| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ১০৩ আসর, ১ নং থেকে ৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। মহাকালের শপথ।
২। মানুষ অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্থ্য
৩। কিন্তু উহারা (ক্ষতিগ্রস্থ্য) নয়, যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে এবং পরস্পরকে সত্যের ও ধৈর্যের উপদেশ দেয়।
সূরাঃ ৫১ যারিয়াত, ৫৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৬। আমি জিন ও মানুষকে এ জন্য সৃষ্টি করেছি যে, তারা আমারই ইবাদত করবে।
সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ৪৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৬। উভয়ের মাঝে পর্দা আছে।আর আরাফে কিছু লোক থাকবে যারা প্রত্যেককে তাদের লক্ষণ দ্বারা চিনবে।আর তারা জান্নাকবাসীদেরকে ডেকে বলবে, তোমাদের শান্তি হোক। তারা তখনও জান্নাতে প্রবেশ করেনি, কিন্তু তারা এ বিষয়ে আশ্বস্ত।
সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
* ইহকালের হিসাবে ইবাদত না করাতে মানুষের ক্ষতি দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু মহাকাল হিসাবে ইবাদত না করাতে মানুষ অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্থ্য হবে। কারণ তাদেরকে পরকালের মহাকালে আল্লাহর ইবাদত করতে হবে। ইহকালের ক্ষণকালে ইবাদত না করে বাধ্য হয়ে পরকালের মহাকালে ইবাদত করা অবশ্যই ক্ষতি। আল্লাহ মানুষ ও জ্বীনকে তাঁর ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন বিধায় পরকালের মহাকাল জুড়ে তারা আল্লাহর ইবাদত করবে। তবে ইহকালের ক্ষণকালে যারা আল্লাহর ইবাদত করবে পরকালের মহাকালে তাদেরকে আর আল্লাহর ইবাদত করতে হবে না। পরকালের মহাকাল জুড়ে তারা আল্লাহর মেহমান হিসাবে জান্নাতে থাকবে। চিরস্থায়ী জাহান্নাম সাব্যস্ত লোকেরা পৃথিবীতে আবার এসে আল্লাহর ইবাদত করে জান্নাতের যোগ্য হয়ে পরকালে যাওয়ার আরজি জানাবে। তাদের এ আরজি না মঞ্জুর হবে। পরে তারা আরাফে থেকে পরকালের মাহাকালে আল্লাহর ইবাদতের আরজি জানাবে। তাদের এ আরজির সাথে আল্লাহর উদ্দেশ্যের মিল থাকায় তাদের এ আরজি মঞ্জুর হবে। এ ঘটনার সাথে অসংগতি পূর্ণ কোরআনের আয়াত সমূহ তখন মানসুখ হবে এবং নতুন অবস্থা সংক্রান্ত আয়াত মানসুখ আয়াত সমূহের স্থলাভিষিক্ত হবে। বিবিধ কারণে চিরস্থায়ী জাহান্নামী আলেমগণ তখন তাদের ধর্মীয় নেতা হবেন। নতুন অবস্থার প্রেক্ষিতেও জাহান্নাম বিলুপ্ত হবে না। যারা তখন ইবাদত করবে তাদেরকে ভয় দেখাতে তখনও জাহান্নাম বিদ্যমাণ থাকবে। আল্লাহ তখন বলবেন, তারপর যদি ইবাদত না করে তবে তো জাহান্নামে যেতেই হবে। আমার এ বক্তব্য আয়াতের গভীর জ্ঞান অনুযায়ী। সুতরাং এমনটা হবে না বলার সুযোগ নাই।
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:০১
হুমায়রা হারুন বলেছেন: অনেক দিন পর।
কেমন আছেন ভাইয়া?