| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সত্যপথিক শাইয়্যান
আমি একজন চিন্তুক, সমাজ নিয়ে চিন্তা করি! সমাজের ভালোর জন্যে গান-গল্প-ছড়া লিখি ও আইডিয়া শেয়ার করি। আপনি?
আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: সাহলা বিনতে সুহাইল নবী করীম ﷺ-এর নিকট এসে বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আমার নিকট সালেমের আসাটা আবু হুযাইফা ভালো মনে করছেন না। নবী বললেন: "ঠিক আছে তাহলে তাকে দুধ পান করায়ে দুধ ছেলে বানিয়ে নাও।" সে বলল, সে তো বড় মানুষ তাকে কিভাবে দুধ পান করাব? নবী করীম হেসে বললেন: "আমি তো জানি সে বড় মানুষ।"
আমর তার হাদীসে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, সে বদরের যুদ্ধে উপস্থিত হয়েছিল। (বুখারী: হাদীস নং ৪০০০; মুসলিম, হাদীস নং ১৪৫৩)।
আশা করি, সামু'র ইসলামী স্কলারগণ এই হাদিসের ব্যাখ্যা দিবেন।
চলার পথে কিংবা পথে বা বাসায় কতো নারীর সাথে দেখা মেলে। সবার ক্ষেত্রেই কি উপরোক্ত হাদিস প্রযোজ্য? একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ যদি একজন নারীর দুধ পান করতে গিয়ে কাম-উত্তেজনায় ভোগেন, তখন কি হবে?
২|
২৪ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৪৬
শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু বলেছেন: ইমাম বুখারীর জন্ম নবী (স
এর মৃত্যুর বহুবছর পর। তার সারা জীবনের চেষ্টায় সংগ্রহকরা সকল হাদিসের মধ্যে থেকে তিনি মাত্র ১% হাদিসকে বিশ্বাসযোগ্য বা সহী বলে স্বীকৃতি দিয়েছেন। এসব হাদিসের যে সকল সোর্স তাও আবার ওমুক শুনেছেন তমুকের কাছে, তমুম শুনেছের তার বাবার কাছে, বাবা শুনেছেন তার দাদার কাছে, দাদা শুনেছেন তার চাচার কাছে, সেই চাচা শুনেছেন আবু হুরায়রার কাছে। সরাসরি নবীর কোনো স্টেটমেন্ট নেই। আর যে সনদ দেয়া হয়েছে তাও অথেন্টিক নয়। কাজেই হাদিস নিয়ে কথা বলাটা সময় নষ্ট করা ছাড়া অন্য কিছু নয়।
ধন্যবাদ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:৫০
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
সুনানে ইবনে মাজাহ ও মুসনাদ আহমাদগ্রন্থে আয়েশা (রা.) থেকে একটি বর্ণনা অনুযায়ী --- একটি ছাগল বা গৃহপালিত পশু এসে এমন একটি লেখার টুকরো খেয়ে ফেলার কথা বলা হয়েছে যাতে রজম (ব্যভিচারের শাস্তি) ও বয়স্কদের দুধপান সম্পর্কিত হুকুম লেখা ছিল?