| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কলিমুদ্দি দফাদার
“ঘুরছি আমি কোন প্রেমের ই ঘুর্নিপাকে, ইশারাতে শিষ দিয়ে কে ডাকে যে আমাকে”
নিয়মিত-অনিয়মিত গত এক যুগ ধরে ভ্রমণ করছি এবং প্রায়োরিটি পাস দিয়ে বিভিন্ন দেশের এয়ারপোর্টে লাউঞ্জ ব্যবহার করছি প্রায় ৪ বছর ধরে। দীর্ঘ ফ্লাইট, লং ট্রানজিটের মধ্যে এয়ারপোর্টে ফ্রিতে দৃষ্টিনন্দন, মনোরম পরিবেশে একটু বিশ্রাম নেওয়ার পাশাপাশি খাওয়া-দাওয়ার ক্ষেত্র বা লাউঞ্জ বিবেচনায় সাওয়ার করার মতো এই সার্ভিসটি বেশ উপভোগ্য। যেহেতু এই সার্ভিসটি এখনো ভ্রমণের একটি অংশ হয়ে গেছে, তাই ভ্রমণ পোস্টের পাশাপাশি বিভিন্ন এয়ারপোর্টে লাউঞ্জে কাটানো অভিজ্ঞতাটি শেয়ার করব।
যেমন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আমার পছন্দের একটি লাউঞ্জ হচ্ছে ভিয়েতনামের ফুকক আইল্যান্ডের এয়ারপোর্টের "দ্যা সেন্স"। এর অন্যতম কারণ, এয়ারপোর্টটি আকারে খুবই ছোট এবং আধুনিক, ক্রাউড বা প্যাসেঞ্জার মাত্রা অনেক কম। সারাদিনে হয়তো কয়েক ডজন ফ্লাইট আসা-যাওয়া করে। বড় এয়ারপোর্টগুলোর লাউঞ্জে বিশ্রাম নেওয়ার সাথে যেমন ফ্লাইট মিস হওয়ার একটা ভয় থাকে, সাথে অন টাইম গেইটে উপস্থিত থাকার ব্যাপারে ভয় বা প্যানিক করার মতো বিষয় এখানে প্রায় নেই। বোর্ডিংয়ের ৫ মিনিট আগে গেইটে যাওয়া যায়।
ফুককের এই লাউঞ্জ অন্য যেকোনো এয়ারপোর্টের লাউঞ্জের মতোই। ইন্টেরিয়র, ফ্যাসিলিটি, ফুড আইটেম বেশ ডিসেন্ট। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই ছোট একটি আইল্যান্ডের এয়ারপোর্ট লাউঞ্জেও সাওয়ার করার মতো বেশ সুন্দর আয়োজন আছে, যেটি স্কাই টেক্স রেটিংয়ের উপরে থাকা অনেক বড় নামকরা এয়ারপোর্টের লাউঞ্জেও পাই নাই।
এবার আসি লাউঞ্জের সবচেয়ে এক্সাইটিং পার্ট ফুড আইটেমে। স্টার্টার সম্পন্ন মেনু ছিল ইউরোপীয় কন্টিনেন্টাল স্টাইলের। চীজ, বাটার, ব্রাউন ব্রেড, Yogurt, সিদ্ধ ডিমসহ কয়েক আইটেমের ফ্রেস জুস। মেইন কোর্সটি ওরিয়েন্টাল স্টাইলের, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য চীনা স্টিমড ডাম্পলিং বা মমো ও তুলতুলে মিষ্টি বা ঝাল পুর ভরা ভাপা বাঙ্ক বা বান।

ফুকক আইল্যান্ডের মূল চালিকাশক্তি কোরিয়ান পর্যটক। সেখানে ঈশ্বর ও বিপ্লবী নেতা হো চি মিনের পরে বোধহয় কোরিয়ানদের সম্মান করা হয়। সে আলাপ অন্য একদিন বলব। স্যালাড আইটেমে কোরিয়ান খাবার ছিল বেশ উল্লেখযোগ্য। কোরিয়ান কয়েক পদের কিমচি, ফ্রেস ভেজিটেবল তার মধ্যে অন্যতম।
স্যুপে ছিল লাইট ফিস কেক নুডলস। ডেজার্ট আইটেমে ছিল ফ্রেস ফ্রুটস আইটেমে ভরপুর, যা আমার অপছন্দের এবং আমি খুবই কম খাই।
শেষ করব একটি তথ্য দিয়ে, অন্য যে কোন দেশের এয়ারপোর্টে ড্রিংকসের জন্যে আলাদা বার থাকলেও "দ্যা সেন্স"-এ সেটা নেই। তবে এখানে মজার বিষয় হচ্ছে, পয়সা খরচ করে ড্রিংকস করতে হয় না। কমপ্লিমেন্টারি বিখ্যাত কিছু ভিয়েতনামী বিয়ার ড্রিংকস করার জন্যে সেখানে রাখা আছে। আরো মজার ব্যাপার হচ্ছে পুরো লাউঞ্জে ছিলাম আমি একা, বের হয়ে যাওয়ার সময় এক দম্পতি এসেছিলো।
সেখানে থেমে থেমে একটু পর পর বৃষ্টি হয়। কি সিজন ছিলো কে জানে? এয়ারপোর্টে থেকে ভিউটা খারাপ না।
Overall Rating: 7.5
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৪১
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
ধন্যবাদ আপু।
কি ব্যাপার বছর চলে যাচ্ছে।
বৈশাখ, ফাগুন, শরৎ, হেমন্ত চলে গিয়ে শীত চলে আসলো
কিন্তু শায়মাপুর কোন আয়োজন দেখছি না ব্লগে?
২|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:০৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ভিয়েতনামে ভ্রমণ না বিজনেস পারপাসে গিয়েছিলেন ? আসল মজায় আছেন আপনিই । ![]()
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫২
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
গরীবের আবার ব্যবসা!!
এদেশের আছে ৭১ চেতনা আর ভিয়েতনাম নাকি অনেক উন্নত!
ব্লগার ঢাবিয়ানের এই কথা শুনে ভিয়েতনামের উন্নয়ন দেখতে গিয়েছি। ![]()
৩|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৫৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি ট্রাভেল ভ্লগ শুরু করে দেন । এআই আপনার চাকুরি খেতে পারবে না । ![]()
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:১৩
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
এক বস্তা গ্যাজেট নিয়া রোদে পুইরা এইসব ব্লগ বানাইতে গেলে জীবন ত্যানা হইয়া যাইবো। এমনেই নিজের মতো ঘুরি, দুই-চারটা ছবি তুলি এটাই ঠিক আছে.....
৪|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১৮
কোলড বলেছেন: If you travel a lot then try enrolling in one of those airlines Alliances like Star alliance, One World etc. Once you accumulate enough mileage, you will get free access to their business lounge even in economy tickets and trust me, these lounges are much better than priority lounges. They dont charge even for a Martini or single Malt (not top shelf like Macalan 24 Years).
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:১৮
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
Star Alliance & One World airlines are bit expensive as compared to budget or regular airlines + dedicated 1st class lounge is not available list devolved countries airports. Bangladesh airport don't have dedicated one either. So have to go one with which allow priority pass.
৫|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১৮
কোলড বলেছেন: If you travel a lot then try enrolling in one of those airlines Alliances like Star alliance, One World etc. Once you accumulate enough mileage, you will get free access to their business lounge even in economy tickets and trust me, these lounges are much better than priority lounges. They dont charge even for a Martini or single Malt (not top shelf like Macalan 24 Years).
৬|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:২৭
শ্রাবণধারা বলেছেন: ভিয়েতনামের বিমানবন্দরের লাউঞ্জে বসে, বৃষ্টিভেজা পটভূমিতে খাবার ও পানীয়ের ছবির উপস্থাপনাটা চমৎকার হয়েছে। পোস্টে এবং ছবিগুলোতে দফাদার সাহেবের রুচিবোধ ও বিলাস ফুটে উঠেছে।
শুধু পাশে একটি ধানক্ষেত থাকলেই বৃষ্টি দেখার অনুভূতিটা আরও বেশি জমে উঠত।
এশিয়ার দেশগুলোতে ঘোরাঘুরির আনন্দ খুব মিস করি। এমন সহজ মানুষ উত্তর আমেরিকা বা ইউরোপে দেখিনি।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৮
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
সুন্দর মন্তব্যের জন্যে আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।
এয়ারপোর্টে ধান খেত ছিলো না, কিন্তু চারপাশে ছিলো পাহাড়ে ঘেরা; সেই দৃশ্যটা বেশ উপভোগ। ভিয়েতনাম মনে হয় ধান উৎপাদনে শীর্ষে। সেখানকার কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ দেখলাম এই হেট পড়ে ঘুরে বেড়ায়। এটা তাদের সংস্কৃতির একটা অংশ হয়ে গেছে। তাঁদের মার্ট থেকে তাই আমি ও একটা নিয়ে নিলাম।
আপনার উপলব্ধি সঠিক। দক্ষিন পুর্ব এশিয়ার মানুষ তুলনামুলক সহজ সরল। কিন্তু বিশ্বায়ন, নগরায়ন, আধুনিকতার ছোঁয়া তাঁদের মন মানুষিকতা ধীরে ধীরে এখন বেশ পরিবর্তন হচ্ছে।
৭|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৭
জুন বলেছেন: অনেক দেশের লাউঞ্জে বসলেও আমাদের ঢাকার বলাকা লাউঞ্জই সবচেয়ে আপন আপন মনে হয়। খানাপিনা ছাড়াও স্টাফরা সবাই আমাকে চিনে, আমিও তাদের চিনি কলিমুদ্দি ![]()
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৫
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
"ইবনে বতুতার" দীর্ঘ অনুপস্থিত আমার ধারনা হয়েছে আপনি হয়তো ব্লগ বা ভ্রমন থেকে অবসরে গিয়েছেন। যাইহোক কথা হচ্ছে আপনার সেকেন্ড হোম এখন থাইল্যান্ডে এখন ট্যুরিজম থেকে বেশ কড়াকড়ি নিয়ম আরপ করেছে। ৩ মাস থেকে কমিয়ে ১ মাস পর্যন্ত থাকতে দিচ্ছে। আরো অনেক কড়াকড়ি যুক্ত হয়েছে। বিষয়টি দুঃখজনক......
আর বলাকা লাউঞ্জে আমার কখনো যাওয়ার সুযোগ হয় নাই। আমি ব্যবহার করি স্কাই লাউঞ্জ; আপাতত এটা নিয়ে সন্তুষ্ট। সাধ্যের মধ্যে সবটুকু সুখ.....
৮|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৮
জুন বলেছেন: বর্তমানে আমার সেকেন্ড হোম হচ্ছে ইউএসএ। কিন্ত সেখানে আমার ভালো লাগে না কালিমুদ্দি
সেখানে কিছুই আমার নিজের মনে হয় না, এমনকি আকাশটাও না, মনে হয় বেশি পরিস্কার ![]()
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১৫
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
থাইল্যান্ডের মায়া ছেড়ে কিভাবে এই সাদা চামড়ার দেশে পড়ে আছেন? :p দেশে আশার সময় ব্যাংকক ট্রানজিট নিয়ে আসেন। আমার তো ইউরোপ-আমেরিকা যাওয়ার বিমান ভাড়া আর কারেন্সির এক্সচেঞ্জ দেখলেই মাথা ঘুরায়। এই অর্থ দিয়ে বরং এশিয়ার কয়েকটি দেশেই রাজার মতো ট্যুর হয়ে যায়.....
৯|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২৫
মেঠোপথ২৩ বলেছেন: আপনি মনে হচ্ছে যে কোন দেশে যে কোন খাবারই খেতে পারেন
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:৪৭
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
কেন? ভিয়েতনামে কি আপনার খাওয়া দাওয়া সমস্যা হয়েছিলো? ফুকক নাইট মার্কেটে সি-ফুড খান নাই?
১০|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫৪
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
চমৎকার বর্ণনা।
আমি ডিসেম্বর থেকে আবার ভ্রমণ শুরু করবো।
এশিয়া দিয়েই শুরু করার ইচ্ছা।
এতো দিন শুধু ব্যবসায় সময়ে দিয়েছি।
ব্যবসা থেকে ইস্তফা দিয়ে দিয়েছি।
এখন অন্য দেশগুলো আবিষ্কার করার পালা।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:৫৩
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
ডিসেম্বর! এতো বিলম্ব কেন?
আগে ও মনে হয় মালয়েশিয়া যাওয়ার কথা ছিলো?
এক সাথে কয়েক দেশ ঘুরে আসেন।
এতো টাকা পয়সা কে খাবে আপনার? :p
শুকরিয়া নিরন্তর।
১১|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:০০
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
মালয়েশিয়ার ভিসা নিয়েও যাওয়া হয় নাই।
ব্যবসায় সময় দিতে হচ্ছিলো।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:০৫
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
ব্যাপার না!
থাইল্যান্ডে, মালয়েশিয়া, সিংগাপুর এক সাথে ঘুরে আসেন।
সামনে ক্রিসমাস, ব্লাক ফ্রাইডে আরো ইভেন্ট আছে।
১২|
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩২
শায়মা বলেছেন: এখন আমি এআইনোক্কিও নিয়ে আছি!!!
নতুন পোস্ট দেখোনি!!!!!!!!!!
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫০
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: ]
এখন আমি এআইনোক্কিও নিয়ে আছি!!!
নতুন পোস্ট দেখোনি!!!!!!!!!!
না গো! একটু আগে ঠুকে দেখলাম।
এআইনোক্কি নাম উচ্চারণ করতে গিয়েই তো
আমার দাঁতের শিরশিরি উঠে গেলো!
এআই ফেআই তোমার সাথে যায়?
রং বেরং শাড়ি পড়ে কৃষ্ণচূড়া গাছের নিচে
যেয়ে ছবি তুলে ব্লগে দিবে।
১৩|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৩৮
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
ফ্লাইট ডিলে আর লে ওভারে লাউ্ঞ্জে বিশ্রাম নিয়েছি। কিছু খাওয়া দাওয়াও করেছি। তবে ঢাকা বিমান বন্দরে লাউঞ্জ থাকায় অনেক উপকার হয়েছে।
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
লাউঞ্জ অনেক উপকারী জিনিস। ইহা এখন ভ্রমনের একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ঢাকা এয়ারপোর্টে লাউঞ্জ গুলো বেশ ভালো।
আপনাকে ধন্যবাদ।
১৪|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:১৬
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: দারণ হয়েছে লাউঞ্জ এন্ড ফুড রিভিউ।
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৯
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
আপনাকে ধন্যবাদ।
১৫|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৬
নাহল তরকারি বলেছেন: ভ্রমণের অভিজ্ঞতাটা খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে লাউঞ্জের পরিবেশ, খাবারের বৈচিত্র্য আর ফুকক এয়ারপোর্টের শান্ত পরিবেশের বর্ণনা পড়ে মনে হলো আমিও যেন কিছুক্ষণ সেখানে বসে আছি। ছবিগুলো লেখাটাকে আরও জীবন্ত করে তুলেছে। এমন ভ্রমণ অভিজ্ঞতা পড়তে ভালো লাগে, আরও দেশের লাউঞ্জ ও ভ্রমণ অভিজ্ঞতা শেয়ার করার অপেক্ষায় থাকলাম।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৩২
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
ধন্যবাদ ভাই নাহল তরকারি।
আপনার ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো সাথে আপনার মন্তব্য।
ভ্রমনের পাশাপাশি এখন থেকে বিভিন্ন লাউঞ্জের অভিজ্ঞতা তুলে ধরবো।
১৬|
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪১
রাজীব নুর বলেছেন: বাহ!!
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৩৪
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
শুরভি ভাবী আর আপনার মেয়ে কেমন আছে?
আপনার উচিত তাদের নিয়ে বহির্বিশ্ব ভ্রমনে বের হওয়া
১৭|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:০৫
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
শ্রাবণধারা সাহেবের পোস্টে আপনার মন্তব্যে আমি কিছু কথা বলেছি। সময় করে পড়ে নিবেন প্লিজ।
আপনার মন্তব্য ১০০ ভাগ সঠিক। ধন্যবাদ।
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৪৮
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমার বয়স আপনার হাঁটুর কাছে
ব্লগে আপনি প্রথম ইউনুসের ভন্ডামি ধরতে পেরে সূদি মহাজন ট্যাগিং দিয়েছেন।
যাহা আমি পরবর্তীতে কয়েকবার ব্যবহার করেছি।
আপনি আমাদের অগ্রজ, জ্ঞান-বুদ্ধিতে অনন্য।
তারপর আপনার করা প্রশ্ন নিয়ে দ্বিধায় পড়ে যাই!
যাইহোক নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকে উওর দেওয়ার চেষ্টা করেছি।
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:৩২
শায়মা বলেছেন: বাহ!
সুন্দর ছিমছাম ছবিগুলি!!