| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মুচলেকা দিয়ে, গোপন সমঝোতা করে মীর জাফর কিংবা মীর কাসিমের মতো “কথিত ক্ষমতার” সিংহাসনে বসা যায় ঠিকই কিন্তু বসে বসে জনগণের সর্বনাশ দেখা ছাড়া তাদের বিশেষ কিছু করার থাকে না……কারণ ক্ষমতার প্রকৃত নাটাই তো তার হাতেই নেই। সে নাটাইয়ের সুতোর সাথে সংযুক্ত অন্য প্রান্তের ঘুড়ি মাত্র।
কোনও মুসলিম বা এমনকি কোন হিন্দু/বৌদ্ধ রাজার শাসনামলে এই উপমহাদেশে কোন বড় দুর্ভিক্ষ হয়েছে, এমনটা জানা যায় না কিন্তু ইংরেজদের গোলামী শুরুর পর বড় মাপের দু দুটো দুর্ভিক্ষের স্বাক্ষী এই উপমহাদেশের জনগণ।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান হিসেবে ইউনুস ক্ষমতা ছাড়ার মাত্র তিন দিন আগে দুষ্টুরাষ্ট্রের সাথে যে গোলামীর চুক্তি করেছে, তার ফলাফল হিসেবে ইংরেজদের জায়গায় এখন এসেছে দুষ্টুরাষ্ট্র, তাঁকে ছেড়ে দিতে হয়েছে তার জন্য প্রতিশ্রুত স্থান।
গ্যাসের অভাবে ৫ ই আগষ্টের পর শুধু টেক্সটাইল মিলই বন্ধ হয়েছে ৯০০ টি। বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও বন্ধ। সার কারখানা, ইস্পাত, কাগজ, ফ্লোট গ্লাস, গার্মেন্টস কারখানা তো আছেই। বেসরকারি খাত চলছে না। Cash in flow শূন্য। কিন্তু বড় বড় ব্যবসায়িক ঋণের বিপরীতে কমার্শিয়াল রেটের সুদের চাকা তো থেমে নেই। ঘুরছে আর NPL বা নন পারফর্মিং লোন ফুলে ফেঁপে দ্বিগুণ/চতুর্গুন হচ্ছে। বেসরকারী ব্যবসায়িক খাতের সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত আর্থিক খাত বা ব্যাংক ব্যবস্থা কি টিকতে পারবে? বেসরকারি খাতের অপেক্ষাকৃত নিরাপদ/নিষ্কণ্টক/সম্মানজনক চাকরী বা ব্যাংকের চাকরী কি আর নিরাপদ থাকবে? বাড়ি ভাড়ার ওপর নির্ভরশীল বাড়ির মালিকদের জমিদারি কি টিকে থাকবে?
দুর্ভিক্ষের আওয়াজ কি আমরা বাংলাদেশিরা শুনতে পাচ্ছি?
আমাদের ৭১
জামায়াতের পরিচয়হীনতার আদর্শ ও তার ধারক-বাহক ২.০ রাজাকার প্রজন্ম
২০২৪ পূর্ব আন্দোলন সমুহের সাপেক্ষে "২৪ এর জুলাই আন্দোলন ও আমাদের তরুন নেতৃত্ব"
২২ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:২৫
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: নাজেরিয়া কিংবা আলজেরিয়া থেকেও বাংলাদেশ এল এন জি আমদানী করতে পারে তাতে হরমুজ/বাব এল মান্দেব এর মতো সমুদ্র প্রনালীর ফাঁদে পড়তে হয় না।
কিন্তু বাংলাদেশকে ইউনুসের করা সেই গোলামীর চুক্তি মেনেই দুষ্টুরাষ্ট্র থেকেই ৩/৪ গুন বেশি দামে এল এন জি আমদানী করতে হবে।
২|
২২ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:১৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ৯০০ টি কারখানার মাঝে লোন ডিফল্টার কয়টা সেটা দেখা দরকার । বেশ কিছু মিডিয়া পতিত স্বৈরাচার এর পক্ষে কাজ করছে । আজকেও খবর হয়েছে সংবাদ মাধ্যমে যে কোনো বায়ার মুখ ফিরিয়ে নেয় নি। ![]()
২২ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:৫২
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: পতিত স্বৈরাচার খারাপ, সন্দেহাতিত ভাবেই খারাপ, কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধী কি তার বিকল্প হতে পারে? উন্নততর option ্হতে পারে? সমীকরনে স্বাধীনতা বিরোধী নামক ভ্যারিয়েবলেরই তা থাকার কথা ছিলো না। আচ্ছা মেনে নিলাম যে স্বাধীনতা বিরোধীরা ক্ষমতায়, এটাই বাস্তবতা। কিন্তু তাদেরকেও তো performance দেখাতে হবে। performance দেখিয়ে প্রমান করতে হবে যে তারা স্বাধীনতা বিরোধী হতে পারে কিন্তু স্বৈরাচারের চেয়ে তারা দেশ পরিচালনায় দক্ষ, যোগ্য। আড়াই বছরে কি সেই impression/vibe প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছে?
বাংলাদেশের অস্তিত্ত্বই নাই হয়ে গেলে, স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ, এসবই এমনকি স্বাধীনতা বিরোধীতাও অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাবে।
৩|
২২ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:০৪
বিষাদ সময় বলেছেন: দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি। লোড শেডিং প্রতিদিন ২ থেকে ৩ বার কিন্তু বিদুৎ এর বিল ডাবল। শেয়ার বাজারে পতন শুরু হয়েছে। শুধুমাত্র নিটওয়ার শিল্পে গত কয়েক দিনে হয়েছে শত শত কোটি টাকার লোকসান। অপরদিকে আইএমএফ কে খুশি করার জন্য নেয়া হয়েছে উচ্চভিলাষী কর আহরণের লক্ষ্যমাত্রা। অযৌক্তিক ভাবে সকল ব্যাবসায়ীর উপর বসেছে টার্নওভার ট্যাক্স।
এগুলো শুধু আইসবার্গের উপরের অংশ, নিচের অংশে কি হচ্ছে বা সেটা কত বড় তা অজানা।
২২ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৪
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: অযৌক্তিক ভাবে সকল ব্যাবসায়ীর উপর বসেছে টার্নওভার ট্যাক্স।
দিল্লী না ঢাকা বলে অপরাজনীতির মাঠ গরম করা যায় ঠিকই কিন্তু দিল্লীর মতো পর্যায়ে পৌছানো যায় না। কারন, ভারতের একজন ব্যবসায়ীকে ইম্পোর্ট লাইসেন্স করতে সর্বসাকুল্যে ৫০০/- রুপি খরচ করতে হয়। আর প্রয়োজনীয় কাগজের (প্যান কার্ড, আধার কার্ড/পাসপোর্ট/ভোটার আইডি, ব্যাক্তিগত ছবি, ভ্যালিড ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নাম্বারের প্রমান হিসেবে একটা বাতিলকৃত চেকের পাতা) স্ক্যান কপি কর্তৃপক্ষের ওয়েব পোর্টালে ব্যবসায়ী নিজেই আপলোড করেন যা করতে সর্বোচ্চ আধা ঘন্টার মধ্যে। জায়গায় জায়গায় ব্যবসায়ীকে দৌড়াতে হয় না। চা-নাশতার টাকা দেয়া তো দূরের ব্যাপার। আর এই ইম্পোর্ট লাইসেন্সের মেয়াদ ৩ বছর মাত্র।
তো ব্যবসা ভারত করবে না তো আমরা করবো?
ভর্তুকির পয়সায় পড়া পাবলিকের মেধাবী সকল সরকারী প্রশাসনে গিয়ে এমন সব নীতি তৈরি করে আসছে যে ব্যবসায়ী সমাজ আজ বিলুপ্ত প্রায়। অথচ এই সমাজ/community বাড়লে, এই সমাজটার যত্ন নিলে বরং প্রশাসনের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অনেকাংশেই পূরন হয়ে যায়। শুধু তাই স্থানীয় অর্থনীতি শক্তপোক্ত হলে বৈদেশিক বানিজ্যের অস্হিরতা অনেকটাই সামাল দেয়া যায়। না এসব তাদের রোচে না। তারা সমাজে ভিক্ষুক আর আগাছা পরগাছার চাষ করতেই বেশি উদ্যোগী। আবার ভিক্ষুক সমাজ থেকেই সর্বোচ্চ রাজস্ব আদায়ের ফন্দি ফিকির আটে ফি বছর।
৪|
২২ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৫
নিমো বলেছেন: দেশ এখন নো-বেল থেকে কমপ্ল্যান বাবার হাতে। অন্ধকারের একশ বছরেরতো কেবল শুরু।
২২ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৩৪
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: ছায়ানট, উদিচীর মতো সাংস্কৃতিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলা, লালন-বাউলদের আখড়ায় হামলা, পীরের মাজারে হামলা, পীরের লাশ কবর থেকে তুলে পুড়িয়ে ফেলার মতো অতি জরুরী কর্মকান্ড যখন নির্দিধায়, বিনা প্রতিরোধেই যখন স্বাধীনতা ও সমাজ বিরোধীরা করে যেতে পেরেছে, তাও সে সময়ের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্বে থাকা সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠানটির উপস্হিতিতে তখন সন্দেহাতীতভাবেই এটা বলা যায় যে অন্ধকারের ১০০ বছর শুরু হয়ে গেছে।
থামাতে হবে। সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ স্বীকার করে হলেও।
৫|
২২ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৪১
সাইবার পথিকৃৎ বলেছেন: দুর্ভিক্ষ আসলে মেধার। সবার আইকিউ কম। কেউ অইকিউ মাপেন না। কেউ জিজ্ঞেস করে না বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে দুটি ইউনিট বন্ধ কেন?
৬|
২২ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৩
মাথা পাগলা বলেছেন: লেখক বলেছেন: পতিত স্বৈরাচার খারাপ, সন্দেহাতিত ভাবেই খারাপ, কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধী কি তার বিকল্প হতে পারে?
শেখ হাসিনা খারাপ। কিন্তু তাই বলে তাঁর বিরোধিতার নামে পাকিস্তানপন্থী, দেশবিরোধী শক্তি বাংলাদেশ চালাবে - এটা কোনো দেশপ্রেমিক মেনে নিতে পারবে না।
শেখ হাসিনার পতনের পর দেশের দশটা উন্নতির কথা লিখতে বললে কলম ভেঙ্গে যাবে। স্যার যে গোলামী চুক্তি করে গেছেন তার কুফল বাংলাদেশের মানুষ আমৃত্যু ভোগ করবে।
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:১৬
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: গ্যাসের অভাবে ৫ ই আগষ্টের পর শুধু টেক্সটাইল মিলই বন্ধ হয়েছে ৯০০ টি।
..............................................................................................................
আমাদের এখন শনির দশা চলছে,
তাই কোন কাজেই বরকত হচ্ছেনা ,