| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
/বাংলাদেশের মোট কর্মজীবীদের মধ্যে সরকারী আর বেসরকারী কত শতাংশ?
/গত ২ বছরে যত শিল্প কারখানা ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে এবং তাতে যত সংখ্যক বেসরকারী কর্মজীবী (কর্মকর্তা, কর্মচারী, শ্রমিক….) চাকরী হারিয়েছেন তারা কত শতাংশ আর এই সময়ে সরকারী চাকরীজীবীরা যারা চাকরি হারিয়েছেন তারা কত শতাংশ?
/মানুষের মাঝে General perception এটাই যে বেসরকারী কর্মজীবীরা, সরকারী কর্মজীবীদের চেয়ে তুলনামূলক বেশি সৎ। ধরি সেই সৎ বেসরকারী কর্মজীবীদের সংখ্যা ১০ শতাংশ।
-তাহলে এই ১০ শতাংশের মতো সৎ বেসরকারী কর্মজীবী মানুষ যদি চাকরী হারিয়ে ফেলে তবে তার প্রভাব সমাজে কেমন হবে?
-বেতন না বাড়লে অতি সামান্য সৎ সরকারী কর্মজীবী যদি মরেই যায়, তবে চাকরী হারানোর কারনে ১০ শতাংশ সৎ বেসরকারী কর্মজীবীদের কি হাল হবে?
/বেসরকারী খাতের চাকরী হারানো মানুষগুলো কিন্তু খুব সহসাই চাকরী পাবে না। যেহেতু বন্ধ হয়ে যাওয়া ফ্যাক্টরি/ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান নতুন করে চালু করা near to impossible. কারন বন্ধ হওয়া ফ্যাক্টরি/প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু করার জন্য নতুন করে রাতারাতি হারিয়ে ফেলা বাজার, বায়ার, সাপ্লাই চেইন, দক্ষ শ্রমিক কর্মচারী, নতুন ব্যাংক ঋন..... প্রভৃতি জোগাড় করা দুস্কর। স্বাভাবিক ভাবেই বেকার জনগোষ্ঠী বিবিধ আয়কর, ভ্যাট, এক্সাইস ডিউটি, ইত্যাদির দিতে পারবে না। কারণ এরা বেশিরভাগই নিজের আর তার পরিবারের পেট তো চালানোর জন্য informal job এ ঢুকে যাবে। এতে সরকারের রাজস্ব ঘাটতি আরো বাড়বে। তাহলে সরকারী কর্মজীবীদের বাড়তি বেতনের টাকার সংস্থান কিভাবে হবে?
-সরকার কি ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণ করে সরকারী কর্মজীবীদের বেতন দেবে?
-দিলে সেই ঋণ শোধ হবে কি ভাবে? টাকা ছাপিয়ে?
-টাকা ছাপানোর কারনে যে মুদ্রাস্ফীতি ঘটবে, তাতে টাকা তার মূল্যমান হারাবে। এতে বেতন বৃদ্ধির ইতিবাচক প্রভাব সরকারী কর্মজীবী সৎ মানুষের জীবনে কতটুকু হবে? (অসৎ সরকারী কর্মচারীরা এই হিসাবে পরে না, তারা ঠিকই তাদের উৎকোচ সমন্বয় করে মুদ্রাস্ফীতি সামাল দিয়ে ফেলবে)।
-মুদ্রাস্ফীতির সময় ইতোমধ্যে চাকরী হারানো সেই ১০ শতাংশ সৎ বেসরকারী কর্মজীবী মানুষগুলোর কি হবে?
/বেসরকারী খাতের কর্মজীবীরা তাদের চাকরী হারিয়ে শুধু সরকারের রাজস্ব প্রদানেই যে অপারগ হবে তা নয়, তাদের ঋণের চলমান কিস্তি পরিশোধেও অনিয়মিত হয়ে যাবে বা ঋণ পরিশোধে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হবে। তারা ঋণখেলাপি হয়ে যাবে।
-এতে ব্যাংকিং খাতের রিটেইল ব্যাংকিং ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্থ হবে। ব্যাংকের ঋণমান খারাপ হবে। ফলে সেখানেও নির্বিচারে জনবল ছাটাই হবে।
-বেসরকারী ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান আর বেসরকারী ব্যাংক দুই ই একে অন্যকে compliment করে। এদের সম্পর্ক অনেকটাই symbiotic. মিথজীবী সম্পর্ক।
/একদিকে বাংলাদেশের formal job এর ৯৫ শতাংশই যেখানে বেসরকারী খাত প্রতিনিধিত্ব করে, সেই খাত এই মুহুর্তে প্রতিনিয়ত ডুবে যাচ্ছে অন্যদিকে বাকি ৫ শতাংশের সরকারী খাতে বেতন বৃদ্ধির জোর আয়োজন চলছে।
এরকম চলমান বৈপরীত্য বাংলাদেশেই সম্ভব।
1.Division-wise breakdown: 84% of Bangladesh’s workforce still informally employed
2.Bangladesh's job crisis deepens as private sector stalls
২|
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শেখ হাসিনার সরকার বেতন ভাতা সংক্রান্ত পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়াতে পে-স্কেল দিচ্ছিলেন না । তিনি ইউনিভারসাল পেনশন চালু করে খরচ বহনের একটা প্লান তৈরি করতে চেয়েছিলেন । কিন্তু ব্যাংকিং খাতের টালমাটাল অবস্থা এবং অবিশ্বাসের কারণে সরকারের প্রতি কারো আস্থা ছিলো না । শেখ হাসিনার প্লান ছিলো ইউনিভারসাল পেনশন চালু করে এরপর একটা পে-স্কেল দেয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন ( নিজস্ব ভাবনা) । কিন্তু জনপ্রিয়তা তলানিতে থাকায় উনাকে মানুষ বিশ্বাস করেনি ।
৩|
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৩১
ক্লোন রাফা বলেছেন: দিন শেষে এই পে স্কেলের যাতাকলে পিষ্ট হবে সাধারন মানুষ। যাঁরা প্রচন্ড বিরুপ পরিস্থিতির মাঝেও কিছু করে টিকে থাকার চেষ্টা করছে তারাই স্বিকার হবে করের বোঝার। নতুন কোনো ব্যাবসা কিংবা ইন্ডাস্ট্রি হওয়ার সম্ভাবনা শুণ্য।
এই সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের মালিক যারা তাদের কি হবে এই কথা কোনো সরকার ভাবে কি⁉️আমি খুব হতাশ। সরকার সেই ব্যুরোক্রেটের দিকেই ঝুঁকছে।
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৬
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সরকার কি ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণ করে সরকারী কর্মজীবীদের বেতন দেবে?
.............................................................................................................
সমস্ত জনগনের ১০% সরকারী কর্মচারী হলে , অন্য জনগণের অর্থ সংস্হান করবে কে ?
কার্ড ম্যাজিক এখানে কাজ করবেনা । সমস্ত কলকারখানায় চাকুরীচুত্য কর্মচারী আর
তাদের পোষ্য কত ?
ফলে বাজারে যে দাম বাড়ার হিড়িক পড়বে তা ঠেকাবে কে ?