নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হৃদয়ে বাংলাদেশ

ঢাবিয়ান

ঢাবিয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

সরকারী প্রতিষ্ঠান বিটিভির মহাপরিচালক পদে নিয়োগ পেয়েছে বেসরকারী ব্যক্তি কাজি জেসিন!

০৭ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৫২




আশির দশককে বলা হয় বিটিভির নাটকের স্বর্ণযুগ । সেই সময়ে বিটিভিতে মহাপরিচালক হিসাবে বিভিন্ন সময়ে ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান,এম এ সাঈদ , জামিল চৌধুরি প্রমুখ। প্রযোজক , সহ প্রযোজক হিসাবে ছিলেন বরক্তুল্লাহ, নওয়াজিশ আলী খান, মনোজ সেন গুপদের মত গুনী ব্যক্তিরা। তাঁরা সবাই সরকারী কর্মকর্তা ছিলেন। তাদের তত্ত্বাবধানে ঢাকা থিয়েটার থেকে উঠে আসা বাঘা বাঘা সব ডিরেক্টর, অভিনেতা অভিনেত্রীরা বাংলা নাটককে দিয়েছিল আকশ্চুম্বী জনপ্রিয়তা। বিটিভি নিয়ে তাই আমাদের রয়েছে হাজারো নস্টালজিক মেমোরি। আজো স্মৃতিতে ডুবে গেলে রক্ত করবী, ভাঙ্গনের শব্দ শুনতে পাই, সংসপ্তক প্রমুখ নাটকগুলোর ডায়ালগ কানে বাজতে থাকে। সেই সময়ে আমাদের বিনোদনের একমাত্র মাধ্যম ছিল বিটিভি। আমাদের সবার প্রিয় হুমায়ুন ফরিদি, সুবর্না মুস্তাফা, আফজাল, আলি জাকের ,আসাদুজ্জামান নূর, শিমুল ইউসুফ প্রমুখেরা বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ধারাকে আইকনিক পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিল। ওপার বাংলার মানুষেরাও আমাদের নাটকের ভক্ত ছিল। বিনোদনের এই সুস্থ ও সুন্দর ধারা অব্যাহত ছিল নব্বই দশকেও । বিপাশা হায়াত, শমী কায়সার, জাহিদ হাসান, আজিজুল হাকিম প্রমুখ তারকারা আমাদের উপহার দিয়েছে অসাধারন সব নাটক। সাংস্কৃতিক জগতের পচন ধরা শুরু হয় ২০০০ সালের এর পর থেকে। আর লীগের ১৭ বছরে সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল পুরোপুরি গলে পচে ধংশ হইয়ে গেছে বলা যায়।

বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) মহাপরিচালক একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদ (গ্রেড-১ পদ)। এটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ও পরিচালিত জনসেবামূলক গণমাধ্যম। সরকার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে গ্রেড-১ পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক বা নিয়মিত ক্যাডার কর্মকর্তা দিয়ে এই পদে নিয়োগ দিয়ে থাকে। আজকের পত্রিকায় খবর এসেছে যে , বিভিন্ন পত্রিকা ও বেসরকারী টিভি চ্যানেলে সাংবাদিক/ উপস্থাপক হিসাবে কাজ করা কাজী জেসিনকে বিটিভির মহাপরিচালক পদে বসানো হয়েছে !কিসের ভিত্তিতে সচিব পদমর্যাদার সরকারী এবং বিটিভির সর্বোচ্চ পদে একজন বেসরকারী বিতর্কিত ব্যক্তিকে নিয়োগ দেয়া হল বোধগম্য হয়নি। এই মহিলাকে বিগত দুই বছর হল দেখেছি বিভিন্ন টকশোতে হোস্ট হিসাবে। টকশোগুলোতে তাকে নিরপক্ষে কোন হোস্ট মনে না হয়ে দলীয় কর্মী বলে মনে হয়েছে।

বিগত ১৭ বছরের লীগ সরকারের আমলে আমরা তেলবাজি , চাটুকারিতার জয়জয়কার দেখেছি। এক নদি তারুন্যের রক্ত পেরিয়ে এসে এখনও কেন আমাদের সেই একই ধারা দেখতে হবে?

তথ্যসুত্র ঃ উইকিপিডিয়া ও

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৫৫

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: আওয়ামী লীগ তো রেখেঢেকে দলীয়করণ করত। গত দুই বছরে নিয়োগে কোনো রাখঢাক নেই। পরীক্ষা ছাড়াই অনেক নিয়োগ হয়েছে। অবশ্য এসব নিয়ে সমালোচনা করার সাহস কারও নেই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.