| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
২৪ এর প্ররতাণার বিপ্লব।
===============
আজ যারা দেশের বর্তমান অবস্থা দেখে আফসোস করছেন, তাদের কাছে একটি প্রশ্ন সত্যি করে বলুন তো, দেশের কোন একটি খাত আগের চেয়ে ভালো হয়েছে?
হ্যাঁ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল। সেই সময়ে ভুল হয়েছে, দুর্নীতি হয়েছে, নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে বিতর্ক ছিল এবং জাতীয় নির্বাচন নিয়েও নানা অভিযোগ উঠেছে। এসব বাস্তবতা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
আমরা যারা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থক, তারাও অনেক অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছি। স্থানীয় পর্যায়ের কিছু নেতার অপকর্মের কারণে আমাদের মতো অনেক ত্যাগী কর্মী নির্যাতন ও বঞ্চনার শিকার হয়েছেন। একটি সুবিধাবাদী ও দালালচক্র ক্ষমতার আশপাশে থেকে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করেছে। ফলে দলের নিবেদিতপ্রাণ, সৎ ও আদর্শবান অনেক নেতাকর্মী দুর্নীতিবাজ ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কাছে পরাস্ত হয়েছেন। এ বাস্তবতা আমরা নিজের চোখে দেখেছি।
কিন্তু পরিবর্তনের নামে যারা জনগণকে উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছে, তাদের কাছে আজ জনগণের প্রশ্ন দেশের কী পরিবর্তন হয়েছে? দুর্নীতি কি কমেছে? দ্রব্যমূল্য কি নিয়ন্ত্রণে এসেছে? মানুষের জীবনযাত্রা কি সহজ হয়েছে? আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কি উন্নত হয়েছে? জনগণই এসব প্রশ্নের উত্তর সবচেয়ে ভালো জানে।
বাস্তবতা হলো, কোনো দেশেই রাতারাতি দুর্নীতি নির্মূল করা সম্ভব নয়। শুধু শাসক পরিবর্তন করলেই দুর্নীতি শেষ হয়ে যায় না। দুর্নীতি কমাতে হলে প্রয়োজন সুশাসন, আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, জবাবদিহিতা এবং সর্বোপরি একটি শিক্ষিত ও সচেতন জনগোষ্ঠী।
তাই দেশকে এগিয়ে নিতে হলে জনগণকে আধুনিক, বিজ্ঞানভিত্তিক ও নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে। যোগ্য, সৎ ও দেশপ্রেমিক মানুষদের সংসদে পাঠাতে হবে। ব্যক্তি বা দলের অন্ধ অনুসরণ নয়, দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে।
দেশ গড়ার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, জনগণেরও। সচেতন নাগরিক, সৎ নেতৃত্ব এবং শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানই পারে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে।
২|
২৩ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সব দোষ শেখ হাসিনার।
৩|
২৪ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৮
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: জুlie আন্দোলন ছিলো শতভাগ ধাপ্পাবাজি। কারণ তা যদি সত্যিই ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন হতো তবে সারা দেশ জুড়ে ৭১ এর চেতনার সাথে সম্পর্কিত বিবিধ স্মারক/ভাস্কর্য ধ্বংস করার কোন যুক্তিই ছিলো না। কারন ৭১ এর মুক্তিসংগ্রাম ভা/রতের মদদপুষ্ট কতিপয় দুষ্কৃতকারী কর্তৃক কোন ফ্যাসিবাদী/নৈরাজ্যবাদী আন্দোলন ছিলো না। তবে ৭১ এর পরাজিত শক্তির দরকার ছিলো ওইসব ধ্বংস করার। পরাজিত হিসেবে তাদের প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার।
gen z জেনারেশনের জন্য একরাশ সমবেদনা। তারা ৭১ এর গাদ্দার কর্তৃক যথারীতি গাদ্দারীর শিকার হয়েছে। কারণ ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে উল্টো ৭১ এর গাদ্দারদের স্বাধীনতা ওই ৫ ই আগস্ট ২৪ এ প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছে। ৭১ এ বিজয় অর্জন করা বাং৭লাদেশ এখন সেই গাদ্দারদের গোলাম।
জুlie এ যাদের হত্যাকে গণহত্যা বলা হচ্ছে তারা জামায়াতি রাজাকারদের স্বাধীনতা অর্জনের আন্দোলন করতে গিয়ে নিহত হয়েছে। এটা কোনো অর্থেই ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন ছিলো না, ছিলো রাজাকারদের স্বাধীনতা আন্দোলনকে আড়াল করে রাখা বিভ্রম সৃষ্টিকারী একটা মুখোশ। সুতরাং কথিত গণহত্যার শিকার মানুষের আত্মত্যাগ (বুঝে বা না বুঝে হোক) বৃহৎ জনগোষ্ঠীর (যারা সত্যিই ফ্যাসিবাদ/স্বৈরাচার বিরোধী ছিলো) স্বার্থে কাজে আসেনি। জামায়াতি রাজাকারদের গুপ্ত এজেন্ডা সমূহ পূরণ হয়েছে মাত্র।
যারা না বুঝে জামায়াতি বিভ্রান্তির ফাঁদে পা দিয়ে প্রাণ দিয়েছে তাদের জন্য আবারও সমবেদনা। কিন্তু যারা বুঝে শুনে জামায়াতি রাজাকারদের ২.০ প্রজন্মের লাল বদর হিসেবে জুlie আন্দোলনের সময় কিংবা পরে প্রাণ দিয়েছে, তাদের জন্য দুঃখ বোধ কোনো কারণ থাকতে পারে না। বরং এটাই শান্তনা পেতে পারে যে ২.০ প্রজন্মের কিছু সংখ্যক রাজাকার শাবক কমেছে।
৭১ এ মুক্তিযোদ্ধারা হেরে গেলে যে অবস্থার মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ তাদের দিন অতিবাহিত করতো, এই মুহূর্তে তারই একটা demo জনসাধারণ হাড়ে হাড়ে, মজ্জায় মজ্জায় টের পাচ্ছে।
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সচেতন নাগরিক, সৎ নেতৃত্ব এবং শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানই
পারে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে।
...........................................................................................
ভালো কথা
বেড়ালের গলায় ঘন্টা পড়াবে কে ???