| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কাজী ফাতেমা ছবি
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। লেখকের অনুমতি ব্যতীত যে কোন কবিতা, গল্প, ছড়া, ছবি পোস্ট করা হতে বিরত থাকবেন।
ডায়াটের প্রথম দিকে-একদিনের খাবার। বর্তমানে আমাদের দেহে রোগসুগের অভাব নাই। ডায়াবেটিস, প্রেসার, ক্যান্সারসহ নানাবিধ রোগ বলা নাই কওয়া নাই শরীরে এসে বাসা বাঁধে।
আর এসব রোগের একমাত্র কারণ আনহেলদি লাইফস্টাইল। খাওয়া দেখলে আমরা বাঙালীদের হুশ থাকে না। আর মাগনা পেলে তো কথাই নেই।
ক্ষিধে হজম করার ক্ষমতা সবার থাকে না আসলে। জিভের লোভ সামলাতে পারলে আমরা শরীরের অনেক কষ্ট থেকে বাঁচতে পারতাম কিন্তু সবার দ্বারা ডায়াট সম্ভব হয় না।
পেট পুরে খেলে ক্ষিধে বেশি পায়। কম খেয়ে অভ্যাস করলে ক্ষিধে অনেকটা কমে যায়। প্রোটিনের পরিমাণ কার্বের চেয়ে বেশি রাখলে ক্ষিধে দ্রুত কমে। তাছাড়া ফাস্টিং করলে দেহ বেশি সুস্থতা অনুভব হয়।
খেয়ে দেয়ে শুইলে শরীর আরাম পায়, আর যতবেশি আরাম পোহাবেন ততবেশি ব্যাধী এসে দেহে বাসা বাঁধবে। একদিন এসব আরাম হারাম হয়ে যায়। তাই নিজের শরীরের যত্ন নিন। নিয়মিত শরীর চর্চা করুন, হাঁটুন, দৌঁড়ান, জিমে যান। আলসেমিকে ছুটি দিন।
সকালে উঠে খালি পেটে উষ্ণ গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন, ডিটক্স ওয়াটার রাতে বানিয়ে সকালে অথবা সারাদিন পান করুন। অথবা মেথি অথবা জিরা ভিজিয়ে রাখুন রাতে। সকালে পানিতে বলক উঠিয়ে ঠান্ডা বা হালকা গরম অবস্থায় পান করুন, এতে গ্যাসের সমস্যা কমবে।
১। ডিটক্স ওয়াটার - বিট, আদা, লেবু, শশা পাতলা স্লাইস করে কেটে কাঁচের জগে রাতে পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন পান করুন।
২। সকালে এমন করে খেতে পারেন।
৩। চিনি ছাড়া রং চা, সকালের খাবারে ঘন্টা পরে খাওয়া যেতে পারে।
৪। মিড মর্ণিং এ ফল খেতে পারেন, ১০০ গ্রাম পরিমাণ। ছবিতে বেশি আছে। ডায়াটে আম, আনারস, পেঁপে, কাঁঠাল এসব ফল না খেতে বলে।
৫। দুপুরে মেজারমেন্ট কাপে এক কাপ ভাত আর সাথে সব্জি, মাছ/মাংস, সালাদ খেতে পারেন। 
৬। বিকেলে টক দই আর বাদাম এক মুঠ খেতে পারেন। 
৭। কফিও খেতে পারেন দিনের এক সময়।
৮। সন্ধ্যায়ও খেতে পারেন চিনি ছাড়া রং চা। 
৯। রাতের খাবারে ডিম/মাছ/মাংস, সালাদ, সব্জি রাখতে পারেন। নিচের খাবার মেইন্টেইনে গিয়ে খাওয়া যায়।
১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:২১
কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আসলেও আমরা তাই ভাবি
কিন্তু সুস্থতা চাইলে খাওয়া দাওয়া কমাতি হবি নানে
থ্যাংকিউ আপু
২|
০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:১৮
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
এক যুগেরও বেশি সময় হয়েছে আমি নিরামিষভোজী। এখন আর মাছ মাংস এমনিতেও খেতে মনে চায় না।
১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:২১
কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: কম খেয়ে বা স্বাস্থ্যকর খেয়ে অভ্যাস করলে অন্য কিছু আর জানে টানে না
ধন্যবাদ ভাইয়া
ভালো থাকুন
৩|
০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: খাওয়া দাওয়ার একটি উৎসব হয়ে যাক ।
আমন্ত্রন সবাই পাক !
১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:২২
কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: অকে অগ্রিম দাওয়াত রইলো
থ্যাংকিউ সো মাচ
৪|
০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৪২
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ডায়েটের জন্য তবলিকা ও খাবারের ছবি সুন্দর হয়েছে ।
শুধু খেয়ে যাব তাই কী হয় । আপনার জন্যও
একজন হালকা মাঝারী বয়সের মহিলার দৈনিক ক্যালরির চাহিদা অনুযায়ী
একটি সুষম খাদ্যতালিকা নিচে দেওয়া হলো। এটি আপনার মত ব্যাংকের
চাকুরী জীবি সুস্থ মানুষের জন্য একটি নমুনা খাদ্যতালিকা, যেখানে ভাত,
মাছ, ডাল, শাকসবজি, ফল ও দুধ রাখা হয়েছে।
প্রথমেই বলে দেই ব্যক্তির ধরন অনুযায়ী দৈনিক কত ক্যালরি প্রয়োজন?
কম শারীরিক পরিশ্রম করেন এমন নারী ১,৬০০–১,৮০০
মাঝারি পরিশ্রমী নারী ১,৮০০–২,২০০
কম শারীরিক পরিশ্রম করেন এমন পুরুষ ২,০০০–২,২০০
মাঝারি পরিশ্রমী পুরুষ ২,২০০–২,৮০০
বয়স, উচ্চতা, ওজন ও দৈহিক পরিশ্রম অনুযায়ী ক্যালরির চাহিদা কমবেশি হয়।
২. দৈনিক ২,০০০ ক্যালরির একটি সুষম খাদ্যতালিকা
সকালের নাশতা — সকাল ৭টা–৮টা
মোট প্রায় ৪০০ ক্যালরি
আটার রুটি ২টি — ২০০ ক্যালরি
সেদ্ধ ডিম ১টি — ৭০ ক্যালরি
কলা ১টি ছোট — ৯০ ক্যালরি
চিনি ছাড়া চা — ৪০ ক্যালরি
সকাল ১০টা–১১টা
মোট প্রায় ১৫০ ক্যালরি
• পেয়ারা বা আপেল ১টি — ৮০–১০০ ক্যালরি
• বাদাম ৫–৬টি — ৪০–৫০ ক্যালরি
দুপুরের খাবার — দুপুর ১টা–২টা
মোট প্রায় ৬৫০ ক্যালরি
রান্না করা ভাত ১.৫ কাপ — ৩০০ ক্যালরি
মাছ ১ টুকরা — ১৫০ ক্যালরি
ডাল ১ বাটি ছোট — ১০০ ক্যালরি
শাকসবজি ১ বাটি — ৭০ ক্যালরি
সালাদ — ৩০ ক্যালরি
বিকেলের নাশতা — বিকেল ৪টা–৫টা
মোট প্রায় ২০০ ক্যালরি
টক দই ১ কাপ ছোট — ১০০ ক্যালরি
ভাজা ছোলা ২৫ গ্রাম — ১০০ ক্যালরি
রাতের খাবার — রাত ৭টা–৮টা
মোট প্রায় ৬০০ ক্যালরি
আটার রুটি ২টি — ২০০ ক্যালরি
মুরগির মাংস ১০০ গ্রাম — ২০০ ক্যালরি
সবজি ১ বাটি — ১০০ ক্যালরি
ডাল আধা বাটি — ৬০ ক্যালরি
রান্নার তেলসহ অন্যান্য উপাদান — প্রায় ৪০ ক্যালরি
দ্রষ্টব্য: খাবারের পরিমাণ, রান্নার তেল, মাছ-মাংসের ধরন ও রুটির আকার অনুযায়ী ক্যালরি পরিবর্তিত হবে।
উপরোক্ত পরিমাণগুলো আনুমানিক; সবগুলো একসঙ্গে যোগ করলে দৈনিক ক্যালরি প্রায় ২,০০০–২,১০০ হতে পারে।
৩. প্রতিদিন যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন
প্রোটিন: ডিম, মাছ, মাংস, ডাল, দুধ বা দই থেকে গ্রহণ করুন।
শাকসবজি ও ফল: প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে খান; সম্ভব হলে বিভিন্ন রঙের ফল ও সবজি বেছে নিন।
পানি: সাধারণভাবে দিনে ৬–৮ গ্লাস দিয়ে শুরু করতে পারেন; গরম আবহাওয়া ও শারীরিক পরিশ্রমে বেশি লাগতে পারে।
তেল, লবণ ও চিনি: সীমিত রাখুন।
শারীরিক কার্যকলাপ: সামর্থ্য অনুযায়ী নিয়মিত হাঁটাচলা ও ব্যায়াম করুন।
শুভেচ্ছা রইল
১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:২৪
কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আমি ১১০০-১২০০ ক্যালোরীর মত রাখি সারাদিন
দাওয়াত থাকলে একটু বেশী হয়।
শরীর যদি বুঝে যায় যে এই খাবার রোজ খাচ্ছেন তাহলে সে আর ওজন কমাতে চায় না।
ধন্যবাদ সুন্দর ক্যালোরী লিস্ট। যে কেউ এটা ফলো করতে পারে
৫|
১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৪
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: আমি কিন্তু ক্যালরি হিসাব না করে,অভ্যাস অনুযায়ী খেতে থাকি।কোন খাবারে কত ক্যালরি তা ও জানিনা
২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:০৯
কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: বেশী মোটা না হলে চিন্তার বিষয় না। তবে মিষ্টি জাতীয় খাবার, তেল ঝাল-ফাস্ট ফুড এসব এড়িয়ে চলাই বেটার
কখন কোন রোগে এসে ঝাপটে ধরবে তার কোনো গ্যারান্টি নাই।
যেভাবে খেলে সুস্থ থাকা যাবে আমাদের সেভাবেই চলতে হবে
ধন্যবাদ আপনাকে
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:০৩
শায়মা বলেছেন: হায়রে

এত খানা পিনা ছেড়ে এই যে দুনিয়া কিসেরও লাগিয়া!!!