নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

Ambivert, Swimmer Against The Stream, But I\'m Not Anti-Social, I\'m Anti-Idiots.

জ্যাক স্মিথ

লিখতে না পড়তে ভালো লাগে, বলতে না শুনতে ভালোবাসি, সেমি-ইন্ট্রোভার্ট।

জ্যাক স্মিথ › বিস্তারিত পোস্টঃ

শিশুদের প্রতি হুজুরদের কেন এই দুর্নিবার আকর্ষণ? | বলৎকার পিডিয়া

২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ১:১২



আমাদের দেশে প্রায় সারা বছরই দেশের কোথাও না কোথাও মাদ্রাসার হুজুরদের দ্বারা ছেলে শিশু বলৎকার, মেয়ে শিশুকে ধর্ষণের ঘটনার খবর শুনতে পাওয়া যায়, তবে ইদানিং এমন ন্যক্কারজন ঘটনার হার বেশ আশঙ্কাজনক ভাবে বেড়ে গিয়েছে। এর পিছনে মূল কারণ কি হতে পারে? এই বিষয়টাকে কে ভালো ব্যাখ্যা করতে পারবেন? যে সকল হুজুরগণ বলৎকার বা ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছেন তাদের বেশীরভাগের বয়সই ৫০+ তাদের স্ত্রী সন্তানও রয়েছে। তরুণ বয়সী হুজুগণ যদি এমন কান্ড ঘটাতো তাহলে অন্তত এর সহজ কিছু ব্যাখ্যা দাঁড় করানো যেতো কিন্তু এই বয়সে (৫০+) এসে এসব হজুরগণ কেন এমন কান্ড ঘটাচ্ছেন? এর পিছনে মনোজগত বা শারীরবৃত্তীয় কি কি কারণ থাকতে পারে? বয়স বাড়ার সাথে সাথে পুরুষের কি সত্যিই শিশুদের প্রতি আকর্ষণ বেড়ে যায়? না এর পিছনে রয়েছে মানসিক অথবা সামাজিক অবক্ষয়? নাকি শিক্ষার অভাব অথবা কু-শিক্ষা বা ধর্মীয় শিক্ষা? নাকি ব্যক্তিত্বের অধঃপতন? নাকি আমরা এখনো সেই আদিম যুগের বনের পশুই রয়ে গেছি?......... আমি আসলে বিষয়গুলো ভেবে কুল পাই না। 'বুড়ো বয়সে ভীমরতি' সামাজে কিন্তু এমন একটি কথা প্রচলিত রয়েছে। নাকি পুরুষ মানুষ বলতেই আসলে হিংস্র, শুধু সুযোগের অপেক্ষা- এমন কিছু? আমার ব্যক্তিগত গবেষণায় বলে- পুরুষের বয়স যত বাড়ে ধীরে ধীরে তাদের ব্রেইন পঁচতে থাকে, কমন সেন্স লোপ পায়, লাজ লজ্বা বলতে কিছু থাকে না, হিংসুটে হয়ে উঠে এবং অমানবিক আচারণ শুরু করে-- এটা হয়তো সব পুরুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় তবে অধিকাংশ পুরুষের ক্ষেত্রেই এটা সত্য-- আবার এমনও হতে পারে আমার পুরো গবেষণাটাই হয়তো ভুল ইহা আমার নিতান্তই বাজে অভিজ্ঞাতা।



নিচে হুজুরদের কিছু কুকীর্তির তথ্য ফাঁস করে দেওয়া হলো...

১৩ বছর বয়সী ছাত্রীকে বিয়ে করতে গিয়ে গ'ণ'ধো'লা'ই খেলেন ৫৩ বছর বয়সী মাদ্রাসা শিক্ষক!

ফরিদপুরে মসজিদের ভেতরে শিশু বলাৎকার চেষ্টার দায়ে ইমামের ৭ বছরের কারাদণ্ড



শরিয়তপুরে শিশু ধ*র্ষনের অভিযোগ, জামায়াত নেতা বললেন, শয়তানের ধোঁকায় পড়ে এটা করেছি

ভোলা চরফ্যাশনে আট বছরের এক শিশুকে বালাৎকার করে হাতেনাতে ধরা মাদ্রাসা শিক্ষক



আলিপুর, দিয়ার ও আমখোলায় বলাৎকারের সময় স্থানীয়দের হাতে হাতেনাতে আটক একজন, পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

টঙ্গীবাড়িতে শিক্ষার্থীকে ধ/র্ষ/ণের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আ'ট'ক



পটুয়াখালীতে মক্তবে পড়তে আসা এক শিশুকে ধ/র্ষ/ণের চেষ্টার সময় এক মসজিদের ইমামকে হাতেনাতে আ/টক

মেহেরপুরে মুজিবনগর আইডিয়াল মাদ্রাসায় শি’শু বলৎকারের অভিযোগ



নড়াইলে যৌ*ন নি’পী*ড়নের অভিযোগে ইমামকে পি/টি/য়ে পুলিশে সোপর্দ

মধ্যবয়স্ক নারীকে একা পেয়ে রাস্তাতেই জা/প/টে ধরল ভ/ণ্ড হুজুর



গভীর রাতে প্রবাসীর স্ত্রী'র ঘরে মসজিদের ইমাম

পটুয়াখালীতে ৬৫ বছরের বৃদ্ধের বিরুদ্ধে নিজ সন্তানকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, এলাকাজুড়ে তোলপাড়।

আরেক হুজুর হাতেনাতে ধরা

নড়াইলে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে শিশুকে যৌন নিপীড়ন; ইমাম গ্রেফতার

মা নাই এই সুযোগে..

জ্বিন তাড়ানোর নামে বাবাকে বের করে দিয়ে কি'শো'রী'কে দুই দ'ফা ধর্ষণ

মাদ্রাসা থেকে ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

কিশোরীকে ধ/র্ষ/ণে/র অভিযোগে মসজিদের ইমাম আটক

গত ৭ দিনে ১৫ টা বলাৎকার। আড়ালে কত?

মসজিদের ভেতরে ৭ বছরের ছেলেকে ইমাম হুজুর বল'ৎ'কারি। হুজুরদের কঠিন শব্দ'বো'মা- সেফাত উল্লাহ সেফুদার



আসলে এমন হাজারো ঘটনা রয়েছে সব তো আর দেয়া যায় না, এই ধরনের নিউজগুলো সধারণত লোকাল পেজ অথবা অপেক্ষাকৃত কম পরিচিত সংবাদ মাধ্যমগুলোতে আসে, মেইনস্ট্রিম মিডিয়াগুলোতে এই নিউজগুলো খুব একটা প্রচার হয় না কারণ এতে তাদের ভিউ বাণিজ্য কমে যায়, কোন মিডিয়া যদি রেগুলার এ ধরনের নিউজ প্রচার করে তাহলে নিশ্চিত উক্ত মিডিয়া নাস্তিক মিডিয়া হিসেবে খেতাব পাবে এবং তাদের ফলোয়ার সংখ্যা কমে যাবে। তার চেয়ে বরং আলহামদুলিল্লাহ/সুভাহানাল্লাহ টাইপের নিউজই ভালো তাদের কাছে, এতে প্রচুর ভিউ বানিজ্য হয় এবং লাইক, কমেন্ট, শেয়ারের বন্যা বয়ে যায়। হুজুরদের দ্বারা এসব ধর্ষণের ঘটনার নিউজে সাধারণত খুব একটা লাইক/কমেন্টস পরে না এবং শেয়ারও খুব কম হয় কারণ; দেশের তৌহিদী জনতা হুজুরদের এসব কুকীর্তি সাধারণত চেপে যায় বা এড়িয়ে যায় শেয়ার তো দুরের কথা, যে কারণে দেশের প্রথম সারির মিডিয়াগুলো এসব নিউজ প্রচার করতে খুব একটা আগ্রহী হয় না।

মাদ্রাসায় এসব ধর্ষণের বিরুদ্ধে তাহেরী হুজুর কিন্তু এবার মুখ খুলেছে যা ভালো লক্ষণ।



শুধু তাহেরী হুজুর নয় আসলে হুজুরদের এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে আমাদের সকলের রুখে দাঁড়াতে হবে।







এদিকে আরেক চাইনিজের কান্ড দেখুন...... :-P




জনস্বার্থে লেখাটি শেয়ার করুন।

মন্তব্য ২০ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (২০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ২:০৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: হুজুরদের বিরুদ্ধে ইহুদি-নাসারাদের ষড়যন্ত্র ।

২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ২:২৬

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: একদল বলে সব ভারতের ষড়যন্ত্র আরেকদল বলে সব ইহুদি-নাসারাদের ষড়যন্ত্র। =p~

আমি বলি- একমাত্র বোকা ও গবেট শ্রেণীর জাতিকেই বার বার ষড়যন্ত্রের ফাঁদে ফেলানো যায়।

২| ২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ২:২৯

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বয়স বাড়ার সাথে সাথে পুরুষের কি সত্যিই
শিশুদের প্রতি আকর্ষণ বেড়ে যায়?

...............................................................
ইহা একটি মানসিক ব্যাধি,
সমাজ সুন্দর হলে মানবতার সুবাতাস থাকলে,
ঈ-মান জোরালো হলে এবং খাঁটি মুসলমান হলে
এই ধরনের ঘটনা ঘটতে পারেনা ।
.....................................................................
এ বিষয়ে , সরকার ও সমাজের গূরূত্বপূর্ণ দ্বায়িত্ব আছে ।

২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ২:৩৯

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আমার মনে হয় এর জন্য আমাদের সমাজ ব্যবস্থাই দায়ী, সাথে কু-শিক্ষার প্রভাব তো রয়েছেই। তাছাড়া নিজের উপর যাদের নিয়ন্ত্রণ থাকে না আমি তাদের পশুতুল্য মনে করি।

৩| ২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ২:৩৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ যে ভারত-বিরোধী, সেটা লীগের পতনের আগেই পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছিল। কিন্তু আসল চমকটা দেখা গেল লীগের পতনের পর, যখন ড. ইউনূস দায়িত্ব নিলেন এবং 'রিসিপ্রোকাল ট্রিটি'র আলোচনা সামনে এল। তখন হঠাৎ দেখা গেল, অনেক মানুষ আবার তীব্র আমেরিকা-বিরোধী হয়ে উঠেছে। মজার ব্যাপার হলো, এরা চীন আর রাশিয়াকে খুব পছন্দ করে ; এই কারণে যে, এই দুটি দেশ ভারত ও আমেরিকা-বিরোধী জোটের প্রধান(আলাদা) অংশ। চীন বা রাশিয়া নিজেদের দেশে কী করছে তা বড় কথা নয়, তারা আমাদের শত্রুর বিরোধী ; ব্যস, এটুকুই যথেষ্ট। আন্তর্জাতিক রাজনীতিকে ঠিক এই সহজ সমীকরণে বিচার করাটাই হলো বাঙালি মুসলমানের মন-মানসিকতা। ;)

২৭ শে মে, ২০২৬ রাত ২:৪৯

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: এমন মথা মোটা জাতি বর্তমান বিশ্বে বিরল। আমি ১ মিনিট গবেষণা করে দেখলাম পুরো বিশ্বের কোন দেশই এই মাথা মোটা জাতির বন্ধু নয় বরং প্রভু। এমনকি স্বয়ং ফিলিস্তিনের নাগরিকরাও বাঙালী জাতিকে চাকরের জাতি মনে করে- যারা মিডলইস্টে থাকে আমি সরাসরি তাদের মুখ থেকেই শুনেছি।

৪| ২৭ শে মে, ২০২৬ ভোর ৬:১০

আলামিন১০৪ বলেছেন: এমনভাবে লিখলেন যেন, মাদ্রাসাতেই বেশি ধর্ষণ হয়, বাকিরা সাধু!!!

ভারতীয় উপমহাদেশে এত জন্ম হার কেন? কারণ এ অঞ্চলের মানুষের কুরকুরানি বেশি- আপনিও এর ব্যতিক্রম নন

২৭ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:০৫

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: দেশের মাদ্রসাগুলোই হচ্ছে বলৎকারে আঁতুরঘর, এখান থেকে লাইভ দেখুন

খেপেছে এবার তাহেরী হুজুর।



৫| ২৭ শে মে, ২০২৬ সকাল ৭:২২

কলাবাগান১ বলেছেন: একটা মিম দেখেছিলাম যে এই হুজুর রাই সমকামীদের বিরূদ্ধে জিহাদ ঘোষনা দেয়, বিল্ডিং থেকে হাত-পা বেধে ছুড়ে ফেলে দেয় আবার নিজে শিশুদের.......

২৭ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:০৯

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: সমকামীর আঁতুরঘর কিন্তু এসব মাদ্রাসাগুলোই এখানে লাইভ দেখানো হচ্ছে। হুজুরদের কিন্তু বউ ছেলে-মেয়ে আছে কিন্তু তারপরেও কেন তারা সমকামীর দিকে আসক্ত তা আমি আজও বুঝতে পারছি না।

৬| ২৭ শে মে, ২০২৬ সকাল ৭:৩৪

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: মাদ্রাসার থেকেও আরো বেশি ধর্ষন হয় মাদ্রাসার বাহিরে,স্কুল, কলেজ ভার্সিটিতে।সেই তুলনায় মাদ্রাসা অনেক ভালো অবস্থানে রয়েছে।মাদ্রাসার শিক্ষা মূলত অশ্লীলতা এবং ধর্ষনের বিরুদ্ধে,তারপরেও যদি দু একটি দুর্ঘটনা ঘটে যায়,তা অবশ্যই মানবিক দুর্বলতার কারনে।এবং এই সমস্ত অভিযোগে সুস্পষ্ট প্রমানের অভাব রয়েছে।।যদি প্রমানিত হয় এর বিচার কতৃপক্ষ,আইন এবং আদালত করবে।এর জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোনোভাবেই দায়ী নয়।এর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্তা নেওয়া উচিত,যেন এহেন গর্হিত কর্ম কোনোভাবেই না ঘটে।আর যদি ঘটে এবং দোষ প্রমানিত হয় তাহলে দ্রুত দোষীদেরকে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।

আমি জানিনা উক্ত লেখক কেন এই বই লিখিয়াছে,মানষিক চুলকানি থাকিতে পারে :| যা হোক বইটা পড়ার ইচ্ছা রহিয়াছে।

২৭ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:১৪

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: পুরো বাংলাদেশের প্রাইমারি স্কুলগুলোতে কোন শিশু শিক্ষকেক দ্বারা বলৎকারের শিকার হয়েছে এমন ঘটনা আমি আজ পর্যন্ত শুনিনি। মাদ্রসাগুলোই মুলত বলৎকার এবং শিশু নির্যাতনের আঁতুর ঘর।

ক্ষেপেছে এবার তাহেরী হুজুর..।


৭| ২৭ শে মে, ২০২৬ সকাল ৭:৫৪

মাথা পাগলা বলেছেন: শিশুদের জন্য যদি কোন দোজখ থাকে - সেটা হচ্ছে বাংলাদেশের মাদ্রাসা।

২৭ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:১৬

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: মাদ্রসাগুলো যেন এক একটি এপিস্টাইন দ্বীপ, এদের বিরুদ্ধের আমাদের সকলের রুখে দাঁড়াতে হবে।

৮| ২৭ শে মে, ২০২৬ সকাল ৮:৩২

অগ্নিবাবা বলেছেন: আমি আলামিন ভাই, সুলাইমান ভাইয়ের সাথে একমত। মাদ্রাসাতে ভালো্ভাবে ধর্ষন হয় না, এখানে গেলমান গেলমান খেলা হয়, এই খেলার মাধ্যমে বেহস্তের গেলমানদের কিভাবে ইস্তেমাল করা যায় উহা শেখা যায়।

প্রাচীনকালের বিভিন্ন সাহিত্যে যেভাবে বিলাসী জীবনযাপনের অংশ হিসেবে হেরেমভর্তি সুন্দরী যুবতী নারীর কথা বলা আছে, একইভাবে গেলমান বা শিশুকিশোর প্রমোদ বালকদের কথাও বলা আছে। ১৪০০ বছর আগে ইসলামের আবির্ভাবের পূর্বেও আরবের সাহিত্যে বা কবিতায় এই ধরণের অনেককিছুরই প্রমাণ পাওয়া যায়। একইভাবে, কোরআনেও জান্নাত বা বিশ্বাসীদের অনন্ত যৌনাচার আর ভোগবিলাসের স্থানে এই নেয়ামতগুলোর বর্ণনায় তিন জায়গাতে গেলমানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

তাদের কাছে ঘোরাফেরা করবে চির কিশোরেরা।
পানপাত্র কুঁজা ও খাঁটি সূরাপূর্ণ পেয়ালা হাতে নিয়ে,
– সূরা ওয়াকিয়া, আয়াত : ১৭–১৮

সুরক্ষিত মোতিসদৃশ কিশোররা তাদের সেবায় ঘুরাফেরা করবে।
– সূরা তুর, আয়াত : ২৪

তাদের কাছে ঘোরাফেরা করবে চির কিশোরগণ। আপনি তাদেরকে দেখে মনে করবেন যেন বিক্ষিপ্ত মনি-মুক্তা।
– সূরা দাহর, আয়াত : ১৯

অনেক ইসলামিস্টই বলার চেষ্টা করবেন যে, ঐসকল গেলমান বা প্রমোদ বালকদের সাথে যৌনকর্মের কথা কোরআন হাদিসে বলা নেই। কিন্তু সুন্দরী গোলাকার স্তনের হুর এবং মুক্তার মত সুন্দর চির কিশোর বালক কী কাজে লাগে, সেগুলোর ইঙ্গিত তো পরিষ্কার। যেখানে জান্নাত হচ্ছে অনন্ত ভোগ বিলাস আর আরাম আয়েশের জায়গা।

২৭ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:২৭

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: ঠিক বলেছেন মাদ্রাসায় আসলে কোন বলৎকার বা শিশু নির্যাতন হয় না এখানে মূলত গেলমান গেলামান খেলা শিখানো হয়। =p~

ইসলামিক কালচার বা ইসলামিক ভাবধারা বলৎকার বা শিশু নির্যাতনের জন্য সরাসরি দায়ী, পাকিস্তান আর আফগানিস্তানে এগুলো হচ্ছে হরহামেশা।

আমাদের বাংলাদেশের তৌহিদী জনতার নারীগণ সৌদি আরবে গিয়ে সরাসরি সার্ভিস দিয়ে ভালো টাকা কামাচ্ছে।

৯| ২৭ শে মে, ২০২৬ সকাল ১০:০৪

কাঁউটাল বলেছেন: তো সেদিন আমি কারও নাম উল্লেখ না করে একটি বেনামী খবর দিয়েছিলাম। কিন্তু আরও অনেক কিছু প্রকাশ করার আছে, এবং আমি সবার নাম উল্লেখ করব।
আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত যে ব্যক্তি বর্তমানে পিএমও-তে কর্মরত এবং পূর্বে সিএও ছিলেন, তিনি আর কেউ নন, আশিক চৌধুরী।
তাঁর মামা, যিনি দীর্ঘতম সময় ধরে পররাষ্ট্র সচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ারের প্রথম অধিকারী, তিনি হলেন শহিদুল হক। তিনি জাতিসংঘের মতো সমস্ত আন্তর্জাতিক মঞ্চে আওয়ামী লীগ সরকারের মানবাধিকার লঙ্ঘনের জোরালোভাবে পক্ষ সমর্থন করেছেন। প্রকৃতপক্ষে, তিনি সমস্ত মানবাধিকার লঙ্ঘন ধামাচাপা দিয়েছিলেন, যে কারণে সরকার যতদিন সম্ভব কোনো রকম পরিণতি ছাড়াই পার পেয়ে যেতে পেরেছিল।
অন্য দুই মামা হলেন এটিএম তারিকুজ্জামান এবং এটিএম তাহমিদুজ্জামান। বস্তুত, এই সরকারের আমলে এটিএম তারিকুজ্জামানকে ক্ষমতায় ফেরাতে আশিকই কলকাঠি নেড়েছিলেন (অর্থাৎ, আমির খসরুর তাঁর প্রতি অনুরাগ কাজে লাগিয়েছিলেন)। সেই পরিকল্পনা এখনও সফল হয়নি। এটিএম তাহমিদুজ্জামান ২০২৪ সালের প্রথমার্ধে আশিকের স্কাইডাইভিং ভ্রমণের অর্থায়নের জন্য ইউসিবি থেকে ২ কোটি টাকার একটি স্পনসরশিপ চুক্তির ব্যবস্থা করেন।
তার [আশিক চৌধুরীর] আরেক আত্মীয় হলেন শমী কায়সার, যিনি, যেমনটা আমরা সবাই জানি, আওয়ামী লীগ সরকারের একজন বড় সুবিধাভোগী ছিলেন এবং অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে আট মাস জেল খেটেছেন।
তার প্রয়াত শাশুড়ি, সঙ্গীতা খান, প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগপন্থী ছিলেন এবং নারী কোটায় আওয়ামী লীগের এমপি মনোনয়নের জন্য সক্রিয়ভাবে চেষ্টা করেছিলেন।
তার চাচাতো ভাই, হাসিনার আরেকজন অনুগত, হলেন এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান। বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে, তিনি তার চাচা শহিদুল হকের মতোই অবসরের পরেও আওয়ামী লীগ সরকারের কাছ থেকে বারবার চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি পেয়েছেন।
বিভিন্ন বিমানবন্দর-সম্পর্কিত প্রকল্প থেকে ৮১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তিনি বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তাধীন রয়েছেন। তার সহ-অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন কুখ্যাত তারেক আহমেদ সিদ্দিকী, যিনি শেখ রেহানার শ্যালক। মামলাগুলোর মধ্যে একটি হলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল সম্প্রসারণ প্রকল্প থেকে ২৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনা।
এখন ভাবুন তো? আশিক বর্তমানে এই সরকারের অধীনে তৃতীয় টার্মিনালটি চালু করার কমিটির একজন সদস্য। আপনি কি এখানে স্বার্থের সুস্পষ্ট সংঘাত এবং গুরুতর নৈতিক উদ্বেগ দেখতে পাচ্ছেন না? আপনি কি মনে করেন, যখন অভিযুক্তদের একজনের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় একজন প্রতিমন্ত্রী, যিনি তার আত্মীয়দের রক্ষা করার জন্য কলকাঠি নাড়ছেন, তখন দুর্নীতির তদন্ত স্বাভাবিকভাবে চলতে পারে?
আমি আগেই আপনাদের বলেছি যে, তিনি তার মামা, এটিএম তাহমিদুজ্জামানকে বরখাস্ত না করার জন্য ইউসিবি কর্তৃপক্ষকে ভয় দেখাতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে ব্যবহার করেছিলেন।
মাফিদুলের ছোট ভাই হলেন রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসা। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে, মুসা আশিকের প্রভাব খাটিয়ে শহিদুল হক ও মফিদুর রহমানের প্রাপ্ত মেয়াদ বৃদ্ধির অনুরূপ এক অভূতপূর্ব এক বছরের জন্য চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি আদায় করে নেন, যা আগস্ট ২০২৫ থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত কার্যকর থাকে। এই মেয়াদ বৃদ্ধি নৌবাহিনীর পরবর্তী পদোন্নতি এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের সুযোগের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
যেহেতু বর্তমান নৌপ্রধান ২০২৬ সালের জুলাই মাসে অবসর নিতে চলেছেন, তাই জুনিয়র অফিসারদের পদোন্নতি আটকে দেওয়া বিতর্কিত মেয়াদ বৃদ্ধির সুবিধা পাওয়া সত্ত্বেও মুসা আশিকের সমর্থনে পরবর্তী নৌপ্রধান হওয়ার জন্য তদবির করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
শহিদুল হকের মতো মুসাও অতিরিক্ত ভারতপন্থী বলে জানা যায়। উদাহরণস্বরূপ, মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান থাকাকালীন দেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ৬,০১৪ কোটি টাকার একটি প্রকল্প এগিস নামের একটি ভারতীয় কোম্পানিকে দেওয়া হয়। প্রকল্পটি মূলত ভারতীয় ঋণ সহায়তার মাধ্যমে অর্থায়ন করা হচ্ছে। মংলা বন্দর ভারতকে ভারত মহাসাগরের কৌশলগত পয়েন্টগুলিতে প্রবেশের সুযোগ করে দিয়েছে এবং এটিকে চীনের ওপর ভারতের একটি বড় বিজয় হিসেবে দেখা হয়। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মুসা শেখ হাসিনার প্রশংসা করে একটি ভাষণ দেন এবং ভারতের সঙ্গে এই ধরনের সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
মুসা সরাসরি হাসিনার কাছ থেকে একটি জাতীয় পতাকাও গ্রহণ করেন, তার কমান্ডেড শিপের পদবির অংশ হিসেবে নিজের দাপ্তরিক জীবনবৃত্তান্তে হাসিনার বাবার নাম অন্তর্ভুক্ত করেন এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল শেখ মামুন খালেদের মতোই লন্ডনে মর্যাদাপূর্ণ কিন্তু রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত প্রশিক্ষণের সুযোগ (যেমন আরসিডিএস) লাভ করেন। তিনি অল্প সময়ের জন্য গোয়েন্দা পরিচালক এবং দীর্ঘ সময় নৌ সদর দপ্তরে নৌ সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
আওয়ামী লীগ শাসনামলে, র‍্যাব এবং ডিজিএফআই-তে বিতর্কিত কর্মকর্তাদের নিয়োগে মুসা ভূমিকা পালন করেন। এছাড়াও, দীর্ঘ সময় ধরে নৌ পরিকল্পনা পরিচালক হিসেবে তিনি তারেক আহমেদ সিদ্দিকীর নির্দেশনায় বড় বড় মূলধন সংগ্রহ প্রকল্প প্রক্রিয়াকরণের দায়িত্বে ছিলেন। সুতরাং, মুসার অযাচিত চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি অবিলম্বে বাতিল করা উচিত।
এখন এই সরকারের কাছে আমার প্রশ্ন হলো, তারা আশিকের মতো একজনকে কীভাবে চাকরিতে বহাল রাখতে পারে? শুধু যে তার পরিবার আওয়ামী লীগের মদতপুষ্টিতে পূর্ণ তাই নয়, সে তার বর্তমান পদমর্যাদা ব্যবহার করে তাদের রক্ষা করছে এবং সুবিধা দিচ্ছে। জুলাইয়ের সেই চেতনার কী হলো?
আমি অবাক হয়ে ভাবি, অন্তর্বর্তীকালীন দিনগুলোতে এনসিপি এবং জামায়াত কী কারণে চুপ ছিল! সর্বোপরি, তারা কি ‘ফাসিবাদের দশরদের’ ঘোর বিরোধী নয়? এমন একজন ব্যক্তি কীভাবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এত বড় অংশ হয়ে উঠলেন?
[জুলকারনিয়ান সায়েরের ফেসবুক প্রোফাইল পেজ থেকে বাংলায় অনূদিত]

২৭ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:৩০

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: ধন্যবাদ, কিন্তু আপনার কমেন্ট'টি এই পোস্টের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয় খুব সম্ভবত আপনি কমেন্ট'টি আমার আগের পোস্টে করতে চেয়েছিলেন।

১০| ২৭ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৫৭

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

এই সব কিছুই একটি বিশেষ ধর্মের অবদান।

২৭ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:৩২

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: ইসলামিক কালচার বা ইসলামিক ভাবধারা বলৎকার বা শিশু নির্যাতনের জন্য সরাসরি দায়ী, পাকিস্তান আর আফগানিস্তানে এগুলো হচ্ছে হরহামেশা।

আমাদের বাংলাদেশের তৌহিদী জনতার নারীগণ সৌদি আরবে গিয়ে সরাসরি সার্ভিস দিয়ে ভালো টাকা কামাচ্ছে্।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.