নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিঃসঙ্গ পথচারী

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ

তারপরও মুষ্ঠিবদ্ধ হাতে ঘুরে দাড়াব.....।

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

জুlie ২৪ আন্দোলন পরবর্তী বৈষম্যহীন বাংলায় (যেহেতু বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই), বেসরকারী ও সরকারী কর্মজীবীর জীবন...

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২১

/বাংলাদেশের মোট কর্মজীবীদের মধ্যে সরকারী আর বেসরকারী কত শতাংশ?

/গত ২ বছরে যত শিল্প কারখানা ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে এবং তাতে যত সংখ্যক বেসরকারী কর্মজীবী (কর্মকর্তা, কর্মচারী, শ্রমিক….) চাকরী হারিয়েছেন তারা কত শতাংশ আর এই সময়ে সরকারী চাকরীজীবীরা যারা চাকরি হারিয়েছেন তারা কত শতাংশ?

/মানুষের মাঝে General perception এটাই যে বেসরকারী কর্মজীবীরা, সরকারী কর্মজীবীদের চেয়ে তুলনামূলক বেশি সৎ। ধরি সেই সৎ বেসরকারী কর্মজীবীদের সংখ্যা ১০ শতাংশ।

-তাহলে এই ১০ শতাংশের মতো সৎ বেসরকারী কর্মজীবী মানুষ যদি চাকরী হারিয়ে ফেলে তবে তার প্রভাব সমাজে কেমন হবে?

-বেতন না বাড়লে অতি সামান্য সৎ সরকারী কর্মজীবী যদি মরেই যায়, তবে চাকরী হারানোর কারনে ১০ শতাংশ সৎ বেসরকারী কর্মজীবীদের কি হাল হবে?

/বেসরকারী খাতের চাকরী হারানো মানুষগুলো কিন্তু খুব সহসাই চাকরী পাবে না। যেহেতু বন্ধ হয়ে যাওয়া ফ্যাক্টরি/ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান নতুন করে চালু করা near to impossible. কারন বন্ধ হওয়া ফ্যাক্টরি/প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু করার জন্য নতুন করে রাতারাতি হারিয়ে ফেলা বাজার, বায়ার, সাপ্লাই চেইন, দক্ষ শ্রমিক কর্মচারী, নতুন ব্যাংক ঋন..... প্রভৃতি জোগাড় করা দুস্কর। স্বাভাবিক ভাবেই বেকার জনগোষ্ঠী বিবিধ আয়কর, ভ্যাট, এক্সাইস ডিউটি, ইত্যাদির দিতে পারবে না। কারণ এরা বেশিরভাগই নিজের আর তার পরিবারের পেট তো চালানোর জন্য informal job এ ঢুকে যাবে। এতে সরকারের রাজস্ব ঘাটতি আরো বাড়বে। তাহলে সরকারী কর্মজীবীদের বাড়তি বেতনের টাকার সংস্থান কিভাবে হবে?

-সরকার কি ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণ করে সরকারী কর্মজীবীদের বেতন দেবে?

-দিলে সেই ঋণ শোধ হবে কি ভাবে? টাকা ছাপিয়ে?

-টাকা ছাপানোর কারনে যে মুদ্রাস্ফীতি ঘটবে, তাতে টাকা তার মূল্যমান হারাবে। এতে বেতন বৃদ্ধির ইতিবাচক প্রভাব সরকারী কর্মজীবী সৎ মানুষের জীবনে কতটুকু হবে? (অসৎ সরকারী কর্মচারীরা এই হিসাবে পরে না, তারা ঠিকই তাদের উৎকোচ সমন্বয় করে মুদ্রাস্ফীতি সামাল দিয়ে ফেলবে)।

-মুদ্রাস্ফীতির সময় ইতোমধ্যে চাকরী হারানো সেই ১০ শতাংশ সৎ বেসরকারী কর্মজীবী মানুষগুলোর কি হবে?

/বেসরকারী খাতের কর্মজীবীরা তাদের চাকরী হারিয়ে শুধু সরকারের রাজস্ব প্রদানেই যে অপারগ হবে তা নয়, তাদের ঋণের চলমান কিস্তি পরিশোধেও অনিয়মিত হয়ে যাবে বা ঋণ পরিশোধে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হবে। তারা ঋণখেলাপি হয়ে যাবে।

-এতে ব্যাংকিং খাতের রিটেইল ব্যাংকিং ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্থ হবে। ব্যাংকের ঋণমান খারাপ হবে। ফলে সেখানেও নির্বিচারে জনবল ছাটাই হবে।

-বেসরকারী ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান আর বেসরকারী ব্যাংক দুই ই একে অন্যকে compliment করে। এদের সম্পর্ক অনেকটাই symbiotic. মিথজীবী সম্পর্ক।

/একদিকে বাংলাদেশের formal job এর ৯৫ শতাংশই যেখানে বেসরকারী খাত প্রতিনিধিত্ব করে, সেই খাত এই মুহুর্তে প্রতিনিয়ত ডুবে যাচ্ছে অন্যদিকে বাকি ৫ শতাংশের সরকারী খাতে বেতন বৃদ্ধির জোর আয়োজন চলছে।

এরকম চলমান বৈপরীত্য বাংলাদেশেই সম্ভব।

1.Division-wise breakdown: 84% of Bangladesh’s workforce still informally employed
2.Bangladesh's job crisis deepens as private sector stalls

মন্তব্য ১০ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১০) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৬

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সরকার কি ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণ করে সরকারী কর্মজীবীদের বেতন দেবে?
.............................................................................................................
সমস্ত জনগনের ১০% সরকারী কর্মচারী হলে , অন্য জনগণের অর্থ সংস্হান করবে কে ?
কার্ড ম্যাজিক এখানে কাজ করবেনা । সমস্ত কলকারখানায় চাকুরীচুত্য কর্মচারী আর
তাদের পোষ্য কত ?
ফলে বাজারে যে দাম বাড়ার হিড়িক পড়বে তা ঠেকাবে কে ?

২| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শেখ হাসিনার সরকার বেতন ভাতা সংক্রান্ত পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়াতে পে-স্কেল দিচ্ছিলেন না । তিনি ইউনিভারসাল পেনশন চালু করে খরচ বহনের একটা প্লান তৈরি করতে চেয়েছিলেন । কিন্তু ব্যাংকিং খাতের টালমাটাল অবস্থা এবং অবিশ্বাসের কারণে সরকারের প্রতি কারো আস্থা ছিলো না । শেখ হাসিনার প্লান ছিলো ইউনিভারসাল পেনশন চালু করে এরপর একটা পে-স্কেল দেয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন ( নিজস্ব ভাবনা) । কিন্তু জনপ্রিয়তা তলানিতে থাকায় উনাকে মানুষ বিশ্বাস করেনি ।

৩| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৩১

ক্লোন রাফা বলেছেন: দিন শেষে এই পে স্কেলের যাতাকলে পিষ্ট হবে সাধারন মানুষ। যাঁরা প্রচন্ড বিরুপ পরিস্থিতির মাঝেও কিছু করে টিকে থাকার চেষ্টা করছে তারাই স্বিকার হবে করের বোঝার। নতুন কোনো ব‍্যাবসা কিংবা ইন্ডাস্ট্রি হওয়ার সম্ভাবনা শুণ‍্য।

এই সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের মালিক যারা তাদের কি হবে এই কথা কোনো সরকার ভাবে কি⁉️আমি খুব হতাশ। সরকার সেই ব‍্যুরোক্রেটের দিকেই ঝুঁকছে।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৩১

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: ব্যবসা করার জন্য অত্যাবশ্যকিয় বিভিন্ন সরকারি সনদ, ছাড়পত্র, নিবন্ধনের ফি পরিমাণ আকাশ ছোয়া (পাশ্ববর্তী যেকোন প্রতিবেশী দেশের তুলনায়) পর্যায়ের করে সরকার নিজেই ব্যবসা করে থাকে। তাও ব্যবসায়ীদের প্রতিপক্ষ বানিয়ে, ব্যবসায়ীদের জিম্মী করে, অন্যায্য পন্থা (unfair means) অবলম্বন করে। uneven level playing field, conflict of interest এসবের তোয়াক্কা কবে কোন বেসামরিক আমলা করেছে?

প্রাথমিক পর্যায়েই জন সাধারণের জন্য ব্যবসাকে দুরূহ করা পূর্বক অতিরিক্ত ফি আদায় করে কি সরকার তার সরকারী আমলা নামক শ্বেত হস্তির পালতে পারবে? পরবর্তী পর্যায়ে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট জাতীয় রাজস্ব বোর্ড যা ভেলকি দেখায় তা ব্যবসায়ী মাত্রই জানেন।

তাই শুরুতেই স্বল্প/নামমাত্র মূল্যে ফি আদায়ের মাধ্যমে সরকার ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করবে, নিজেকে প্রমাণ করবে যে সরকার জনকল্যাণমুখী, ব্যবসা করা তার কাজ নয়, নাকি সে ব্যবসায়ীদের পরিচর্যার মাধ্যমে বিশাল ব্যবসায়ী সমাজ গড়ে তুলে তাদের থেকেই সরকারী আমলা তাদের প্রয়োজনীয় রাজস্ব আদায় করে নেবে?

নোটঃ
ভারতে রপ্তানী লাইসেন্স পেতে একজন ব্যবসায়ীকে ৫০০/- রুপী খরচ করতে হয়। অনলাইনে প্রয়োজনীয় কিছু কাগজ (প্যান কার্ড, আধার কার্ড, জেনুইন ব্যাংক চেকের (বাতিল করা) স্ক্যান কপি...) আপলোড আর প্রয়োজনীয় তথ্য করে পূরন করতে লাগে আধা ঘন্টা। আর এই লাইসেন্সের মেয়াদ মাত্র তিন বছর। কই ভারতীয় আমলাদের তো সাধারন মানুষকে জিম্মী করে তাদের বেতনের সংস্হান করতে হয় না?

৪| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫২

মাথা পাগলা বলেছেন: আশিক গত দুই বছরে এক টাকাও বিদেশি বিনিয়োগ আনতে পেরেছে? গতকাল খবর পড়লাম ১৪ টা বো্য়িংয়ের বদলে এখন ২৫ টা কেনা হবে সাথে ইউরোপ থেকে এয়ারবাসও কেনার পরিকল্পনা আছে।

আমার মনে হয়, বিএনপি সরকার সবকিছুতেই ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। চাইলে একটা বছর পর পে স্কেল,ফ্যামিলি কার্ড ঘোষনা দিতে পারতো। জ্বালানী, কলকারখানা সমস্যা মেইন প্রায়োরিটি হওয়া উচিত।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৮

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: মাতৃভাষা বাংলা হওয়ার পরও যাদের বাংলা বিষয়ক যাবতীয় ইস্যু নিয়ে সমস্যা আছে, তাদের কাছ থেকে বাংলাদেশ নিয়ে ইতিবাচক কিছু আশা করা নিরর্থক। এরা বরং বাংলাদেশের প্রতিটি ব্যর্থতা উপভোগ করে। যদিও রাষ্ট্রের সব সুযোগ সুবিধা এরা বাংলাদেশী হিসেবেই ভোগ করে এবং এতে তাদের আত্মসম্মান নষ্ট হয় না।

মানে কলেমায় বিশ্বাসী না হয়েও মুসলিমের বেশ ধরে, মিলাদে গিয়ে জিলাপী খাওয়ার মতো ব্যাপারটা। এই আর কি।

আর দুষ্টুরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক মন্তব্যে এটা পরিষ্কার যে, Make America Great Again বা MAGA campaign এ কেবল আম্রিকা না, আমাদের দেশে যারা সরাসরি দেশ পরিচালনার (এই যেমন আশিক..যে ইউনুসের মাধ্যমে দুষ্টুরাষ্ট্র কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত) দায়িত্বে আছে তারাও সক্রিয়ভাবে জড়িত। তারাও মনে প্রানে MAGA campaign কে সফল করতে চায়, আম্রিকান বোয়িং, এল এন জি, শুয়রের মাংস, হার্লি ডেভিডসন মোটরা সাইকেল ইত্যাদি খরিদ করারা মাধ্যমে।

৫| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২০

নিমো বলেছেন: ব্লগের জাতীয়তাবাদী, জা-শি,ছাপড়ি, ঝুলাই যোদ্ধারা এখন নিশ্চয়ই চৌকির তলায় আছে।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩০

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: চৌকির তলায় থাকুক আর প্রকাশ্যই থাকুক এতে ওদের কর্মফলে বিশেষ কোন পরিবর্তন আসবে না।

কারন এদের মতো,
শয়তানের কাছে থেকে ধর্মের শিক্ষা নিয়ে যেমন লাভ নেই, তেমনি শয়তানকে ধর্মের কথা শুনিয়েও কোন লাভ নেই। কারণ ধর্মকে শয়তানিতে রূপান্তরিত করাই শয়তানের কাজ।

৬| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:০৪

রাজীব নুর বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন।

সরকারি লোকজনের বেতন বাড়ানোতে কোনো লাভ হবে না। এরা ঘুষ খাবেই। সবচেয়ে বড় কথা সরকারি লোকজন বেতনের টাকায় চলে না।

জুলাই ওলাদের কপালে দুঃখ আছে। এরা জাতির শত্রু।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:০৯

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: জনগণ সংস্কার চায়নি।

তথাকথিত রাষ্ট্র সংস্কার আর ৭২ এর সংবিধান ছুড়ে ফেলে দিয়ে সংবিধান সংস্কার করার শোর তুলে লাল বদরের দল গোটা দেশকে ফেলে দিয়েছে “সংকটের” গভীর খাদে।

চাইলুম চাদা, পেলুম অর্ধ চন্দ্র….

আর সংস্কার না চাইতেই পেলুম (সর্বগ্রাসী) সংকট….

কিন্তু আমরা ওদের (লাল বদর/২.০ প্রজন্মের রাজাকার) জব্দ করবো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.