| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের আলোচনায় বাংলাদেশে আল-কায়েদার উপস্থিতি নিয়ে অভিযোগ এসেছে। সময়টাও বেশ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ একই দিনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক এবং ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরকারের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির একাধিক বৈঠকের খবর পাওয়া যায়। জাতিসংঘের এই রিপোর্ট প্রকাশের পরপরই FBI বিষয়টি নিয়ে তৎপর হয়েছে বলেও খবর পাওয়া যাচ্ছে। পাইপ কিংবা প্রেসার কুকার বোমা উদ্ধারের নিউজ বের হচ্ছে। বাংলাদেশের এক বিশেষ শ্রেণি চায় না তারেক রহমান ভারত সফরে যান। বিষয়টি তাই শুধু একটি বিচ্ছিন্ন নিরাপত্তা-অভিযোগ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
শেখ হাসিনা সরকারের সময় জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে যে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছিল, তার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য ছিল এসব জঙ্গি সংগঠনের সাংগঠনিক সক্ষমতা ভেঙে দেওয়া এবং তাদের স্বাভাবিকভাবে কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ না দেওয়া। বিশেষ করে হলি আর্টিজানের পর রাষ্ট্র যখন জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান নেয়, তখনও প্রশ্ন উঠেছিল - এতটা কঠোরতা কি সত্যিই প্রয়োজন ছিল? বরং শেখ হাসিনা সরকারের জঙ্গিবিরোধী অভিযানকে একশ্রেণির সমালোচক - রাজনৈতিক কৌশল, ক্ষমতা ধরে রাখার নাটক কিংবা বিরোধীদের দমন করার অজুহাত হিসেবে ব্যাখ্যা করেছিল।
তবে জুলাই বিপ্লবের পর জঙ্গিবাদ মোকাবিলার পরিস্থিতিও বদলে যেতে শুরু করে। ইউনুস সরকারের আমলে জঙ্গিদের প্রতি সরকারের নরম ও সহনশীল অবস্থান ছিল বেশ স্পষ্ট - কারাগার ভেঙে পালিয়েছে কিংবা জামিনে মুক্ত করা হয়েছে। খুব সম্ভবত ৭১ মুছে ফেলা এবং জুলাইয়ের প্রতিবিপ্লব ঠেকানোর মেটিকুলাস ডিজাইনের অংশ। বিভিন্ন জঙ্গি ও উগ্রপন্থী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মুক্তি, তাদের অতীত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন না তোলা এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য করে তোলার প্রবণতা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। যাদের একসময় রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল, সময়ের ব্যবধানে তাদের কেউ ‘নির্দোষ’, কেউ ‘নির্যাতিত’, আবার কেউ কেউ ‘হিরো’ হিসেবেও উপস্থাপিত করা হয়েছে।
রাষ্ট্র কি সত্যিই অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিচ্ছে, নাকি জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে যে অবস্থান ও কাঠামো তৈরি করা হয়েছিল, সেখান থেকে ধীরে ধীরে সরে গিয়ে আবারও একই ঝুঁকির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
আল কায়েদা বাংলাদেশে ‘নেটওয়ার্ক’ সম্প্রসারণের চেষ্টা করছে: জাতিসংঘের প্রতিবেদন
১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:২৯
মাথা পাগলা বলেছেন: ইউনুস স্যার সবার আগে মামলা থেকে নিজের নাম কাটিয়েছেন। নিজের কোম্পানীর জন্য যতো ধরনের অবৈধ সুযোগ-সুবিধা নেয়া যায়, নিয়েছেন। ক্ষমতা ছাড়ার আগে নিজেকে ১ বছরের জন্য "ভিভিআইপি" ঘোষণা করে দিয়ে গেছেন। ইউনুস স্যার ক্ষমতায় থাকাকালীন অবস্থায় একটা ভালো কাজ করে গেছেন কিনা সন্দেহ আছে। তারেক রহমানের হ্যাডম থাকলে এগুলা নিয়ে কথা বলতেন।
২|
১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৫৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জংগীবাদের সমস্যা সমাধান করতে হলে গোড়ায় হাত দিতে হবে।
১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:২৮
মাথা পাগলা বলেছেন: কিছুদিন আগে সালাউদ্দিন আহমেদ - জঙ্গি নেই, সব ফ্যসিস্টদের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার অজুহাত বলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে "আকসা"র ৪ সদস্য অস্ত্র, গোলাবারুদ, ডেটোনেটর ও ড্রোনসহ আটক।
৩|
১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫
রানার ব্লগ বলেছেন: সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জংগীবাদের সমস্যা সমাধান করতে হলে গোড়ায় হাত দিতে হবে।
গোড়ায় হাত দিন আর আগায় হাত দিন দয়া করে নাটক বলে উত্তেজিত হবেন না ।
৪|
১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১২
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
নারী আসক্ত দাগী কালপ্রিট সুদখোর দুই বিয়ে করে দুই সংসারে অজস্র টাকা দিয়েছে। সংসারে, সংসার ধর্ম পালন করতে হয়। টাকা দিয়ে সংসার হয় না। গরিবের টাকা কিভাবে আত্মসাৎ করা যায় সমগ্র বিশ্বে তার রোল মডেল ও পদকপ্রাপ্ত দালাল ও সুদখোর।
আপনি ১০০% নিশ্চিত থাকুন এই দালালের পূর্বপুরুষ অবশ্যই পাকিস্তানি অথবা কাবুলিওয়ালা ছিলো।
১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৬
মাথা পাগলা বলেছেন: আবদুন নূর তুষার ইউনুসকে নিয়ে একটা স্ট্যাটাস দিয়েছেন - বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা কেবিন পুরো আঠারো মাস তার জন্য বরাদ্দ করা ছিলো।
অথচ শিশুদের টিকা নিয়ে ইউনুস মনোপোলি খেলা খেলেছেন। কিছুদিন আগে নিউজে পড়লাম প্রতি দুইজনের মধ্যে একজন হামের শিকার।
৫|
১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৫
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যাবস্হা যা মূলতঃ ১৮৬৬ সালের এন্টিক পিস, এইটা বাতিল করতে হবে।
কারন এই মাদ্রাসা শিক্ষারই মাঠ পর্যায়ের ফলাফল হলো বর্তমান পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।
মোটা দাগে লিল্লাখোরদের মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, ওয়াজ এসবের সমবায়ে যে বিশাল বানিজ্য এটা বন্ধ করা জরুরী।
আরো তো মুসলিম দেশ পৃথিবীতে আছে। ওরাও তো ইসলাম মেনে চলা মুসলমান তাই না।
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:০৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ইউনুস সরকারের আমলে জঙ্গিদের প্রতি সরকারের নরম ও সহনশীল
অবস্থান ছিল বেশ স্পষ্ট - কারাগার ভেঙে পালিয়েছে কিংবা জামিনে মুক্ত করা হয়েছে।
...................................................................................................................
নিজে অন্যায় করতে হলে অন্যকে আগে করতে দিতে হয় । তাই বিপ্লবের অজুহাতে সকল
জঙ্গী ও খুনীরা অনায়াসে ঐদিন জেল থেকে বের হয়ে গেছে । তারা মব করেছে , আর তৎকালীণ
ইন্ট্রীম সরকারে থাকা কেউ কেউ তার যত অপরাধ জায়েজ করেছে ।
=============================================================
সুতরাং দেশ বাচাতে হলে সকলকে সৎ হতে হবে, জনগনের কল্যাণে কাজ করতে হবে ।