| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দুই ঘণ্টা বিমানবন্দরে বসিয়ে রাখা হয়েছে, প্রবেশও করতে দেয়নি। তারপরও ঘোষণা দিলেন - আবার আমন্ত্রণ পেলে যাবেন।
ভারতবিরোধী কথা বলা ছিলো তার রাজনৈতিক স্ট্যান্ড পয়েণ্ট, কারো কাছে নতি স্বীকার করবো না বলে হুংকার দিতেন। গতকাল রাতেও ভারত খারাপ, ভারত অন্যায় করে, ভারত আধিপত্যবাদী এসব কথা বলেছিলেন। এখন তিনি ভারতের সাথে "এনগেজমেন্ট" করার ব্যাপারে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করছেন। মনে হয় না ভারত তার প্রস্তাবে সাড়া দিবে। বিমানবন্দরের দুই ঘণ্টার অপেক্ষা হয়তো তার জীবনের শিক্ষনীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে।
অবস্থান পরিবর্তন না করলে তিনি হয়তো পদ হারাতেন। আর তার কথাগুলো সরকার শুনলে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও অবনতি হতো।
নিউজ লিংক
আমন্ত্রণ পেলে আবারও ভারতে যাব: উপদেষ্টা জাহেদ
১৭ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:৩৩
মাথা পাগলা বলেছেন: বাংলাদেশে কোনো ঘটনা ঘটলেই উনি সেখানে ভারতের ষড়যন্ত্র আবিষ্কার করে ফেলেন। ২০২৪-এর পর তার টক শো ও ইউটিউব বেশ আগ্রহ নিয়ে দেখতাম। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাকেও পিনাকী-ইলিয়াস মতোই মনে হয়েছে। আপনার তার কথা ভালো লাগবে, কারণ ভারত আর হাসিনাকে দায়ী করা ছাড়া অন্য কোনো ব্যাখ্যা আপনার কাছে গ্রহণযোগ্য হয় নয়।
২|
১৭ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমি ভারত এর কোনো ফাউল বিরোধিতা করি না । সবার আগে জাহিদ ভাই কে নিয়ে আমিই লিখেছি; সেই লেখায় কেউ কেউ আমাকে ভারতের দালাল বলতে চেয়েছেন । লেখা পড়ে কোথাও মনে হয়েছে যে আমি ভারতকে দোষ দিয়েছি ? ![]()
৩|
১৭ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৫১
রাজীব নুর বলেছেন: এই ঘটনায় বিএনপি বুঝতে পেরেছে, ভারত তাদের কি চোখে দেখে।
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ভারতের নীতির সমালোচনা করা আর ভারতবিদ্বেষ ছড়ানো এক কথা নয়। তিনি কখনোই দিল্লি কিংবা পাকির অন্ধ সমর্থক ছিলেন না। শেখ হাসিনার সমালোচনা করতে গিয়ে তিনি জয়শঙ্কর ও অজিত ডোভালেরও সমালোচনা করেছেন—হয়তো সবক্ষেত্রে তার প্রয়োজন ছিল না। কিন্তু মোদির উগ্রবাদী রাজনীতির সমালোচনা করা সঠিক ছিলো; দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বর্তমান ঘটনাটিকে আওয়ামী লীগ ও জামায়াত-শিবির উভয়েই নিজেদের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে, যা নিঃসন্দেহে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।