নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি আমাদের কথা বলতে এসেছি। আমি বাংলাদেশের কথা বলবো।আমি পৃথিবির অবহেলিত মানুষের পক্ষে ।জয় বাংলার প্রতিটি শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। ৭১-এর স্বাধীনতা রক্ষায় জিবন বাজী রেখে লড়াই করে যাবো।জিবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে ।জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ।

ক্লোন রাফা

আমি নিরপেক্ষ নই । আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।

ক্লোন রাফা › বিস্তারিত পোস্টঃ

সেনাবাহিনী যখন দেশপ্রেম দেখাতে ব্যর্থ ‼️

২৫ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১:৫০



গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে আসা বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, ‘ক্যান্টনমেন্টের স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পর নাহিদ ইসলাম এক দফার ঘোষণা করেছিলেন।’ জুলাই বিক্ষোভ নিয়ে শুক্রবার নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খান এ কথা বলেন।

পোস্টে রাশেদ খান জানান, মাহফুজ আলমের ভূমিকা সম্পর্কে আব্দুল কাদের তথ্য প্রকাশের পর মাহফুজ আলম শিবিরের ঘরে সব অবদান তুলে দিয়ে নিজেকে কায়দা করে সেইফ করার চেষ্টা করলেন। কিন্তু ইতোপূর্বে তিনি কখনোই শিবিরের ভূমিকা স্বীকার করেনি! ফেসবুক পোস্টে মাহফুজ আলম লিখেছেন অসহযোগ আন্দোলনে কী কী থাকবে, তার একটা খসড়া সাদিক কায়েমকে রেডি করে দিতে বলি, যা আসিফ পরদিন পাঠ করেন।

কিন্তু এটাকে ঘুরিয়ে জামায়াতের সংগ্রাম পত্রিকা লিখেছে, ওই রাতেই সাদিক কায়েমকে দিয়ে এক দফা ঘোষণার একটি খসড়া তৈরি করা হয়, যা আসিফ মাহমুদ পাঠ করেন! কীভাবে বয়ান সৃষ্টি করতে হয়, জামায়াত খুব ভালো করেই জানে! অথচ ১ দফার ঘোষণা আসিফ মাহমুদ নয়, নাহিদ ইসলাম পাঠ করেন! আর আসিফ অসহযোগ আন্দোলনের পালনের দিকনির্দেশনা পাঠ করেন।

রাশেদ বলেন, শিবিরের যতটুকু অবদান, ততটুকুর ক্রেডিট নিলে সমস্যা নেই। কিন্তু অতিরঞ্জিত করতে গেলেই গণ্ডগোল তৈরি হবে। সেসময় সাদিক কায়েম সালমান পরিচয়ে কাজ করতেন, এটাই চিরন্তন সত্য। কিন্তু এখন যদি বেশি ক্রেডিটের জন্য বলা হয় সে সময় সাদিক কায়েম পরিচয়েই সাদিক কায়েম কাজ করতেন, তা হবে অসত্য! ঠিক ক্রেডিটের বিষয়গুলো এই রকম। যার যতটুকু অবদান ততটুকুর বেশি দাবি করার সুযোগ নেই।

রাশেদের ভাষ্য— মাহফুজ আলম লিখেছেন ২ তারিখ রাতেই অনলাইনে এক দফা ঘোষণার আমরা সবাই বিপক্ষে ছিলাম। ৩ তারিখ জনসমক্ষে শহিদ মিনারে ঘোষণা দেওয়ার পক্ষে ছিলাম। কারণ, রাতের ঘোষণার চাপ একটি নির্দিষ্ট কোয়ার্টার থেকে এসেছিল। এই কোয়ার্টার বলতে মাহফুজ আলম ক্যান্টমেন্টকে বুঝিয়েছেন, যা ইতোপূর্বে নাহিদ ইসলামও বলেছিলেন।

দেখেন, আমি যদি বলি সেনাবাহিনীর স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পরই নাহিদ ইসলাম ১ দফার ঘোষণা করেছেন! নিশ্চয়ই মনে থাকার কথা, ২ আগস্ট সেনাবাহিনী একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় যে, ৩ আগস্ট সব সিনিয়র অফিসারদের নিয়ে মিটিং, এরপর ৩ আগস্ট দুপুর বেলা সেনাপ্রধান বলেন যে, সেনাবাহিনী ছাত্র-জনতার বুকে গুলি চালাবে না? এটা কি মিথ্যা? সেনাবাহিনী এই বক্তব্য কি জনতাকে সাহস জোগায়নি? মূলত ১ আগস্ট সেনাবাহিনী সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা জনগণের পক্ষে অবস্থান করবে।

যে কারণে বলা যায়, কার্যত ১ আগস্টেই শেখ হাসিনার পতন হয়ে যায় এবং সেই সিগনাল শেখ হাসিনাসহ মোটামুটি সব এমপি-মন্ত্রীরা পেয়ে যান। যে কারণে ওই সময় থেকেই সব পালানো শুরু করে। জুলাইয়ে ক্যান্টনমেন্টের অনেক ভূমিকা আছে। আমি রূপক অর্থে সেনাবাহিনীর ভূমিকা বা অবদান বোঝাতে গিয়ে এটি বলেছি যে, স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পেয়ে নাহিদ ইসলাম ১ দফার ঘোষণা করেছিলেন! আশা করি বক্তব্য বুঝতে পেরেছেন। এখানে নাহিদ ইসলামেরও ভূমিকা আছে, সেনাবাহিনীরও ভূমিকা আছে।

সবশেষ গণঅধিকার পরিষদের সাবেক এই নেতা বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার পরিষদ, ছাত্রশিবিরসহ সব ছাত্র সংগঠন, রাজনৈতিক দল ও জনতার ভূমিকা আছে। ১ দফার ঘোষণার সিদ্ধান্ত, সম্মিলিত সিদ্ধান্তে নেওয়া হয়। এখানে হয়তো কারও অবদান বেশি, কারও অবদান কম। কিন্তু চব্বিশের ১৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত হাসনাত ও সারজিস ডিসিশন বা পলিসি মেকিংয়ের মধ্যে ছিলেন না।

সরকারের মন্ত্রিদের সঙ্গে বৈঠকে যাওয়ার কারণেই সন্দেহের জায়গা থেকে তাদের দূরে রাখা হয়। আব্দুল কাদেরের বক্তব্য সত্য কি মিথ্যা তা নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ, আবু বাকের, রিফাত রশিদ, মাহিন সরকাররা বলুক।

বাংলাদেশের জন্ম অন‍্য কোনো দেশের সাথে তুলনীয় নয়। আমরা আমাদের স্বাধীনতা টেবিল চেয়ারে বসে চুক্তি করে অর্জন করিনি।৩০ লক্ষ মানুষের রক্ত মিশে আছে আমাদের স্বাধীনতার সাথে । ৩ লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রম এত সস্তা নয় যে আমরা আপোষ করবো কোনো অন্যায়ের সাথে।প্রয়োজনে আরো ৫০ লক্ষ রক্ত দিয়ে আমাদের স্বার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে ।কোনো বাহিনীর উপর নির্ভর করে না বাঙালি ॥

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ॥

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ২:০৬

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমি যদি বলি সেনাবাহিনীর স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পরই
নাহিদ ইসলাম ১ দফার ঘোষণা করেছেন!

......................................................................................
তাহলে ছাত্র - জনতার বিপ্লব কিভাবে হলো ?
সেনা -জনতা ও ছাত্র বিপ্লব বলা যায়. যদিও এটা বিপ্লবের সংজ্ঞায় পড়েনা ।
এটাকে ডীপ ষ্ট্যটের মেটিকুলাস অভ্যুত্থান বলা চলে ।

২৫ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ২:২৮

ক্লোন রাফা বলেছেন: সেনাবাহিনীতে যখন দেশপ্রেমের ঘাটতি থাকে । ম‍্যাটিকুলাস ডিজাইন তখন খুব সহজ । আজ পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের স্বার্থে কয়টি বুলেট খরচ করেছে কিংবা জীবন দিয়েছে । হাতে গুনে বলুন দেখি।

অথচ বারবার রাজনৈতিক কারনে এবং নিজেদের ব‍্যাক্তিগত স্বার্থ রক্ষায় অজস্র হত্যাকাণ্ড এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করেছে‼️সেই ১৯৭৫ সাল থেকে শেষ ২০২৪ কোনো পরিবর্তন আসেনি তাদের । অথচ আমাদের প্রতিবেশী কোন রাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর এমন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড নেই বললেই চলে।

বঙ্গবন্ধু তাদেরকে পিপলস আর্মি হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন । সেই কথার ভিন্ন অর্থ করে তারা তাঁকেই হত্যা করলো। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন ন‍্যাক্কারজনক ঘটনা আর একটাও নেই ।

ধন‍্যবাদ, এখন থেকে ভাবতে থাকুন ।

২| ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ২:২০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: দায়ী কে?
বাংলাদেশ বহুমুখী বিপদে পড়েছে। এবং বিপদের লেভেল বাড়ছে।
যেসব শক্তি বিপদ তৈরি করেছে তাদের সম্পর্কে আমার সামান্য ধারণা আছে।
লীগ নিশ্চিত ছিলো যে ২০৪২ এর আগে তাদের কেউ সরাতে পারবে না। যেহেতু ভারত All out সাপোর্ট দিয়েছে। এই ভরসায় তারা ১৮ কোটি মানুষকে আর মানুষ মনে করে নি। জুলাই অভ্যূত্থান পুরোটাই দেশবিরোধী অপশক্তি দখল করে ফেলেছে ৬ অগাস্ট ২০২৪ থেকেই। এইসব বিপদ হবে, কয়েকশত পোস্ট লিখেছি। লীগের মাঝারি নেতাদের বলেছি। আমারে বলতো, "তুমি রাজনীতি বুঝো না।" আরও কিছু নেতা ছিলো তারা বলতো - আসলে নিজাম, আমাদের করার কিছুই নাই, দেশ চালায় তো সিন্ডিকেট! জব্বার-পলকদের নির্দেশ ছিলো আমাকে সৌশ্যাল মিডিয়া থেকে পুরোপুরি আউট করা। এবং সেটা তারা নিয়মিত মনিটর করতো। এইসব ফালতু কাজ না করে তারা যদি দেশের মানুষের কথা ভাবতো - আজকে দেশের এই অবস্থা হতো না।
২০১৮ থেকেই বেকারত্ব মহামাহী আকার ধারণ করে। কারণ ব্যবসায়ীরা লীগ সরকারে সাথে তালে তাল মিলিয়ে সমান তালে টাকা পাচার করেছে। দেশে বিনিয়োগ করে নাই।ফলে ভবিষ্যতের যে কর্মসংস্থান তারও সর্বনাশ করে গেছে। এই সুযোগ নানা দেশবিরোধী শক্তি নিয়েছে।
২০১৮ সালে বলেছি - ২০৩০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্থনীতিকে কোন সুখবর নেই। বেকার সমস্যা আরও বাড়বে।
বিএনপি সরকার হাজার চেষ্টা করলেও জব মার্কেটের উন্নতি করতে পারবে না। কারণ লীগ সবকিছু ধ্বংস করে গেছে। ব্যাংকে টাকা নাই, নতুন বিনিয়োগ নাই - যেসব ব্যবসা আছে তাদের মালিকরা যে পরিমাণ পাবলিক মানি ব্যাংক থেকে নিয়েছে - সেগুলো আদায় করতে গেলে আরও কয়েকশত প্রতিষ্ঠান বন্ধ হবে এবং বেকারত্ব আরও বাড়বে!
উদাহরণ হিসাবে বড় একটা গ্রুপ ২৬ হাজার কোটি টাকা নিয়ে ব্যাংকগুলোরে বিপদে ফেলছে, এবং তাদের হাজার হাজার কর্মীদের বিপদে ফেলেছে।
লীগের সময়ে এভাবে ব্যাংকের টাকা লুট করা অনেক প্রতিষ্ঠান আছে, টাকা আদায় করতে গেলে এগুলা ডুববে। অনেকেই ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে বিদেশে পাচার করে দিয়েছে।
লীগ সরকার টানা ১৬ বছর ক্ষমতয়া দখল করে ১ গার্মেন্টস থেকে বের করতে পারলো না দেশটাকে।
গার্মেন্টস দেশের উন্নয়নের গলার কাঁটা হয়ে দাড়িয়েছে। নানা শক্তি এই গার্মেন্টসকে ব্ল্যাকমেইল করে যে পরিমাণ সুবিধা নিচ্ছে, পরিবেশের যে ধ্বংস করেছে -
এখন এই গার্মেন্টসকে কেন্দ্র করে নানা শক্তি আমাদের সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ করছে।
এই বহুমুখী বিপদ বিএনপির তৈরি নয়। তবে বিএনপি ৫ অগাস্টের পরে ১৮ মাসের সরকারকে ১০০% ছাড় দিয়েছে, তাদের যা ইচ্ছে তা করতে দিয়েছে - সেখানে একটু চাপ দেয়া দরকার ছিলো।
এখন যে বিপদ - তা আওয়ামী লীগের দীর্ঘ দুঃশাসন, লুটপাট, ব্যাংক ডাকাতি, ভোট ডাকাতির ফলাফল।
এ কথা বার বার বলি, বারবার বলবো -
"আওয়ামী লীগ সরকার শুধু বাংলাদেশের বর্তমান নয়, ভবিষ্যতকেও ধ্বংস করে গেছে।" আপনাদের নিজের লোকের বয়ান ।

২৫ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ২:৫৭

ক্লোন রাফা বলেছেন: ⬇️উত্তর

৩| ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ২:৫৬

ক্লোন রাফা বলেছেন: আপনার সাথে আংশিক একমত । দেশে দুর্নীতি এবং কোনো কোনও ক্ষেত্রে লুটপাট হয়েছে সত‍্য। কিন্তু যে অংক বলা হয় তা মেলেনি শূণ্য শতাংশ ।বড় বড় সেক্টরে কাজ হয়েছিলো বলেই সেখানে অনেক নয় ছয় হয়েছে। জিডিপি’র দিকে তাকিয়ে দেখেন। যা আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত । এখানে বিগত সরকারের কোনো কৌশল নেই ।

এখন যুদ্ধের দোহাই দিয়ে পার পেতে চাচ্ছে । অথচ ইউক্রেন যুদ্ধের কথা তাদের মাথায় নেই । এত বড় করোনার ধকল কোনো দেশ বাংলাদেশের। মতো ম‍্যানেজ করতে পারে নাই । মানুষ একটা সুযোগ দিয়েছিল কিন্তু তার শতভাগ অপব্যবহার করে আরো ধ্বংস করে দিয়েছে দেশের আগামীর জন্য ।
প্রবৃদ্ধি ছিলো সন্তোষজনক/ অর্থনীতি যত খারাপ বলা হয় তা ছিলো না আমি নিশ্চিত । যদি তাই হতো তাহলে গত ২৪ মাসে রেকর্ড পরিমাণ লুটপাট করতে পারতো না । শুধু পারসেপশন আর রেটোরিক চিন্তা মাথা থেকে দূর করে একটু ভাবুন । আমরা অনেকেই ভেতরে থেকে অনেক কথা বলেছি । কিন্তু কোন বড় মাপের ইফেক্ট তৈরি করতে পারিনি । শেষে অসহায় হয়ে পতন দেখলাম। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা ,বঙ্গবন্ধু, স্বাধীনতার ইতিহাসের এত অবমাননা আর কখনো দেখিনি! বঙ্গবন্ধুর স্বপরিবার আওয়ামী লীগ নেতাদের হত্যার পর এই ২০২৪ আমাকে ব‍্যাক্তিগতভাবে বিচলিত করেছে । মনে হচ্ছে কোনো অর্জনই নেই আমাদের! সব ২০২৪ গোগ্রাসে গিলে ফেলেছে। এটা থেকে বের হতে কঠিন কিছু করার বিকল্প নাই ।

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ॥

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.