| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শায়মা
দিয়ে গেনু বসন্তেরও এই গানখানি বরষ ফুরায়ে যাবে ভুলে যাবে, ভুলে যাবে,ভুলে যাবে জানি...তবু তো ফাল্গুন রাতে, এ গানের বেদনাতে,আঁখি তব ছলো ছলো , সেই বহু মানি...
ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের বিরুদ্ধে দারুন অনিচ্ছাতেও এই শয়তানদের কাছে মানে ডক্টরদের কাছে, শয়তানের কারখানা মানে হসপিটালে আর ওষুধকে কি নাম দেবো শয়তানের টোটকা নাকি শয়তানের তাবিজ.. ঠিক ভেবে পাচ্ছিনা তবে এসবের শরনাপন্ন হতেই হয়।
বেশিদিন আগে যাবো না, এই তো ২০২২ এ মনে হয় আমার নিউমোনিয়া হলো। আমি তার আগে অসুখ টসুখ পাত্তা দেওয়া তো দূরের কথা মাথা ব্যাথা হলেও একটা ট্যাবলেট খেতাম না। তাই নিউমোনিয়াতেও ১০৬ জ্বর নিয়েও কিছুতেই যাবোইনা ডক্টরের কাছে যাবোই না করছিলাম। শেষে অবশ্য শ্বাস নিতে না পারার কারণে যেতেই হলো শয়তানের দরবারে মানে হসপিটালে আর শয়তানের হাতে মানে ডক্টরের হাতে নিজেকে ছেড়ে দিতেই হলো।
তো ভালো কথা। ডক্টর মানে সেই শ... এর চেলা আমার অবস্থা দেখে আমাকে ছেড়ে আমার সাথে থাকা মানুষটাকেই বকা ঝকা শুরু করলো। বললো, বুঝতে পারছেন না উনার যে সেন্স নেই, আপনারা বাড়ির লোকজন কি করছিলেন? ধরে আনলেন না কেনো আগে?? আরে আমাকে ধরে আনবে বলে কি শয়তানের চেলা? কারো সাধ্য আছে নাকি? যাই হলো তখন শ্বাসের সাথে সাথে ব্যথায় আমি ঝগড়া করতে পারলাম না। তাই তারা ধরে বেঁধে টেস্টের আগেই ইনজেকশন দিয়ে দিলো এবং এক্কেরে সোজা হসপিটালাইজড করে দিলো।
ভালো কথা ইনজেকশন তো দিলো আরও কি কি ওষুধ দিলো আল্লাহ জানে। একটু পরেই আমি বেশ ভালো ফিল করতে লাগলাম। কিন্তু রাতে লিভোফ্লক্সাকন না লিভোফ্লক্সাসিন ইনজেক্ট করার পর আমি ঘুমাতে গেলাম আর মনে হচ্ছিলো আমার গালের মধ্যে জ্বীভসহ ফুলে যাচ্ছে। সকালে দেখি অনেক ব্যথা। আমি ভাবলাম ঘুমের মাঝে কামড় খেয়েছি হয়ত। সারাদিন আমি ব্যথায় কাতর কিছুই খেতে পারি না। এরপর রাতেও এসে ঐ ওষুধ ইনজেক্ট করার পর আমি সেদিন বসে ছিলাম। টাস করে একটা শব্দ পেলাম মুখের মধ্যে আর তাড়াতাড়ি আয়নায় দেখি ছোট্ট একটা পানি ভরা ব্লিসটার উঠেছে জীভের উপরে সামনের দিকে।
আমি সাথে সাথে বুঝে গেলাম এটা ওষুধের রিয়াকশন। সেদিন ছিলো শবেবরাত! পুরা হসপিটালে ডক্টরেরা সব নামাজ পড়তে বাসায় চলে গেছে। এইদিকে রোগীরা সব আল্লাহ আল্লাহ করছে বেডে বসেই। যাইহোক ডিউটি ডক্টর আসলো তাকে দেখে বুঝলাম! এর চাইতে আমি সাহসী তো বেশিই, জানিও মনে হয় বেশি। বললাম আমার এই ইনজেকশনের রিয়াকশন হচ্ছে, ইমারজেন্সী ডক্টর ডাকো। সে বলে না না এসব আপনার মনের ভুল!! আমিও ডাক্তার তবে জুনিয়র ডাক্তার আর কি। আরে বলে কি!!! আমি নেট ঘেটে রেয়ার রিয়াকশন দেখালাম! তখন সে এক ঘন্টা ধরে কি সব করে কই থেকে যেন এসে আমাকে ধরে নাপা খাইয়ে দিলো আর সাথে কি এক বমি বমি অয়ন্টমেন্ট সারা জীভ জুড়ে।
পরদিন ডক্টর এসে বললো হ্যাঁ এটা রিয়াকশনই তবে ইনজেকশন বাদ দিয়ে ওষুধ দাও!!! আরে!!!!!!!!!!!!!!! যা ইনজেকশনে বডিতে রিয়াক্ট করবে তা কি মুখে খেলে করবে না!!!!!!!!!! আমি তো খাবোই না খাবোই না!!!!!! কিন্তু আমার বাড়ির লোকজনও তার সাথে যোগ দিলো না না মুখে খেলে কিছু হবে না!!!!!!! আমি জানি হবে আর তারা জানে আমার নাকি কিচ্ছু হবে না !!!!!!!!!!আরে!!!!!!!!! মারে!!!!!!!! করেও লাভ হলো না তারা আমাকে ঐ ওষুধ খাইয়ে ছাড়লো। যত খাই তত জীভ পার হয়ে মাড়ি মাড়ি পার হয়ে সেই ব্যাথা কানের মধ্যেও চলে গেলো যেন তিন চার দিনেই!! ধ্যাত্তেরী!!! রেগে মেগে ছুড়ে ফেললাম ঐ ওষুধ!!! নিজেই হাতে তুলে নিলাম আইন!!
এরপর যখন ফলোআপ চেকিং এ গেলাম ডক্টর তখন আমাকে প্রেশারের ওষুধ বদলে দিলেন কিন্তু বলেননি সেটা প্রেশারের ওষুধ। আবার আগেরটাও খেতে হবে না সেটাও বলেনি। আমিও তখন বড়ই ক্লান্ত শ্রান্ত অসুস্থ বিধায় নিজে চেক করে দেখিনি সেটা কিসের ওষুধ। আমি পুরান প্রেশারের ওষুধ আর নতুন দুইটাই খেতে লাগলাম। আর অবাক হয়ে দেখি সকাল বেলা আমার গায়ে কোনো এনার্জী নেই। বিকালের দিকে একটু ভালো লাগে আবার সকাল হতেই এনার্জীলেস হয়ে পড়ি। নিজে এবার মাঠে নামলাম। সার্চ দিয়ে দেখি সেটাও প্রেশারের ওষুধ! মানে দুই দুইটা প্রেশারের ওষুধ ৭/৮ দিন ধরে খেয়েও যে আমি বেঁচে আছি সেটাই সৌভাগ্য! আর দূর্ভাগ্য হলো ডক্টর টাকা নিয়ে আর কোনো মতে ওষুধ দিয়েই খালাস। ভালো করে পড়েও দেখে না কি লিখেছে আর বলেও দেয়না খোলাসা করে কি ওষুধ দিচ্ছে আর কেনো?
এরপর ভালোই ছিলাম মাঝে দু বছর। ডক্টর মক্টর যেতে হয়নি। হঠাৎ ২০২৫ এর শেষ থেকে শুরু হলো পায়ে ব্যথা। টেস্ট মেস্ট করে ধরা পড়লো রিউমাটোয়েড আর্থারাইটিস। ফিজিও থেরাপীতে গেলাম ল্যাবএইডে। কপালের নাম গোপাল। বাচাল এক মহিলা ফিজিও থেরাপিস্টের বাক্যবাণে ফিজিও থেরাপীর আগেই ধরেই নিলাম আমার পা ভালো হয়ে গেছে। কিন্তু তার অতি শর্ট ওয়েভ থেরাপীর কারনে মাসল ডামেজ হয়ে গেলো আমার। সেই কথা তাকে যতই বুঝাতে যাই সে বলে না না আমি তো এতক্ষন আপনাকে দেইনি। আরে আমি নিজে সাক্ষী। ১০ মিনিট যেই শর্টওয়েভ থেরাপী দেবার কথা সে দিয়েছে ৮০ মিনিটস।আমি তো রিসার্চ করে বের করেছি যে সে আমাকে কত গুন বেশি শর্টওয়েভ দিয়েছে। আমি প্রায় দুই মাস হাঁটতে পারিনি। এবং ধরেই নিয়েছিলাম সারাজীবন এমনই থাকতে হবে। মাসল যে আবার রিকভারী হয় আমি জানতামও না। অনেক সাধ্য সাধনার পর এখন হাঁটতে পারছি। শুধু শুধু অকারণে ঐ বাচাল মহিলা ফিজিও থেরাপিস্টের কারণে আমার অতিরিক্ত কষ্টটা করতে হলো।
যাইহোক ৩/৪ মাস হলো মোটামুটি ওষুধ খেয়ে এক্সারসাইজ আর সি আর পি গিয়ে একটু ধাতস্থ হতেই হঠাৎ শুরু হলো ভীষণ ক্লান্তি, জীভের উপরে কালো কালো, ঠোঁটও কালচে হয়ে আসছে। মুখের স্কিনে মনে হয় যেন কেউ কালি মেড়ে দিয়েছে। ভাবছি আমার যে অসুখ এমনই হবার কথা। যাইহোক হঠাৎ ওষুধ এনালিসিস করতে গিয়ে বুঝলাম ৫০০০০ করে আমাকে ডেইলি ভিটামিন ডি দিয়েছে আমার ইউনাইটেড হসপিটালের রিউমাটোলোজিস্ট। যা আসলে ওয়ান্স ইন আ উইক একটা করে খাবার কথা। এটা উনি ভুল করে লিখেছেন আর আমি সব জানা স্বত্ত্বেও ভেবেছি আমার লেভেল দেখে তিনি এই ডোজ দিয়েছেন যখন তখন আমার জন্য এটাই লাগবে। এই অতি ওভার ডোজ আমি অন্ধের মত খেয়ে আসছি গত ১ মাস যাবৎ। ভিটামিন ডি অতিরিক্ত খাবার কারণে কি কি ক্ষতি হয় তা না জানা থাকেও সবাই জেনে নিতে পারেন। আমি জানার পর আমার রাত চারটায়ও ঘুম আসেনি। ১২ থেকে ৪ গবেষনা করতে করতে আমি কূপোকাত ছিলাম। ভিটামিন ডি টেস্ট করে দেখলাম ভিটামিন ডি টক্সিটি হয়েই গেছে। যা আমার ডক্টরের ভুলেই হয়েছে।
এখন ব্লগের সব ডক্টর আপুনি এবং ভাইয়ুরা রেগে যাবে আমার এই পোস্ট দেখে সে আমি জানি তাই নিজের মনে নিজেই ভাবছি কিন্তু উত্তর পাচ্ছিনা যে কোথায় যাবো আমি!!! এই জীবন রোগ বালাই নিয়ে টাকা পয়সা খরচ করে এসব কি হচ্ছে আমার জীবনে??? নিজের জীবন যাদের হাতে তুলে দিচ্ছি তারা তা কি একটু আমাদের জীবন নিয়ে ভাবে?
এখন আমার কি হবে!!!!!!!!
ভাবতে ভাবতে আমার ডক্টরেরও ঘাম ছুটে গেছিলো। বলছিলো হায় হায় এমন ভুল আমি কেমনে করলাম! কি করলাম!! সে ভয় পেয়ে চেহারা ফ্যাকাশে করে ফেলেছিলো আর আমার ঘুম ছুটে গেছিলো ......
এই বিষয়ে এতই পড়াশোনা করে ফেলেছি আমার সম্ভাব্য বিপদ আর ক্ষতি নিয়ে যে আমি এখন নিজেই ডক্টর হয়ে গেলাম কিনা ভাবছি...... মানে চিন্তায় আছি......
যাইহোক সব কিছু ভুলে ইউনাইটেড তথা নতুন নাম কন্টিনেন্টাল ডক্টরদেরকে ছেড়ে আবার গেলাম গ্রীন লাইফ হসপিটালে এই বিষয়ে বাংলাদেশের সবচাইতে সেরা ডক্টরকে দেখাতে। ডক্টরের কথা শুনে, তার ঔষধ নিয়ে তার ট্রিটমেন্ট নিয়ে এই প্রথম খুশি আমি আর বুঝলাম এই বিখ্যাত রিউমাটোলোজিস্ট ছাড়া গতি নেই আমার। আর কোনো ডক্টরের কাছেই যাবো না আমি। ডক্টরকে দেখে খুশি আমি কিন্তু পরক্ষনে ডক্টরের বয়স দেখে চিন্তায় পড়লাম। হায় হায় যে বয়স দেখা যাচ্ছে যদিও ফিট এবং ঝকঝকে তকতকে কিন্তু যদি হঠাৎ মরে টরে যায় ! তখন আমার চিকিৎসা করবে কে!!!!!!!!!!
এখন নিজের জীবনের চিন্তা রেখে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি ------ আমার এই ডক্টর যেন বাঁচে ১০০ বছর...... ![]()
১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৪
শায়মা বলেছেন: 'ইন্ট্রা হেপাটো কোলেস্টাসিস এই রোগের নাম জীবনে প্রথম শুনলাম!! তাড়াতাড়ি করে জেনে আসলাম এটা কি। আসলে এটাও কিছুই না মানে ডক্টরের সবই অজানা। তারা আসলেও কিছুই জানেন না ..... শুধু ভুজুং ভাজুং মেডিসিন সাথে সাইড এফেক্ট রিয়াকশন ভুলভাল প্রেসক্রিপশন লেখা, ভুল অষুধ দেওয়া এসবই চলে। এসব নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না মানে সবার সাথেই এ সব হয় কেউ বোঝে আর কেউ বোঝে না....... আর আমরা রোগীরা আর কিছু না বুঝি এটা বুঝি আমরা আসলে ভালো হচ্ছি না.......
তাই হিরক রাজার দেশের মত বলতে হবে জানার কোনো শেষ নাই জানার ইচ্ছা বৃথা তাই ....... আর মনে মনে ভেবে নিতে হবে আল্লাহ যা করে তাই মেনে নিতে হবে ......... ডক্টরের ভুল হলেও দূর্ভাগ্য, নিজের অসুখ হলেও দূর্ভাগ্য!!! ![]()
২|
১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৫৩
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: প্রতিটি সচেতন মানুষের নিজের চিকিৎসা নিজেই করা উচিৎ, চিকিৎসা বিদ্যা খুব কঠিন কোন বিষয় নয়। আমাদের দেশের ডক্তার আর কবিরাজের মধ্যে খুব বেশি পর্থক্য নেই, এরা মুখস্ত চিকিৎসা করে।
আমি আমার আব্বার কাছে যখন ওষুধের বিরুদ্ধে কথা বলি মানে- ওষুধ বাদ দিয়ে খাবার-দাবার, লাইফস্ট্যাইল পরিবর্তনের মাধ্যমে রোগ দূর করতে বলি তখন উনি বলেন- "মেডিসিন কি মানুষ এমনি এমনি বানাইছে? মেডিসিন সাইন্স হচ্ছে একটি বিজ্ঞান, দীর্ঘদিন গবেষণা করে মানুষ এক একটি ওষুধ তৈরী করেছে।"
আমি বলি- হুমমম।
আবার আমি যখন তাকে কোন নির্দিষ্ট একটি ওষুধ নিয়মিত খেতে বলি তখন তিনি বলেন- "এত ওষুধ খেয়ে কি হবে? ওষুধ খেয়ে কি কোন রাষ্ট্রপ্রধান, মিলিয়নার, বিলিয়নেরা হাজার বছর বাঁচতে পেরেছে? খালেদা জিয়া মারা গেলো কেন, ওষুধ কি তাকে সুস্থ করে তুলতে পারলো না?."
এক্ষেত্রেও আমি বলি- হুমমম।
১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৭
শায়মা বলেছেন: আমাদের দেশের ডক্তার আর কবিরাজের মধ্যে খুব বেশি পর্থক্য নেই, এরা মুখস্ত চিকিৎসা করে।
ভাইয়া এক্কেরে মনের কথাটাই বললে........ আমিও এটাই ভাবছিলাম ....... কসম.....
ওষুধ খেয়ে আসলে কিছু হয় কিনা যেমন সন্দেহ আছে আমার তেমনই অষুধ না খেলেই ভালো থাকি আমি .....
৩|
১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:৩৫
নীল-দর্পণ বলেছেন: হেপাটোকোলেস্টাসিস বা ইন্ট্রা হেপাটো কোলেস্টাসিস এর আসলেই তেমন কোন চিকিসা নাই মনে হয়। এর ফলে একটাই ঔষধ দেয় যা বাংলাদেশের ডাক্তার দেয়, ইন্ডিয়ার ডাক্তাররাও একই ঔষদ দেয় ।
শারিরীক কষ্ট তো আছেই মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে যাচ্ছি, স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যহত হচ্ছে অথচ এর কার্যকর সমাধান নাই।
১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:৪৫
শায়মা বলেছেন: স্টোন মনে হয় দু একটা থাকলে সমস্যা নাই...... এত ভয় পাবার কিছুই নাই...... আমি তো ভুলভাল ফিজিও থেরাপী করে ল্যাব এইডে পুরাই হতাশ হয়ে গেছিলাম। ভেবেছিলাম নাচ তো দূরের কথা হাঁটতেও পারবো না..... শেষে ওষুধ ছেড়ে মাসল রিকভারী খানা দানায় বেশি মন দিয়েছিলাম আর এক্সারসাইজে .....
আল্লাহর রহমতে এখন ৯৯% ঠিকঠাক.....
আবার শয়তানের পাল্লায় পড়ে ভুলভাল ওভার ডোজে কি যে হয় কপালে কে জানে .....
৪|
১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:১৬
হুমায়রা হারুন বলেছেন: ডক্টরের ছবিটা ভীষণ কিউট হয়েছে।
১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:১৭
শায়মা বলেছেন: আপুনি!!!
তুমি আমার উপরে ডক্টরের ভূতুড়ে কাজ কারবার আগে পড়ো ......
৫|
১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:২৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমাদের দেশের ডক্তার আর কবিরাজের মধ্যে খুব বেশি পর্থক্য নেই,
....................................................................................................
এটা খুবই বাস্তব কথা !
আমি ডাক্তার ও রোগী নিয়ে কম দেশ ঘুরলামনা ।
চিকিৎসার জন্য, রোগি বা নিজের কারনে, ঢাকা, কলকাতা,দিল্লী , ব্যাঙ্গালুর, মুম্বাই,
থাইল্যান্ড,চীন ,জাপান,সিঙ্গাপুর, অষ্ট্রেলিয়া ও জার্মানী ঘুরলাম ।
অভিজ্ঞতা বলে আজকের তরুনরা ডাক্তারী কাজে অনেক এগিয়ে । যে কারনে ৯০ দশকের
ডাক্তার ও হসপিটালে গিয়ে ভালো চিকিৎসা পাওয়া বোকামী ছাড়া আর কিছুই না ।
১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:২৯
শায়মা বলেছেন: কবিরাজী আর হোমিওপ্যাথীই করতে হবে ভাইয়া।
যেভাবে একের পর এক ভুল চিকিৎসা দিচ্ছে চাঁদগাজীভাইয়ার মত বলতে হবে মনে হয় অটোপাস আর নইলে মামা খালার জোরে এইসব হসপিটালে ঢুকেছে।
৬|
১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:৩৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: এবার বলতে চাই ডাক্তার বাবুর কথা :
............................................................
চিকিৎসকের হিসাব-নিকাশ মহৎ
মহাপ্রাণ চিকিৎসকের দিনটি শুরু হয়,
রোগ আর যন্ত্রণার ছায়াকে করতে হবে জয়।
কিন্তু রোগীর চোখে চোখ রাখার আগে ভাই,
কাগজপত্রের পাহাড় ডিঙানো ছাড়া উপায় নাই।
"লবণ কম খাবেন, ঘুমাবেন রাত আটটায়,
"দেরিতে এসে ডাক্তারবাবু এই উপদেশ ছড়ায়।
নিজে বাঁচেন কফি আর ঠাণ্ডা চা গিলে,
সুস্বাস্থ্যের সেরা প্রতীক—সবাই দেখুন চেয়ে।
রোগীপ্রতি দশ মিনিট, কর্পোরেট নিয়ম কড়া,
ক্লিনিক যেন এক দ্রুতগতির পাঠশালা গড়া।
স্ক্রিনে টাইপ করতে করতে কাশির রোগ নির্ণয়,
সবচেয়ে দয়ালু রোবট বুঝি একেই বলা হয়!
গুগল পড়ে রোগীরা এখন সবজান্তা বাবু,
নিজের রোগ নিজেই বলে,
ডাক্তারকে করে কাবু।
ডাক্তারবাবু দীর্ঘশ্বাস ফেলে সায় দেন শেষে,
কাল্পনিক হাঁটুর ব্যথার টেস্ট লিখে দেন হেসে হেসে।
রাতের খাবার বাদ যায়, বাদ যায় সন্তানের জন্মক্ষণ,
পৃথিবীর অসুস্থ প্রাণদের সুস্থ করাই যখন পণ।
তারপর রাত তিনটেয় ঘুমাতে যাওয়া বিছানায়,
ভোর পাঁচটায় উঠে আবার একই যুদ্ধ শুরু হয়।
১২ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:২২
শায়মা বলেছেন: ডাক্তার বাবুরা হয়েছেন সফদার
মাথা ভরা টাক নেই, নেই আজ গোঁফ তার
চেয়ারেতে বসে না সে, থাকে দৌড়ের পর
লিখে দেয় খস খস কাগজের উপর
গৎ বাধা টোটকা, টেস্ট মেস্ট, জাবি হাবি
তাই খেয়ে রোগী সব আমরাই খাই খাবি।
ডক্টরে নেই আর বিশ্বাস ফোটা এক
দুনিয়ার রোগী সব তোলো রব হও এক!!!
৭|
১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:৩০
ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমার এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের, ভারতের, তুরস্কের আর ইংল্যান্ডের ডাক্তারের অভিজ্ঞতা হয়েছে। এদের মধ্যে যদি তুলনা করি তাহলে বিষয়টা এমন,
দেশের ডাক্তারেরা এমন ভাব করে যে, তারা পড়ে ডাক্তার হয় নাই, তারা কামরুপ-কামাখ্যায় গিয়ে সাধনা করে এমনই গুপ্ত-গেয়ান অর্জন করেছে যেটার প্রাপ্তি এই দুইন্যায় আর কারো ভাগ্যে ঘটে নাই। সেইজন্য রোগীদের তারা মানুষই মনে করে না। চিকিৎসা দিয়ে টাকা নিবে, তবে এমনভাবে যেন টাকাটা তাদের বদসুরৎ প্রদর্শনের জন্য নিচ্ছে। বাকী চিকিৎসা যা দিচ্ছে, তা ফ্রি!!!!! এরা কোন কিছু ব্যাখ্যা করবে না, সমস্যা ঠিকমতো শুনবে না। কোন প্রশ্ন করলে ঠিকমতো উত্তর দিবে না; এমনভাবে তাকাবে যেন রোগী কোন বেকুব নাদান বাচ্চা। সমস্যা শোনার আগেই এদের প্রেসক্রিপশান লেখা সারা। সেই প্রেসক্রিপশান আবার হায়ারোগ্লিফিক ভাষায় লেখা; পড়ে কিছু বোঝার উপায় নাই। নচিকেতা এদেরকে কসাই বলেছে তার একটা গানে। এই সেই গান। গানের শেষের লাইনটা সবচাইতে তাৎপর্যপূর্ণ!!!
https://www.youtube.com/watch?v=BOnJVfCGsRc&list=RDBOnJVfCGsRc&start_radio=1
এবার আসি কোলকাতার দুই ডাক্তারের কথায় (আমার অভিজ্ঞতা এই পর্যন্তই)। চমৎকার ব্যবহার। সবকিছু মন দিয়ে শোনে। সব কিছু ব্যাখ্যা করে। শেষে জানতে চায়, আর কিছু জানার বা বলার আছে কিনা। পুরাই পয়সা উসুল!!!! ![]()
তুরস্কের ডাক্তার সম্পর্কে আমার কোন অভিযোগ নাই। বেশ ভালো।
আর ইংল্যান্ডের এনএইচএস এর ডাক্তারদের সম্পর্কে খারাপ বলার মতো তেমন কিছু নাই। সবই ভালো। সবচাইতে বড় কথা, হাসপাতাল-এম্বুলেন্স-চিকিৎসা-অষুধ সবই ফ্রি। আমাদের দেশের ডাক্তারদের যদি এইরকমের ফ্রি সার্ভিস দেয়া লাগতো, তবে এদের খুজেই পাওয়া যেতো না।
একটা বিষয় আমাকে খুবই ভাবায়। NHS ডাক্তার-নার্সদের সবাই যে হোয়াইট ওরিজিনের, তা কিন্তু না। এদের মধ্যে অর্ধেকের বেশীই বাইরের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা। এশিয়া তথা আমাদের সাব-কন্টিনেন্টেরও প্রচুর আছে। কিন্তু সার্ভিস সবারই মোটামুটি একই রকমের। এরাই আবার দেশে ফিরলে এদের মান কমে কসাই হয়ে যায়। এর থেকেই বোঝা যায়, আমাদের ডাক্তার-নার্সরা খারাপ, কারন আমাদের সিস্টেমটাই খারাপ। এই সিস্টেমের আগে চিকিৎসা দরকার।
পোষ্ট পড়ে আমার সবচাইতে আগে যেটা মাথায় আসলো সেটা হলো, তোমার মতোন একজন রাজকন্যার যদি এই অবস্থা হয় তাহলে সাধারন মানুষদের কি অবস্থা? আর খেটে খাওয়া অতি-দরিদ্র মানুষদের কি অবস্থা?
আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর..... এমন ডাক্তার বাংলাদেশে বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত। এদের সংরক্ষণ এবং যথযযথ পরিচর্যার ব্যবস্থা নেওয়া হউক!!! ![]()
১২ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১৭
শায়মা বলেছেন: এই কারণেই তো ঐ বিলুপ্তপ্রায় ভালো ডক্টরের বেঁচে থাকার জন্য এত প্রার্থনা করছি ভাইয়ু!!!!!!
আমিও ভাবছিলাম আমার মত এত ওষুধ খাবার আগে গবেষনা করার গবেষকের যদি এই অবস্থা হয় তবে কোথাকার কোন রাইজকইন্যা বা ঘুটেকুড়ুনী কইন্যা সবার কি হবে!!!!!!
যাইহোক
দেশের ডাক্তারেরা এমন ভাব করে যে, তারা পড়ে ডাক্তার হয় নাই, তারা কামরুপ-কামাখ্যায় গিয়ে সাধনা করে এমনই গুপ্ত-গেয়ান অর্জন করেছে যেটার প্রাপ্তি এই দুইন্যায় আর কারো ভাগ্যে ঘটে নাই। সেইজন্য রোগীদের তারা মানুষই মনে করে না। চিকিৎসা দিয়ে টাকা নিবে, তবে এমনভাবে যেন টাকাটা তাদের বদসুরৎ প্রদর্শনের জন্য নিচ্ছে। বাকী চিকিৎসা যা দিচ্ছে, তা ফ্রি!!!!! এরা কোন কিছু ব্যাখ্যা করবে না, সমস্যা ঠিকমতো শুনবে না। কোন প্রশ্ন করলে ঠিকমতো উত্তর দিবে না; এমনভাবে তাকাবে যেন রোগী কোন বেকুব নাদান বাচ্চা। সমস্যা শোনার আগেই এদের প্রেসক্রিপশান লেখা সারা। সেই প্রেসক্রিপশান আবার হায়ারোগ্লিফিক ভাষায় লেখা; পড়ে কিছু বোঝার উপায় নাই।
এক্কেরে হাছা কথা ভাইয়া!!!!!!!! কি যে ভাবের জগতে থাকে গাঁজা খেয়ে আল্লাহ জানে......
যাইহোক ভাইয়া তবে কি এখন আমার নিজের দেশ ছেড়ে হিল্লী দিল্লী যেতে হবে!!!!!!!
আমি আবার নিজের দেশকে ভালোবাসতে চেয়েছিলাম ....... কিন্তু শয়তানের আখড়ায় কেমনে যাই বার বার ....... ![]()
৮|
১২ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৯
করুণাধারা বলেছেন: বড় কষ্টের অভিজ্ঞতা তোমার...
এজন্য আমি হাসপাতালে যেতে চাই না! আমার ইদানিং হাসপাতাল ফোবিয়া হয়েছে। মনে হয় হাসপাতলে গেলেই আইসিইউতে পাঠাবে, তারপর সেখান থেকে লাইফ সাপোর্টে!
ডাক্তারের আয়ু বাড়ানোর জন্য দোয়া না করে দোয়া করো যেন নিজে সুস্থ হয়ে যাও, হাসপাতাল ডাক্তার এসবে যাওয়া না লাগে আর! আমার ধারণা ছিল গ্রীন লাইফে তোমার ডাক্তার মাঝবয়সী, এখন তোমার লেখা পড়ে মনে হচ্ছে ডাক্তার বোধহয় পটল গাছের পাশে ঘুরঘুর করছেন। আমি তো ভেবেছিলাম তোমার ডাক্তার এ নামওয়ালা
কিন্তু আমি বুঝতে পারছি না, আগের ডাক্তার ৫০০০০ ওয়ালা ভিটামিন ডি কিভাবে তোমাকে প্রতিদিন দিল!! বাংলাদেশের ডাক্তারদের একটা মস্ত সুবিধা ভুল চিকিৎসার জন্য তাদের কোন শাস্তি হয় না! তোমার মত গবেষক না হয়ে কোন অশিক্ষিত লোক হলে এভাবেই খেয়ে যেত, তারপর ওষুধের রিএকশনে মরে যেত!
আমার প্রেসক্রিপশন দেখো সপ্তাহে একদিন ৪০০০০ ইউনিট ভিটামিন ডি, এটা তো সবাই জানে। বাংলাদেশের একটা জাতীয় ওষুধ হচ্ছে মন্টেলুকাস্ট! যে রোগ নিয়েই যাও না কেন এই ওষুধ দেবেই দেবে! দেখতো তোমার প্রেসক্রিপশনে আছে কিনা!
হাঁটায় যদি নিষেধাজ্ঞা না থাকে, তবে হাঁটতে পারো। এটাতে অনেক লাভ আছে।
১২ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৫
শায়মা বলেছেন: হা হা হা আপুনি!!!!!!!! ডক্টরের নাম ঠিকই ধরেছো। উনি অসাধারণ!
আর আসলে ডক্টর আর ওষুধ ফোবিয়া আমার বরাবরের । ছোট থেকেই আমি এসব ছাই পাশ খেতামই না। এখন বাধ্য হচ্ছি।
আপুনি আমার মত একটিভ মানুষের এমন হবে কেনো এটা মেনে নিতে না পারার জন্যই তো আমার এত রাগ!!!
গ্রীন লাইফ ডক্টর বলেছিলেন এত দূর আসবো থাক দরকার নেই তার স্টুডেন্ট আছে ইউনাইটেডে সেখানেই গেলে চলবে। আমি তার আগে সব রিউমাটোলোজিস্ট নিয়ে গবেষনা করে ঐ পুচকে ডক্টরের কাছে জীবনেও যাবোনা ভেবেছিলাম। তবে তার কথা শুনে গেলাম আর সে মনে হয় অটো পাসের মত অটো কারেকশনে ভিটামিন ডি লিখতে গিয়ে ডেইলী লিখে দিয়েছিলো। সে তো এখন নিজেও জানেনা কি করেছে। শুধু ধরিয়ে দেবার পর হায় হায় করেছে। যদিও আমি শয়তানদেরকে পছন্দ করি না তবে তাকে দেখে আমার মায়াই লেগেছিলো। ভয়ে সাদা মানুষ আরও সাদা হয়ে গেছিলো।
আপুনি তোমার অসুখ অসুখ না এসব এমনিই হয় মানুষের আমারটা অসুখ!!!!
অনেক কম মানুষের হয় এক কোটিতে একজনের। যার কোনো কিওর নেই!!!
তোমার একটা ওষুধও আমার না । আমার একটাই ওষুধ এমটিএক্স।
৬ মাস খাচ্ছি প্রায় এক মাসের মাথায় সব ব্যথা বুথা নাই হয়ে গেছে । তবুও ডক্টর বলে এক বছর খাবার পরে নাকি বন্ধ করবে নাকি ভাববে।
হায় হায় বলে কি!!!!!!!!
আমি তো খেতেই চাই না .....
১২ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৭
শায়মা বলেছেন: Rheumatoid arthritis (RA) is a chronic autoimmune disease where your immune system mistakenly attacks the lining of your joints (the synovium), causing painful swelling, stiffness, and eventual joint damage. Unlike osteoarthritis, it is systemic, often affecting the same joints on both sides of the body.Core Facts at a GlanceCause: Autoimmune disorder (exact triggers are unknown, though genetics and environmental factors like smoking play a role).Affected Areas: Primarily affects small joints in the hands, wrists, and feet, but can also impact organs like the lungs, heart, and eyes.Common Symptoms: Symmetrical joint pain, warm and swollen joints, morning stiffness lasting longer than 30 minutes, and general fatigue.
৯|
১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৫৬
আলামিন১০৪ বলেছেন: আপনি বেশ সুন্দর লিখেন- আর আপনার ধৈর্য দেখে আমি মুগ্ধ, এত বড় লিখা কিভাবে লিখেন? একবারে নাকি অল্প অল্প করে?
আপনার মতো লেখনীর ক্ষমতা থাকলে প্রতি লিখাতে অন্ততঃ একবার ডাক্তারের পিন্ডি চটকাতাম। আমার মা-বাবা দুজনেরই মৃত্যু হয়েছে ভুল চিকিৎসায় আর অবহেলায়।
মাকে ভর্তি করিয়েছিলাম ল্যাব এইডে বাংলাদেশের এক নম্বর কার্ডিওলজিস্ট ওযাদুদ এর অধীনে। ডায়াবেটিসের কারণে মার সিকেডি ছিল তবে অল্প । ডাক্তার ক্রিয়েটিনিন লেভেল চেক করে তাকে দিলেন হাই ডোজ ডিগক্সিন । আমি তাঁকে বলেছিলাম ক্রিয়েটিনিন নরমাল পেলেও মা'র সিকেডি আছে, আপনি তাকে ডিগক্সিন দিয়েন না- এটা মা'র শরীর নিতে পারবে না- এর আগেও একবার লো ডোজ ডিগক্সিনের তিক্ত অভিজ্ঞতা মা'র আছে। কিন্ত ডাক্তার আমার কথা শুনলেন না। ডিগক্সিন নেয়ার একদিনের মধ্যে মা'র কিডনি শাট ডাউন করে। তারপর আর মা'কে ফিরানো যায় নাই।
আমার বাবা ডাক্তারকে ভয় পেত, তিনি হাসপাতালে যেতে চাইতেন না। সেই ভীতু বাবাকে আমি তার মতের বিরুদ্ধে হাসপাতালে নিলাম- হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে সিসিইউর পরিবর্তে কেবিনে ভর্তি করলেন। শরীরে ছিল ১৫ দিনের জ্বর। পাওয়ারফুল আইভি এন্টি- বায়োটিক দিল ডাক্তার, এক দিনে জ্বর সেরে গেল। কিন্তু বিপত্তি বাঁধল অন্য জায়গায়। সব কিছু চেক করে তার হার্টে সমস্যা ধরা পড়ল, এর পরও তাঁকে সিসিইউতে নেয়া হলো না। ক্যানুলাতে দেয়া ওভার ডোজ সেলাইনের লোড হার্ট নিতে পারল না- তার হার্ট ফেইল করল পরের দিন রাতে এবং তিনিও আমাদেরকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন আল্লাহর রাহে। সিসিইউএর মনিটরিং এ থাকলে হয়ত তাঁকে বাঁচানো যেত।
আসলে সবার মৃত্যু পূর্ব নির্ধারিত- শয়তাররূপী ডাক্তারগুলো উপলক্ষ মাত্র
১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৩৬
শায়মা বলেছেন: সুন্দর লিখি কিনা জানিনা তবে অনেক অনেক বিশালাকৃতি লেখা লিখি প্রায়ই। ভাবি কেউ পড়বে না তবুও লিখি তবে কেউ পড়ুক না পড়ুক ঢু মারে। আর অনেকদিন এইখানে আছি বলে সবাই একটু আধটু চেনে তাই আমরা গল্প গুজবও করি।
ডাক্তারের পিন্ডি চটকায় কি হবে? ওদের চেহারাও আমি দেখতে চাই না আসলে। ডাক্তাররা আসলে যেটা ভাবে আমি বুঝলাম ভাবে রোগ শোক তো হবেই। এতে ওষুধও খেতে হবেই। আর সব ওষুধেই সাইড এফেক্ট আছেই আর মানুষের মৃত্যুও অবধারিত। আজ আর কাল ...... কাজেই আমার দেবার দরকার দিয়ে দেই ওষুধ। কপালে লাগলে লাগবে নইলে মরবে। আমার কোনো দোষ নাই। আর ওভার ডোজ লো ডোজ এত দেখার সময় নষ্টের দক্কাল কি!!!!!!! সব কিছুর মালিক উপরে বসে আছেন ......
১০|
১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:১৯
রাজীব নুর বলেছেন: শবে বরাতের রাতে হাসপাতালে রোগীরা শুয়ে বসে, আল্লাহ আল্লাহ করছে। এই দৃশ্যটা দেখার শখ ছিলো।
১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:৩০
শায়মা বলেছেন: হা হা আমিও কি দেখেছি নাকি? আন্দাজ করেছি ........
১১|
১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:৪৯
রাজীব নুর বলেছেন: আমার মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
১৩ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:২৮
শায়মা বলেছেন: আমি তো সবার মন্তব্যই উত্তর দেই ভাইয়ু!!!
ঝগড়া ঝাঁটি মারামারির কমেন্ট হলেও!!! ![]()
১২|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২১
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: একটি 'হা হা হা' রিঅ্যাক্ট নিয়ে,
মেতেছে সবাই খেলায় গিয়ে।
অনলাইন দুনিয়ায় ছোট্ট এক হাসি,
যার কারণে আজ আমরা সবাই প্রবাসী।
বন্ধুর পোস্টে লাইক আর কমেন্ট,
মুহূর্তেই বদলে যায় সুন্দর মোমেন্ট।
রাগ নয়, ক্ষোভ নয়, শুধুই আনন্দ,
হাসি দিয়ে কাটুক সব দ্বন্দ্ব।
সামুর চার বন্ধু থাকুক সুখে,
সবসময় হাসি লাগুক মুখে মুখে।
১৩ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৩০
শায়মা বলেছেন: শুধু চার বন্ধু সুখে?
চারশো নহে কেনো?
এই কারণটা ভেবে ভেবে
দুস্কে আছি জেনো....
এত মানুষ ভুলে গেলো
এত গেলো চলে
এত সাধের সামু ফেলে
ফেসং বুকের কোলে!!!
১৩|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫৪
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: খুব তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে আপনার। শুভ কামনা রইল, আপনি ১৫০ বছর সুস্থভাবে বাঁচুন।
হেডিঙে ১৫০, লাস্ট লাইনে ১০০ বছর হলো কেন? চিন্তায় আছি এটা নিয়ে।
১৩ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৩২
শায়মা বলেছেন: আরে ভাইয়া হিসাবে একটু গড়বড় হয়ে গেছিলো মানে ভাবলাম ডক্টর যদি ৭০ হয় তো আরও ৩০ বছর বাঁচলে ১০০ হবে। তাই ভেবে লিখলাম লেখাটা।
তারপর শিরোনাম দেবার সময় নিজের বয়স হিসাব করে দেখলাম ডক্টর যদি ১০০ বাঁচে ৩০ বছর তার জন্য ঠিক আছে আমার জন্য কেনো?? আমার তো আরও বাঁচা দরকার! তাই ডক্টরের জন্য বয়সের সাথে বেঁচে থাকার বছর বাড়িয়ে দিলাম।
হি হি দেখলে তো আমি কত বুদ্ধিমান!!!!!!!!
মানে বুদ্ধিমতী!!!!!!!!!!!!! মান বললে তো আবার এসে দোষ ধরবা!! ![]()
১৩ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৫
শায়মা বলেছেন: ভূয়ামফিজভাইয়ার দেওয়া ডক্টর গানা
এক্কেরে আমার মনের কথা। আগে বুঝিনি.... বুড়ি হতে হতে বুঝতে পারছি এই গানের মানে ..... ![]()
১৪|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৫
মিরোরডডল বলেছেন:
গতকাল আমার একটা মাইনর সার্জারি করে বাসায় এসে রাতে তোমার এই পোষ্ট দেখলাম।
এখানে ট্রিটমেন্ট অভিজ্ঞতা সো ফার অনেক ভালো।
বাংলাদেশের সব ডক্টর খারাপ, সেরকম না। কিছু ডক্টর আছে খুব ভালো।
মেজরিটি কমার্শিয়াল, এটা সত্যি।
আমার এই ডক্টর যেন বাঁচে ১০০ বছর
১০০ বছর বাঁচলেও প্র্যাকটিস কনটিনিউ করবে না, ফর সিওর।
সো, তুমি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠো।
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৩৩
শায়মা বলেছেন: হায় হায় তোমার আবার কি হলো!!!
যাইহোক তোমার ডক্টর তো আর আমাদের ডক্টরদের মত উদাসী সন্যাসী না কাজেই ইনশা আল্লাহ সব ভালো হবে।
হ্যাঁ সব খারাপ না..... লাখে একজন ভালো আর তার জন্যই তো ১৫০ বেঁচে থাকার প্রার্থনা করছি!।
এখনও করে না উনি। কোনো কোনো সপ্তাহে একদিন বসেন, কোনো কোনো সপ্তাহে ৩ দিন......
তবুও বেঁচে থাক। দাওয়াৎ করে আনবো বাসায়.... ![]()
১৫|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৩৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন:
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৪
শায়মা বলেছেন: কোনো কথা নেই কেনো ?
প্রপিকটা দুঃখী
কারে মিস করে ভায়া
হলে হলে নত মুখি!
কমেন্টে ভাষা নেই
কোথা কোনো আশা নেই
বসে আছো চুপচাপ
হয়ে যাও সুখী।
১৬|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪২
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন:
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫
শায়মা বলেছেন: আরে ভায়া হলো কেনো
তোমা কথা বন্ধ!
নাকি ঠিকই লিখিতেছো
আমি তবে অন্ধ!
১৭|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৬
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ডাক্তারের দোষ ছিল। যেমন ভিটামিন ডি এর ডোজ। শর্ট ওয়েভ থেরাপি। ইত্যাদি। তবে অনেক সময় ডাক্তাররা পাগলা বা পাগলী টাইপের রোগীদের কথাকে পাগলের প্রলাপ বলে মনে করে।
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৫১
শায়মা বলেছেন: ঐ ভাইয়া......
আমি পাগলা পাগলী হবো কেনো????
টেস্ট করে ইনসাফিসিয়েন্ট ছিলো, এমন কি ডেফিসিয়েন্সিও না আর ঐ পাগলী দিয়ে দিলো ৫০০০০ ডেইলী!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
আর শর্ট ওয়েভ একবারে ১০ মিনিটের বেশি কারো শরীরে দেওয়া যায় না।
এটা অবশ্য জেনেছি সর্বনাশ হয়ে যাবার পরে।
তবুও আল্লাহর রহমতে যে কাটিয়ে উঠেছি তাতেই আমি খুশ!!!!!!! ![]()
১৮|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৮
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: পোষ্টটা খুব ভালো হয়েছে। বলতে ভুলে গিয়েছিলাম। এই প্রথম দেখলাম যে আমাদের শায়মা আপু নিজের ছবি বা থালা বাটির ছবি ছাড়া কোন পোষ্ট করেছে।
মেয়েদের একটা কমন সমস্যা হল নির্দিষ্ট কোন ডাক্তারের প্রেমে পড়া।
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৫৩
শায়মা বলেছেন: এহ লে বুইড়া ডাক্তারের আয়ু প্রার্থনা করেছি মানে বুঝি প্রেমে পড়েছি!!!!!!!!!
তবে বুদ্ধি ভালা দিসো ভাইয়ু!!!!!!!!
এই ডক্টর তো আজকাল রোগী দেখেই না বলতে গেলে। দেখলেও সপ্তাহে ১/২ দিন।
এখন তো তাইলে ডক্টরকে প্রেমের ফাঁন্দে ফেলা ছাড়া উপায় নাই!!!!!!!
কি আর করা !!! ![]()
১৯|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৫০
মিরোরডডল বলেছেন:
আইসক্রিম খাচ্ছি আপু, এতো মজা!
যদি এটা খেয়ে না থাকো, নেক্সট ট্রিপে ট্রাই করো।
Connoisseur Baked Choc Chip Cookie.
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৫৪
শায়মা বলেছেন: বুঝেছি দাঁতের সার্জারী করে এসেছো!!! নইলে এখন না তোমাদের বদমাইশ শীত!!!!!!!!
আমি আর শীতে দাত্তি না!!!!!!!!!! বাপরে!!! যদিও শীতেও আমি রোজ রোজ আইক্কিম খেতাম!!!!!
ডিসেম্বরে ট্রাই করবো ঠিক ঠিক!!!
২০|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৫২
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: নাকি ঠিকই লিখিতেছো
আমি তবে অন্ধ!
................................................
লিখিতেছি কাব্য আয়না পুতুল নিয়ে
কিজানি কোন মহাকালে যায়যে হারিয়ে !!!
====================================
আয়না পুতুলের কবিতা
আয়না পুতুল, আয়না পুতুল,
কথা বলো ভাই,
তোমার সাথে মেঘের দেশে
আজকে যেতে চাই।
রূপোলি ওই কাচের ভেতর
লুকিয়ে রাখো কী?
মিষ্টি হেসেই জবাব দিলে,
"গল্প শুনবে কি?"
রাতের তারা সাক্ষী রেখে
জমবে দারুণ মেলা,
আয়না পুতুল রইবে পাশে
সারাটি রাত বেলা।
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৫৬
শায়মা বলেছেন: কাঁচের জার কোথায় পেলে ভাই?
সবার আগে এটা জানতে চাই।
আয়নাপুতলা দেখবে নাকি
এই ছড়াটা সন্দ!
তাহার আজকে দাঁতে ব্যথা
আর তুমি মেলাও ছন্দ!!!
২১|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৫৬
মিরোরডডল বলেছেন:
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: তবে অনেক সময় ডাক্তাররা পাগলা বা পাগলী টাইপের রোগীদের কথাকে পাগলের প্রলাপ বলে মনে করে।
হা হা হা
আজ অনেকদিন পর সামুকে কেমন যেন সেই ২০২০-২১ এর মতো মনে হচ্ছে
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৫৮
শায়মা বলেছেন: সাড়ে চুয়াত্তর ভাইয়া কোনোদিন ভালো হবে না।
কুটনাবুড়াই থাকবে।
আমি পাগলা পাগলী টাইপ রোগী নাকি!! আর হইও যদি তবুও ডক্টরের বাচ্চা ভুল করবে কেনো ???
বার বার ????
তাও আবার আমার সাথেই!!!!!!!!!! যদিও আমি নিশ্চিৎ সবার সাথেই করে কিন্তু অনেকেই খেয়াল করে না।
যেমন চুয়াত্তর ভাইয়া!!!
২২|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৫৯
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ল্যাংড়া রোগিণীর সাথে কোন ডাক্তার প্রেম করবে বলে মনে হয় না। অর্থপেডিক ডাক্তার হলে করতে পারে। আর ডাক্তার যখন বুঝতে পারবে যে মাথায়ও হাল্কা পাতলা ....
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:১১
শায়মা বলেছেন: ঐ!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
আমি ল্যাংড়া হবো কেনো!!!!!!!!!!!!!!!
আর ল্যাংড়াদের সাথে অর্থপেডিকস প্রেম করে কোথা থেকে বের করলে এই তথ্য!!!!!!!!
ল্যাংড়া, কানা খোড়া আর পাগলা পাগলীদের রেখে একটা কথা বলো তো!!!!!
টাকলাদের সাথে কে প্রেম করে বলো দেখি ভাইয়ু!!!!!!!!! ![]()
২৩|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:১৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: "কারুর যদি দাঁতটি নড়ে,
চার টাকা তার ট্যাক্সো ধরে!
গোঁফ গজালে একশো আনা,
তুলতে গেলে ভীষণ মানা।"
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৪১
শায়মা বলেছেন: কে ধরে ভাই ট্যাক্সো তাহার
কেই বা যে নেয় গোঁফের দাম
কোন সে বেটা কবিরাজ সে
কি বা তাহার বাবার নাম!!
২৪|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:২০
মিরোরডডল বলেছেন:
ধারাপুর কাছ থেকে শিখেছি, এক পোষ্টের কমেন্ট এনে আরেক পোষ্টে দেয়া।
সাম্প্রতিক মন্তব্য ভুমের পোষ্টে সাচুর কমেন্ট
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: এখন তো আসলে পোষ্ট বলতে শায়মা আপুর বাতের ব্যথার পোষ্টই বুঝায়। তাই আসি না, যদি পোষ্ট পড়ে আমারও ওনার মত বাতের ব্যথা হয়। ওনার ডাক্তার ওনার বাতের ব্যথাকে এমনভাবে উপস্থাপন করেছে যে ওনাকে পারলে মাথায় জট ওয়ালা পাগলী বানিয়ে দেয়। কিন্তু ডাক্তার জানে না যে আমাদের শায়মা আপু জাতে মাতাল কিন্তু তালে ঠিক। ডাক্তারদেরও উনি এক হাটে কিনে আরেক হাটে বেচে দিতে পারেন।
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৪৩
শায়মা বলেছেন: হা হা হা হা হা হা মরে গেলাম হাসতে হাসতে!!!!
ভালো করেছো এই কমেন্ট এনে!!
নাইলে জানতাম না চুয়াত্তরভাইয়ার এই শয়তানী কমেন্ট!
আমিও ভয়ে আছি কখন আবার আমি ভাইয়ার কমেন্ট পড়তে পড়তে টাকলা হয়ে যাই!!!!!!!
২৫|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৩৭
মিরোরডডল বলেছেন:
লেখক বলেছেন: বুঝেছি দাঁতের সার্জারী করে এসেছো!!!
ডেন্টাল না আপু, যদিও মাইনর বাট ইমারজেন্সি ইস্যু।
একাধিক বড় সার্জারি ফেইস করার পর এখন ছোট সার্জারি বিগ ডিল না।
waiting for biopsy report.
anyway, leave it.
নইলে এখন না তোমাদের বদমাইশ শীত!!!!!!!!
উইন্টার নাইটে আইসক্রিম খাওয়া অনেক পুরনো অভ্যাস।
মনে পরে স্টুডেন্ট লাইফের কথা। কনকনে শীতের রাত ১২/১ টায় ক্র্যাভিং হতো।
ফ্রিজে না থাকলে তখন ২৪ ওপেন সার্ভিস স্টেশনে গিয়ে আইসক্রিম নিয়ে আসতাম।
সেই সময়ের ফ্রেন্ডসদের মিস করি।
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৫৬
শায়মা বলেছেন: শুনো কিচ্ছু হবে না!! আমিও ভেবেছিলাম হাঁটতেই পারবো না বুঝি আর। ডক্টর বললো ৫০% আপনার ব্যাথা আর ৫০% মেন্টাল!!
চুয়াত্তরভাইয়া কিন্তু ঠিকই বলেছে। আমি এতই দুস্কিত হয়ে পড়েছিলাম। মানতেই পারছিলাম না আমার মত এমন একটিভ মানুষের এই রকম হবে কেনো?
তোমারও কিচ্ছু হবে না মনে সাহস রাখো!!! আমার ডক্টর খুব অপছন্দ সার্জারীর এনেস্থেসিয়া মনে হলেই আমার হাঁড় হিম হয়ে যায়!!! আমি খুবই ডিসলাইক করি সিকনেস!!
আইসক্রিম সত্যিই মজা। অস্ট্রেলিয়ান আইসক্রিম সেরা। কোনো খাবার পছন্দ না হলেও আইসক্রিম খেয়ে থাকা যায়!!! ![]()
২৬|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৪২
মিরোরডডল বলেছেন:
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন:
................................................
লিখিতেছি কাব্য আয়না পুতুল নিয়ে
কিজানি কোন মহাকালে যায়যে হারিয়ে !!!
বাহ!! শঙ্খচিল বেশ লিখেছে।
কাব্য পড়লাম।
থ্যাংক ইউ
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৫৭
শায়মা বলেছেন: হা হা শঙ্খচিল ভাইয়া আজকাল সারাদিন কাব্য লেখে।
মনে হচ্ছে প্রেমে পড়েছে ভাইয়ুটা!! ![]()
২৭|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৪৮
মিরোরডডল বলেছেন:
লেখক বলেছেন:
আয়নাপুতলা দেখবে নাকি
এই ছড়াটা সন্দ!
তাহার আজকে দাঁতে ব্যথা
আর তুমি মেলাও ছন্দ!!!
কি ভুলভাল ইনফো দাও।
আয়নাপুতুলের দাঁত ব্যথা হতে যাবে কেনো!!
এই কবিতা আবার লেখো।
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:০১
শায়মা বলেছেন: ওকে লিখছি
আয়নাপুতুলের হলো নাকি অজানা এক সার্জারী
না জানা সেই অসুখ নিয়ে করতে হবে নামজারী।
আয়না পুতুল পায়না ভয় চুনোপুটি সিকনেসে
তাই তো সে খায় বরফখানা কিরিম দিয়ে খুব কষে!!! ![]()
২৮|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:০২
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আয়নাপুতুল বিছানায় শুয়ে,
কান্না জুড়ল চোখটা ধুয়ে।
ডাক্তার এসে বলল হেসে,
"ভয় পেয়েছ কি অবশেষে?
সার্জারি তো শেষ হলো ভাই,
ভয়ের কোনো কারণ যে নাই।
ওষুধ এখন খেতে হবে না,
কান্নাকাটি একদম চলবে না!"
শুনেই পুতুল চোখটি খোলে,
"ক্ষিধে লেগেছে!" চটপট বলে।
ডাক্তারবাবু দিলেন এনে,
আইসক্রিম এক কাপ যে চিনে!
ঠাণ্ডা আইসক্রিম মুখে পুরে,
বেদনা সব গেল দূরে।
আয়নাপুতুল হাসে বলে ,
সার্জারি হোক রোজ সকালে!!!
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:০৬
শায়মা বলেছেন: হা হা হা
ভালোই লিখে দিলে খেতে বরফ দিয়ে সর ভাঁজা
এটাই রোগীর পথ্য তবে খেতে হবে রোজ তাজা
কিন্তু যদি ঠান্ডা লেগে টনসিলটা যায় ফুলে
আয়নাপুতুল বায়না করে আছাড় দেবে ঠিক তুলে।
২৯|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৭
মিরোরডডল বলেছেন:
তোমারও কিচ্ছু হবে না মনে সাহস রাখো!!!
কা কে কি বলো!!!
বেশ অনেক বছর আমি একা একাই এগুলো হ্যান্ডেল করে অভ্যস্ত।
লেখক বলেছেন: ওকে লিখছি
এবারের কাব্য ঠিক আছে
তোমার আর শঙ্খচিলের কাব্য দেখে ব্লগার কি করি আজ ভেবে না পাই এর কথা মনে পড়লো।
কি অবস্থা তার?
১৪ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৮
শায়মা বলেছেন: হায় হায় কি বলো মিররমনি???
কখনও বুঝতে পারিনি কারণ বুঝতে দাওনি। অথচ আমার পায়ে ব্যথা শুরু হতেই আমি চিল্লিয়ে বাড়ি মাথায় করেছি!! কি হলো আমার!!! এর আগে কিন্তু ২০১৫ এ এমন হয়েছিলো। তখনও একই কাজ করেছিলাম। তবে সেটা ছিলো হাতে। ব্লগার শার্দূল বলেছিলো কারো হাত ব্যাথা নিয়ে মরনের ভয় হয় জীবনে প্রথম দেখলাম।
এমন বলা যায় কিন্তু তুমি চিন্তা করো এই মহামূল্যবান হাত দিয়ে কিচ্ছু করতে পারছিলাম না ব্যথায় আর পায়ের ব্যথায় তো মনে মনে অনেক দূর চলে গেছিলাম। স্বপ্নে দেখছিলাম হুইল চেয়ারে বসে আছি। কিচ্ছু করতে পারিনা আমি! কত কি!!! সবাই বলে ঠিক হয়ে যাবো আমি ভাবি জীবনেও হবো না। আমার মত আশাবাদী মানুষ তখন গভীর হতাশায় আর নিরাশায়!!! যাইহোক তুমি একা একা কয়েক বছর এত কিছু হ্যান্ডেল করেও এইখানে হাসিমুখে থেকেছো!! কেউ কখনও বুঝেনি!!
কি করি আজ ভেবে না পাই ভাইয়া মনে হয় একটু ভালো আছে। ফেসবুকে একটিভ দেখি। কিন্তু অনেক অভিমানে আর কারো সাথে ইন্টারএকশন নেই আর। মেসেঞ্জারে নক দিলে কোনো সাড়া পাওয়া যায় না।
মাঝে মাঝে ভাইয়াকে অনেক মিস করি। কিন্তু কাউকে বলি না।
৩০|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:৩৬
মিরোরডডল বলেছেন:
ডাক্তারবাবু দিলেন এনে,
আইসক্রিম এক কাপ যে চিনে!
ঠাণ্ডা আইসক্রিম মুখে পুরে,
বেদনা সব গেল দূরে।
থ্যাংকস শঙ্খচিল
১৪ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:০৮
শায়মা বলেছেন: পড়ে এই কবিতা এলো মোর মনে
কাপুচিনো আইসক্রিম বানায় কেমনে?
সার্চ দিয়ে গুগলেতে ওমা একি একি
রেসিপিটা খাসা বেশ একি আমি দেখি!!
৩১|
১৪ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৪৬
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আমার টাক আছে আপনাকে কে বলল? এক সময় ছিল এখন কমে গেছে, নাই বললেই চলে।
এই ব্লগে আমার একজন অন্তত শুভাকাঙ্ক্ষী ছিল বলে জানতাম। ব্লগার মিরোরডডল এই সব কুটনামি কবে থেকে শিখলো, পারলে জিগ্যেস করবেন। আপনি কানা তো না যে ভুয়া ভাইয়ের পোষ্টের মন্তব্য খেয়াল করবেন না। উপযাচক হয়ে ক্লিকবাজি করার দরকার ছিল কি???!!!!
আপনার রোগ আসলে বেশী সিরিয়াস কিছু না। কিন্তু ডাক্তাররা আপনাকে ঘোল খাওয়ানোর চেষ্টা করছে।
১৪ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১
শায়মা বলেছেন: কে আবার বলবে!!!
আমি দেখেছি নিজেই ....
আহা তোমার শুভাকাঙ্খী কেউ আছে নাকি??? কুটনাদের শুভাকাঙ্খী থাকে না..... তাদের কর্ম ফল!!!
৩২|
১৪ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১৩
শায়মা বলেছেন: আপনার রোগ আসলে বেশী সিরিয়াস কিছু না। কিন্তু ডাক্তাররা আপনাকে ঘোল খাওয়ানোর চেষ্টা করছে।
আরে!!!!!!!!!!!!!!!!!! কি বলো!!! বিশাল সিরিয়াস কিছু!!!!!!!!!
https://chicagoarthritis.com/early-signs-of-rheumatoid-arthritis-how-to-recognize-ra-before-its-too-late/
Early Signs of Rheumatoid Arthritis: How to Recognize RA Before It’s Too Late
হাত যদি এমন হয়ে যায় তখন কি হবে!!!!!!

৩৩|
১৪ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:৪২
সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: না দুশ্চিন্তা কইরেন না। এমন হবে না। ডাক্তাররা মাঝে মাঝে অতিরিক্ত ভয় দেখায়, যেগুলি বাস্তবে হয় না। আপনি মানসিকভাবে শক্ত থাকলে সব ঠিক হয়ে যাবে। আমার আব্বাকে তার হার্টের ব্লকের চিকিৎসার সময় ডাক্তার বলেছিল সিগারেট খেলে আপনি আর ৬ মাস বাচবেন। কিন্তু অপারেশনের পরেও আব্বা সিগারেট খেতেন (কিছুটা কম মাত্রায়)। উনি তারপরেও ৯ বছর বেঁচে ছিলেন। আমার আগের এক ড্রাইভের বাবার ফুসফুসে ক্যানসার হয়েছিল। ডাক্তাররা বলেছিল শেষ স্টেজে এসেছেন এখন তেমন কিছু করার নাই। উনি হোমিও ওষুধ খেয়ে ১৫ বছর ধরে বেঁচে আছেন এখনও বহাল তবিয়তে। হোমিও খাওয়াও ছেড়ে দিয়েছেন। ওনার বয়স এখন ৮০ হবে। আরেক জনের মাথায় টিউমার হয়েছিল। ডাক্তার বলেছিল কিছু করার নাই। যে কোন সময় ফেটে যাবে। উনি তারপরেও প্রায় ৫ বছর বেঁচেছিলেন। মারা গিয়েছিলেন অন্য রোগে।
আমার মা মারা যান একজন নার্সের ভুল চিকিৎসার কারণে। একটা ইনজেকশন দেয়ার সময় নার্স দ্রুত পুশ করেছিল। নিয়ম হল ইনজেকশনটা ধীরে ধীরে পুশ করার কথা। ব্যাপারটা জেনেছিলাম পরিচিত এক ডাক্তারের কাছ থেকে।
১৪ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৬
শায়মা বলেছেন: যাক আসলেই বুঝা গেলো ডক্টরেরা যা করে সবই উল্টা পাল্টা।
এই মন্তব্যে জানলাম ডক্টরের যেহেতু এই অবস্থা তাদের নার্সের অবস্থাও একই।
আসলে যা থাকে কপালে হসপিটাল আর ডক্টর থেকে দূরে থাকাই উত্তম!
৩৪|
১৪ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪২
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
একটা মন্তব্য করেছিলাম, অনেক্ক কষ্ট করে।
ডিলেট করে দিলে!!!!!
১৪ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:১১
শায়মা বলেছেন: আহা
ডিলেট করবো কেনো???
জীবনেও না.......
স্বপ্ন দেখেছো ভাইয়া!!!
আগের পোস্ট ছিলো সেটা.....
৩৫|
১৪ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০২
মেহবুবা বলেছেন: কত ধরনের ভোগান্তি তোমার! আশা করছি ভালো আছো এখন।
আল্লাহ মানুষকে কতভাবে পরীক্ষা নেন।
১৪ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪
শায়মা বলেছেন: এখন অনেক ভালো।
তবে কখন কি অঘটনা হয় কে জানে আপুনি!!!
১৪ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৫৩
শায়মা বলেছেন: তোমার মন্তব্য মুছে দিয়েছি আপুনি।
আসলেই কি সব শুরু হলো।
আমার মত একটিভ মানুষের এমন হবে কেনো ভেবে আমি রাগ! নিজের উপর দুনিয়ার উপর।
এখন দেখি সবারই এক অবস্থা!!! ![]()
৩৬|
২১ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৬
গেঁয়ো ভূত বলেছেন: অনেকদিন পর আপনাকে ব্লগ এ পেলাম! আপনি কেমন আছেন?
২১ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০
শায়মা বলেছেন: অনেকদিন পর তোমাকেই তো দেখলাম ভাইয়া। আমি তো সব সময় আসি। তবে অনেকদিন পরে পর পর লিখেছি।
আমি ভালো আছি এখন। তবে অনেক ডক্টরের ঝামেলা থেকে এখন ভালোই আছি।
৩৭|
২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪১
করুণাধারা বলেছেন: আমরা যখন রোগী হয়ে ডাক্তারের কাছে যাই, তখন এই আশা নিয়ে যাই যে ডাক্তার পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে চিকিৎসা করবেন, কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমাদের আশা পূরণ হয় না। ডাক্তার তার কাজে গাফিলতি করেন যেহেতু ভুল চিকিৎসার জন্য কোন শাস্তি হয় না আমাদের দেশে। ধরো তোমার সেই শর্ট ওয়েভের ভুল চিকিৎসা অথবা ভিটামিন ডি এর ওভার ডোজ, এগুলোর জন্য তোমার যে ক্ষতি হলো তার তো কোন প্রতিকার হলো না।
কখনো যদি ইনজেকশন দেয়া লাগে, ডাক্তার নার্স যাই বলুক না কেন তুমি google করে দেখে নেবে সেটা কিভাবে দেবার কথা। কিছু ইনজেকশন আছে যেগুলো স্যালাইন এর সাথে মিশিয়ে এমন নিয়ন্ত্রিতভাবে দিতে হয় যে প্রতি ঘন্টায় কতটুকু ওষুধ যাবে সেটা নির্ধারিত থাকে। নির্ধারিত মাত্রা যদি না মানা হয়, কিংবা যদি ভুল করে এটা সোজাসুজি মাসলে পুশ করা হয়, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। আমাকে একবার স্টেরয়েড ইনজেকশন ভুল ডোজে দিয়েছিল। যদিও সেটা স্যালাইনের সাথেই ছিল, কিন্তু পরিবারের একজন ডাক্তার গিয়ে দেখেন যে, মিনিটে যে কয় ড্রপ যাবার কথা তারচেয়ে বেশি যাচ্ছে। সেটা দেখে অভিযোগ করার পরে সুরাহা হয়, ক্ষতিপূরণ হিসেবে হাসপাতাল কোনো টাকা নেয়নি, কিন্তু ক্ষতি যা হবার তা তো হয়েই গেল।
আরেকবার আমার মাকে নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় স্যালাইনের সাথে ইনজেকশন দেবার কথা, ডাক্তার সেটা লিখেও দিয়েছিলেন। নার্স সেটা না পড়েই সোজা মাসলে ইঞ্জেকশন পুশ করতেই আমার মা অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন। ভাগ্যক্রমে সেখানেও সেইসময় আমাদের আত্মীয় ডাক্তার ভিজিটর হিসেবে থাকায় তৎক্ষণাৎ ইনজেকশন বন্ধ করা হয়, হাসপাতালের ডাক্তাররা এসে কিছু ব্যবস্থা নিয়ে আমার মায়ের জ্ঞান ফিরিয়ে আনেন। পরদিন সেই নার্স এসে আমার মায়ের কাছে আবার অভিযোগ করে বলছিল, "কালকে যদি আপনি মারা যেতেন, আমার অবস্থাটা কি হতো একবার ভেবে দেখেছেন!!"
অতএব কোন চিকিৎসাতেই ডাক্তারের উপর পুরোপুরি ভরসা করে বসে থেকো না।
দোয়া করি, ডাক্তারের কাছেই যেন যাওয়া না লাগে!
২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:১২
শায়মা বলেছেন: আপুনি দেখলে আসলে সবার সাথেই ডক্টরেরা এসব ভুল করে আর মনে মনে ভাবে আমরা কি আল্লাহ!!
হায়াৎ থাকলে বাঁচবি নইলে মরবি। আমাদের কোনো দোষ নাই। জীবন মরনের মালিক আল্লাহ!
তারা এসব ভেবে নিজেদেরকে সেইফ করে ফেলে।
ডক্টরী পড়াই উচিৎ আছিলো তবে নিজের ডক্টরী কেমনে করতাম! যেতে তো হত আরেকজনের কাছেই। আর অজ্ঞান হয়ে গেলে তো কথাই নেই! ডক্টর তখন তাধিন তাধিন নেচে গেয়ে যা খুশি তাই করে বসে থাকতেন!!! ![]()
২৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ১০:৩৪
শায়মা বলেছেন: সুরঞ্জনা আপু আর তোমার দেশ থেকে ঘুরে আসলাম গতকাল। ভেবেছিলাম সে সব নিয়ে পোস্ট দেবো কিন্তু তার আগেই এক অমানবিক ভয়ংকর ভিডিও দেখেছো -
সেটাই লিখতে বসে গেলাম আপুনি!
তুমিও নিশ্চয় এই ভিডিও দেখেছো!
দ্যা বেবি রেসলার ইন দ্যা ডে কেয়ার সেন্টার
৩৮|
২৬ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৫:১২
কবিতা ক্থ্য বলেছেন: কেউ কথা রাখেনি,
তিন (তেত্রিশ না) বছর কাটলো,
কেউ কথা রাখেনি..
২৮ শে জুন, ২০২৬ রাত ১০:৫৫
শায়মা বলেছেন: হা হা ভাইয়া!!!
কথা কেমনে রাখি.....
কত ঝামেলা দেখো না.....
পোস্টটা পড়ো, পড়লেই বুঝতে..... পড়োনি তো কেমনে বুঝবে !! ![]()
৩৯|
৩০ শে জুন, ২০২৬ রাত ১:২৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: এবার নাও তোমার ডাক্তার কর্মখানা :---
তোমার ডাক্তার প্রেমে পড়ে ব্যাকুল,
চেকআপ ভুলে সে খোঁজে শুধু মনেরও কূল।
প্রেসক্রিপশনে লেখে "ভালোবাসি তোমারে",
ওষুধের নাম মনে থাকে নাতো কোনবারে!
রোগী এলে বুক মেপে স্টেথোস্কোপে শোনে,
তোমার সে হৃদস্পন্দন সারাদিন গোনে!
জ্বর হলে থার্মোমিটারে দেখে চেয়ে,
পারদটা চড়ে যায় শুধু তোমার নাম গেয়ে!
ইনজেকশন দিতে গিয়ে সিরিঞ্জটা ফেলে,
মুচকি সে হাসে শুধু তোমার দেখা পেলে।
হার্টের অসুখ তার নিজেরই যে হয়েছে,
প্রেমের ক্যাপসুলটি তোমার কাছে রয়েছে!
৩০ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩
শায়মা বলেছেন: এই ক্যাপসুল ভেঙ্গে ভরবো বিষ দিয়ে
বুঝবে বেটা ভুল করেছে কি নিয়ে
খাইয়ে দেবো গরম জলে গুলিয়ে
দেবো বেটার ডক্টরীটা ভুলিয়ে !
বলবো রোগীর প্রান নিয়ে কি খেল না?
বুঝবে তখন জীবনটা নয় ফেলনা......
৪০|
৩০ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৯
আহমেদ জী এস বলেছেন: শায়মা,
অনেকদিন পরে ব্লগে ঢুকে "অনুসারিত ব্লগ" দেখতে গিয়ে আপনার ডাক্তার সাহেবের বাঁচা-মরা নিয়ে লেখা পোস্টটি যখন দেখতে পেলুম তখন আপনার ডাক্তার সাহেব সম্ভবত বহাল তবিয়তে আরও ১৯টা দিন পার করে দিয়েছেন!
আপনার ডাক্তার ১০০ বছর বেঁচে থাকলে আপনার লাভ কি ? আপনাকেও তো তখন কমপক্ষে ৮০/৯০ বছরের বুড়ি হতে হবে! আপনার কি মনে হয় আপনিও ৮০/৯০ বছর বাঁচবেন?
আর বাঁচলেও তো বার্ধক্যজনিত আরও হাযার রোগে ( আর্থাইটিস ছাড়া) আপনি কাবু হতে পারেন! ততোদিনে ঐ সব রোগের যাদুকর ডাক্তাররা তো তখন সবাই পটল তুলে ফেলবেন হয়তো !
তাই হররোগ (হররোজ নয়) এর চিকিৎসার জন্যে আপনার উচিৎ সব ডাক্তাররা যেন ১০০ বছর বেঁচে থাকে তেমন প্রার্থনা করা... ![]()
৪১|
৩০ শে জুন, ২০২৬ রাত ১০:২১
অপ্সরা বলেছেন: এই রে এই পোস্ট তুমি দেখে ফেললে ভাইয়ু!!!!!!!!!!!!!
আমি চিন্তায় ছিলাম ডাক্তারদের নামে এত কিছু দেখে তো আমাকে গুলি করতে বন্দুক নিয়ে ছুটবে!!!!!! ![]()
৪২|
০২ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৫৬
কবিতা ক্থ্য বলেছেন: আপনার না াসার কথা সিডনী তে?
কই? কবে?
০৩ রা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:২৮
শায়মা বলেছেন: ভাইয়া সিক হয়ে পড়েছিলাম একটু বেশি আর তাই ডিশিসন ক্যানসেল করতে হলো।![]()
৪৩|
০৬ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:০০
মেহবুবা বলেছেন: মিরোরডডল এর লেখা সব উধাও দেখতে পাচ্ছি !
০৬ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৪৪
শায়মা বলেছেন: হ্যাঁ মিররমনি সব লেখা ড্রাফট করে রেখেছে অনেকদিন হলো ....... ![]()
৪৪|
০৬ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৪
মেহবুবা বলেছেন: অনেক বছর আগে তৎকালীন পিজি হাসপাতালের প্রফেসর তাহের স্যারের চিকিৎসাধীন ছিলাম, তখন তোমার দীর্ঘায়ু কামনায় ভাগ্যবান ডাক্তার সহকারী অধ্যাপক ছিলেন। তিরিশ বছরেরও বেশী দিন বাদে প্রায় একই রকম আছেন।
০৬ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:৫৪
শায়মা বলেছেন: না না আমার ডক্টরের নাম তাহের নহে আপুনি!!!!!!!!!
আমার ডক্টর রিউমাটোলোজিস্ট.....
৪৫|
০৬ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৩০
মেহবুবা বলেছেন: আমার লেখা খেয়াল করো, তাহের স্যারের সাথে ছিলেন সহকারী অধ্যাপক। ফর্সা, একহারা গড়ন, first name এর শেষে ' ক' আছে। আমি জানি তুমি বুঝবে।
০৬ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৪১
শায়মা বলেছেন: হ্যাঁ !!!!!!!!!!!!!!!!!!!! একদম ঠিক!!!
সেই সে সুন্দর সে সে সে !!!!!!!!
আপুনি আমার তো ডক্টরের কাছে গেলেই সর্বনাশ হয়!!
আসলে আমি যতখানি সিক না হয়েছি তার থেকে বেশি হয়ে পড়েছি ডক্টরদের একের পর এক ভুল ট্রিটমেন্টে। আমার ধারনা সবার সাথেই এমন হয় তবে অনেকেই খেয়াল করে না তাই বুঝতে পারে না ......
আমার আজকাল ডক্টরদের কাছে যেতেই ভয় লাগে।
একদম বিশ্বাস নেই তাদেরকে আর। ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৪০
নীল-দর্পণ বলেছেন: এমন এক সময় এই পোস্ট দিয়েছো যেসময় আমি ডাক্তারের দ্বারে দ্বারে ঘুরছি! উফ কীযে প্যারাময় এক জীবন পার করছি।একবার ব্লগে লিখেছিলাম না 'ইন্ট্রা হেপাটো কোলেস্টাসিস ' নামক এক রোগ নিয়ে যা আমার দুইবারের প্রেগনেন্সিতে অত্যন্ত ভয়াবহ ভাবে ভুগিয়েছে; সেই জিনিস আবার ৫-৬মাস যাবত আমাকে ভোগাচ্ছে (অথচ এখন কোন প্রেগনেন্সি নাই!)
পিজিতে ডার্মাটোলজিস্ট এর দ্বারে দ্বারে ধর্ণা দিয়ে পরে পিজির সুপার স্পেশালাইজড হসপিটালের হেপাটোলজির একজন সহযোগী অধ্যাপক একগাদা টেস্টের রেজাল্ট দেখে কিছু না পেয়ে উনার স্টুডেন্ট (যাকে দিয়ে প্রেসক্রিপশন লেখান)কে কিছু ঔষধ লেখার পরামর্শ দিলেন। সব চেয়ে মজা পেয়েছি ডাক্তার বললেন স্টুডেন্টকে 'জেনেটিক্যাল ইস্যু নেই, প্রেগনেন্সি নেই, লিভার ফাংশনএ সমস্যা নেই এই চুলকানীকে কীভাবে ডিফাইন করবা?' স্টুডেন্ট লেখা রেখে হা করে চিন্তা করছিলেন।
কেচো খুড়তে গিয়ে সাপ বের হয়েছে, মানে এক সমস্যার জন্যে ঘাটাঘাটি করতে গিয়ে বের হয়েছে গলব্লাডারে এক স্টোন বসে আছে! এখন এর জন্যে ডাক্তারমশাই কাটাকুটির ডাক্তারবাবুর দরজা দেখিয়ে বিদায় করল!
তোমার মত এমন ভুলভাল কত ট্রিটমেন্টে যে আমার আম্মা ভুগেছে, কত কষ্ট পেয়েছে! ওদের কোন ভুল ভুল না।
তবে তোমার ডাক্তার এর ছবিটা কিন্ত দারুন হয়ছে। খুব হাসলাম ডাক্তারবাবুকে দেখে।