নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাড়ির কাছে আরশিনগর সেথা পড়শি বসত করে, একঘর পড়শি বসত করে আমি একদিনও না দেখিলাম তারে।

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য

মানুষ পথিক বেশে ঘুরছে দেশে দেশে একটু ছায়াতলে থমকে দাঁড়ায়, স্মৃতিটুকু রেখে শুধু একদিন তো চলে যায়।

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য › বিস্তারিত পোস্টঃ

জুলাই যোদ্ধা!

০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৭


এই লোকটির নাম আল আমিন। সে বিশেষ একটি দলের হয়ে জুলাই মঞ্চে জ্বালাময়ী বক্তব্য দেয় মাঝেমধ্যে। এর সম্পর্কে গুরুতর একটি অভিযোগ উঠেছে, সে নাকি ৫ আগস্ট দিবাগত রাতে ময়মনসিংহের দাপুনিয়া ইউনিয়নের কলপা গ্রামে তার বন্ধুদের নিয়ে ডাকাতি করতে গিয়ে গ্রামবাসীর হামলায় মারাত্মক আহত হয়েছিল। পরে তার হাত কেটে ফেলতে হয়। গোপনে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠে সে। তারপর একদল চতুর মানুষের প্ল‍্যান মোতাবেক জুলাই আহতদের খাতায় নাম লেখায় এবং ধীরে ধীরে জুলাই চেতনার বিশাল মোটিভেশনাল স্পিকার হয়ে উঠে।

আমার নিজের কাছে সরাসরি তার বিষয়ে তথ্য নেই, তবে অনেকে লেখালেখি করছে। কর্তৃপক্ষ নিশ্চয়ই সত্যতা যাচাই করবে।

সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে তো কিছু গোপন থাকে না। আল হামীম সায়মন নামে একজন ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই মারা যায়। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের জুলাই অভ্যুত্থান শাখার প্রকাশিত গেজেটেও আছে তার নাম। পরে জানা গেছে বারে বসে অতিরিক্ত মদ্যপানে অসুস্থ হওয়ায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায় সে। পরে পরিবারের কারসাজিতে জুলাই শহিদের তালিকায় যুক্ত হয় তার নাম।

আজকে এক শহিদের খবর জানা গেছে, গলায় খাবার আটকে মারা গিয়ে সে হয়ে গেছে জুলাই যোদ্ধা। আরো কত খবর দেখেছি- সড়ক দুর্ঘটনা, ডায়রিয়া, পারিবারিক কলহসহ নানা কারণে মারা গিয়েও জুলাই যোদ্ধা হয়ে গেছে। এমন ভয় জাগানিয়া খবরও আছে আত্মহত্যা করেও জুলাই যোদ্ধা হয়ে গেছে। আর পরিবারের লোকজন ভাতা খাচ্ছে। ইউসুফ সরকারের সময় এসব ময়নাতদন্তের বালাই ছিল না। মৃতের সংখ্যা যত বেশি দেখানো যায় ততই ব্যবসা জমবে।

অনেকে কবরের আজাব সহ্য না করতে পেরে ফিরে এসেছে, এমন খবরও আসছে। আমাদের অনেক প্রবাসী ব্লগার দেখি খুব আহ্লাদিত জুলাই নিয়ে। এসব খবর তাদের কাছে যায় না মনে হয়।

মন্তব্য ৭ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:৫৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এটা আবার কেডা ? এরে প্রথম দেখলাম । জুলাই ওয়ারিয়স টার্মটা চালুই করেছে বিশেষ একটি দল ।

০৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪০

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: Click This Link

২| ০৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:১৭

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: এই লোককে তো বিগত দু'বছরেও কখনো দেখি নাই। অবশ্য সবাইকে যে আমি চিনবো বা জানবো সেটাও মনে করি না। কিছু ভন্ড যে তালিকায় নেই, সেটাও হলফ করে বলা কঠিন। অনেকেই সুযোগ নিয়েছে।

০৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪০

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: Click This Link

৩| ০৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:০৮

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: আপনার শেয়ার করা লিঙ্কটা দেখা হলো। জামায়াতে এই মূহূর্তে কতজন ৭১ এর রাজাকার আছে তা আমি জানি না তবে ঐতিহাসিকভাবে তারা রাজাকারের সমর্থক ও পৃষ্ঠপোষক, এটা নিয়ে দ্বিমত থাকারও কোন কারণ দেখি না। জুলাই থেকে সবচেয়ে বেশী লাভবান হয়েছে বি.এন.পি. সুতরাং এটা বলাই যায় যে বি.এন.পি. জুলাইকে ব্যবহার করেছে এবং এখনো করছে। গতকাল তারা প্রামাণ্যচিত্রে মিথ্যে তথ্য দিয়ে জুলাইকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করেছে কার স্বার্থে সেটা বোঝা জরুরী। জুলাইয়ের আগে তাদের কোন খবরও পত্রিকায় খুঁজে পাওয়া যেত না। খালেদা জিয়া ছিলেন অসুস্থ, তারেক সাহেব বিদেশ থেকে ঘরে বসে বক্তৃতা করেছেন, কিন্তু মাঠে ছিলো নাহিদ, সারজিস, হাসনাত, আসিফ, নুসরাত, সাদিকরাই। বি.এন.পি. বা জামায়াত যে জুলাইকে ব্যবহার করছে তাতে কারো কোন সন্দেহ থাকার কথা নয়। তবে তারা কতটুকু জুলাইকে ধারন করে সেটার সঠিক মাপকাঠি আমার কাছে নেই। সেটার প্রকৃত বিচারক জনগণ।

উনি যে দলেরই হোক না কেন, উনি মূলত চাটুকার শ্রেনীর। হাসিনাকে ডুবায়েছে তার চামচারা আর তারেক সাহেবকে ডোবাচ্ছে তার চামচারা। এদের থেকে সাবধান থাকাটা যে কোন দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বাঙালী রক্তে চামাচামি, গাদ্দারী ও মিথ্যে বলার কালিমা লেগে আাছে আদি থেকেই, এখানেও নতুন কিছু নেই। ধন্যবাদ।

৪| ০৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:৩৫

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: অনেকে কবরের আজাব সহ্য না করতে পেরে ফিরে এসেছে,
.........................................................................................
এরপর শুনবো জাহান্নাম ও পালায়ে গেছে বাংলাদেশ থেকে কারন
আমাদের পাপ এত এত বাড়ছে যে , তার ধারন ক্ষমতা থাকবেনা ।

৫| ০৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:১৬

মাথা পাগলা বলেছেন: @ইফতেখার ভূইয়া

সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছে জামাত। আগে ৫ টা সিট পেত এবার ৫০+ পেয়েছে। বিরোধী দলের তকমা পেয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.