নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আহলে হাদিস একটি সুনিশ্চিত পথভ্রষ্ট ও জাহান্নামী দল

২৪ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৫৮




সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

* অভিন্ন ফিকাহ আল্লাহর সুন্নাত। এর পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল। যারা এর সাথে মতভেদে লিপ্ত তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে। তাদের সে মহাশাস্তি হলো আল্লাহ তাদেরকে জাহান্নামে দগ্ধ করবেন। অভিন্ন ফিকাহের সাথে মতভেদের কারণে আহলে হাদিস দলটি সুনিশ্চিতভাবে পথভ্রষ্ট ও জাহান্নামী।

সূরাঃ ৯৬ আলাক, ১ নং থেকে ৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। পড় তোমার রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন
২।সৃষ্টি করেছেন মানুষকে ‘আলাক’ হতে
৩। পড় তোমার রব মহামহিমাম্বিত
৪। যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন।
৫। তিনি শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে, যা সে জানতো না।

সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৩৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৯। আর তোমরা তাদের বিরুদ্ধে কিতাল (যুদ্ধ) করতে থাকবে যতক্ষণ না ফিতনা দূরীভূত হয় এবং আল্লাহর দ্বীন সর্বত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।অতঃপর যদি তারা বিরত হয় তবে তারা যা করে আল্লাহতো এর দর্শক।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১।প্রশংসা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর, যিনি বার্তাবাহক করেন মালাইকাকে (ফেরেশতা) যারা দুই-দুই, তিন-তিন অথবা চার-চার পাখা বিশিষ্ট। তিনি তাঁর সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

* রাসূল (সা.) প্রচার করেছেন অলিখিত অভিন্ন ফিকাহ।তাতেই আল্লাহ তাঁকে মানুষ হতে রক্ষা করেছেন। লিখিত অভিন্ন ফিকাহ প্রস্তুতের দায়িত্ব ছিল বেলায়াত, খেলাফাত ও ইমামাতের।তাঁরা সে দায়িত্ব পালন না করায় প্রথম খলিফার জীবন কেটেছে ফিতনার সাথে যুদ্ধ করে। অন্য তিন খলিফা ও দুই ইমাম নিহত হয়েছেন। তাঁদের ছয় জনের কোন জনকে আল্লাহ মানুষ থেকে রক্ষা করেননি। আল্লাহ ইচ্ছা করলে ফেরেশতা পাঠিয়ে তাঁদেরকে মানুষ থেকে রক্ষা করতে পারতেন।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।

* রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের পূর্বে বেলায়াত ঘোষণা হলেও রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের পূর্বে বেলায়াতের দায়িত্ব পালন শুরু হয়নি। সেজন্য রাসূল (সা.) ইন্তেকালের সময় তাঁর সাহাবায়ে কেরামের (রা.)মাঝে মতভেদ ও ফিতনা দেখেছেন। প্রথম খলিফার সময়েই ফিতনা প্রবল আকার ধারণ করে। দুই খলিফা নিহত হওয়ার পর মাওলা ও চতুর্থ খলিফার সময় মুসলমান পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হয়ে হাজারে হাজারে নিহত হন।সেই সব যুদ্ধ-বিগ্রহে ক্ষমাপ্রাপ্ত হওয়ার কারণে সাহাবায়ে কেরাম (রা.) মুমিন থাকলেও অসাহাবার সবাই কাফের হয়ে যায়। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতেন না। কিন্তু আল্লাহর সুন্নাতের পরিবর্তে রাসূলের (সা.) সুন্নাতকে প্রধান্য দেওয়ায় আল্লাহ তাঁদের পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত না হওয়ার ইচ্ছা করেননি। পরবর্তীতে কাফের সংখ্যা এমন বেড়ে যায় যে সাহাবায়ে কেরামের (রা.) শেষ ইমাম হযরত ইমাম হোসেন (রা.) তাঁর প্রতিপক্ষে কোন মুমিন খুঁজে পাননি। তারা ইমামের মাথাকেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয়। সেই যুদ্ধে ইমামের পক্ষে ফেরেশতা যুদ্ধ না করে হুসাইনী ব্রাহ্মণ যুদ্ধ করে।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।
সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

* অবশেষে ইমাম আবু হানিফার (র.) নেতৃত্বে আখারিনের শুরায় অভিন্ন ফিকাহ লিখিত হলে ইমাম এটি আমির আবু জাফর আল মানসুরের অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করেননি। আল্লাহ তাঁকে আমির থেকে রক্ষা করলেন না। তিনি আমির প্রদত্ত প্রধান বিচারপতির পদ গ্রহণ না করায় আমিরের অবাধ্যতার কারণে আমির তাঁকে মুত্যুদন্ড প্রদান করেন।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।

* অবশেষে ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় মুসলমানদের মধ্যে সবচেয়ে পরাক্রান্ত ক্ষমতাশালী আমির হারুনুর রশিদের শুরায় প্রধান বিচারপতি ইমাম আবু ইউসুফের (র.) নেতৃত্বে আখারিনের শুরায় লিখিত অভিন্ন ফিকাহ পরিশোধীত হয়ে আমির কর্তৃক অনুমোদীত হলে এটি দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম কর্তৃক অনুসারিত হয়। যা এখনও অব্যাহত আছে। আমির হারুনুর রশিদ ও ইমাম আবু ইউসুফকে (র.) আল্লাহ মানুষ থেকে রক্ষা করায় বুঝাগেল লিখিত অভিন্ন ফিকাহের বিষয়ে অবশেষে তিনি সন্তুষ্ট হলেন। তারপর আল্লাহ আহলে বাইতের আব্বাসীয় দলকে প্রায় সাতশত বছর ক্ষমতা প্রদান করে গেছেন। তারপর অভিন্ন ফিকহের অনুসারী তুর্কীদেরকে আল্লাহ চারশত বছর ক্ষমতায় রাখেন। এখনো মুসলিমদের অধিকাংশ অঞ্চল ও দেশ অভিন্ন ফিকাহের অনুসারীদের হাতে রয়েছে। তাদের পাকিস্তানের হাতে নিজেদের শত্রুকে সন্ত্রস্ত রাখার পরমাণূ অস্ত্র আছে।ইদানিং পাক-ভারত যুদ্ধে তারা জয়ী হয়েছে। আফগানরা অভিন্ন ফিকাহের অনুসারী হলেও তারা ইসরায়েলের বন্ধু ভারতের বন্ধু। আর পাক-আফগান যুদ্ধে আল্লাহ তাদের প্রতি বিরক্ত হতে পারেন। তবে এখনো অভিন্ন ফিকাহের অনুসারী হানাফীরা ভালো অবস্থানে আছে। আহলে হাদিসরা হানাফীদের প্রধান বিরোধী। অভিন্ন ফিকাহ হলো সবাই একই নিয়মে ইবাদত করা। একই নিয়মে ইবাদত করার বিষয়টি আহলে হাদিসের মাঝে অনুপস্থিত বিধায় তাদেরকে বিভ্রান্ত নয় বলার সুযোগ নাই।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০১। মরুবাসীদের মধ্যে যারা তোমাদের আশেপাশে আছে তাদের কেউ কেউ মুনাফিক। মদীনাবাসীদের মধ্যেও কেউ কেউ মোনাফেকী রোগে আক্রান্ত। তুমি তাদের সম্পর্কে জান না। আমরা তাদের সম্পর্কে জানি।আমারা সিগ্র তাদেরকে দু’বার শাস্তি দেব। এরপর তারা মহা শাস্তির দিকে যাত্রা করবে।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৭। আর যারা মসজিদ নির্মাণ করেছে ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এবং ইতিপূর্বে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম করেছে তার গোপন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের জন্য, তারা শপথ করেই বলবে তারা ভাল কিছু করার জন্যই ওটা করেছে; আর আল্লাহ সাক্ষি দিচ্ছেন নিশ্চয়ই তারা মিথ্যাবাদী।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।

* আল্লাহর সুন্নাতের পরিবর্তে রাসূলের (সা.) সুন্নাতকে প্রধান্য দেওয়ার সময় মোনাফেক ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) নামে প্রচুর মিথ্যা হাদিস প্রচার করে। অভিন্ন ফিকাহের অনুসরন ছাড়া এসব মিথ্যা হাদিস থেকে আত্মরক্ষার কোন সুযোগ নাই। অভিন্ন ফিকাহের অনুসারী না হয়ে আহলে হাদিস আল্লাহর আদেশ লংঘণ করে এসব মিথ্যাবাদী মোনাফেকের সঙ্গী হয়েছে। সুতরাং তাদের সাথেই তারা জাহান্নামের নিস্নস্তরে থাকবে। ইসরায়েলের বন্ধু আমেরিকা সালাফী রাষ্ট্র সৌদি আরবকে তাদের বন্ধু রাষ্ট্র বলেছে।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৪৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি আসলে চারটা ভিন্ন ধারার ধারণা একসাথে জোড়া লাগাচ্ছেন-শিয়াদের ইমামত, খারিজিদের তাকফির, কুরআনবাদীদের হাদিস অস্বীকার, আর পাকিস্তানি সামরিক জাতীয়তাবাদের একটা মিশ্রণ। এগুলো মিলিয়ে আপনি এমন একটা নতুন “কাল্ট” দাঁড় করাচ্ছেন, যেটার লক্ষ্য ধীরে ধীরে মানুষকে প্রচলিত আকিদা থেকে সরিয়ে এনে আপনার তৈরি এই তথাকথিত অভিন্ন ফিকাহ এর অধীনে নিয়ে আসা। ;)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.