| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
স্বপ্নের শঙ্খচিল
আমার মনের মাঝে শঙ্খচিল ডানা মেলে প্রতিদিন,ভুলতে পারিনি সেই অভিমান আবার ফিরে আসা তোমার কাছে !
রেমিটেন্স যোদ্ধাদের ৭.৫% ট্যাক্স কেটে নিবার সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে !?
এই তথ্যটি সঠিক হলে আগামী দিনে সরকার রেমিটেন্স হারাবে ।
যেখানে প্রনোদনা দিয়ে রেমিটেন্স আনা হতো, সেখানে এই অদ্ভূদ সিদ্ধান্ত কেন ?
পাঠক আপনি বলুন এই সিদ্ধান্ত বর্তমান সরকার কিভাবে নিলো ।
শোনা্ যায় বিষয়টি গত সরকার গোপনে বিগত অগাষ্ট .২০২৫ ইং সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো যা
এখন বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে ।
তবে বিষয়টি এখনো ঘোষনায় আসেনি যে, এই রেমিটেন্স শুধুমাত্র পাঠানো বেতন থেকে
কর্তন করা হবে নাকি, ইউটিউব বা কন্টেন্ট ক্রিয়েটারদের অর্জিত টাকা থেকে কর্তন
করা হবে । অথচ গ্রাহককে অবশ্যই বিস্তারিত সার্কুলার মাধ্যমে জানানোর আবশ্যকতা ছিলো ।
ব্যাংক বলছে , বৈধ রেমিট্যান্স করমুক্ত: বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশীদের বৈধ উপায়ে (ব্যাংকিং চ্যানেল) পাঠানো
আয়ের ওপর এখন পর্যন্ত কোন আয়কর নেই।
প্রণোদনা: বৈধ পথে পাঠানো রেমিট্যান্স উৎসাহিত করতে সরকার উল্টো ২.৫% প্রণোদনা প্রদান করে থাকেন।
তবে ১লা জুলাই ২০২৬ ইং থেকে এই সংক্রান্ত কোন আইন প্রয়োগ হবে কিনা সেজন্য অপেক্ষা করতে হবে ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে :
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা দেশে অর্থ পাঠানো বাড়িয়েছেন।
ফলে চলতি মাসের প্রথম ১৯ দিনেই প্রায় আড়াই বিলিয়ন প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন, যা গত বছরের একই সময়ের
তুলনায় ৩৮ শতাংশ বেশি। এতে দেখা গেছে, চলতি মে মাসের প্রথম ১৯ দিনে দেশে রেমিট্যান্স
এসেছে ২৪৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৭৯ কোটি ৩০ লাখ ডলার।
অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স–প্রবাহ বেড়েছে ৩৮ শতাংশ।
সার্কুলারে কি বলা আছে ?
ফ্রিল্যান্সার ও অনলাইন আয়: ফ্রিল্যান্সার, ইউটিউবার, বা ফেসবুক ক্রিয়েটরদের মতো যারা সরাসরি বিদেশ
থেকে ফ্রিল্যান্সিং বা রিমোট কাজের আয় (রেমিট্যান্স) আনছেন, বিভিন্ন ব্যাংক জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর)
আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট হারে উৎসে কর কর্তন করছে।
সংশ্লিষ্ট নিয়ম: ফ্রিল্যান্সিং আয়ের ওপর এনবিআর-এর নীতিমালা অনুযায়ী ১০% পর্যন্ত উৎসে কর কর্তনের
বিধান রয়েছে, যা বিভিন্ন ব্যাংক ও প্ল্যাটফর্ম তাদের নিজস্ব সেবামূল্যের সাথে সমন্বয় করে কেটে থাকে।
যুক্তরাষ্ট্রে কি হচ্ছে ?
যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশসহ বিশ্বের যেকোনো দেশে রেমিট্যান্স (প্রবাসী আয়) পাঠাতে নগদ লেনদেনে
প্রতি ১০০ ডলারে অতিরিক্ত ১ ডলার কর দিতে হবে। নতুন এই ফেডারেল এক্সাইজ ট্যাক্স চলতি বছরের
প্রথম দিন ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে।
বাণিজ্যে পাল্টা শুল্ক আরোপের পর এবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স
বা প্রবাসী আয়ের ওপর ৫ শতাংশ কর আরোপের প্রস্তাব দিয়েছেন। ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল অ্যাক্ট’ নামে হাউস
বাজেট কমিটিতে অনুমোদিত আইনের আওতায় এই কর আরোপ করা হবে।
এই আইনে মার্কিন নাগরিক ছাড়া সব অভিবাসীর প্রেরিত অর্থে করারোপ করা হবে।
গ্রিন কার্ডধারী ও এইচ-১বি ভিসাপ্রাপ্তরাও এর আওতায় পড়বেন।
কর আরোপের ক্ষেত্রে ন্যূনতম সীমা নির্ধারণ করা হয়নি, অর্থাৎ ছোট অঙ্কের অর্থ পাঠালেও কর প্রযোজ্য হবে।
ফলে বাংলাদেশিদের প্রেরিত প্রবাসী আয়েও এই কর প্রযোজ্য হবে। খবর সিএনবিসি টিভি ১৮ ডট কম।
বাংলাদেশি রেমিট্যান্সে এর প্রভাব:
যেহেতু অনেক বাংলাদেশী অভিবাসী নগদ অর্থে (ক্যাশ) রেমিট্যান্স পাঠিয়ে থাকেন, তাই ওই নির্দিষ্ট মাধ্যমে টাকা
পাঠালে ১ শতাংশ অতিরিক্ত কর দিতে হচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা বৈধ কোনো ডিজিটাল অ্যাপ ব্যবহার
করে সরাসরি বাংলাদেশের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠালে এই বাড়তি করের ফাঁদে পড়তে হবেনা।
২৬ শে মে, ২০২৬ ভোর ৫:০৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: প্রশ্নটা সেখানেই,
এইযে কর্তন হচ্ছে তা রেমিটেন্স যোদ্ধাদের
পরিস্কার ভাবে অবগত করতে হবে ।
...........................................................
সরকারকে প্রথমে সৎ আচরন করতে হবে
অতপর, জনগনের কাছে তা আশা করা যায় ।
আইনত ব্যাংক যদি ট্যাক্স কর্তন করে, তাহলে
উপযুক্ত রশীদ গ্রাহকের বরাবরে পাঠাতে হবে ।
২|
২৬ শে মে, ২০২৬ সকাল ৮:৩৮
ক্লোন রাফা বলেছেন: Click This Link আরো অনেক কিছু ঘটবে॥
২৬ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৬
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: রেমিটেন্স যোদ্ধাদের ৭.৫% ট্যাক্স কেটে নিলে সরকার
দ্রুত অজনপ্রিয় হতে সময় লাগবেনা ।
অবশ্যই বর্তমান সরকারের বিষয়টি পূণ:বিবেচনা করা উচিৎ ।
এই ট্যাক্স কোন অবস্হাতেই ১% এর বেশী নয়া উচিৎ হবেনা ।
.....................................................................................
সরকার যদি অন্ধ হয় তবে,
আম ও ছালা দুটোই হারাবে ।
৩|
২৬ শে মে, ২০২৬ সকাল ১০:২৮
শায়মা বলেছেন: কোথাও গিয়ে আর শান্তি নেই ভাইয়া!!
২৬ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:১৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: দেশের মধ্যে রাজস্ব আয় কম,
.........................................................................
তাই বলে এত উচ্চ হারে ট্যাক্স কাটলে,
রেমিট্যান্স প্রবাহ গতি হারাবে এবং হুন্ডির মতো
অবৈধ পথ জনপ্রিয় হবে । সরকারের বোকামীর জন্য
মূল্যবান বৈদেশিক রিজার্ভ হারাবে । যা মোটেই কাম্য নয় ।
৪|
২৬ শে মে, ২০২৬ সকাল ১০:৩৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সবাই crypto চলে যাবে ।
২৬ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাংলাদেশে বর্তমানে আছে১০.২ মিলিয়নেরও বেশি
নিবন্ধিত করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (TIN) ধারীরা। তবে, প্রকৃতপক্ষে যারা
তাদের বার্ষিক কর রিটার্ন দাখিল করেন, সেই সংখ্যাটি উল্লেখযোগ্যভাবে কম;
প্রতি বছর আনুমানিক ৪০ লক্ষ থেকে ৪৩ লক্ষ কর রিটার্ন দাখিল করা হয়।
....................................................................................................
সুতরাং সরকার যে, অত্যন্ত দূর্বল তা এখান থেকে বুঝা যায় ।
দরকার ছিলো আভ্যন্তরীন সম্পদ আহরনের ব্যবস্হা নেয়া এবং
রেমিটেন্স যোদ্ধাদের থেকে সর্বচ্চো ১% অধিক কর কর্তন না করা ।
৫|
২৬ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪
নতুন বলেছেন: এটা অবশ্যই বিদেশে অবস্থান করে যারা বেতনের টাকা পাঠায় তাদের উপরে হবেনা।
যারা দেশে বসে ফ্রীল্যান্সিং করছে তাদের আয়ের উপরে ট্যাক্স সরকার ধরতে পারে, কিন্তু সেই সাথে অবশ্যই সেই টাকা যেন সহজে আনতে পারে, তার জন্য আগে ব্যবস্থা করতে হবে।
পেপ্যালের মতন সাভিস সহজ করে দিয়ে তারপরে ট্যাক্স নিলে ভালো।
২৬ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: পেপ্যালের মতন সার্ভিস সহজ করে দিয়ে তারপরে ট্যাক্স নিলে ভালো।
....................................................................................................
পেপ্যালের সার্ভিস একটি নূতন ব্যবস্হাপনা , বাংলাদেশীদের জন্য হতে পারে
সেক্ষেত্রে সরকারের সুযোগ আছে , কিন্ত এই চার্জ কোন অবস্হাতেই ১%
এর বেশী হওয়া উচিৎ নয় ।
৬|
২৬ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১:০২
নতুন বলেছেন: দেশের বাইরের থেকে টাকা দেশে আনার উপরে কোন ট্যাক্সের দরকার নাই। বরং তাদের আরো সাহাজ্য করা উচিত্
আর তাদের আয় বাড়াতে সুবিধা দিয়ে সরকার সেখান থেকে আয়ের ব্যবস্থা করতে পারে।
২৬ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১:২৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: দেশের বাইরের থেকে টাকা দেশে আনার উপরে কোন ট্যাক্সের দরকার নাই।
...........................................................................................................
বিষয়টি আমি বা আপনি বলতে পারেন ।
কিন্ত বুঝতে হবে, সরকার ঞন নিতে নিতে বেকায়দা অবস্হায় আছে,
বিশেষত বিগত ইন্ট্রীম সরকার দেশের অর্থনীতির বারটা বাজায়ে গিয়েছে।
সে কারনে এই অধ্যাদেশ তারা গোপনে করেছিলো ।
এখন বর্তমান সরকার বাস্তবায়ন করবে, ফলে তাদের দ্বায় কম , কিন্ত এজন্য সরকারকে
চড়া মূল্য রাজনৈতিক ভাবে দিতে হবে ।
৭|
২৬ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১:২৯
শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনার পোস্টের শিরোনামটা কনফিউজিং। এটা পরিবর্তন করুন। যদিও ব্লগার নতুন বিষয়টা পরিষ্কার করেছেন।
আপনি প্রথম মন্তব্যের যে উত্তর দিয়েছেন, তাতে বোঝা গেল বিষয়টি সম্পর্কে ভালো করে না জেনেই আপনি পোস্টটা দিয়েছেন। সরকার রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ২.৫% টাকা বেশি দেয়। হাসিনা সরকার এটা চালু করেছিল, যেটা চলমান আছে।
৭.৫% ট্যাক্স কেটে নেবার আলোচনা কেবল যারা দেশে বসে ফ্রীল্যান্সিং করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে তাদের উপরে ধার্য করার একটা আলোচনা চলছে।
তবে, এটা করলে সরকারের হিতে বিপরীত হবে। এখন ব্যাংক চ্যানেলে যে টাকা যায়, সেটা হুন্ডিতে চলে যাবে। সরকার ট্যাক্স তো পাবেই না, মাঝখান থেকে রেমিট্যান্সটাও আর বৈধ পথে বা ব্যাংক চ্যানেলে দেশে ঢুকবে না, হাত বদল হয়ে আবার বিদেশেই চলে আসবে।
২৬ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১:৪০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আপনার পোস্টের শিরোনামটা কনফিউজিং।
.........................................................................
সমস্ত রেমিটেন্স যোদ্ধাদের মাঝে এই আতংক আছে ।
আপনি যা বলেছেন তা আমিও জানি,
এই বিষয়ে দুই ব্যাংকের কর্মকর্তা দুই রকম কথা বলছে।
সে কারনে বলেছি জুলাই মাসেই তা পরিস্কার হয়ে যাবে ।
বিষয়টি সর্ম্পকে আরও জানতে হলে, ২নং মন্তব্যর লিংক দেখতে পারেন ।
৮|
২৬ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৪০
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: টিকটকার, ফেসবুকার আর ইউটিউবারদের টাকার উপর ৩০% ট্যাক্স বাসানো হোক, এদের জ্বালায় আমরা অতিষ্ঠ। এরা অনলাইনে এসে মনের আবেগ ঢালে ( আসলে গার্বেজ ) আবার টাকাও কামাই করে, সেই সাথে মানুষের সময় নষ্ট করে দেশে বেকারত্বের হার বিপজ্জনক ভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে।
২৬ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৪:১০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: টিকটকার, ফেসবুকার আর ইউটিউবারদের টাকার উপর ৩০% ট্যাক্স বাসানো হোক,
....................................................................................................
সরকারের রাজস্ব আদায় খুবই দরকার,তবে অবশ্যই সহনীয় মাত্রায় হতে হবে ।
তাই রাজস্ব আদায় শুরু হলে বলতে হবে যে,
সরকার টিকটকার, ফেস-বুকার আর ইউটিউবারদের কার্যক্রম বৈধ
করে নিচ্ছে । সুতরাং রাজস্ব কর আদায়ের পূর্বে তাদের আচার আচরন
নীতি মালায় আনা হোক ।
৯|
২৬ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৩
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: ব্লগারদের কোন প্রোণোদনা বা ব্লগার কার্ড বা এ ধরণের কিছু দেয়া যায় কি না তা নিয়ে সরকারকে ভাবতে হবে।
২৬ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৪:০৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ব্লগার কার্ড বা এ ধরণের কিছু দেয়া যায় কি না
..........................................................................
সামুর ব্লগার মোট জনসংখার .০০০০১ % হবে না
সুতরাং এই প্রস্তাব সংসদে নাকচ হয়ে যাবে ।
১০|
২৬ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৪২
রাজীব নুর বলেছেন: সরকার জনগনের কাছ থেকে নিয়েই দেশের উন্নয়ন করে।
২৬ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৬
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সরকার জনগনের কাছ থেকে নিয়েই দেশের উন্নয়ন করে
...................................................................................
জনগন অবশ্যই কর দিবে,
কিন্ত তা জনগনের সুবিধা বিবেচনা করে করতে হবে ।
বিশ্বে এধরনের কর ১% থেকে ২ % এর বেশী হয়না ।
অতিরিক্ত লোভ করলে লাভের গুড় পিঁপড়ায় খাবে ।
...................................................................................
যেখানে ৬০% করদাতা কর দিচ্ছে না, সেখানে নুন্যতম কর
( যাদের টিন নম্বর আছে কমপক্ষে ৩০০০.০০ বার্ষিক কর সরাসরি জমা দেবে)
আদায় করলে সরকারের প্রচুর রাজস্ব আসবে ।
১১|
২৬ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩
নতুন বলেছেন: টিকটক, রিলসের নামে যা হচ্ছে সেগুলি নিয়ন্ত্রন করা দরকার।
আগামী প্রযন্মের ভবিষ্যত পুরাই অন্ধকার। ![]()
২৬ শে মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০১
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: টিকটক, রিলসের বা ফেসবুকের নামে যা হচ্ছে
..............................................................
আইন করে কি অপরাধ ঠেকানো যায় ?
হ্যাঁ কঠোর নিয়ন্ত্রন করলে ১% এর কাছাকাছি আনা যায় ।
কিন্ত আমাদের নৈতিক চরিত্র ঠিক না করলে, রাষ্ট্রীয় অনাচার
বন্ধ না হলে , মব সন্ত্রাস কঠিন শাস্তি না পেলে ,ইমামদের আচরন সুন্দর না হলে
আমরা ধংসপ্রাপ্ত , অসভ্য ও বে-ঈমান জাতিতে উত্তরন ঘটাব ।
....................................................................................................
কিভাবে এই অবস্হা থেকে জাতি সৎ ও সম্মানজনক অবস্হায় আসবে
সেই ব্যাপারে লিখুন ।
১২|
২৬ শে মে, ২০২৬ রাত ৮:৪৭
রাসেল বলেছেন: তলাবিহীন ঝুড়ি হলে অভাব কখনো দূর হবে না
২৬ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:৩২
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: রেমিটেন্স যোদ্ধাদের পাঠানো ডলার দিয়ে সরকার
এখনও টিকে আছে নাহলে শ্রীলন্কার চেয়ে খারাপ অবস্হা হতো ।
১৩|
২৬ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:১০
নূর আলম হিরণ বলেছেন: আপনার পোস্টের শিরোনামটা কনফিউজিং। এটা পরিবর্তন করুন। যদিও ব্লগার নতুন বিষয়টা পরিষ্কার করেছেন।
আপনি প্রথম মন্তব্যের যে উত্তর দিয়েছেন, তাতে বোঝা গেল বিষয়টি সম্পর্কে ভালো করে না জেনেই আপনি পোস্টটা দিয়েছেন। সরকার রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ২.৫% টাকা বেশি দেয়। হাসিনা সরকার এটা চালু করেছিল, যেটা চলমান আছে।
৭.৫% ট্যাক্স কেটে নেবার আলোচনা কেবল যারা দেশে বসে ফ্রীল্যান্সিং করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে তাদের উপরে ধার্য করার একটা আলোচনা চলছে।
তবে, এটা করলে সরকারের হিতে বিপরীত হবে। এখন ব্যাংক চ্যানেলে যে টাকা যায়, সেটা হুন্ডিতে চলে যাবে। সরকার ট্যাক্স তো পাবেই না, মাঝখান থেকে রেমিট্যান্সটাও আর বৈধ পথে বা ব্যাংক চ্যানেলে দেশে ঢুকবে না, হাত বদল হয়ে আবার বিদেশেই চলে আসবে।
আলোচনা চলছে না, অলরেডি যারা পে আউট করেছে তাদের থেকে এই চার্জ কেটে নেওয়া হয়েছে।
আর এটা কাটলেও খুব বেশি হিতে বিপরীত হবে না কারণ সোশ্যাল মিডিয়া থেকে যে ইনকাম আসে সেটা পে আউট করলে সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এ যুক্ত হয় তাই হুন্ডি করার অপশন নেই।
২৬ শে মে, ২০২৬ রাত ১০:২৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমার লেখায় ২টি বিষয় পরিস্কার করা হয়েছে যে,
............................................................................
ব্যাংক বলছে , বৈধ রেমিট্যান্স করমুক্ত: বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশীদের বৈধ উপায়ে (ব্যাংকিং চ্যানেল) পাঠানো
আয়ের ওপর এখন পর্যন্ত কোন আয়কর নেই।
প্রণোদনা: বৈধ পথে পাঠানো রেমিট্যান্স উৎসাহিত করতে সরকার উল্টো ২.৫% প্রণোদনা প্রদান করে থাকেন।
তবে ১লা জুলাই ২০২৬ ইং থেকে এই সংক্রান্ত কোন আইন প্রয়োগ হবে কিনা সেজন্য অপেক্ষা করতে হবে ।
কারন , ২টি ব্যাংক পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিচ্ছে ।
বৈধ রেমিট্যান্স করমুক্ত: বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশীদের বৈধ উপায়ে (ব্যাংকিং চ্যানেল) পাঠানো
আয়ের ওপর এখন পর্যন্ত কোন আয়কর নেই।
বিষয়টি বির্তকিত তাই সেখানে প্রশ্নবোধক চিহ্ন দেওয়া আছে ।
আপনার মতো আমিও উদ্বিগ্ন যে, এই ভূলের কারনে (বাস্তবায়ন হলে ) সরকার প্রচুর
রেমিট্যান্স হারাবে ।
১৪|
২৭ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৫২
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
খোকা ঘুমালো পাড়া জুড়ালো বর্গি এলো দেশে।
২৭ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: এভাবে বল্লে তো উদ্বেগ যাবে না
...........................................................
সরকার জনগনের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় যায়,
অতএব, ভূল পথে চালিত হলে ,সচেতন ষ্টেক হোল্ডার
থেকে প্রতিবাদ , আলোচনা উদ্বেগ জানাতে হবে ।
১৫|
২৭ শে মে, ২০২৬ দুপুর ২:৩১
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।
২৭ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৪২
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: রেমিটেন্স প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ দেশ,
যা বিশ্বে সপ্তম স্থানে রয়েছে।
..............................................................................................
২০২১ সালে দেশটি প্রায় ২২.১ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স পেয়েছে এবং
গত ১৬ বছরে এই প্রবাহ দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
২০২৫ সাল নাগাদ এই প্রবাহ ৩২.৮ বিলিয়ন ডলারে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে,
যা অর্থনীতিতে এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরে। রেমিটেন্স পারিবারিক আয়,
দারিদ্র্য হ্রাস এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।
এটি বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় অভ্যন্তরীণ ভোগ ও বিনিয়োগকেও সহায়তা করে।
এই প্রবৃদ্ধি বিদেশে, বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় কর্মরত
বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশীর উপস্থিতিকেই প্রতিফলিত করে।
ধারাবাহিক নীতিগত সহায়তা এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি প্রচেষ্টা রেমিটেন্সের প্রভাবকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
...........................................................................................................................................
এখন অবিবচেকের মতো ট্যাক্স বসালে আম ও ছালা দুটোই হারাবে ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৬ শে মে, ২০২৬ ভোর ৪:৪৫
ঢাকার লোক বলেছেন: বিষয়টা সরকারি ভাবে পরিস্কার করা দরকার যাতে যারা বিদেশ থেকে টাকা পাঠাচ্ছেন বা দেশে পাচ্ছেন তাদের কাছে স্পষ্ট হয়। আমি গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে কিছু টাকা MoneyGram এর মাধ্যমে পাঠিয়েছি। লক্ষ্য করেছি ব্যাঙ্ক একাউন্টে পাঠালে ডলারে যে রেট দেয় বিকাশ একাউন্টে পাঠালে তার চেয়ে কিছু কম দেয়। আলাদা কোন ট্যাক্স দেখায় না, আমেরিকায়ও না, বাংলাদেশেও না।