নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

“কলিমদ্দিকে আবার দেখা যায় ষোলই ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বাজারের চা স্টলে। তার সঙ্গীরা সবাই মুক্তি, সে-ই শুধু তার পুরনো সরকারি পোশাকে সকলের পরিচিত কলিমদ্দি দফাদার।”

কলিমুদ্দি দফাদার

“ঘুরছি আমি কোন প্রেমের ই ঘুর্নিপাকে, ইশারাতে শিষ দিয়ে কে ডাকে যে আমাকে”

কলিমুদ্দি দফাদার › বিস্তারিত পোস্টঃ

লাউঞ্জ এন্ড ফুড রিভিউ; দ্যা সেন্স

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৪২


নিয়মিত-অনিয়মিত গত এক যুগ ধরে ভ্রমণ করছি এবং প্রায়োরিটি পাস দিয়ে বিভিন্ন দেশের এয়ারপোর্টে লাউঞ্জ ব্যবহার করছি প্রায় ৪ বছর ধরে। দীর্ঘ ফ্লাইট, লং ট্রানজিটের মধ্যে এয়ারপোর্টে ফ্রিতে দৃষ্টিনন্দন, মনোরম পরিবেশে একটু বিশ্রাম নেওয়ার পাশাপাশি খাওয়া-দাওয়ার ক্ষেত্র বা লাউঞ্জ বিবেচনায় সাওয়ার করার মতো এই সার্ভিসটি বেশ উপভোগ্য। যেহেতু এই সার্ভিসটি এখনো ভ্রমণের একটি অংশ হয়ে গেছে, তাই ভ্রমণ পোস্টের পাশাপাশি বিভিন্ন এয়ারপোর্টে লাউঞ্জে কাটানো অভিজ্ঞতাটি শেয়ার করব।

যেমন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আমার পছন্দের একটি লাউঞ্জ হচ্ছে ভিয়েতনামের ফুকক আইল্যান্ডের এয়ারপোর্টের "দ্যা সেন্স"। এর অন্যতম কারণ, এয়ারপোর্টটি আকারে খুবই ছোট এবং আধুনিক, ক্রাউড বা প্যাসেঞ্জার মাত্রা অনেক কম। সারাদিনে হয়তো কয়েক ডজন ফ্লাইট আসা-যাওয়া করে। বড় এয়ারপোর্টগুলোর লাউঞ্জে বিশ্রাম নেওয়ার সাথে যেমন ফ্লাইট মিস হওয়ার একটা ভয় থাকে, সাথে অন টাইম গেইটে উপস্থিত থাকার ব্যাপারে ভয় বা প্যানিক করার মতো বিষয় এখানে প্রায় নেই। বোর্ডিংয়ের ৫ মিনিট আগে গেইটে যাওয়া যায়।

ফুককের এই লাউঞ্জ অন্য যেকোনো এয়ারপোর্টের লাউঞ্জের মতোই। ইন্টেরিয়র, ফ্যাসিলিটি, ফুড আইটেম বেশ ডিসেন্ট। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই ছোট একটি আইল্যান্ডের এয়ারপোর্ট লাউঞ্জেও সাওয়ার করার মতো বেশ সুন্দর আয়োজন আছে, যেটি স্কাই টেক্স রেটিংয়ের উপরে থাকা অনেক বড় নামকরা এয়ারপোর্টের লাউঞ্জেও পাই নাই।


এবার আসি লাউঞ্জের সবচেয়ে এক্সাইটিং পার্ট ফুড আইটেমে। স্টার্টার সম্পন্ন মেনু ছিল ইউরোপীয় কন্টিনেন্টাল স্টাইলের। চীজ, বাটার, ব্রাউন ব্রেড, Yogurt, সিদ্ধ ডিমসহ কয়েক আইটেমের ফ্রেস জুস। মেইন কোর্সটি ওরিয়েন্টাল স্টাইলের, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য চীনা স্টিমড ডাম্পলিং বা মমো ও তুলতুলে মিষ্টি বা ঝাল পুর ভরা ভাপা বাঙ্ক বা বান।




ফুকক আইল্যান্ডের মূল চালিকাশক্তি কোরিয়ান পর্যটক। সেখানে ঈশ্বর ও বিপ্লবী নেতা হো চি মিনের পরে বোধহয় কোরিয়ানদের সম্মান করা হয়। সে আলাপ অন্য একদিন বলব। স্যালাড আইটেমে কোরিয়ান খাবার ছিল বেশ উল্লেখযোগ্য। কোরিয়ান কয়েক পদের কিমচি, ফ্রেস ভেজিটেবল তার মধ্যে অন্যতম।


স্যুপে ছিল লাইট ফিস কেক নুডলস। ডেজার্ট আইটেমে ছিল ফ্রেস ফ্রুটস আইটেমে ভরপুর, যা আমার অপছন্দের এবং আমি খুবই কম খাই।


শেষ করব একটি তথ্য দিয়ে, অন্য যে কোন দেশের এয়ারপোর্টে ড্রিংকসের জন্যে আলাদা বার থাকলেও "দ্যা সেন্স"-এ সেটা নেই। তবে এখানে মজার বিষয় হচ্ছে, পয়সা খরচ করে ড্রিংকস করতে হয় না। কমপ্লিমেন্টারি বিখ্যাত কিছু ভিয়েতনামী বিয়ার ড্রিংকস করার জন্যে সেখানে রাখা আছে। আরো মজার ব্যাপার হচ্ছে পুরো লাউঞ্জে ছিলাম আমি একা, বের হয়ে যাওয়ার সময় এক দম্পতি এসেছিলো।


সেখানে থেমে থেমে একটু পর পর বৃষ্টি হয়। কি সিজন ছিলো কে জানে? এয়ারপোর্টে থেকে ভিউটা খারাপ না। :P


Overall Rating: 7.5

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:৩২

শায়মা বলেছেন: বাহ!

সুন্দর ছিমছাম ছবিগুলি!!

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৪১

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:

ধন্যবাদ আপু।
কি ব্যাপার বছর চলে যাচ্ছে।
বৈশাখ, ফাগুন, শরৎ, হেমন্ত চলে গিয়ে শীত চলে আসলো
কিন্তু শায়মাপুর কোন আয়োজন দেখছি না ব্লগে?

২| ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:০৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ভিয়েতনামে ভ্রমণ না বিজনেস পারপাসে গিয়েছিলেন ? আসল মজায় আছেন আপনিই । :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.