ থেকে টাকা পাঠাচ্ছেন বা দেশে পাচ্ছেন তাদের কাছে স্পষ্ট হয়। আমি গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে কিছু টাকা MoneyGram এর মাধ্যমে পাঠিয়েছি। লক্ষ্য করেছি ব্যাঙ্ক একাউন্টে পাঠালে ডলারে যে রেট দেয় বিকাশ একাউন্টে পাঠালে তার চেয়ে কিছু কম দেয়। আলাদা কোন ট্যাক্স দেখায় না, আমেরিকায়ও না, বাংলাদেশেও না।