নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস...খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে...কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়।আমার অদক্ষ কলমে...যদি পারো ভালোবেসো তাকে...ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে,যে অকারণে লিখেছিল মানবশ্রাবণের ধারা....অঝোর

জুল ভার্ন

এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস... খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে... কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়। আমার অদক্ষ কলমে... যদি পারো ভালোবেসো তাকে... ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে, যে অকারণে লিখেছিল মানব শ্রাবণের ধারা.... অঝোর শ্রাবণে।।

জুল ভার্ন › বিস্তারিত পোস্টঃ

ফিরে এসো অনুরাধা, ভেঙে দিয়ে সব বাঁধা....

১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৩

ফিরে এসো অনুরাধা, ভেঙে দিয়ে সব বাঁধা....

শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন- ফিরতেই পারেন। তবে প্রশ্ন হলো, কীভাবে এবং কোন উদ্দেশ্যে?

বাংলাদেশে ফিরে আসা তাঁর জন্য অসম্ভব নয়। চাইলে তিনি দেশে ফিরতে পারেন। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে বিচারাধীন গুরুতর অভিযোগ ও আদালতে উপস্থাপিত প্রমাণের প্রেক্ষাপটে দেশে ফিরলে তাঁকে অবশ্যই আইনের মুখোমুখি হতে হবে। ফিরে এসে নিজেকে আইনের হাতে সমর্পণ করার সাহস থাকলেই কেবল সেই প্রত্যাবর্তন অর্থবহ হবে।
যে মানুষ সত্যিই মনে করেন তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা, তাঁর জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী জবাব হলো- পালিয়ে না থেকে আদালতে দাঁড়িয়ে নিজের নির্দোষিতা প্রমাণ করা। কিন্তু বিদেশে অবস্থান করে ক্ষমতায় ফেরার স্বপ্ন দেখা আর আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বিচার মোকাবিলা করা- দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের যে অভিযোগগুলো বিচারাধীন এবং যেসব প্রমাণ আদালতে উপস্থাপিত হয়েছে, সেগুলোর চূড়ান্ত বিচার অবশ্যই আদালতেরই এখতিয়ার। কোনো রাজনৈতিক দল, সরকার কিংবা বিদেশি শক্তি আদালতের রায়কে প্রতিস্থাপন করতে পারে না। বিচারের প্রশ্নে শেষ কথা বলবে আদালত, প্রচারণা নয়।

তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু মানুষের উচ্ছ্বাস, “ডিসেম্বরে ফিরছেন”, “নেগোসিয়েশন চলছে”, কিংবা নানা ধরনের প্রত্যাবর্তনের গল্প- এসবকে রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলার কোনো কারণ নেই। রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত, প্রত্যর্পণ এবং বিচার- সবকিছুরই রয়েছে নিজস্ব আইনগত ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া।
আর ভারতের ভূমিকা নিয়েও আবেগ দিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না। ভারত একটি পরিণত রাষ্ট্র; বাংলাদেশের সঙ্গে তার সম্পর্কও অত্যন্ত জটিল ও কৌশলগত। ফলে তাদের প্রতিটি পদক্ষেপের পেছনে নিজস্ব জাতীয় স্বার্থ, কূটনৈতিক হিসাব ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশল কাজ করবে- এটাই স্বাভাবিক।

তবে একটি বিষয় পরিষ্কার-
শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন কি ফিরবেন না- এটি ভবিষ্যতের প্রশ্ন। কিন্তু তিনি ফিরলে বাংলাদেশের আইন তাঁর জন্যও একইভাবে প্রযোজ্য হবে।
ক্ষমতা মানুষকে অনেক কিছু দিতে পারে; কিন্তু আইনের ঊর্ধ্বে থাকার অধিকার কাউকেই দেয় না।
আজকের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা তাই শেখ হাসিনার জন্য নয় শুধু- বাংলাদেশের রাষ্ট্র ও বিচারব্যবস্থার জন্যও।

গুজব নয়, প্রমাণ চাই।
রাজনৈতিক দরকষাকষি নয়, আইনের শাসন চাই।
আর যদি সত্যিই দেশে ফেরার সাহস থাকে-
তাহলে আসুন, আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ইতিহাসের সামনে নিজের বক্তব্য রাখুন।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৪০

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: শিক্ষা জীবনে শিখেছিলাম, আইন ও আদালত নিরপেক্ষ
ন্যায় বিচারের একমাত্র প্রতিষ্ঠান ।

বর্তমানে চলমান ঘটনা সমূহ ভিন্ন কথা বলে ,
যেমন শুনতাম, বিটিভি তুমি কার, যখন যে ক্ষমতায় তার !
.......................................................................................
যাহারা একচোখা আইন প্রয়োগ করে , তার বিচার করবে কে ???

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.