নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

...............

শ্রাবণধারা

" আমাদের মতো প্রতিভাহীন লোক ঘরে বসিয়া নানারূপ কল্পনা করে, অবশেষে কার্যক্ষেত্রে নামিয়া ঘাড়ে লাঙল বহিয়া পশ্চাৎ হইতে ল্যাজমলা খাইয়া নতশিরে সহিষ্ণুভাবে প্রাত্যহিক মাটি-ভাঙার কাজ করিয়া সন্ধ্যাবেলায় এক-পেট জাবনা খাইতে পাইলেই সন্তুষ্ট থাকে......."

শ্রাবণধারা › বিস্তারিত পোস্টঃ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এখনই কওমী মাদ্রাসাগুলো বন্ধ করে দিন

০৭ ই মে, ২০২৬ রাত ৮:৪৮


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এখনই কওমী মাদ্রাসাগুলো বন্ধ করে দিন। এর জন্য যদি আকাশ ভেঙে পড়ে, তাহলে ভেঙে পড়ুক। এর কারণে যদি দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, তবে তাই হোক। এখনই উপযুক্ত সময় ধর্মীয় শিক্ষার নাম করে গজিয়ে ওঠা মূর্খ তৈরির এই সূতিকাগারগুলো বন্ধ করার।

নেত্রকোনার মহিলা মাদ্রাসায় ধর্ষণের শিকার ১২ বছরের ছোট্ট অসহায় মেয়েটিকে দেখলে আপনার অন্তরাত্মা কি কেঁপে ওঠে না, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী?

শিশু ধর্ষণ করে এসে ফেসবুকে ধর্ষকের আত্মপক্ষ সমর্থন ও হুমকি-ধমকি দেখে আমাদের যে চিৎকার করে কাদতে ইচ্ছা করে - বিবমিষা ও বিলাপের সেই অনুভূতি প্রকাশের ভাষা আমাদের নেই। যে নারী চিকিৎসক এই মেয়েটিকে চিকিৎসা দিয়েছেন, এখন তিনিও ধর্ষণ ও হত্যার হুমকি মাথায় নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ভেবে দেখুন, ইসলামি শিক্ষার নামে কী ভয়ঙ্কর ফ্রাঙ্কেনস্টাইন-সদৃশ দানব তৈরি করেছি আমরা।

আপনার সন্তান জাইমার দিকে তাকিয়ে ভাবুন, কী হৃদয় বিদারক ঘটনা এটা! প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার কি ইচ্ছা হয় না, আমাদের দেশের সব নারীশিশুই যেন জাইমার মতো আত্মমর্যাদা ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে বেড়ে ওঠে? আপনার কি মনে হয় না, এই নিয়াণ্ডারথাল প্রজাতির শিম্পাঞ্জিগুলোর থাবায় আক্রান্ত হওয়ার চেয়ে, ধর্ষিত হওয়ার চেয়ে, খুন হয়ে রক্তে ভেসে যাওয়ার চেয়ে, আমাদের শিশুদের বেশি কিছু পাওয়ার ছিল?

ইতিহাস, সামাজিক প্রেক্ষাপট ও পূর্বাপর সম্বন্ধ না বুঝে, কতগুলো দোয়া-দরুদ মুখস্থ করা কওমী মাদ্রাসার এই মূর্খদের "আলেম সমাজ" নাম দেওয়া হয়েছে। মূর্খ একপাল বনমানুষের নাম "আলেম" বা জ্ঞানী, এর চেয়ে বড় পরিহাস আর কি আছে?

ধর্মীয় শিক্ষার নামে এই মাদ্রাসাগুলোতে অল্প বয়সে শেখানো হয়, আইন বলে আমরা যেগুলো মানি, সেগুলো মানুষের তৈরি ভুয়া আইন, আল্লাহর আইনই আসল আইন। শিশুদের স্বাভাবিক কৌতূহল থেকে যে সহানুভূতি ও সৃষ্টিশীলতা নিয়ে দেশের নাগরিক হয়ে ওঠার কথা, শৈশবেই সেটা ধ্বংস করে দেওয়া হয়। তাহলে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে এদের কাছে কি আশা করার আছে?

সামাজিক শৃঙ্খলায় এই যে বিকৃত বিশ্বাসের প্রভাব, সেটা তো সমাজের অন্যদের মধ্যেও পড়বে। একদল লোক যখন বিশ্বাস করে মানুষের তৈরি আইন ভুয়া, তখন সমাজের অন্য পেশাজীবী, উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, কিছু পুলিশ সদস্যের মধ্যেও বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। কেউ কেউ ভাবতে পারে, আরে, তাই তো, আমি পুলিশ হয়ে মানুষের তৈরি আইন রক্ষার কাজ করছি, যেখানে আল্লাহর আইন আসল।

আমাদের দেশের তরুণদের বিশ্বায়নের যুগে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে যে দক্ষতা অর্জন করতে হবে, পাশাপাশি বৈশ্বিক পরিবেশে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধর্ম, সংস্কৃতি ও বিশ্বাসের মানুষের সাথে কাজ করতে হবে - এই আলেমরা কি সেই দক্ষতা অর্জনের উপযুক্ত?

কতিপয় দুর্বৃত্ত, ২০১৩ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ও গণজাগরণ মঞ্চের বিপক্ষে লেলিয়ে দিতে কওমী মাদ্রাসাকে রাজনৈতিক অস্ত্রে পরিণত করে। কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী, যারা মুক্তিযুদ্ধকালীন হত্যা, লুণ্ঠন ও ধর্ষণের মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন, তাদের রক্ষার জন্য একজন পত্রিকার সম্পাদক ও শঠ বুদ্ধিজীবী মিলে মিথ্যা প্রপাগান্ডা তৈরি করে কওমীদের মাঠে নামালেন। হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার ভয় দেখিয়ে, রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে বহু সংখ্যক শিশু-কিশোরদের পুলিশ ও র‍্যাবের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে তাদের হত্যার মুখে ঠেলে দিলেন।

কওমী মাদ্রাসা যে অর্থনীতির কাঠামোয় চলে, সেটা একটা চুরি-ডাকাতি-ঘুস ও দুর্নীতি নির্ভর মডেল হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছে। কওমী মাদ্রাসা যে দান-খয়রাতের অর্থে পরিচালিত হয়, সেটা মূলত দেশের দুর্নীতিবাজ, ঘুষখোর এবং চোর-ডাকাতদের টাকা। এটি একটা ইকোসিস্টেম। যেখানে একদিকে দুর্নীতিবাজরা দান-খয়রাতের মাধ্যমে পরকালীন মুক্তি ও বেহেস্তে যাবার পথ তৈরি করে, অন্যদিকে দানের ওপর নির্ভর করা কওমীরা অর্থনীতিতে কোনো ধরনের অবদান ছাড়াই আয়েসে জীবন যাপন করে।

দিনমজুর, রিকশাচালক বা গার্মেন্টস কর্মীর তুলনায় কওমী হুজুর হওয়া অনেক সহজ ও সুবিধাজনক। এ কারণে দরিদ্র ও খেটে খাওয়া মানুষের কাছে সন্তানদের হুজুর হওয়া স্বপ্নের মতো বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাধারন শিক্ষা খরচ বেশি হওয়ায়, মাদ্রাসা শিক্ষা ছাড়া তাদের আর উপায় থাকে না। এটাই তাদের সাধ্যের মধ্যে, কেননা এখনে শিক্ষা খরচ নেই; আবার বিনামূল্যে খাবার ও আবাসন জোটে।

কওমী ছাত্ররা কতগুলো আরবী বাক্য মুখস্থ করে মাদ্রাসা থেকে বের হয় বলে, সাধারন চাকরিতে ঢোকার সুযোগ থাকে না। তখন তাদের কাজ হয় আরেকটি মাদ্রাসা খুলে বসা অথবা ওয়াজ মাহফিল করা। মানুষের তৈরি আইন যে ভুয়া এই তত্ত্ব প্রচার করা।

বাংলাদেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দল এদের ব্যবহার করেছে। কখনো ভোটের সমীকরণে, কখনো ধর্মানুভূতি রক্ষার অজুহাতে রাজনৈতিক পুঁজি হিসেবে তাদের ব্যবহার করা হয়েছে।

আপনাদের রাজনৈতিক দল ২০১৩ সালে এদের রাজনৈতিক অস্ত্রে পরিণত করার ঘৃন্য কৌশল সমর্থন করে যে বড় ভুল করেছিল, সেই ভুল সংশোধন করার একটা সুযোগ আপনার সামনে এসেছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

মন্তব্য ২৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৪৫

মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ্‌ বলেছেন: যৌন নির্যাতনের মতো অপরাধ ব্যক্তি বিশেষের নৈতিক অবক্ষয়, যা কোনো ধর্ম বা বর্ণের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে উঠে আসা কিছু দিক নিচে তুলে ধরা হলো:অভিযোগের ব্যাপকতা: বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসা) পুরুষ শিক্ষকদের দ্বারা ছাত্রীদের যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়ার ঘটনা নিয়মিতভাবে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। সাম্প্রতিক ঘটনা: সাম্প্রতিক সময়ে নেত্রকোণার একটি মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ যেমন পাওয়া গেছে, তেমনি গত বছর গাজীপুরে এক হিন্দু যুবকের বিরুদ্ধে মাদ্রাসা ছাত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল

০৮ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:১৪

শ্রাবণধারা বলেছেন: ও তাই না কি? এত জ্ঞানের কথা তো জানা ছিল না, জোনাব! :)

আমার আরেকটা ছোট দাবি আছে। সেটা পশ্চিমা দেশের রাষ্ট্র প্রধানদের কাছে। সেটা হলো, পশ্চিমা দেশে বসবাসকারী কওমী ভক্ত ইসলামিস্ট জঙ্গিগুলোকে যেন তাদের দেশে চিড়িয়াখানায় শিম্পাঞ্জির সাথে পুরে রাখা হয়!

২| ০৭ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:৪০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কঠিন একটা বিষয় নিয়ে লিখেছেন । ইহার প্রতিকার হওয়া দরকার। ছেলে মেয়ে কেউ এদের কাছে নিরাপদ নয় ।

০৮ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:১৯

শ্রাবণধারা বলেছেন: ফেসবুকে এই খবরগুলো আর জঙ্গিগুলার আস্ফালন দেখে দেখে মাথাটাই হ্যাং হয়ে গেছিল। এই জঙ্গিগুলাকে দমন না করা গেলে, এরাই রাজনীতির মাঠ নিয়ন্ত্রন করবে।

৩| ০৭ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:৫৯

আহা রুবন বলেছেন: যথার্থ বলেছেন। আমার মাথায় ঢোকে না মাদ্রাসায় এমন কী পড়ানো হয় যে শিক্ষির্থীদের পরিবার, সমাজ ছেড়ে হোস্টেলে থাকতে হবে! মাদ্রাসা বন্ধ করতে না পারলেও আবাসিক ব্যবস্থা বন্ধ করে দেয়া উচিত।

০৮ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:৩১

শ্রাবণধারা বলেছেন: এটা একটা খুব ভালো পয়েন্ট আহা রুবন। আবাসিক ব্যবস্থা অবশ্যই বন্ধ করে দেয়া উচিত।

হুজুররা চোরদের কাছে দানের টাকা নিলে নিক, কিন্তু আমাদের শিশুরা যাতে এদের হাত থেকে রক্ষা পায়।

৪| ০৮ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:৪৮

কিরকুট বলেছেন: আমি এর পক্ষে না। কওমি ছাগল গুলা ভালো জোকার, এরা এন্টারটেইনে উস্তাদ। কিভাবে অতি দ্রুত পাজামার ফিতা খুলে তা আবার লাগানো যায় এর আবিষ্কারক এরাই। এর পর একজনা বয়স্ক মহিলা কে কওমী জননী ডেকে তার ব্রা পেন্টি নিয়া গন্ধ শোকার মতো জঘন্যতম কাজ এরাই করেছে। তো এদের চিরিয়াখানার সামনের খাচায় রাখা জরুরী। সময় মতো কলা দেবেন, এরা কলা খেয়ে চ্যাগায় যাবে।

০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:০৭

শ্রাবণধারা বলেছেন: হা হা, খুব ভালো বলেছেন কিরকুট । এগুলোকে চিড়িয়াখানার সামনের খাঁচার রাখার প্রস্তাব সম্পুর্ন সমর্থন করছি।

যদি দৃষ্টি আরেকটু চোখা করেন, তাহলে দেখবেন যে, এরা আমাদের সাধারণ মানুষদেরকেই সাংস্ক্বতিক ভাবে, রাজনৈতিক ভাবে এমনকি অর্থনৈতিক ভাবেও জিম্মি করার পায়তারা করছে।

৫| ০৮ ই মে, ২০২৬ রাত ১:৪৭

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:



বেশ সাহসী একটি বিষয় নিয়ে পোষ্ট দিয়েছেন। ছবিগুলো দেখুন......

আপনি কাওমি মাদ্রাসা বন্ধ করার কথা বলছেন, ওদিকে মসজিদের নগরী ঢাকায় মেট্রো রেলে ও নামাজের স্থান চায় একদল জনতা। আমি অবশ্য মন্তব্য করেছি প্রতিটি স্টেশনে নামাজের জায়গার পাশাপাশি একটি ছোট দারুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসা দিলে ও খারাপ হয় না।

ধর্মের নামে চলমান বিষয়ের সংস্কার করা সহজ ব্যাপার না‌। ধর্ম যাজকেরা ও একটি সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী, জনতার একাংশ তারা ও নিয়ন্ত্রণ করে‌। হুজুরদের কোন কার্যকলাপ নিয়ে সমালোচনা করলে কাফের, মুরতাদ, নাস্তিক, ইহুদিদের দালাল ট্যাগ অনিবার্য। তারেক রহমানকে এই বিষয়ে কোন অনুরোধ করে কাজ হবে বলে মনে হচ্ছে না। উনি নিজেই ক্ষমতায় এসেছেন এই উগ্রবাদী মৌলবাদীদের এক পায়ে ভর করে। প্রশাসন, সামরিক বাহিনী সবকিছু অনুকূল থাকা সত্ত্বেও শেখ হাসিনার মতো শক্ত নেত্রীকে "থেমিস দেবীর" ভাস্কর্য হাইকোর্টের সামনে থেকে সড়িয়ে নিতে হয়েছে এই তৌহিদী জনতার চাপে পড়ে।

০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:১১

শ্রাবণধারা বলেছেন: কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: মসজিদের নগরী ঢাকায় মেট্রো রেলে ও নামাজের স্থান চায় একদল জনতা। আমি অবশ্য মন্তব্য করেছি প্রতিটি স্টেশনে নামাজের জায়গার পাশাপাশি একটি ছোট দারুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসা দিলে ও খারাপ হয় না।

হা হা, অনেকদিন পরে একদম রসে ভরা দফাদারীয় একটা মন্তব্য। :)

আপনার শেষ প্যারার সাথে একমত। এরা এখন খুবই শক্তিশালী হয়ে গেছে, এবং এই শক্তি আরও বাড়বে। কিন্তু এটাকে কোন না কোন ভাবে নিষ্কৃয় না করতে পারলে খুব বড় বিপদ সামনে আসবে।

৬| ০৮ ই মে, ২০২৬ ভোর ৬:১৭

এমএলজি বলেছেন: সেনানিবাসের অভ্যন্তরে সোহাগী জাহান তনু ধর্ষিত হয়েছে। তাই বলে কি সেনানিবাস বন্ধ করে দিতে হবে?

০৯ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:১৯

শ্রাবণধারা বলেছেন: একেবরে দাতভাঙ্গা যুক্তি এমএলজি! আমার বেশ কয়েকটা দাত ইতিমধ্যে পড়ে গেছে।

একেবারে প্রথম মন্তব্যের উত্তরে যেমন বলেছি, পশ্চিমা দেশে বসবাসকারী কওমী ভক্ত ইসলামিস্ট জঙ্গিগুলোকে যেন চিড়িয়াখানায় শিম্পাঞ্জির সাথে পুরে রাখা হয়, এরকমের একটা দাবি তোলা দরকার!

৭| ০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:০৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

আমি সেটা মনে করি না।
বন্ধ করার কোন দরকার নেই।
আপনি/আপনার আপনাদের বাচ্চাদেরকে ওখানে না পাঠালে ওরা এক সময় এমনিতেই বন্ধ হয়ে যাবে।

০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:২০

শ্রাবণধারা বলেছেন: খুব যৌক্তিক কথা বলেছেন। হ্যাঁ, সেটাই, এমন একটা ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে, যাতে যেসব মানুষ এখন বাচ্চাদের কওমী মাদ্রাসায় পাঠায়, তারা যেন মাদ্রাসার বদলে বাচ্চাদের স্কুলে পাঠায়। এটাই বাস্তবসম্মত একটি নীতি।

এর জন্য যত ধরনের ইনসেনটিভ দেওয়া লাগে, দিয়েও বাচ্চাদের স্কুলমুখী করতে হবে। পাশাপাশি এমন পরিস্থিতি তৈরি করতে হবে, যাতে জীবিকা অর্জনের পথগুলো কওমী হুজুর হওয়ার চেয়ে সহজলভ্য ও আকর্ষণীয় হয়। জেনারেল লাইনে এখন যে তীব্র প্রতিযোগিতা, সেটাও মানুষকে "হুজুরি" পথে ঠেলে দেওয়ার একটি কারণ।

৮| ০৮ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:০০

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সময়ের দাবী
আপনার সন্তানকে শুশিক্ষা দিন ।

০৮ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬

শ্রাবণধারা বলেছেন: হ্যাঁ, সেটাই, এটা সময়ের দাবি।

তবে "শুশিক্ষা" জিনিসটা ঠিক কী? কিভাবে "শু" মানে জুতো বানাতে হবে এটার শিক্ষা? :) জুতো বানাতে জানাটাও প্রয়োজনীয় বটে।

৯| ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৫

আলামিন১০৪ বলেছেন: আপনে কি কখনো ভালো হবেন না? এত ইসলাম বিদ্বেষী কেন? আল্লাহর আইন চাওয়া কি অপরাধ? গণতান্ত্রিক দেশে ভোটে সংস্কারের পক্ষে রায এসেছে। সে বিষয়ে কিছু বলেন। আর আপনি তো কানাডায় থাকেন। তো, সে দেশেও কওমী মাদ্রাসা টাইপ শিক্ষা প্রতিস্ঠান আছে। সেখানে গিয়ে বিরোধীতা করলে বুঝতাম, বাপের ব্যাটা..

০৮ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:২১

শ্রাবণধারা বলেছেন: ইসলামের স্বার্থেই ইসলামের নামে গজিয়ে ওঠা বিষ্ঠা পরিষ্কার করা দরকার। কিন্তু আমার এই কথাটা বোঝার মত জ্ঞান-বুদ্ধি আপনার নেই।

কানাডায় কোন কওমী মাদ্রাসা আছে বলে আমার জানা নেই। তবে ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে খুব কঠোরভাবে সরকারী নিয়ম পালনের পাশাপাশি আতিরিক্ত ইসলামি শিক্ষা দেওয়া হয়।

১০| ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬

রাজীব নুর বলেছেন: দেশের সকল মাদ্রাসা বন্ধ করে দিয়ে, আধুনিক স্কুল করা হোক।

০৮ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:২২

শ্রাবণধারা বলেছেন: সেটাই করা উচিত।

১১| ০৮ ই মে, ২০২৬ রাত ৯:০৯

এল গ্যাস্ত্রিকো ডি প্রবলেমো বলেছেন: এই আলামিন ছাগুটারে হুজুর দিয়া পুন্দানো দরকার। হুজুররা দলে দলে ধর্ষণ করতেছে তাও সে হুজুরদের দোষ দেখে না।

০৮ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:৩৬

শ্রাবণধারা বলেছেন: জঙ্গিরা বিষ্ঠার ঢিবির মত, দেখলে লাথি দিতে ইচ্ছে করে বটে, কিন্তু লাথি দিলে ঘরময় ছড়িয়ে পড়বে, তাই খুব ধৈর্য্য নিয়ে এদের মোকাবেলা করতে হবে।

১২| ০৮ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:০৭

নিমো বলেছেন: এরা দিনশেষে বিশাল ভোট ব্যাংক। তাই আপনার রোদন তারেক নামক অরণ্যে নাই বা করলেন।

০৮ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:৪০

শ্রাবণধারা বলেছেন: এরা বিশাল ভোট ব্যাংক থেকে যে বিশাল জঙ্গিরা বিষ্ঠার ব্যাংকে পরিনত হচ্ছে, সেটা নিশ্চয়ই দেখতে পাচ্ছেন। অতএব তারেক রহমানের নিজের স্বার্থেই এটা করা দরকার, নইলে এই জঙ্গিরা ব্যাংক, তাদের ডোবাবে।

কওমী বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মজহার কে কওমী হুজুরেরাই কতলের হুমকি দিয়েছিল!

১৩| ০৯ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:৫৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



এখন আর সম্ভব না। একটি দেশ ধ্বংস করার জন্য দেশের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে যতোটা পঙ্গু করার প্রয়োজন তা হয়েছে। দেশের বাংলা ইংরেজী শিক্ষার ব্যবস্থা ও ছাত্র ছাত্রী সহ শিক্ষকের আচার আচরণ খুবই নিম্ন শ্রেণীর। মাদ্রাসার কথা নতুন করে কিছু বলার নেই। ১৯৭২ এই চ্যাপ্টার ক্লোজ করা উচিত ছিলো।


১৪| ১০ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:০৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



এমএলজি প্রবাসে ভিসার কাজ (ভিসার দালালি বলছি না) করা ছাড়া কি আর কোনো কাজ নেই? তনু হত্যার মতো সেনানিবাসে কয়টি ঘটনা ঘটেছে? আর মাদ্রাসায় প্রতি দিন, প্রতি সপ্তাহে কয়টি ঘটনা ঘটছে?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.