| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ডঃ এম এ আলী
সাধারণ পাঠক ও লেখক
রাজা কোথায়?
রাজমুকুট আজ জাদুঘরের কাঁচে
রাজদণ্ড ইতিহাসের ধুলোমাখা পৃষ্ঠায়
বহু দেশেই রাজতন্ত্রের সিংহাসন বহু আগেই
নেমে গেছে মানুষের নির্মিত প্রজাতন্ত্রের পথে
তবু আমরা বলি রাজনীতি।
কেন বলি?
শব্দটি এত পরিচিত
যে পরিচয়ের আড়ালে প্রশ্নটি হারিয়ে যায়
যেন শব্দ মানেই সত্য
যেন অভিধান মানেই চূড়ান্ত অর্থ।
কিন্তু একবার একটু থামুন
শব্দের শরীরে কান পাতেন
তার পুরোনো অর্থের দরজা খুলে দেখুন
জিজ্ঞেস করোন রাজ কোথায়?
রাজা কোথায়?
আর রাজনীতি আজ কার নীতি?
যদি রাজ মানে রাজা হয়
তবে আজকের প্রজাতন্ত্রে
রাজা নেই, রাজমুকুট নেই
বংশের অধিকারে রাষ্ট্রের চাবি নেই
আছে সংবিধান,আছে আইন,আছে নির্বাচন,
আছে প্রতিষ্ঠান,আছে নাগরিকের ভোট,
আছে জনতার সম্মতি ও প্রত্যাখ্যানের অধিকার।
তবু আছে আর একটি জিনিস
যা রাজা না থাকলেও থেকে যায়
যা সিংহাসন ভাঙলেও মরে না
যা পতাকা বদলালেও বদলায় না
তা হল ক্ষমতা।
ক্ষমতা অর্জনের আকাঙ্ক্ষা
ক্ষমতা ব্যবহারের অধিকার
ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কা
ক্ষমতা ধরে রাখার প্রয়াস
ক্ষমতার ওপর নিয়ন্ত্রণ
ক্ষমতার কাছে জবাবদিহি
রাষ্ট্রের প্রতিটি স্পন্দনে
তারই অদৃশ্য পদধ্বনি।
বিরোধী দল কেন পথে নামে?
কেন ভোট চায়?
কেন মানুষের দরজায় দরজায় যায়?
শুধু কি একটি নীতি বলার জন্য?
না- নীতিকে বাস্তব করার জন্য
তাকে পৌঁছাতে হয় রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রে।
আর ক্ষমতাসীন দল কেন আবার
মানুষের কাছে ফিরে যায়?
কেন চায় পুনরায় জনসমর্থন?
কারণ ক্ষমতা শুধু পাওয়া নয়
ক্ষমতায় থাকার বৈধতাও
নতুন করে অর্জন করতে হয়।
তবু রাজনীতিকে
শুধু ক্ষমতার লড়াই বললে
সত্যের অর্ধেকই বলা হয়।
কারণ রাজনীতি শুধু
কে ক্ষমতায় যাবে তা নয়
কী করবে সে,
কাদের জন্য করবে,
কাদের ওপর তার সিদ্ধান্তের ভার পড়বে,
কোন অধিকার রক্ষা পাবে,
কোন সম্পদ কোথায় যাবে,
কোন আইন মানুষের জীবন বদলাবে
সেই প্রশ্নও রাজনীতির।
তবু প্রশ্নটি থেকে যায়
কে সিদ্ধান্ত নেবে?
তারপর কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে?
তারপর আরও গভীরে
কার স্বার্থে?
কার ওপর তার প্রভাব?
কার কণ্ঠস্বর শোনা যাবে?
কার কণ্ঠস্বর হারিয়ে যাবে জনসমুদ্রের গর্জনে?
আর শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাকে
নিয়ন্ত্রণ করবে কে?
দেখুন ,প্রশ্নগুলোর কেন্দ্রে রাজা নেই।
আছে ক্ষমতা।
ক্ষমতা শুধু মন্ত্রীর দপ্তরে বসে থাকে না
সংসদের আসনেও তার সম্পূর্ণ শরীর ধরা পড়ে না
ক্ষমতা কখনো থাকে
কোন প্রশ্নটি আজ আলোচনায় আসবে তার মধ্যে
কখনো থাকে
কোন প্রশ্নটি আলোচনার বাইরে থাকবে তার মধ্যে।
কোন দাবি গুরুত্ব পাবে,
কোন মানুষের কণ্ঠস্বর নীতিনির্ধারকের কানে পৌঁছাবে,
কোন গোষ্ঠীর স্বার্থ
রাষ্ট্রের টেবিলে স্থান পাবে
এই নীরব বাছাইয়ের মধ্যেও
ক্ষমতা কাজ করে।
ক্ষমতা কখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া
কখনো সিদ্ধান্ত ঠেকানো
কখনো প্রশ্ন তোলার অধিকার
কখনো প্রশ্নটিই মুছে দেওয়ার অদৃশ্য সামর্থ্য।
তাই রাজনীতি যদি হয়
মানুষের সম্মিলিত জীবনের সেই বিশাল ক্ষেত্র
যেখানে স্বার্থের সংঘাত, আদর্শের দ্বন্দ্ব
সহযোগিতার হাত, অধিকারের দাবি
ন্যায়ের অনুসন্ধান
এবং রাষ্ট্র পরিচালনার সিদ্ধান্ত
পরস্পরের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে
তবে সেই সমস্ত প্রবাহের গভীরে
একটি স্রোত বারবার ফিরে আসে
ক্ষমতার স্রোত।
শব্দের দীর্ঘ জীবন
তার জন্মের অর্থকে অতিক্রম করে
মানুষের মুখে মুখে শব্দ নতুন অর্থ পায়,
নতুন ইতিহাস পায় ,নতুন জীবন পায়।
রাজনীতি ও তাই
আজ আর কেবল রাজার নীতি নয়।
এটি সরকার, সংসদ,নির্বাচন,দল,
বিরোধিতা,রাষ্ট্র,জনস্বার্থ, নীতি ও অধিকার
মানুষের সম্মিলিত জীবন পরিচালনার
এক বিস্তৃত নাম।
তবু প্রচলিত হওয়া
আর ধারণাগতভাবে স্বচ্ছ হওয়া
এক কথা নয়।
এইখানেই একটি নতুন শব্দ দরজায় এসে দাঁড়ায়
ক্ষমতানীতি।
এ কি রাজনীতির বিকল্প? হয়তো নয়।
এ কি রাজনীতির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ?
তাও নয়।বরং এটি
একটি প্রশ্নের প্রদীপ
যে আলোয় আমরা ফিরে তাকাই
পরিচিত রাজনীতির মুখের দিকে
এবং জিজ্ঞেস করি;
এই সমস্ত কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে
ক্ষমতার প্রবাহ কোথায় যাচ্ছে?
কার হাতে ক্ষমতা জমছে?
কে সিদ্ধান্তের টেবিলে বসছে?
কে টেবিলের বাইরে দাঁড়িয়ে আছে?
কে সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারছে?
কার কথা রাষ্ট্র শুনছে?
কার কথা বাতাসে মিলিয়ে যাচ্ছে?
আর ক্ষমতা ;
কীভাবে অর্জিত হচ্ছে?
কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে?
কীভাবে বণ্টিত হচ্ছে?
কীভাবে কুক্ষিগত হচ্ছে?
কীভাবে সীমাবদ্ধ হচ্ছে?
কীভাবে জবাবদিহির মুখোমুখি হচ্ছে?
এই প্রশ্নগুলো শুধু সরকার বদলের প্রশ্ন নয়।
এগুলো রাষ্ট্রের প্রশ্ন,সমাজের প্রশ্ন,
প্রতিষ্ঠানের প্রশ্ন,মানুষের স্বাধীনতার প্রশ্ন,
ন্যায়ের প্রশ্ন।
আর তাই
ক্ষমতানীতি হয়তো কোনো নতুন সিংহাসন নয়
যেখানে রাজনীতি’কে বসিয়ে
পুরোনো শব্দকে নির্বাসনে পাঠাতে হবে।
বরং এটি একটি জানালা
যে জানালা খুলে দিলে
আমরা রাজনীতির পরিচিত দৃশ্যের পেছনে
দেখতে পাই ক্ষমতার অদৃশ্য স্থাপত্য।
দেখতে পাই;
নির্বাচনের পেছনে ক্ষমতা
আইনের পেছনে ক্ষমতা
সম্পদ বণ্টনের পেছনে ক্ষমতা
নীতিনির্ধারণের পেছনে ক্ষমতা
সম্পদ ভোগের ক্ষমতা
সম্পদ পাচারের ক্ষমতা
প্রতিষ্ঠানের সীমারেখায় ক্ষমতা,
এমনকি নীরবতার মধ্যেও ক্ষমতা।
তাই প্রশ্নটি হয়তো নয়
রাজনীতি থাকবে,
নাকি ক্ষমতানীতি আসবে?
বরং প্রশ্নটি আরও গভীর
রাজনীতি বলতে
আমরা আসলে কী বুঝি?
রাজাকে?রাষ্ট্রকে?নীতিকে?নির্বাচনকে?দলকে?
নাকি মানুষের সম্মিলিত জীবনে
ক্ষমতা অর্জন,ক্ষমতা প্রয়োগ,ক্ষমতা বণ্টন,
ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ, ক্ষমতা ভোগ
এবং ক্ষমতার কাছে
জবাবদিহির সেই অনন্ত প্রক্রিয়াকে?
রাজা আসবে,রাজা যাবে।
সরকার বদলাবে,দল বদলাবে,
নীতি বদলাবে,ক্ষমতার কেন্দ্রও কখনো
এক হাত থেকে অন্য হাতে যাবে।
কিন্তু প্রশ্নটি থেকে যাবে
কে সিদ্ধান্ত নেবে?কীভাবে নেবে?কার জন্য নেবে?
কার ওপর তার ভার পড়বে?
এবং কে তাকে প্রশ্ন করবে?
এই প্রশ্নের সামনে দাঁড়িয়ে
হয়তো রাজনীতির পুরোনো নামটি
আরও গভীর হয়ে ওঠে।
‘রাজনীতি’ তখন শুধু শব্দ নয়
একটি ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার।
আর ‘ক্ষমতানীতি’ একটি নতুন প্রশ্ন
একটি চিন্তার দরজা।
একটি আয়না, যেখানে রাজনীতির পরিচিত মুখের পেছনে
আমরা দেখতে পাই মানুষের সম্পর্ক,স্বার্থ,অধিকার,
সংঘাত,সহযোগিতা এবং ক্ষমতার অবিরাম চলাচল।
তাই আজ রাজাকে নয় ক্ষমতাকে দেখুন
সিংহাসনকে নয় সিদ্ধান্তের কেন্দ্রকে দেখুন।
শুধু ক্ষমতায় কে বসেছে তা নয়
ক্ষমতা কীভাবে কাজ করছে
তা দেখুন।
আর সেই দেখার মুহূর্তে
যদি একটি নতুন শব্দ
আমাদের চিন্তাকে আরও তীক্ষ্ণ করে
তবে তাকে প্রশ্ন হিসেবে
উচ্চারণ করাই যায়
রাজনীতি নয়- ক্ষমতানীতি?
হয়তো উত্তর আজই চাই না।
কারণ কখনো কখনো একটি শব্দের চেয়ে
একটি সঠিক প্রশ্নই সমাজের চিন্তার ভিতরে
বেশি দূর পর্যন্ত পৌঁছে যায়।
আর সেই প্রশ্নের দীর্ঘ প্রতিধ্বনি
রাজা নয়, রাষ্ট্র নয় শুধু;
মানুষের সম্মিলিত জীবনে
ক্ষমতার যে অবিরাম নীতি
রাজনীতীর আড়ালে
তারই কি আর-এক নাম
ক্ষমতানীতি!
তাই এখন রাজনীতি
শব্দটির বিলুপ্তি ঘটিয়ে
সেখানে বসাতে হবে
ক্ষমতানীতি ।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:১৭
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
রাজা কোথায়?
রাজমুকুট আজ জাদুঘরের কাঁচে,
রাজদণ্ড ইতিহাসের ধুলোমাখা পৃষ্ঠায়,
রাজতন্ত্রের সিংহাসন বহু আগেই
নেমে গেছে
মানুষের নির্মিত প্রজাতন্ত্রের পথে
তবু আমরা বলিরাজনীতি।
আর এখন যেমনটি আপনি বলেছেন
সরকার ও দল বদলায় কিন্তু
ক্ষমতার কাঠামো থেকে যায়,
যে যখন আসে -সে হয়ে যায় রাবণ!
তাই আমি বলি রাজনীতিকে
এখন রাজতন্ত্রের মত এ দেশে
যাদুঘরে পাঠিয়ে তার জায়গায়
বলতে হবে শুধু্ই ক্ষমতানীতি ।
২|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:০৮
কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ক্ষমতা যে পায় সে-ই রাবণ হয়ে যায়। অন্যায় দুনীর্তি করতে দ্বিধা বোধ নেই এদের।
এরা পরিণতি ভুলে যায়
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:২৫
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
দি রাজ মানে রাজা হয়
তবে আজকের প্রজাতন্ত্রে
রাজা নেই, রাজমুকুট নেই
বংশের অধিকারে রাষ্ট্রের চাবি নেই
আছে সংবিধান,আছে আইন,আছে নির্বাচন,
আছে প্রতিষ্ঠান,আছে নাগরিকের ভোট,
আছে জনতার সম্মতি ও প্রত্যাখ্যানের অধিকার।
তবু আছে আর একটি জিনিস
যা রাজা না থাকলেও থেকে যায়
যা সিংহাসন ভাঙলেও মরে না
যা পতাকা বদলালেও বদলায় না
তা হল ক্ষমতা।
তাই রাজনীতির মুখোষ পড়ে
যারা যায় ক্ষমতায় তারাতো
নিশ্চতভাবেই হবে রাবন।
তাই আমি রাজনীতি শব্দটিকে
যাদুঘরে পাঠিয়ে তার স্থলে
এখন শুধু বলব ক্ষমতানীতি।
শুভেচ্ছা রইল
৩|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ক্ষমতানীতি সবখানে রয়েছে । মানুষ একটু শক্তিশালী হলেই নিজেকে ক্ষমতাবান মনে করে। তখন সে অন্যের উপর সেই ক্ষমতা প্রাকটিস করে ।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৩৪
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
রাজনীতি তাই শুধু
কে ক্ষমতায় যাবেতা নয়;
কী সিদ্ধান্ত হবে,কার স্বার্থে হবে,
কার কণ্ঠস্বর শোনা যাবে,
কার ওপর তার প্রভাব পড়বে
সেই প্রশ্নও রাজনীতির।
কিন্তু সব প্রশ্নের গভীরে
একটি প্রশ্ন ফিরে আসে
কে সিদ্ধান্ত নেবে?কীভাবে নেবে?
কার জন্য নেবে?
কার ওপর তার ভার পড়বে?
আর কে তাকে প্রশ্ন করবে?
এই প্রশ্নগুলোর কেন্দ্রে
রাজা নেই।
আছে ক্ষমতা।
ক্ষমতা শুধু সংসদে বামন্ত্রীর দপ্তরে নয়;
কোন প্রশ্ন আলোচনায় আসবে,কোন দাবি গুরুত্ব পাবে,
কার কণ্ঠস্বর নীতিনির্ধারণে পৌঁছাবে
কার কন্ঠস্বরকে গলাচিপে ধরবে
সেখানেও ক্ষমতার কাজ।
তখন সে অন্যের উপর
সেই ক্ষমতা প্রাকটিস করে ।
সুন্দর কথা বলেছেন
শুভেচ্ছা রইল
৪|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৮
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন:
'রাজনীতি' শব্দটি হচ্ছে এটি একটি সমাসবদ্ধ পদ সাধারণ অর্থে রাজনীতি বা রাষ্ট্র পরিচালনায় বিভিন্ন দল বা পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য দূর করার জন্য যে সমঝোতা বা মিলনের যে পথ সেটাই রাজনীতি। কিন্তু বর্তমানে রাজনীতি ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে যাওয়া এবং কাড়িকাড়ি টাকা কামানোর যে পথ সেটাই হচ্ছে বাংলাদেশে হচ্ছে রাজনীতি বা ক্ষমতানীতি।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৪৯
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতার একটি বিশেষ প্রবণতাকে বোঝাতে ‘ক্ষমতানীতি’কে নতুন বিশ্লেষণী
শব্দ হিসেবে প্রস্তাব করেছি।
বাংলাদেশের সংবিধানও বলছে, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার
প্রয়োগ সংবিধানের অধীনেই হতে হবে; একই সঙ্গে রাষ্ট্রকে গণতন্ত্র ও জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার
কথা বলা হয়েছে।
অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, ক্ষমতার জন্য প্রতিযোগিতা এবং জবাবদিহির ঘাটতি
নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (TIB)-এর গবেষণা ও পর্যবেক্ষণে গুরুতর উদ্বেগ উঠে এসেছে।
২০২৫ সালের তাদের জাতীয় জরিপে ৮১.৬% পরিবার কোনো না কোনো সেবা খাতে দুর্নীতির অভিজ্ঞতার কথা
জানিয়েছে; TIB রাজনৈতিক ও সরকারি ক্ষমতার ব্যক্তিগত স্বার্থে অপব্যবহারকেও ‘grand corruption’-এর
আলোচনায় রেখেছে।
এই প্রেক্ষাপটে বিষয়টিকে আমি একটি ধারণাগত ও দার্শনিক ভাষায় এভাবে সাজায়েছি
রাজনীতি নয় ক্ষমতানীতি।
৫|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০১
বাজ ৩ বলেছেন: বর্তমানে সৎ এবং যোগ্য মানুষ রাজনীতিতে টিকতে পারবেনা।কারন পরিবেশ পরিস্থিতি এবং৷ অধিকসংখ্যক জনগনের ন্যায় নীতি ইচ্ছা আকাঙ্খা রাজনীতির কেন্দ্রে অবস্থিত নেতাদের ওপর ক্রিয়াশীল হয়।যদি অধিকসংখ্যক জনগন ভালো এবং সৎ হয় তাহলে তাদের নেতাও ভালো এবং সৎ হবে।প্রাচীকালের তুলনামূলক সৎ রাজা বাদশারা কোনো কাজ করার আগে তাদের পরিষদবর্গের সাথে পরামর্শ করতেন।যেমন রাণী বিলকিসের নিকট যখন সুলাইমান আলাইহিসসালাম চিঠি পাঠাইলেন,আত্মসমর্পন করে আমার নিকট চলে আসো।তখন সূর্যপূজারী বিলকিস তার পরিষদবর্গের সাথে পরামর্শ করলেন।তার পরিষদবর্গ বললেন, "নিশ্চই আমরা শক্তিশালী যোদ্ধা,এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব আপনারই।" তখন রাণী বিলকিস আত্মসমর্পনের পথ বেছে নিলো, এবং হেদায়েতপ্রাপ্তদের অন্তভুক্ত হলো।
পরিষদ বর্গের সাথে পরামর্শ সবসময়েই কল্যানজনক হয়ে থাকে।যেকোনো প্রজেক্ট বাস্তবায়নের সিদ্ধান্তই সরকার নেক না কেন,তার আগে পরামর্শ করা উচিত তার নিকবর্তী জ্ঞানীদের সাথে, সর্বপরি জনগের সাথে এবং প্রতিনিধিদের সাথে।পরামর্শ কাজ করার মধ্যে কল্যান রয়েছে
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:০১
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
রাজনীতি যদি হয় মানুষের সম্মিলিত জীবনের সেই বিশাল ক্ষেত্র যেখানে স্বার্থের সংঘাত, আদর্শের দ্বন্দ্ব
সহযোগিতার হাত, অধিকারের দাবি ন্যায়ের অনুসন্ধান এবং রাষ্ট্র পরিচালনার সিদ্ধান্ত পরস্পরের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে
তবে সেই সমস্ত প্রবাহের গভীরে একটি স্রোত বারবার ফিরে আসে তাহল ক্ষমতার স্রোত।
শব্দের দীর্ঘ জীবন তার জন্মের অর্থকে অতিক্রম করে মানুষের মুখে মুখে শব্দ নতুন অর্থ পায়,
নতুন ইতিহাস পায় ,নতুন জীবন পায়।রাজনীতি ও তাই আজ আর কেবল রাজার নীতি নয়।
এটি সরকার, সংসদ,নির্বাচন,দল,বিরোধিতা,রাষ্ট্র,জনস্বার্থ, নীতি ও অধিকার মানুষের সম্মিলিত
জীবন পরিচালনার এক বিস্তৃত নাম। তবু প্রচলিত হওয়া আর ধারণাগতভাবে স্বচ্ছ হওয়া
এক কথা নয়।
এইখানেই একটি নতুন শব্দ দরজায় এসে দাঁড়ায় ক্ষমতানীতি।
মুল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল ।
৬|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৪৭
জুন বলেছেন: ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময় একটা কথা শুনেছিলাম আমাদের স্যারের মুখে History repeat itself. এটা যে কতটা সত্য তা আমাদের রাজনীতিবিদরা জেনেও না জানার ভান করে। এক সময় যারা রাজনীতি করতো তারা প্রায় প্রত্যেকেই হয় আইন অথবা ইতিহাস এ পড়াশোনা করতেন। যাতে ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে পারেন। আইন পড়তেন যাতে সংবিধান অনুযায়ী দেশ চালাতে পারেন। কিন্তু এখন তাদের কোন রকম শিক্ষাদীক্ষারই প্রয়োজন নেই আলী ভাই ।
লেখায় +
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৪২
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
অনেকদন পরে দেখা পেলাম, ভাল লাগল । আমার ব্লগে না হলেও মাঝে দেখা পাই অন্য কোথাও , দেখে মনে
হয় যুদ্ধ বিগ্রহ , ক্ষয় ক্ষতি , মারা মারি , জ্বালানী সংকট , বিদ্যুত সংকট আর দ্রব্রমুল্যের হাহাকারময় বিষাদের
এই দুনিয়ায় ব্লগে কিছুটা হলেও সক্রিয় আছেন ।
আপনার ঢাকা ইউনিভার্সিটির স্যারের সেই কথাটি History repeats itself আজকের বাস্তবতায় সত্যিই নতুন
করে ভাবায়। তবে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি শুধু রাজনীতিবিদদের ইতিহাস না পড়ার কারণে হয় না; অনেক সময়
ইতিহাসের শিক্ষা জানা সত্ত্বেও ক্ষমতা, স্বার্থ ও সুবিধার কাছে সেই শিক্ষাকে বিসর্জন দেওয়ার কারণেও হয়।
আপনি যথার্থই বলেছেন, একসময় রাজনীতিতে আইন ও ইতিহাসের শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। কারণ
রাষ্ট্র পরিচালনা কেবল ক্ষমতা প্রয়োগের বিষয় নয় এটি ইতিহাসের অভিজ্ঞতা, আইনের সীমা এবং সংবিধানের
কাঠামোর প্রতি দায়বদ্ধতারও বিষয়। বাংলাদেশের সংবিধান নিজেই ঘোষণা করছে যে প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার
মালিক জনগণ এবং সেই ক্ষমতার প্রয়োগ হতে হবে সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে, সংবিধানই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন।
এখানে আপনার কথার সঙ্গে আমার একটি প্রশ্ন যোগ করছি ; তাঁরা সংবিধান পড়বেন কী! তাঁরা তো সংবিধানই
মানেন না! সংবিধান সংন্কারের পরেই কেবল তারা সেই সংবিধান পড়বেন ও মানবেন !!!!!
যাহোক সংবিধান নিয়ে তারা কেমন সংস্সংকার করবেন সেটা তাদের বিষয় । তবে সংবিধানকে বইয়ের পাতায়
পড়া আর রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে তার চেতনা ও বিধানকে মানা দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। মুখস্থ করা সংবিধান
আর চর্চা করা সংবিধানের মধ্যেও তাই আকাশ-পাতাল পার্থক্য।
আরও বিস্ময়ের বিষয় হলো, দেশি-বিদেশি পণ্ডিত, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনজ্ঞ কিংবা সংবিধান-বিশেষজ্ঞ কে কী বললেন,
তার আগে আমাদের নিজেদেরই প্রশ্ন করা দরকার রাষ্ট্রের যারা সংবিধান রক্ষা ও প্রয়োগের দায়িত্বে থাকবেন, তাঁরা কি
সত্যিই সংবিধানটিকে নিজেদের ক্ষমতার সীমারেখা হিসেবে গ্রহণ করেন, নাকি প্রয়োজনমতো তাদের পছন্দমত নিজস্ব
ব্যাখ্যা খোঁজবেন ?
সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় পাওয়ার
অধিকারী; ৩১ অনুচ্ছেদে প্রত্যেকের আইনের আশ্রয় ও আইনানুযায়ী আচরণের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। অর্থাৎ
সংবিধান শুধু রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পাঠ্যবই নয় এটি ক্ষমতাবান ও সাধারণ মানুষ উভয়ের জন্যই একটি সীমারেখা এবং
দায়বদ্ধতার দলিল।
আর আজ দুর্নীতি দমন কমিশনের বক্তব্য, তদন্ত কিংবা বিভিন্ন ঘটনায় যে চিত্রগুলো প্রকাশ্যে আসছে, সেগুলোও যদি নিরপেক্ষভাবে বিচার করি, তাহলে আপনার মন্তব্যের অন্তর্নিহিত প্রশ্নটিই আরও জোরালো হয়ে ওঠে আইন জানা আর
আইন মানা কি এক জিনিস? সংবিধান হাতে রাখা আর সংবিধানকে রাষ্ট্র পরিচালনার মানদণ্ড হিসেবে গ্রহণ করা কী
এক জিনিস?
তাই History repeats itself কথাটির সঙ্গে হয়তো আরও একটি বাক্য যোগ করা যায় ইতিহাস শুধু পুনরাবৃত্তি হয় না; ইতিহাসের শিক্ষা উপেক্ষা করলেই তার পুনরাবৃত্তির সুযোগ তৈরি হয়।
আমাদের সংকট সম্ভবত জ্ঞান বা সংবিধানের অভাবের চেয়ে বেশি সংবিধানকে নিজের জন্যও প্রযোজ্য বলে মেনে
নেওয়ার রাজনৈতিক ও নৈতিক সংস্কৃতির অভাবের। সংবিধান তখনই অর্থবহ, যখন তা ক্ষমতাসীন ও বিরোধী উভয়ের
জন্যই সমানভাবে প্রযোজ্য হয়। আর সেই জায়গাটিই বোধ হয় আজ সবচেয়ে বেশি করে ফিরে দেখা দরকার।
সংবিধান বুকে রেখে গণমুখী রাজনীতি না কী, জনদমন ক্ষমতানীতি কোনটিকে এখন প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে ।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।
ভাল থাকুন , নিরবধি সুস্থ থাকুন এ শুভ কামনা রইল।
৭|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৫৩
আহমেদ জী এস বলেছেন: ডঃ এম এ আলী,
"রাজনীতি আজ কার নীতি ?" দীর্ঘ কবিতার ভেতরে আপনার ছুঁড়ে দেয়া এই প্রশ্নটির উত্তর হয়তো মিলবে এখানে----
রাজনীতি
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:১১
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
লিংকটি ফলো করে পাঠ করে সেখানে আপনার কবিতাটির উপর যে মন্তব্য করেছি সেটাকেই এখানে তুলে দেয়া
প্রয়োজন অনুভব করছি । তাই সেটি এখানে তুলে দিলাম ।
আপনার রাজনীতি শির্ষক কবিতাটি পড়তে পড়তে মনে হলো এটি আসলে কোনো সরল প্রশ্নের কবিতা নয়; বরং
আমাদের বহুল ব্যবহৃত কিছু শব্দের আড়ালে লুকিয়ে থাকা বাস্তবতাকে প্রশ্ন করার এক তীক্ষ্ণ প্রয়াস। ‘রাজনীতি’,
‘নিজনীতি’, ‘আখের গোছানো নীতি’, ‘ধান্দাবাজী’ ও ‘শোষণনীতি’ শব্দগুলোকে আপনি আপনারকবিতায় একে
একে নানা মানুষের সামনে হাজির করেছেন। কিন্তু প্রত্যেকবারই উত্তর যেন আরও একটি প্রশ্নের জন্ম দেয়। ফলে
দেখা যায় কবিতার প্রকৃত শক্তি তার উত্তরে নয়, প্রশ্ন করার নিরন্তর সাহসে।
আপনার কবিতায় সাদা চুলের বৃদ্ধ, গাছ, গতর-ভাঙা নগরবিলাসিনী, কাগজ কুড়োনো টোকাই চরিত্রগুলো কেবল
ব্যক্তি নয়, সমাজের ভিন্ন ভিন্ন স্তর ও অভিজ্ঞতার প্রতীক হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে গাছটির নীরবতা এবং তার পাতা
ঝরার দৃশ্যটি গভীর তাৎপর্য বহন করে। গাছ কোনো তাত্ত্বিক সংজ্ঞা দেয় না; তার জীবন, ক্ষয়, বাতাস ও ঋতুচক্রের
মধ্য দিয়েই যেন কবিতার প্রশ্নের অন্যরকম উত্তর তৈরি হয়। অন্যদিকে টোকাই কিংবা শ্রমজীবী মানুষের উপস্থিতি
‘নীতি’র বিমূর্ত আলোচনাকে টেনে আনে কঠিন বাস্তবের মাটিতে।
আপনার কবিতার সবচেয়ে ভাল লাগার দিক হলো আপনার চিরাচরিত ব্যঙ্গাত্মক অথচ বিষণ্ণ স্বর। যেখানে ‘রাজনীতি’
মানুষের কল্যাণের কথা বলার কথা, সেখানে ‘আখের গোছানো নীতি’ বা ‘শোষণনীতি’র সঙ্গে তার সীমারেখা কোথায়
যেন আপনি সেই অস্বস্তিকর প্রশ্নটিই সামনে আনেন। শেষদিকে ‘এও জানেন না আফনে পারলে কুড়া বানানে’ ধরনের
কথ্য উচ্চারণ কবিতাটিকে আরও বাস্তব, তীক্ষ্ণ এবং জনজীবনের কাছাকাছি করে তুলেছে।
আমার কাছে আপনার কবিতাটির একটি বড় সৌন্দর্য হলো আপনি আমাদের মত পাঠককে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ধরিয়ে
দেননি। বরং সাদা চুলের বৃদ্ধ থেকে শুরু করে পথের মানুষের মুখ পর্যন্ত প্রশ্নটি ছড়িয়ে দিয়েছেন। ফলে শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটি চরিত্রগুলোর থাকে না, অগনিত পাঠকের নিজের কাছেই ফিরে আসে রাজনীতি আর ব্যক্তিস্বার্থের ব্যবধান কোথায়,
নীতি আর শোষণের সীমারেখাই বা কোথায়?
সব মিলিয়ে এটি সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার সরাসরি ভাষ্য হওয়ার পাশাপাশি মানুষের নৈতিক অবস্থান, ক্ষমতার
ব্যবহার এবং সমাজের বৈষম্য নিয়ে এক গভীর আত্মজিজ্ঞাসার কবিতা। এর শক্তি উচ্চকিত বক্তব্যে নয়; বরং পরিচিত
শব্দগুলোর অর্থকে নতুন করে সন্দেহ করতে বাধ্য করার মধ্যে। কবিতাটি পড়া শেষ হলেও প্রশ্নগুলো শেষ হয় না বরং
পাঠকের ভেতরেই তারা দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিধ্বনিত হতে থাকে।
আমার এই কবিতা লেখার আগে যদি আপনার কবিতাটি পাঠ করতাম তাহলে এই কবিতার ভাষা হয়তবা,হয়তবা
কেন হতোই ।
যাহোক আপনার মত সুন্দর করে না পারলেও আমি আমার কবিতায় বলেছি রাজনীতিকে শুধু ক্ষমতার লড়াই বললে
সত্যের অর্ধেকই বলা হয়।কারণ রাজনীতি শুধু কে ক্ষমতায় যাবে তা নয় কী করবে সে?কাদের জন্য করবে?কাদের
ওপর তার সিদ্ধান্তের ভার পড়বে?কোন অধিকার রক্ষা পাবে?কোন সম্পদ কোথায় যাবে? সম্পদ কী ভাবে ভোগ করবে?
কোন আইন মানুষের জীবন বদলাবে সেই প্রশ্নও রাজনীতির। প্রশ্নই শুধু প্রশ্ন একটির আরেকটি চলে আসে।
যেমন প্রশ্নটি থেকে যায় কে সিদ্ধান্ত নেবে? তারপর কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে?তারপর আরও গভীরে কার স্বার্থে?
কার ওপর তার প্রভাব? কার কণ্ঠস্বর শোনা যাবে? কার কন্ঠস্বর থামিয়ে দেয়া হবে ? কার কণ্ঠস্বর হারিয়ে যাবে
জনসমুদ্রের গর্জনে? আর শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণ করবে কে? এসব প্রশ্ন তুলে দিয়ে বলেছি
দেখুন ,প্রশ্নগুলোর কেন্দ্রে রাজা নেই। আছে ক্ষমতা।
আর সেই ক্ষমতা শুধু মন্ত্রীর দপ্তরে বসে থাকে না, সংসদের আসনেও তার সম্পূর্ণ শরীর ধরা পড়ে না।ক্ষমতা কখনো
থাকে কোন প্রশ্নটি আজ আলোচনায় আসবে? তার মধ্যে কখনো থাকে কোন প্রশ্নটি আলোচনার বাইরে থাকবে
তার মধ্যে।কোন দাবি গুরুত্ব পাবে, কোন মানুষের কণ্ঠস্বর নীতিনির্ধারকের কানে পৌঁছাবে,কোন গোষ্ঠীর স্বার্থ
রাষ্ট্রের টেবিলে স্থান পাবে, এই নীরব বাছাইয়ের মধ্যেও ক্ষমতা কাজ করে। ক্ষমতা কখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া,
কখনো সিদ্ধান্ত ঠেকানো, কখনো প্রশ্ন তোলার অধিকার, কখনো প্রশ্নটিই মুছে দেওয়ার অদৃশ্য বা দৃশ্যমান সামর্থ্য
যা সংসদের অধিবেশন চলাকালে লাইভে সচরাচর দেখা যায়,চুপ করুন, থামুন,মাইক বন্দ, ফাইল ছুড়া ছুরি আরো
কতসব লীলা কান্ড ।
মুল্যবান সুন্দর মন্তব্য সাথে আপনার মুল্যবান কবিতার লিংকটি তুলে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
শুভেচ্ছা রইল
৮|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:০৬
রাজীব নুর বলেছেন: বিশাল কবিতা লিখেছেন।
৯|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৪৩
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ । বিশাল এটি কী পাঠে বুঝলেন না দেখে বুঝলেন
তা একটু বলে গেলে ভাল হতো না !!!!
শুভেচ্ছা রইল
©somewhere in net ltd.
১|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৪
কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত) বলেছেন: রাজা বদলায়, সিংহাসন বদলায়, সরকার ও দল বদলায়—কিন্তু ক্ষমতার কাঠামো থেকে যায়, যে যখন আসে -সে হয়ে যায় রাবণ!