নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

আজকের ডায়েরী- ২০১

০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩১



এবছর দেশে আমড়ার ফলন ভালো হয়েছে।
আমড়ায় আছে প্রচুর ফাইবার যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এক কেজি আমড়া মাত্র ৫০ টাকা। এক কেজি আপেল ৩৫০ টাকা। মালটা ৫০০ টাকা কেজি। শীতের আগে অর্থ্যাৎ আশ্বিন মাসে আমড়া, কদবেল, জাম্বুরা, জলপাই পাওয়া যায়। এ বছর আমি প্রচুর আমড়া কিনেছি। বড় বড় আমড়া। সুরভি আমড়া পছন্দ করে। ফারাজা আমড়া খায় না। আমি নিজেও খাই না। আমড়া খেলেই আমার দাঁত টক হয়ে যায়। আমি নিজে আমড়া ছিলে বাসার সবাইকে দেই। তখন তারা আগ্রহ নিয়ে খায়। বড় কন্যা পরীকে দেই। সে খায়। ছিলে দিলে খায়। ডাবের দাম অনেক বেড়েছে। ছোট ডাব ১৮০ আর বড় ডাব ২২০ টাকা। আমার পরিচিত একজন ডাক্তার আছে। মিরপুরের 'আলোক' হাসপাতালে বসেন। উনাকে বললাম, ডাবের দাম বেশি কি করবো? ডাক্তার বললেন, ওরস্যালাইন আর লেবু খান। ডাবের চেয়ে বেশি ভালো হবে। ডাবের চেয়ে লেবুতে বেশি উপকার।

এবছর শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন-
মানবাধিকারকর্মী নাভি পিল্লাই। পিল্লাই যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। নোবেল পুরস্কার ঘোষনার আগ পর্যন্ত ট্রাম্প খুব অস্থির হয়ে ছিলেন। তার ধারনা ছিলো সে নোবেল পাবে। যাইহোক, সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন কানাডার কবি অ্যান কার্সন। সত্যি কথা বলি- এই কবির কোনো কবিতা আমি পড়িনি। এমনকি পত্রপত্রিকায় তার কবিতা চোখে পড়েনি। এখন আমাদের দেশের পত্রিকা গুলো শুক্রবার সাময়িকীতে তাকে নিয়ে লিখবে। বড় বড় আর্টিকেল লিখিবে। এটাই নিয়ম। ভারতের অভিনেতা নানা পাটেকা মারা গেছেন। নানা অনেক অভিনেতা থেকে আলাদা। সারা জীবন সহজ সরল জীবনযাপন করেছেন। কোনো কিছু নিয়ে বিলাসিতা করেননি। তার স্ত্রীর সাথে ৩৫ বছর আলাদা থেকেছেন। তবু স্ত্রীকে তালাক দেননি। লোকটার অভিনয় ভালো। সিরিয়াস কিংবা কমেডি দুটাতেই দারুন অভিনয় করেছেন। আমি তার মুভি গুলো দেখেছি। ৭৫ বছর বয়সে মারা গেলেন। কাজ না থাকলে গ্রামে থাকতেন। গ্রামীন জীবনযাপন তার পছন্দ। নিজের টাকা বিলিয়ে দিয়েছেন অসহায় ও দরিদ্র মানুষদের জন্য।

কিছু কিছু জিনিস বাংলাদেশে একেবারেই সম্ভব নয়।
যেমন ফুটপাত দখলমুক্ত করা। সিটি করপোরেশন খুব চেষ্টা করছে ফুটপাত দখলমুক্ত করতে। তারা বুলডোজার দিয়ে ফুটপাতের দোকান ভেঙ্গে দিচ্ছে। কিন্তু পরের দিন আবার দোকান বসছে। ফুটপাত থেকে কোটি কোটি টাকা চাঁদা উঠে। তবে ঢাকার ফুটপাত দখলমুক্ত করা গেলে খুবই ভালো হবে। এমনকি তখন রাস্তার জ্যামও কমবে। ঢাকা শহরের কোনো ফুটপাত দিয়ে শান্তিতে হাঁটা যায় না। সরকারি হাসপাতাল থেকে দালাল দূর করা সম্ভব নয়। হাসপাতালের দালালদের দাপট দেখলে হা করে তাকিয়ে থাকতে হয়। ঢাকা শহরে আর সম্ভব নয় সিএনজি মিটারে যাওয়া। সিএনজি চালকেরা মিটারে যাবে না। নো নেভার। সরকার পতন করানো সম্ভব কিন্তু ফুটপাত দখলমুক্ত করা সম্ভব নয়, সিএনজি মিটারে যাওয়া সম্ভব নয়, সরকারি হাসপাতালে দালাল দূর করা সম্ভব নয়। এছাড়া পুরো বাংলাদেশ চলছে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে। এই সিন্ডিকেট ভাঙ্গা সম্ভব নয়।

অনেক বছর আগের কথা।
তখন আমি লেখাপড়া করি। আমাদের সাথে একটা মেয়ে পড়তো। মেয়েটার নাম লাবন্য। একদম যেন রবীন্দ্রনাথের শেষের কবিতার লাবন্য। লাবন্য'র সাথে সকলেই ভাব করতে চেষ্টা করতো। লাবন্য কাউকে পাত্তা দিতো না। লাবন্য আমাকে পাত্তা দিতো। আমার জন্য তার যথেষ্ট টান ছিল। লাবন্য পড়ালেখায় ভালো ছিলো। লাবন্য'র সাথে আমার সম্পর্কটা সহজ সরল হয়ে যায়। একদিন বিকেলে লাবন্যর বাসায় যাওয়ার কথা। সেদিন সকাল থেকেই আকাশের অবস্থা ভালো না। থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। আমি ভাবলাম বিকেলে আরো বেশি বৃষ্টি হতে পারে। তাই দুপুরে গিয়েই লাবন্যর সাথে দেখা করে আসি। বৃষ্টি মাথায় নিয়েই লাবন্যর বাসায় গেলাম। ভিজে গেছি। লাবন্য আমায় দেখেই বলল, আমি জানতাম তুমি দুপুরেই আসিবে। এজন্য শাড়ি পড়ে ব্যলকনিতে অপেক্ষা করছি। লাবন্যর আশেপাশে থাকলেই আমার নিজেকে মিশরের সম্রাট বলে মনে হয়।

লাবন্যকে একদিন বলেছিলাম-
শাড়িতে তোমাকে দেবী স্বরসতীর মতো লাগে। এরপর থেকে আমার আসার কথা থাকলেই লাবন্য শাড়ি পড়ে। আরো বলেছিলাম, বাঙ্গালী মেয়েদের খুব সাজগোজ করতে হয় না। শুধু মাত্র চোখে কাজল দিলেই তাদের দেবী প্রতিমার মতো লাগে। এরপর থেকে লাবন্য নিয়মিত চোখে কাজল দেয়। হাতে কাঁচের চুড়ি পড়ে। যাইহোক, সেদিন লাবন্যর সাথে অনেক মাখামাখি হয়ে গিয়েছিলো। লাবন্যকে জড়িয়ে ধরেছিলাম। বাঁধা দেয়নি। চুমু দিয়েছিলাম বাঁধা দেয়নি। লাবন্যরও উৎসাহের কমতি ছিলো না। জীবনে কোনো মেয়েকে প্রথম জড়িয়ে ধরা, প্রথম চুমু খাওয়া। দারুন ব্যাপার ছিলো। দারুন উপভোগ্য। বাইরে ঝুম বৃষ্টি! আকাশ ভরা মেঘ আরও জমেছে! পরিবেশ পরিস্থিতি মানুষকে বদলে দেয়। মানুষের মন নরম করে দেয়। অনেক কঠিন জিনিসও সহজ করে দেয়। লাবন্য আজ কোথায় আমি জানি না। আমি নিশ্চিত এই শহরে একদিন লাবন্যর সাথে দেখা হয়ে যাবে।

মন্তব্য ১১ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৫

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: এই প্রতিবেদনের ছবি , আমাদের একজন মহিলা
ব্লগার ব্যবহার করেছে ন । তা আবার আরেক ব্লগার কর্তৃক
ব্যবহার করাটা কতটা সমীচীন বলে মনে করেন ?

০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮

রাজীব নুর বলেছেন: তাহলে কি ছবিটি সরিয়ে দিবো?
আচ্ছা, দিচ্ছি।

২| ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আশা করি লাবণ্যকে দ্রুত খুঁজে পাবেন এবং সেই কাহিনী নিয়ে আবার লিখবেন ।

০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৭

রাজীব নুর বলেছেন: হ্যা হ্যা। অবশ্যই।

৩| ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৯

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: @লেখক বলেছেন: তাহলে কি ছবিটি সরিয়ে দিবো? আচ্ছা, দিচ্ছি।
..................................................................................................
ধন্যবাদ, একজন ব্লগার অন্য একজন ব্লগারের প্রতি সম্মান প্রর্দশন করার জন্য ।

===============================================
লাবন্য শাড়ি পড়ে। শাড়িতে বাঙালী রমণীদে র মোহনীয় লাগে,
দূর্বল চিত্তের পুরুষরা তাই ছ্যাঁকা খেয়েও বারবার এইসব রমণী নিয়ে
স্বপ্ন দেখে । আমিও একসময় দেখতাম, এখন আর দেখতে চাইনা ।
বাংলাদেশে বাস্তবতা অনেক কঠিন ,
স্বপ্ন আর চোখে ভাসেনা
পরীরা আকাশে উড়ে গেছে ।

০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৯

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ।
ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন। জয় বাংলা।

তবে আমি ছবিটি সম্পর্কে জানতাম না।

৪| ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:১২

সনজিত বলেছেন: সময় লাবন্য কে ফিরিয়ে দেবেই। শুধু অপেক্ষা করুন।

ভালো একটা সিরিজ পাবো কি লাবন্য কে নিয়ে?

৫| ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:৫৬

নাহল তরকারি বলেছেন: নোবেল পুরস্কার ক্ষমতার নয়, যোগ্যতার স্বীকৃতি। পদক নয়, মানবতার জন্য অবদানই হোক প্রকৃত মর্যাদার মাপকাঠি।

৬| ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:৪৮

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
খুবই দুর্ভাগ্যজনক খবর।
বিশ্বের কোথাও আর মান সম্মান রাখলেন না আপনারা।
নাটোরবাসী, মমতা দেখিয়েছেন ভালো কথা।
দয়া করে তাঁর ব্যাগটিও ফেরত দিন।
এভাবে এক জন বিদেশীকে অপদস্ত করলেন নাটোরের চোর।
এমনিতেই বাংলাদেশে কোন পর্যটক আসতে চায় না।
এই ঘটনার পর অন্তত জার্মানীর কোন পর্যটক আসতে চাইবে না এটা নিশ্চিত।

৭| ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:৪৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
খুবই দুর্ভাগ্যজনক খবর।
বিশ্বের কোথাও আর মান সম্মান রাখলেন না আপনারা।
নাটোরবাসী, মমতা দেখিয়েছেন ভালো কথা।
দয়া করে তাঁর ব্যাগটিও ফেরত দিন।
এভাবে এক জন বিদেশীকে অপদস্ত করলেন নাটোরের চোর।
এমনিতেই বাংলাদেশে কোন পর্যটক আসতে চায় না।
এই ঘটনার পর অন্তত জার্মানীর কোন পর্যটক আসতে চাইবে না এটা নিশ্চিত।

৮| ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:০৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

আমাদের গ্রামের বাড়িতে অজস্র আমড়া ধরতো।
কেউ খেত না।
অথচ লঞ্চে একটা আমড়া ২টাকা করে বিক্রি করতো।
অনেক আগের কথা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.