নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভাগ্যক্রমে আমি এই সুন্দর গ্রহের এক বাসিন্দা! তবে মাঝেমধ্যে নিজেকে এলিয়েন মনে হয়। তবে বুদ্ধিমান এলিয়েন না, কোন আজব গ্রহের বোকা এলিয়েন! [email protected]

নূর আলম হিরণ

ভাগ্যক্রমে আমি এই সুন্দর গ্রহের এক বাসিন্দা! তবে মাঝেমধ্যে নিজেকে এলিয়েন মনে হয়। তবে বুদ্ধিমান এলিয়েন না, কোন আজব গ্রহের বোকা এলিয়েন!

নূর আলম হিরণ › বিস্তারিত পোস্টঃ

আওমীলীগকে সম্পর্কে কি আপনার মনে এখন কোনো পজিটিভ চিন্তা উঁকি দেয়?

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:০৬


বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতি মূলত চারটি বিষয়ের উপর মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পায়।
প্রথমত, মানুষ মনে করে এ দলটি ক্ষমতায় থাকলে স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষা পায়। এটা খুবই সত্য যে ১৯৭১ সালে আমাদের যে স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়, তার প্রধান নেতৃত্বে ছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। এবং এই যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল মুক্তিযোদ্ধারা রাষ্ট্র থেকে যতটুকু সুযোগ-সুবিধা পেয়েছে, তা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সময়ই পেয়েছে। একটা সময় এসে এই দলটি মুক্তিযুদ্ধকে নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিক ও আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করতে পারেনি, যার দরুন মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্ব হ্রাস পেতে থাকে। তার ওপর মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তিগুলো মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্ব কমাতে বিভিন্ন ধরনের প্রচারণা চালায়। একটা সময় এসে এই দলটি মুক্তিযুদ্ধকে নিজেদের রাজনীতিতে খুঁটি হিসেবে আর ব্যবহার করতে পারছিল না।
দ্বিতীয়ত, এই দলটি ক্ষমতায় অথবা রাজনীতিতে সক্রিয় থাকলে বাঙালি সাংস্কৃতিক চর্চাকারী লোকজন নিরাপদ বোধ করে।
এ বিষয়টি কিছুটা সঠিক হলেও যখন আওয়ামী লীগ থাকে, তখন এটা সেভাবে অনুভব করা যায় না। তবে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা থেকে সরে গেলে বিষয়টি বেশ দৃষ্টিগোচর হয়। আওয়ামী লীগের সময়ে বাঙালি সাংস্কৃতিক চর্চাকারী লোকজন নির্ভয়ে তাদের সংস্কৃতি চর্চা করতে পারে বলেই মনে হয়।
তৃতীয়ত, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই দলটির সরব ভূমিকা থাকে।
এ দেশের সংখ্যালঘুরা পাকিস্তান আমল থেকেই সময়ে অসময়ে নির্যাতিত হয়ে আসছে। স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ যতটুকু সময় ক্ষমতায় থাকে, এ সময় তারা অনেকটাই নিরাপদ বোধ করে। আওয়ামী লীগের সময় যে তাদের উপর নির্যাতন হয় না, তা কিন্তু নয়। তবে এ নিরাপদ বোধ করাটা অনেকটা আওয়ামী লীগের সাথে তাদের মনস্তাত্ত্বিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চতুর্থত, প্রতিবেশী দেশ ভারতের সাথে তাদের ভালো সম্পর্ক। এ বিষয়টি আওয়ামী লীগের রাজনীতির জন্য সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা ছিল। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় এই বিষয়টিই আওয়ামী লীগের রাজনীতির জন্য বেশ বিব্রতকর বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। আওয়ামী লীগবিরোধী শক্তিরা এই আওয়ামী লীগ-ভারত সম্পর্ককে এমনভাবে রিভার্স খেলেছে, যা আওয়ামী লীগ কোনোভাবেই সঠিকভাবে মোকাবিলা করতে পারেনি। কিছু অযাচিত মন্তব্য ও কার্যকলাপের কারণে তাদের এই শক্তির জায়গা শেষ দিকে এসে খুব দ্রুত ক্ষয় হয়ে যায়।
এবার আমি পঞ্চম বিষয়টি বলি, যেটি হচ্ছে আওয়ামী লীগের অর্থনৈতিক ও কাঠামোগত উন্নয়নের মডেল শক্তি। স্বাধীনতার পর থেকে এ দেশে যত অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বড় অবকাঠামোগত অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে, তার বেশিরভাগই আওয়ামী লীগের হাত ধরেই হয়েছে। এটা ঠিক, বিশ্ব যেভাবে এগিয়েছে, আমাদের অর্থনীতি সেভাবে এগোয়নি; তবে যতটুকুই এগিয়েছে, সেটা আওয়ামী লীগের হাত ধরেই বেশি টুকু এগিয়ে গিয়েছে।
জাতিকে আওয়ামী লীগ যতটুকু এগিয়ে নিয়েছে, সেটা তাদের কাছে প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম। কিন্তু এটি চোখে লাগে বা বেশি মনে হয়, যখন বাকিরা জাতিকে এতটুকুও এগিয়ে নিতে না পারে।
বাকি চারটি বিষয় উপরে যেভাবে বলেছি, সেগুলো আওয়ামী লীগের ফেভারে আবার নতুন করে ফিরে আসতে বেশ খানিকটা সময় লাগবে। তবে পঞ্চম যে বিষয়টি বলেছি, সেটা খুব দ্রুতই দৃষ্টিগোচর হচ্ছে এবং মানুষ সেটা বোঝার চেষ্টা করছে। যারা ক্ষমতায় আছে, তারা যদি এটাকে ছাড়িয়ে যেতে না পারে, তাহলে মানুষ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে এই পঞ্চম বিষয়টিও গেঁথে নেবে।

মন্তব্য ২৭ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২৭) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৩

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: জাতিকে আওয়ামী লীগ যতটুকু এগিয়ে নিয়েছে,
সেটা তাদের কাছে প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম।

....................................................................
১৬/১৭ বৎসর যে দল ক্ষমতায় ছিল , অবশ্যই জনগণের মূল
প্রত্যাশার ২৫% ও পূরণ করে নাই । মূলত: নোংরা রাজনীতির
কারনে দেশের সব বড় বড় প্রতিষ্ঠান দূর্ণীতিগ্রস্হ হয়ে পড়ার
কারনে বিশেষ শ্রেণীর লোকজন সুবিধা নিয়েছিলো ।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:০৭

নূর আলম হিরণ বলেছেন: এটা ঠিক আওয়ামী লীগ আরো ভালো করতে পারতো। তাদের কাছে যে পরিমাণ ক্ষমতা ছিল সেটাকে তারা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারেননি। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগ সময়কে আমার কাছে নিরাপদ মনে হচ্ছে।

২| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৩০

শ্রাবণধারা বলেছেন: বিগত ১৬ বছরে যে আওয়ামী লীগকে দেখেছি, সেই আওয়ামী লীগের কথা মনে করে আমি আতঙ্কিত হই; পজিটিভ চিন্তা তো দূরের কথা।

তবে ইতিহাসের জাদুঘরে যে আওয়ামী লীগ তার সত্যিকারের ইতিহাস নিয়ে এখনো অম্লান, তাকে নিয়ে আমি কিছুটা আশাবাদী হই। যদিও সেই ইতিহাসের আওয়ামী লীগকে আবার কেউ এসে বাঙালির অন্তঃসত্তায় জাগিয়ে তুলতে পারবে, এমন কাউকে দেখি না।

আপনি যে পয়েন্টগুলো লিখেছেন, তার মধ্যে দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং আংশিকভাবে চতুর্থ পয়েন্ট মোটামুটি ঠিক আছে। পঞ্চম পয়েন্টটা একেবারেই বাজে কথা। অন্য ছাত্র পরীক্ষায় গোল্লা পেলে আমার পাওয়া ১০-১২ নম্বর বেড়ে যায় না; সেটা ফেলই থাকে।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:০৮

নূর আলম হিরণ বলেছেন: আওয়ামী লীগের কাছে মানুষের প্রত্যাশা সব সময় বেশি থাকে। এ সরকারের কাছে আপনার প্রত্যাশা কেমন? যা প্রত্যাশা করছেন তা পাওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন?

৩| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আওয়ামী লীগের নির্বাচন ব্যবস্থা বাজে ছিল। এ একটা বিষয়ের পর আমি আর আওয়ামী লীগ নিয়ে ভাবতে চাই না। হাত-পা বাঁধা অবস্থার উত্তম খাবারের চেয়ে মুক্ত অবস্থার ডাল-ভাত উত্তম। জেনজি তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে স্বাধীন হওয়ার নামে। তাদের প্রতি জেনজির ঘৃণা কি পরিমাণ বুঝতে পারেন? ভোট চোরের গুষ্ঠি জেনজির ভোট চুরি করেছে এটা তারা মানতে পারছে না।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:০৯

নূর আলম হিরণ বলেছেন: ১৪ ও ১৮ সালে আওয়ামী লীগ সঠিকভাবে নির্বাচন দিলেও তারা সরকার গঠন করতে পারতো।

৪| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক সাফল্য নতুন কোনো অর্থনৈতিক মডেল তৈরি না করা। ১৫ বছর ক্ষমতায় থেকে নতুন কোনো খাত দাঁড় করিয়ে ডলার আয়ের ব্যবস্থা করতে পারেনি। রেমিট্যান্স আছে প্রবাসীদের কারণে, গার্মেন্টস আছে উদ্যোক্তা ও শ্রমিকদের কারণে। গ্যাস ছিল, বিদ্যুৎও ছিল, কিন্তু দুটোরই স্থায়ী সমাধান যেন ভবিষ্যৎ সরকারের জন্য রেখে যাওয়া হয়েছে। এত বছর ক্ষমতায় থেকেও যদি অর্থনীতির মূল কৌশল হয় পুরোনো খাতের ওপর ভর করে টিকে থাকা, তাহলে এটাকে অর্থনৈতিক মডেল বলা যায় কি ?

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:১২

নূর আলম হিরণ বলেছেন: অন্যান্য সরকারের মত আওয়ামী লীগও জনসংখ্যা কে বোঝা মনে করছে, এটাকে জনশক্তি ভাবেনি। প্রায় সব দেশেই তাদের ডলার আয়ের বৃহৎ দুই একটিই খাত থাকে। গার্মেন্টস শিল্পে উদ্যোক্তারা এগুলিকে আধুনিক করার কথা ভাবেনি। তারা পদক্ষেপ নিলে সরকার সহযোগিতা না করলে তখন বলা যেত। তবে জনশক্তিকে দক্ষ করার দায়িত্ব সরকারের।

৫| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৩০

আমি নই বলেছেন: ভাই টাকা খরচ করার চাইতে ইনকাম করা অনেক বেশি কঠিন। বাংলাদেশের ইনকামের প্রধান যে দুইটা সোর্স তার একটাও আওয়ামিলীগের আমলের নয়, এবং ৩য় কোনো সোর্স আওয়ামিলীগ করতেও পারেনি। যেই অবকাঠামোর উন্নয়োনের কথা বলতেছেন এগুলো সব খরচের হিসাব, ইনকামের জন্যে কি করেছে?

আমার কাছে এটাই সবচাইতে গুরুত্বপুর্ন পজেটিভ দিক হতে পারতো, এখানে আওয়ামিলীগ পুরাই ফেইল।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:১৪

নূর আলম হিরণ বলেছেন: সরকার খরচই করে জনগণের ইনকামের ব্যবস্থা করার জন্য। সরকার খরচ না করলে ইনকাম বাড়বে না।

৬| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৫০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




অন্য সব দলের মতো নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগেও অনেক ভালো মানুষ আছেন।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:১৪

নূর আলম হিরণ বলেছেন: হ্যাঁ। বিএনপি ও জামায়াতের তুলনায় শতাংশে এর হার কেমন?

৭| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:১৮

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




লেখক বলেছেন: হ্যাঁ। বিএনপি ও জামায়াতের তুলনায় শতাংশে এর হার কেমন?
----------------------------------------
আমার জানা-শোনা ১০০-জন আওয়ামী লীগার নেই।

আমি বড় জোর ৯-১০ জনকে চিনি।

৮| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২১

গেঁয়ো ভূত বলেছেন: আমাদের এখানে একপক্ষের সমালোচনা করা হয় মূলত আরেক পক্ষের খারাপ দিকগুলো জায়েজ করবার জন্য। আমিতো এই ভূখণ্ডে এমন কোনো দলই খুঁজে পাইনা যাকে সাপোর্ট করা যায়। এখানে প্রতিযোগিতা হতে পারে কে বেশি খারাপ সেই মানদন্ডে। আমাদের অবস্থা হয়েছে লোম বাছতে কম্বল উজাড় হবার দশা। আমাদের সার্বিক রাজনীতিই পচে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। আমরা যখন এক পক্ষের যখন দোষ দিতে যাই তখন অপরপক্ষ খুশিতে বগল বজায়।

কথায় বলে, "এক বউ ছাড়লাম আমি চাইল চাবানোর ডরে, আরেক বউ এখন দেখি তোষ সুদ্ধ গিলে।

৯| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৯

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: হার-জিৎ পরের বিষয়। তারা ভোটারকে ভোট বঞ্চিত করেছে এটাই তাদের প্রতি ঘৃণার কারণ।

১০| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫২

মাথা পাগলা বলেছেন: সঠিক নির্বাচন, টাকা চুরি নিয়ে অনেক কথা বলতে পারবেন কিন্তু উন্নয়নের আরেক নাম শেখ হাসিনা। বিশ্বমঞ্চে শেখ হাসিনার যে ফেস ভ্যালু আছে, আমাদের জীবদ্দশায় বাংলাদেশের আর কোনো নেতা সেই পর্যায়ে পৌঁছাতে পারবেন বলে মনে হয় না।

১১| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৬

মাথা পাগলা বলেছেন: সবচেয়ে বড় কথা লীগের জন্ম হয়েছে রাজাকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে। রাজাকারের বিরুদ্ধে কথা বলার মতো এতো বড় দল বাংলাদেশে নাই। লীগ দেশে না থাকায় রাজাকার-লালবটররা এখন নতুন স্বাধীনতার স্বাদ পেয়ে গর্ত থেকে চ্যাগা দিয়ে বের হয়েছে।

১২| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



মহাজাগতিক চিন্তা সাহেব আওয়ামী লীগ রাজাকারের ভোট চুরি করেছে। আর কেউ না বুঝুক আমি আপনার দু:খ বুঝতে পারি।

১৩| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৩৯

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: অন্যদের খবর জানিনা তবে এখন পর্যন্ত কোন কথিত ভারতীয় দালালদের ভারতীয় তি-রঙ্গা হাতে বাইতুল মোকাররমের সামনে দাড়িয়ে থাকতে দেখিনি যেমনটা পাকিস্তানি পতাকা হাতে রাজাকারদের দাড়িয়ে থাকতে দেখেছি। কোন জনমুখী আন্দোলনে অবদান রাখতে না পারা বা জনমুখী আন্দোলনের বিরোধী হয়ে জামায়াতি বরাহ শাবকদের জিন্নাহর মতো মানুষদের ওপর ভর করতে হয়। এমন কোন ভারতীয় দালালকে চোখে পড়েনি যে কিনা গুরুত্বপূর্ন কোন গ্যালারীতে, মুজিবের ছবির ওপর ইন্দিরা গান্ধীর ছবি সাটিয়ে তা নিয়ে গর্ব করছে।

তবে ৫ ই আগষ্ট ২০২৪ আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে।
এই যেমনঃ
/৭১ এর আল-বদর না দেখলেও ২৪ গেঞ্জি ডাকাতা থুক্কু জেনজি প্রজন্মের লাল বদর দেখেছে।
/আগে মানুষ এদেশে বিহারী পাকিস্তানিদের কথা জানতো। এবার মানুষ উপলব্ধি করেছে যে দেশে বাঙ্গালী পাকিস্তানিদের অস্তিত্ত্বও আছে। জটিলতায় না গিয়ে এদের অ-বাংলাদেশীও বলা যায়। মানে বাংলাদেশ নিয়ে যাদের ঈমান আকিদায় সমস্যা আছে।
/এমনি যারা মনে করেন যে কথিত ফ্যাসিবাদ/স্বৈরাচারকে হটিয়ে তাদের জায়গায় অ-বাংলাদেশীদের প্রতিস্হাপন করা শ্রেয়তর, তারাও ঘুরে ফিরে দিনশেষে স্বাধীনতা বিরোধীদের স্বার্থ রক্ষার কাজেই ব্যবহৃত হচ্ছে।

১৪| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৫২

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ঠাকুর মাহমুদ সাহেব! আপনার কি রাজাকারের প্রতি খুব রাগ হয়? কত্ত বড় সাহস ব্যাটারা এখন লংসার্চ করে, আর আপনি বসে আঙ্গুল চোষেন।

১৫| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:০৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



মহাজাগতিক চিন্তা সাহেব, জগতের নিয়মের বাইরে কেউ না। দিনের পর রাত আসে, রাতের পর দিন। এখন আপনাদের সময়। এখন আপনার জিন্নাহ আর পাকিস্তানের সময়।

বাই দ্য ওয়ে, আপনি কি জানেন ইয়াজিদ মুসলিম ছিলো?

১৬| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:৪২

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ঠাকুর মাহমুদ সাহেব ইয়াজিদ মক্কার রাজা হযরত আবু সুফিয়ানের (রা) নাতিও ছিল। আমি এখন বিভিন্ন গ্রুপে এটা পোষ্ট করেছি-

কোরআন বলছে নেয়ামত প্রাপ্তদের পথ সিরাতাল মুসতাকিম, তবে কেউ নেয়ামত প্রাপ্তদের পথ সিরাতাল মুসতাকিম ছেড়ে কোন কোরআন-হাদিস মানছে?

সূরাঃ ১ ফাতিহা ৫ থেকে ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫। আমাদেরকে সিরাতাল মুসতাকিমে (সরল সঠিক পথে) হেদায়েত প্রদান (পরিচালিত) করুন।
৬। তাদের পথ যাদেরকে আপনি নেয়ামত (অনুগ্রহ) দান করেছেন।
৭। যাদের উপর আপনার ক্রোধ নেই। আর যারা পথভ্রষ্ট নয়।

সূরা: ৭৭ মুরসালাত, ৫০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫০। সুতরাং তারা কোরআনের পরিবর্তে আর কোন হাদিসে বিশ্বাস স্থাপন করবে?

সূরাঃ ২ বাকারা, ৩৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৪। আর যখন আমি ফেরেশতাগণকে বলেছিলাম, তোমরা আদমকে সিজদা কর, তখন ইবলিশ ছাড়া সবাই সিজদা করেছিল; সে অমান্য করল ও অহংকার করল।সুতরাং সে কাফেরদের অন্তর্ভূক্ত হয়েগেল।

* কোরআনের পরিবর্তে হাদিস বাতিল। কোরআন বলছে নেয়ামত প্রাপ্তদের পথ সিরাতাল মুসতাকিম, তবে কেউ নেয়ামত প্রাপ্তদের পথ সিরাতাল মুসতাকিম ছেড়ে কোন কোরআন-হাদিস মানছে? এদের কোরআন-হাদিস মানায় আপত্তি নাই, এদের কোরআনের নির্দেশে নেয়ামত প্রাপ্তদের পথ সিরাতাল মুসতাকিমে থাকতে ঘোর আপত্তি। এদের দৃষ্টান্ত ইবলিশের মত। তার আল্লাহকে সিজদা করতে কোন আপত্তি ছিল না। কিন্তু আল্লাহর নির্দেশে হযরত আদমকে (আ.) সিজদা করতে ঘোর আপত্তি ছিল। আর আদমকে (আ.) সিজদা না করে সে অহংকারী কাফের হয়ে গেল। কোরআনের নির্দেশ অমান্য করে নেয়ামত প্রাপ্তদের পথ সিরাতাল মুসতাকিম ছেড়ে বাঁকা পথে কোরআন হাদিস মেনেও তারা অহংকারী ও কাফের।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।
* কোরআন-হাদিস বিভিন্ন জন বিভিন্ন রকম বুঝেন। নেয়ামত প্রাপ্তদের পথ সিরাতাল মুসতাকিম ছেড়ে বিভিন্ন জনের বিভিন্ন রকম বুঝ অনুযায়ী কোরআন-হাদিস মানতে গেলে বিভিন্ন পথে জাহান্নামে যেতে হয়, সেজন্য অভিন্ন পথে জান্নাতে যেতে আল্লাহ নেয়ামত প্রাপ্তদের পথ সিরাতাল মুসতাকিমে থেকে কোরআন-হাদিস মানতে আদেশ করেছেন। আল্লাহর এ আদেশ অমান্য করে কোরআন-হাদিস মানার দাবী হলো কোরআন-হাদিস মানার মিথ্যা দাবী।নেয়ামত প্রাপ্তদের অভিন্ন পথ সিরাতাল মুসতাকিম কি?

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

* নেয়ামত প্রাপ্তদের অভিন্ন পথ সিরাতাল মুসতাকিম হলো অভিন্ন ফিকাহ। সেজন্য আল্লাহ এটাকে জিহাদ থেকেও বেশী গুরুত্ব দিয়েছেন। কারণ জিহাদ করেও যদি নেয়ামত প্রাপ্তদের অভিন্ন পথ সিরাতাল মুসতাকিমে থাকা না যায় তবে জিহাদ করেইবা লাভ কি?

সূরাঃ ৩২ সাজদা, ২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
২২। যে ব্যক্তি তার রবের আয়াত দ্বারা উপদেশ প্রাপ্ত হয়ে তা হতে মুখ ফিরায় তার অপেক্ষা অধিক যালেম আর কে? আমি অবশ্যই অপরাধীদিগকে শাস্তি দিয়ে থাকি।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

* অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষার ব্যবস্থা সংক্রান্ত আল্লাহর উপদেশ লংঘণ করে আল্লাহর শাস্তির আওতায় রাসূল (সা.) ফিতনা দেখে অখুশী মনে ইন্তেকাল করেছেন। আর সাহাবায়ে কেরাম (রা.) ও তাবেঈগণ (র.) পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হয়ে হাজারে হাজারে নিহত হয়েছেন।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০১। মরুবাসীদের মধ্যে যারা তোমাদের আশেপাশে আছে তাদের কেউ কেউ মুনাফিক। মদীনাবাসীদের মধ্যেও কেউ কেউ মোনাফেকী রোগে আক্রান্ত। তুমি তাদের সম্পর্কে জান না। আমরা তাদের সম্পর্কে জানি।আমারা সিগ্র তাদেরকে দু’বার শাস্তি দেব। এরপর তারা মহা শাস্তির দিকে যাত্রা করবে।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৭। আর যারা মসজিদ নির্মাণ করেছে ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এবং ইতিপূর্বে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম করেছে তার গোপন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের জন্য, তারা শপথ করেই বলবে তারা ভাল কিছু করার জন্যই ওটা করেছে; আর আল্লাহ সাক্ষি দিচ্ছেন নিশ্চয়ই তারা মিথ্যাবাদী।

* অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষার ব্যবস্থা না থাকার সুযোগে ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে মোনাফেক নিজের কথাকে রাসূল (সা.), সাহাবায়ে কেরাম (রা.) ও তাবেঈগণের হাদিস হিসাবে প্রচার করে রাসূল (সা.) প্রচারিত অভিন্ন ফিকাহ নষ্ট করে। তখন রাসূল (সা.) প্রচারিত অভিন্ন ফিকাহ মানতে ইজতিহাদের প্রয়োজন হয়। ইজতিহাদকারী মুজতাহিদের অনুসরনকে তখন মাযহাব বলা হয়। লোকেরা তখন বুঝে এ মাযহাব মানা ছাড়া আর সঠিক ইসলাম মানা সম্ভব নয়। কিন্তু লা মাযহাবীরা মোনাফেকের হাদিস মানাকেই সঠিক পথ বলে চিৎকার দিতে থাকে।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।

* আখারিনের (তাবে তাবেঈ)মুজতাহিদ ইমাম আবু হানিফা (র.) প্রথম অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষার ব্যবস্থা করেন।

সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।

* আখারিনের আমির হারুনুর রশিদের শুরায় ইমাম আবু হানিফার (র.) অভিন্ন ফিকাহ পরিশোধীত হয়ে আমির কর্তৃক হানাফী মাযহাব নামে অনুমোদীত হলে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম কর্তৃক এটি অনুসারিত হয় যা এখনো অব্যাহত আছে। হারুনুর রশিদ কি নেয়ামত প্রাপ্ত? তাঁর পথ কি নেয়ামত প্রাপ্তদের পথ সিরাতাল মুসতাকিম?

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ১০৬ কুরায়শ, ১ নং ও ৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। যেহেতু কুরায়শের আসক্তি আছে
২। আসক্তি আছে তাদের শীত ও গ্রীষ্মে সফরের
৩। কাজেই তারা ইবাদত করুক এ ঘরের মালিকের।
৪। যিনি ক্ষুধায় তাদেরকে খাবার দান করেছেন এবং ভয় থেকে তাদেরকে নিরাপদ রেখেছেন।

সূরাঃ ১১০ নাসর, ১ ও ২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে।
২। আর তুমি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দীনে প্রবেশ করতে দেখবে।

সূরাঃ ১১ হুদ, ৬৯ নং থেকে ৭৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৯। আমার ফিরিশতাগণ তো সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের নিকট এসেছিল। তারা বলল, সালাম, সেও বলল, সালাম।সে অবিলমন্বে এক কাবাবকৃত গো-বৎস নিয়ে আসলো।
৭০। সে যখন দেখলো তাদের হাত এর দিকে প্রসারিত হচ্ছে না, তখন সে তাদেরকে অবাঞ্চিত মনে করলো এবং তাদের সম্বন্ধে তার মনে ভীতি সঞ্চার হলো। তারা বলল, ভয় করবে না, আমরা তো লুতের সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।
৭১। তার স্ত্রী দন্ডায়মান ছিল। অতঃপর সে হেসে ফেলল। অতঃপর আমি তাকে ইসহাকের এবং তার পরবর্তী ইয়াকুবের সুসংবাদ দিলাম।
৭২। সে বলল, কি আশ্চর্য! সন্তানের জননী হব আমি? যখন আমি বৃদ্ধা এবং আমার স্বামী বৃদ্ধ! এটা অবশ্যই এক অদ্ভুত ব্যাপার!
৭৩। তারা বলল আল্লাহর কাজে তুমি বিস্ময় বোধ করতেছ? হে আহলে বাইত তোমাদের প্রতি রয়েছে আল্লাহর রহমত ও বরকত । তিনিতো প্রশংসিত সম্মানিত।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

* আলে ইব্রাহীম (আ.) নেয়ামত প্রাপ্ত কুরাইশ আল আব্বাস (রা.) উম্মতের মুরব্বী তো বটেই তিনি রাসূলেরও (সা.) মুরব্বী ছিলেন। তাঁর দাওয়াতে রাসূলের (সা.) শ্বশুর মক্কার রাজা আবু সুফিয়ান (রা.) ইসলাম কবুল করলে এবং তারপর মক্কা বিজয় হলে আবু সুফিয়ানের (রা.) দলে দলে আল্লাহর দীনে প্রবেশ করেন। এ ঘটনায় আবু সুফিয়ান (রা.) ও আব্বাস (রা.) পরিবারের প্রতি আল্লাহ বিশেষ সন্তুষ্ট হন। মক্কার রাজপুত্র হযরত মুয়াবিয়া (রা.) হন মুয়াল্লিফাতে কুলুব এবং উম্মতের মুরব্বী হিসাবে হযরত আব্বাসকে (রা.) উম্মতের অভিযোগ থেকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র রাখেন। আব্বাস (রা.) পরিবারের প্রতি রহমত হিসাবে হযরত আব্বাসের (রা.) পুত্র আব্দুল্লাহকে (রা.) হযরত ইয়াহইয়ার (আ.) মত শৈশবে কিতাবের জ্ঞান দান করলে তিনি সাহাবায়ে কেরামের সেরা মুফাসসির সাব্যস্ত হন। সুতরাং আলে আব্বাসের (রা.) পারিবারিক শিক্ষা ছিল কোরআনের বিশুদ্ধ শিক্ষা। তাঁরা মুশরিক উমাইয়ার নামে পরিচালিত উমাইয়া খেলাফতের অবসান ঘটিয়ে আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষার ব্যবস্থা করলে আল্লাহ তাঁদেরকে ও তাঁদের হানাফী অনুসারিদেরকে নেয়ামত, রহমত ও বরকতে মুড়িয়ে দেন। আল্লাহ তাঁদের বিরানব্বই জনকে বারশত বছর মুসলিম বিশ্বের শাসন ক্ষমতা প্রদান করেন। এখনো বেশী রাষ্ট্র, বেশী অঞ্চল ও বেশী জনসংখ্যা আলে আব্বাসের (রা.) অনুসারি হানাফীদের। আল্লাহর নেয়ামত, রহমত ও বরকত প্রাপ্ত আলে আব্বাসের (রা.) মধ্যে হারুনুর রশিদ ছিলেন সবচেয়ে বেশী আল্লাহর নেয়ামত, রহমত ও বরকত প্রাপ্ত। সুতরাং তাঁর পথ সুনিশ্চিতভাবেই নেয়ামত প্রাপ্তদের পথ সিরাতাল মুসতাকিম। এ পথের অনুসারি হানাফী এর মধ্যে বিশ্ব বিস্তৃত হয়ে ইসলামকে বিশ্ব ধর্মে পরিণত করেছে। কোরআন-হাদিস মানতে হলে এ পথে থেকেই মানতে হবে। এ পথ ছেড়ে অন্য পথে যারা কোরআন-হাদিস মানে কোরআন-হাদিস মেনেও তারা বাঁকা পথে জাহান্নামে চলে যায়। অবশ্য তাদের যাদের ঈমান থাকবে ঈমানের কারণে তারা জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেয়ে জান্নাতে যাবে। তবে মুসলিমদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টির কারণে তাদেরকে এক পাক জাহান্নামে যেতে হবে। কারণ নেয়ামত প্রাপ্তদের সাথে মতভেদের দায়ে তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

১৭| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:৫২

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ঠাকুর মাহমুদ সাহেব। আপনাদের অতি অহংকারের কারণে মানুষ আবার জিন্নাহ মুখী হচ্ছে। তারা জিন্নাহ ভক্তদের গদিতে বসিয়ে দিলেও অবাক হব না। মানুষের চেতনা জাগাতে জাগাতে আপনারা তাদেরকে অচেতন করে ফেলেছেন। তারপর চেতনা পেয়ে তারা জিন্নাহর গলায় মালা দিচ্ছে। এমতাবস্থায় আপনাদের কিছুই করার থাকছে না। আওয়ামী লীগ বিষয়ে সত্য প্রকাশ করলে পাকিস্তানের দিকে ঠেলে দেওয়ার বদভ্যাস ছাড়তে পারছেন না। বদভ্যাস চালিয়ে যান আর বাঁশ খেতে থাকেন।

১৮| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:৪৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



মহাজাগতিক চিন্তা সাহেব বাঁশ আপনাদের, বাশ খাবেনও আপনারা। ধর্ম আপনাদের একটি বিষয় শিখিয়েছে সামনের ব্যক্তিকে বলতে হবে আপনি অহংকারী। আপনার ধর্ম এই কারণে সমগ্র বিশ্বে জঙ্গি ট্যাগ খেয়ে বসে আছে।

আপনি রাজনৈতিক পাল্লায় ডুবে আছেন বহুদিন ধরে। দেখুন নিজের জন্য কিছু করতে পারেন কিনা? নাকি যেই ছালা সেই বস্তা হয়ে থাকতে হয়? জিন্নাহ আপনার, পাকিস্তানও আপনার, রাজাকার ও আপনার। বাঁশ আপনারই খেতে হবে। সাপুড়ে মরে সাপের কামড়ে। জেনজিরা আপনাকে হাড্ডি দেয়নি তার জন্য তো আমি দায়ী না। আমি রাজনৈতিক কেউ না।

কপি পেস্টের অত্যাচার আর কতো করবেন?
আপনার মানসিক সুস্থতা কামনা করছি।

১৯| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:১২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



শেষ মন্তব্য:

মহাজাগতিক চিন্তা সাহেব, বাংলাদেশে বহু সরকার এসছে আবার চলেও গিয়েছে। কেউ বেঁচে নেই। সময়ের কারণেই দুনিয়া ছেড়ে চলে যেতে হয়েছে। কেউ আসন ধরে অনন্তকাল টিকে থাকতে পারেনি। কিন্তু আপনারা আন্দোলনের নামে দেশে যা অত্যচার করেছেন, ভাঙচুর করেছেন তা আগামী ১০০ বছরে পূরন হবে না। আর সরকারের বাড়ি লুট করার দৃশ্য সমগ্র বিশ্ব দেখেছে। এটি সমগ্র বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের অপমান, বাংলাদেশের জাতির জন্য লজ্জা। - সমগ্র বিশ্বের কাছে এই জাতি চোর জাতি হিসেবে পরিচিত হয়েছে।

সমগ্র দেশে আপনারা যেই তান্ডব করেছেন এই তান্ডব আজ নতুন না। শেখ পরিবার আপনাদের মাস্টার মাইন্ড আর ম্যাটিকুলাস ডিজাইন এ হত্যা হয়েছেন। এমনকি প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানও আপনাদের মাস্টার মাইন্ড আর ম্যাটিকুলাস ডিজাইন এ হত্যা হয়েছেন। সরকার পতনের নামে আপনারা দেশ ধ্বংস করে দিয়েছেন। আপনাদের মাস্টার মাইন্ড আর ম্যাটিকুলাস ডিজাইন এ এই দেশ এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।

শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর আপনাদের অত্যাচারি মনোভাবে দেশের মানুষ যেই আতঙ্কে আছে এমন হয়েছিলো ১৯৭৫ ও। আতঙ্কে মানুষ ঘর হতে বার হয়নি। আর আপনাদের মতো যারা ছিলো তারা ১৯৭৫ এ হত্যাযজ্ঞের পর মিষ্টি খেয়েছে। আপনারা যতোই পাকিস্তানের সাপোর্ট করতে পারেন, পাকিস্তান আপনাদের নিবে না। আপনাদের এই দেশেই থাকতে হবে। অর্থ - আপনাদের দেশ আপনারাই ধ্বংস করেছেন।

বাংলাদেশ - পাকিস্তান আর ভারতের দালালের কারণে শেষ হয়ে গিয়েছে। এই দেশের উঠে দাড়ানোর শক্তি শেষ হয়ে গিয়েছে। মাস্টার মাইন্ড আর ম্যাটিকুলাস ডিজাইন দ্বারা আপনাদের ব্যবহার করে দেশে শুধু মব হবে। আপনাদের দ্বারা মব ছাড়া আর কিছু হওয়ার নেই।

একটি কথা মনে রাখবেন, লোভে পাপ পাপে মৃত্যু। আওয়ামী লীগ লোভ করে আজ অতলে তলিয়ে গিয়েছে। আপনাদের দল আওয়ামী লীগের তুলনায় কিছুই না। আপনাদের লোভের মাশুল আপনাদেরই দিতে হবে। একে কার্মা বলে।


২০| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:২৭

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ঠাকুর মাহমুদ সাহেব! পোষ্ট দাতার বাড়ি আমার এলাকায়। তাকে আমার বাড়ীতে গিয়ে তদন্ত করতে বলবেন, আমি এবার ভোট দিতে বাড়ী গিয়েছিলাম কিনা। কেউ কোন কথা বললেই তাকে কোন এক পক্ষে ঠেলে দেওয়া আপনার কোন ধরনের অভ্যাস?

২১| ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৫

রাজীব নুর বলেছেন: আওয়ামীলীগ ভালো। মন্দের ভালো হলেও ভালো।
আওয়ামীলীগ কোনো মুক্তিযোদ্ধার গলায় জুতোর মালা দেয় নাই। আওয়ামীলীগ জামাত শিবির রাজাকারদের দৌড়ের উপর রেখেছে। আওয়ামীলীগ মেট্রোরেল, পদ্মাসেতু সহ অসংখ্য উন্নয়ন করেছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.