নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

www.oputanvir.com

অপু তানভীর

আমার চোখে ঠোঁটে মুখে তুমি লেগে আছো

অপু তানভীর › বিস্তারিত পোস্টঃ

এমপি সাহেবের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম!

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৩১


অনেক দিন আগে হুমায়ূন আহমেদের একটা নাটক দেখেছিলাম। সেখানে কোন এক গ্রামে একজন এমপি সাহেব যাবেন। এই জন্য সেখানে হুলস্থুল কান্ডকারখানা শুরু হয়ে যায়। নাটকে কতকিছুই না ঘটে। কিন্তু বাস্তবেও কিন্তু অদ্ভুত ঘটনা কম ঘটে না। এমনই একটা ঘটনা কথা পড়ালম প্রথমআলোতে। গতকালকের ঘটনা এটা। এই ঘটনাতেও জনৈক এমপি সাহেব একটা হাসপাতাল পরিদর্শনে আসবেন। এই কথা শুনেই সেখানে হঠাৎ করে সেই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৩ জন রোগী এসে ভর্তি হয়ে গেল। সব খালি বেডগুলো দখল করে নিলেন। কেউ কেউ অন্য রোগীকে সরিয়ে সেই বেড শুয়ে পড়লেন।
এমপি সাবেন যথা সময়ে এলেন। হাসপাতাল পরিদর্শণ করলেন এবং আবার চলে গেলেন। মজার ব্যাপার হচ্ছে এমপি সাহেব চলে যাওয়ার পরপরই সেই রোগীদের রোগও ভাল হয়ে গেল। তারাও হাসপাতাল ছেড়ে চলে গেলেন।
এই ঘটনা দেখে আরও একটা মুভির কথা মনে পড়ল। মুভিটার নাম মুন্না ভাই এমবিবিএস।আপনারা অনেকেই দেখেছেন মুভিটা। এই মুভির শুরুতে এমন একটা দৃশ্য দেখা যায়। মুন্নাভাই অর্থ্যাৎ সঞ্জয় দত্ত তার বাবাকে মিথ্যা বলে যে একজন ডাক্তার। তবে বাস্তবে সে একজন গুন্ডা। তার বাবা যখনই গ্রাম থেকে শহরে তার কাছে আসে তখন মুন্নাভাই নিজেকে ডাক্তার হিসাবে বাবার সামনে প্রদর্শন করে। একটা ভুয়া ক্লিনিকও সে তৈরি করে রেখেছে। যখন তার বাবা আসে কয়েকজন রোগী এসে সেই হাসপাতালে ভর্তি হয়ে থাকে। তারা মুন্না ভাইয়ের বাবার সামনে রোগীর হওয়ার ভান করে। তার বাবা দেখে যে মুন্না ভাই ডাক্তার হয়ে তাদের চিকিৎসা করছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও এমন কিছু ঘটেছে মনে হচ্ছে। এমপি সাহেব এসেছেন ডাক্তারদের ডাক্তারি দেখতে। সেখানে যে আসলেও খুব রোগী দেখা হচ্ছে সেখানে এমপি সাহেবকে দেখানোর জন্যই তাদের লোকজন এসে ভর্তি হয়েছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। এমপি সাহেব এলেন, রোগীদের সাথে বললেন জানলেন সেখানে খুব ভাল সেবা পাচ্ছেন তারা। তিনি খুশি মনে আবারও চলে গেলেন।

আশা করি এই রকম আরও নানান রকম ঘটনা আমরা সামনে আরো দেখতে পাবো।

ছবি প্রথম আলোর
খবরের লিংক

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:১৯

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: এসব বাজে দৃষ্টান্ত।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:১৫

অপু তানভীর বলেছেন: রাজনীতিবীদ যারা করে তাদের আর কাজই বা কী!

২| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:৪৭

ডার্ক ম্যান বলেছেন: এই এমপি সাহেবের জীবনে অদ্ভুত ঘটনা ঘটতে থাকে। ২০০৭ সালে যৌথ বাহিনী তাঁর গাড়িতে মদের বোতল ঢুকিয়ে এরেস্ট করে। ঐ সময় তাঁর ভাই ছিলেন নৌবাহিনীর প্রধান।

৩| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



এমপি সাহেবে আগমনে খুশীর চোটে কবিতাই
একটা লিখে ফেললাম ধিরে ধিরে মন্তব্যের ঘরে।

এমপি সাহেবের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম
ঢাকের শব্দ, ব্যানারে লেখা উন্নয়নে উত্তম
হাসপাতালের ফটকে আজ উৎসবের সাজ
ধুলোজমা দেয়ালেও রঙিন প্রতিশ্রুতির লাজ।

এই স্বাগতম কি নিজের নির্বাচনী মাটি?
নাকি অন্য কোথাও সাজানো অভিনয়ের ঘাঁটি?
এলাকার বাইরে হলে প্রশ্ন তোলার নেই দায়
নিজের এলাকায় হলে কিছু কথা বলতেই হয় ভাই।

যে ওয়ার্ডে মাসের পর মাস বাতি জ্বলে না
আজ সেখানে আলো যেন ঈদের চাঁদ না!
যে বেডে রোগী ছিল না দিনের পর দিন
আজ হঠাৎ ভরে গেছে অনিয়মের নেই চিন।

হাসিমুখে শুয়ে আছে সাজানো সব মানুষ
ব্যথা নেই চোখে, নেই দীর্ঘশ্বাসের নিশ্বাস
নার্সের কণ্ঠে মধু, ডাক্তাদের ব্যস্ততম চলা
যেন অসুখও আজ অভিনয়ের দলে ভোলা।

ফাইলগুলো নতুন ওষুধের বোতল সারি
যেন সুস্থতার নদী বয়ে চলছে দ্রুত ভারী
ক্যামেরার ফ্ল্যাশে হাসপাতাল আজ প্রাণবন্ত
বাস্তবের ক্লান্তি গেছে কোথায় প্রশ্ন অনন্ত।

এমপি সাহেব হাঁটেন ধীর গর্বিত ভঙ্গিতে
চারপাশে প্রশংসার ঢেউ উঠছে সংগীতে
নিজ লোকেরা বলে দেখুন উন্নয়নের জয়
হাসেন তিনি দেখে কোন সন্দেহ তার নয়।

কিন্তু গাড়ি যখন মোড় নেয় ফেরার পথে
স্বাগতমের রঙ ঝরে পড়ে নীরব ব্যথাতে
এক এক করে রোগীরা মিলিয়ে যায় দূরে
যেন নাটক শেষে অভিনেতারা ফেরে ঘরে।

বিছানা আবার ফাঁকা, করিডোর নিঃশব্দ
সত্য দাঁড়িয়ে থাকে একা অবহেলার শব্দ
রোগীর আর্তনাদ ফিরে আসে আগের মতো
স্বপ্ন ভাঙে, দেয়াল শোনে নিঃসঙ্গতার নত।

স্বাগতম ছিল, ছিল শত শত করতালির ঢেউ
নকলের ভীরে আসল চিকিৎসা পেলোনা কেউ?
প্রশ্ন রয়ে যায় বাতাসে ভাসা ধূলির মত
উন্নয়ন কি ছবি, না মানুষের সত্য রক্ত?

এমপি সাহেব খুশি, আয়োজন খুবই সফল
কাগজে কাগজে লিখা হবে হাসপাতাল উজ্জ্বল
কেবল জনতার চোখে জমে নীরব অভিমান
স্বাগতম নয়, তারা চেয়েছিল সত্যের সম্মান।

জনসচেতনামুলক পোস্টটির ধন্যবাদ

শুভেচ্ছা রইল

৪| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৪৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আরেকটা আছে। কোনো এক নাটকে ফারুক আহমেদ এক মন্দ লোকের ইলেকশন ক্যাম্পেইন থেকে টাকা খেয়ে ভোট দিয়েছে ভালো মানুষ কে। তাকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয় সে কেন এমন করেছে উত্তরে সে বলেছিলো : একজন মন্দ লোক হয়ে তিনি কি করে আরেকজন মন্দ লোক কে ভোট দিবেন? ভোট তিনি জায়গা মতো দিয়েছেন। :)

গত দুইদিনে একজন নেশাখোর যাকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পুলিশ অন্যায় ভাবে পিটিয়েছে এবং একজন নাস্তিক নারী যে কিনা ধর্ম অবমাননার কারণে এখন পুলিশের হেফাজতে তাদের সোশ্যাল মিডিয়া ঘাটাঘাটি করে দেখা গিয়েছে উহারা দাড়িপাল্লায় ভোট দিয়েছে। =p~

৫| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৪৭

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন:
- নানান রকম নাটক অলরেডি শুরু হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.