| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাজীব নুর
আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।
আমার মনে হয়, আমরা শেষ জামানায় পৌছে গেছি।
পুরো পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে খুব শ্রীঘই। চারিদিকে অনাচার হচ্ছে। মানুষের শরম লজ্জা নাই হয়ে গেছে। পতিতারা সামনে এসে, সে কত টাকার মালিক সেটা বলছে। এমনকি তার ব্রা প্যান্টির নাম কত এবং কোথা থেকে কিনেছে সেটা বলছে। কক্সবাজার যাওয়ার পর সে আই ফোন গিফট পেয়েছে। কারো মধ্যে নেই সততা। নেই মানবিকতা। মানুষ বড় বেশি নোংরা হয়ে গেছে। ধর্ম আর মন্দির মসজিদ নিয়ে ধান্দাবাজি করছে মানুষ। মমতা দিদি নির্বাচনে হেরে গেলেন। আজ কলকাতার এক ভিডিওতে দেখলাম, মসজিদে নামাজ পড়ছে। তখন হিন্দু লোকেরা মসজিদের ভিতরে গিয়ে বাশি বাচজাচ্ছে। ঢোল বাজাচ্ছে। মুসুল্লিদের টেনে হিচড়ে বের করে দিচ্ছে। যারা ধর্ম মানবে মানুক। তাদের অপদস্ত করার মানে কি!
মানুষ মরে গেলেই সব শেষ।
এরপর আর কিছু অবশিষ্ট নেই। একবার মানুষ মরে গেলে আর জন্মায় না। নো নেভার। কিছু ধর্মীয় গ্রন্থে লেখা আছে, মানুষ মরে গেলে আবার জন্মায়। ভুল কথা। মিথ্যা কথা। ধর্মীয় গল্প গুলো রুপকথার গল্পকেও হার মানায়। বাস্তবতা হচ্ছে, কোনো ধর্মীয় গ্রন্থই ঈশ্বর লিখেন নাই। অলৌকিক ভাবে ধর্মীয় গ্রন্থ মানুষের হাতে এসে পৌছায় নাই। ধর্মীয় রুপকথার তো আর মা বাপ নেই। লাঠি সাপ হয়ে যায়। মাছের পেটে ঢুকে যায়। মৃত মানুষ জেগে ওঠে। হনুমান পুরো একটা এলাকা হাতে করে অন্য জায়গায় নিয়ে যায়। বিজ্ঞান রুপকথার ধারধারে না। আজকের আধুনিক বিশ্ব গড়ে উঠেছে বিজ্ঞানের জন্য। ধর্ম তো কুসংস্কার। অন্ধবিশ্বাস।
মানুষের জন্ম হয় একবার। মৃত্যু হয় একবার।
সিনেমাতে দেখা যায় নায়ক মরে গিয়ে আবার জন্মায়। সিনেমা তো আর বাস্তব নয়। সিনেমা হচ্ছে মানুষের বিনোদনের জন্য। মানুষ মরে গেলে আর জন্মায় না। তবুও মানুষ ধরে নেয়, সে আবার জন্মাবে। এরকম ভেবে মানুষ আসলে এক ধরনের আনন্দ পায়। স্বস্তি পায়। ধর্মীয় গ্রন্থে বলা হয়েছে মানুষের আবার জন্ম হবে। ধর্মীয় গ্রন্থ গুলোতে ভুলে ভরা। লজিকহীন যত কথাবার্তা। এক ধর্মের প্রতি আরেক ধর্মের কোনো সম্মান নেই। মুসলিম বিশ্ব গুলো ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। গাজা শেষ। ট্রাম্প রেগে গেলে ইরানও শেষ হয়ে যাবে।
মুসলমান ধর্ম পূর্নজন্ম বিশ্বাস করে না।
হিন্দু এবং বৌদ্ধরা বিশ্বাস করে। বিজ্ঞান পূর্নজন্ম বিশ্বাস করে না। যীশুর জন্মের অনেক আগে থেকেই অনেক জাতি মনে করতো, মৃত্যুর পর তাদের আবার জন্ম হবে। এরিস্টটল বলেছেন, মৃত্যুর পর মানুষ আর ফিরে আসে না। আইনস্টাইনও বলেছেন, মৃত্যুর পর মানুষ আর ফিরে আসে না। আমাদের আরজ আলী মাতব্বরও বলেছেন, পূরনজন্ম বলে কিছু নেই। জ্ঞানহীন মানুষেরা প্রচার করেছেন, পূর্নজন্ম হবে। ভুলভাল চিন্তা নিয়ে ধার্মিকেরা জীবন পার করে দিচ্ছে। অবশ্য মুসলমানদের অনেক লোভ দেখানো হয়েছে।
পৃথিবীটা তো খুব ভালো জায়গা না। ক্ষনে ক্ষনে বিপদ!
চোর, ডাকাত আর দুষ্টলোকে ভরা। দরিদ্র দেশ গুলোর অবস্থা ভালো না। লাইফ ইজ বিউটিফুল না। কাজেই কে আবার পৃথিবীতে মরার পর আসতে চায়! আসার সুযোগ থাকলেও আমি এই পৃথিবীতে আসতে চাই না। আসলে আমাকে যদি পৃথিবীতে আসার আগে ইশ্বর জিজ্ঞেস করতেন, বৎস তুমি কি পৃথিবীতে যেতে চাও? আমি চিৎকার করে বলবো না। আমি পৃথিবোতে যাবো না। নো নেভার। পাপে ভরা পৃথিবীতে মৃত্যুর পর ফিরে আসতে চাই না। মানুষ খারাপ। যারা মনে করে মরে যাবার পর আবার পুনর্জন্ম হবে, তারা আসলে– মানসিক রোগী।
০৯ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৮
রাজীব নুর বলেছেন: ধর্ম এবং জীবন জড়াজড়ি করে আছে।
২|
০৯ ই মে, ২০২৬ রাত ৮:৫৬
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
আমার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্যে ধন্যবাদ।
একটু যোগ করি - 'জীবনটাই আসলে ধর্ম।'
চিন্তা করে দেখুন, - 'কলম উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে আর কাগজ শুষ্ক হয়ে গিয়েছে।'
১১ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:৩৭
রাজীব নুর বলেছেন: রাইট।
৩|
০৯ ই মে, ২০২৬ রাত ১১:২২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জীবন অর্থহীন, তাতে কী? আমরা তবুও হার মানব না- আলবেয়ার কামু ।
৪|
১০ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:৪৬
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
আপনার লেখার অবস্থা দিন দিন খারাপ হচ্ছে। ভালো কিছু লিখুন, শাহেদ জামালকে জাহাজে করে সদরঘাট হতে বরিশাল পাঠিয়ে দিন। আসার পথে বরিশাল হতে নারকেল আর খেজুরের পাটালি গুড় নিয়ে আসবেন।
৫|
১০ ই মে, ২০২৬ ভোর ৫:৩৮
ঢাকার লোক বলেছেন: আপনার ছেলেবেলা নিয়ে লেখাটা খুব ভালো হয়েছিল ! ঐসব নিয়েই লেখেন, অথবা ঠাকুর মাহমুদের পরামর্শ অনুযায়ী আপনার দোস্ত শাহেদ জামালকে জাহাজে করে সদরঘাট হতে বরিশাল আনা নেয়া করে নদীর প্রাকৃতিক দৃশ্য সম্বন্ধে লেখেন ! ![]()
৬|
১০ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭
নাহল তরকারি বলেছেন: মানুষ একবার মৃত্যুবরণ করলে সে আর পৃথিবীতে ফিরে আসে না। ইসলামে উল্লেখ আছে, কিয়ামতের পূর্বে পৃথিবীতে অন্যায়, অশ্লীলতা ও খারাপ কাজ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে। বর্তমান সমাজের নানা অবস্থা দেখলে অনেকেই মনে করেন, সেই কথাগুলোর বাস্তব প্রতিফলন আমরা দেখতে পাচ্ছি।
অনেক সময় কিছু মানুষ ভুলভাবে মনে করে, ইসলাম পালনকারী মানেই সন্ত্রাসী। অথচ এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। মুসলিম মানেই সন্ত্রাসী নয়। কিছু ব্যক্তির অপরাধের দায় পুরো একটি ধর্ম বা জাতির উপর চাপিয়ে দেওয়া অন্যায়। পৃথিবীর নানা স্থানে মুসলমানরা নানা ধরনের অপমান, বৈষম্য ও বাধার সম্মুখীন হন, কিন্তু ইসলাম কখনো নিরপরাধ মানুষের উপর অত্যাচার বা সন্ত্রাসকে সমর্থন করে না।
কেউ প্রশ্ন করতে পারে, “হুজুরদের মধ্যেও কি অপরাধী নেই?” অবশ্যই, অপরাধ যে কেউ করতে পারে। কিন্তু ইসলামের মূলনীতি হলো—বিচারের ক্ষেত্রে ব্যক্তি নয়, অপরাধ বিবেচিত হবে। দোষী হলে শাস্তি, নির্দোষ হলে মুক্তি। ইসলামে এমন কোনো আইন নেই যে, কেউ ধর্মীয় পোশাক পরলেই অপরাধ করেও পার পেয়ে যাবে। ইতিহাসে দেখা যায়, হযরত উমর (রা.) রাষ্ট্রপ্রধান থাকা অবস্থায় নিজের সন্তান অপরাধ করলে তাকেও শাস্তির আওতায় এনেছিলেন। এটিই ইসলামের ন্যায়বিচারের শিক্ষা।
আপনি আরও বলেছেন, বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ সময়ের সাথে বিকৃত হয়েছে। ইসলামও বলে, পূর্ববর্তী অনেক কিতাব মানুষের দ্বারা পরিবর্তিত হয়েছে। আর আজ মুসলিম বিশ্ব নানা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে—এটিও অনেককে ভাবায়। কোরআন ও হাদিসে উল্লেখ আছে, এমন এক সময় আসবে যখন পৃথিবীতে আল্লাহকে স্মরণ করার মানুষ খুব কমে যাবে। মুসলমানরা আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মানার চেষ্টা করে এবং তাঁর ইবাদত করে। যখন পৃথিবীতে আল্লাহকে স্মরণ করার মানুষ থাকবে না, তখনই কিয়ামত সংঘটিত হবে।
আপনি আরও কিছু অলৌকিক ঘটনার কথা বলেছেন—যেমন লাঠি সাপে পরিণত হওয়া বা মাছের পেট থেকে জীবিত ফিরে আসা। ইসলামে এসব ঘটনা আল্লাহর অসীম ক্ষমতার নিদর্শন হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। হযরত মূসা (আ.)-এর লাঠি আল্লাহর ইচ্ছায় সাপে পরিণত হয়েছিল এবং হযরত ইউনুস (আ.) মাছের পেট থেকে জীবিত ফিরে এসেছিলেন। এসব ঘটনা মানুষের কাছে আল্লাহর শক্তি ও ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বিবেচিত।
আমার মত করে সুন্দর করে আপনাকে আর কেউ বুঝাবে না।
৭|
১০ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:৩২
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আমি চাই আপনি রূপকথা বিশ্বাস করুন।
নতুন নতুন রূপ কথা শুনান।
৮|
১০ ই মে, ২০২৬ দুপুর ২:৪৮
আলামিন১০৪ বলেছেন: কী আর বলব ! লাঠি সাপে পরিণত হওয়ার মতো অবিশ্বাস্য ঘটনা দেখুন-
ব্যাখ্যা করতে পারলে নোবেল পুরস্কার বরাদ্দ আছে আপনার জন্য
ক্লিক করুন
৯|
১০ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৬
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: পৃথিবীটা তো খুব ভালো জায়গা না।
ক্ষনে ক্ষনে বিপদ!
..........................................................
এসব ভাবনা আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে বলছেন,
আপনি মৃত খোলস থেকে বেরিয়ে আসুন .
জাপান, জার্মানী ,সিঙ্গাপুর,অষ্ট্রেলিয়া ভ্রমন করুন
দেখবেন , অনেক আশ্চর্য বিষয় দেখতে পাবেন
তখন বলবেন , আসলেই আমাদের এই সমাজটা পঁচে গেছে ।
১০|
১০ ই মে, ২০২৬ রাত ৯:২০
অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: এই পৃথিবীতে আর আসার কথা না।
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৫
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
আপনি ধর্ম নিয়ে অনেক চিন্তা-ভাবনা করেন!!!