নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

সত্যপথিক শাইয়্যান

আমার কাছে অনেক আইডিয়া আছে এবং আমি তা ব্লগে এপ্লাই করি! জানেনই তো, পৃথিবীর সব কিছুর মূলে রয়েছে আইডিয়া!

সত্যপথিক শাইয়্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশের এস,এম,ই খাতে উদ্ভাবনের বাধা ও সম্ভাবনা

১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:১০



বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (SME) খাত আজ দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই খাতের অনেক উদ্যোক্তা এখনো উদ্ভাবন বা ইনোভেশন গ্রহণে পিছিয়ে আছেন। গবেষণায় দেখা গেছে, ইনোভেশন না করলে ব্যবসা প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে না, কারণ পণ্য ও সেবার ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে । আমাদের দেশে যেমন অনেক গার্মেন্টস কারখানা এখনো পুরনো মেশিন ব্যবহার করছে, ফলে তারা আন্তর্জাতিক বাজারে পিছিয়ে পড়ছে। আবার যারা নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করেছে, তারা দ্রুত উৎপাদন বাড়াতে ও খরচ কমাতে সক্ষম হয়েছে।

এসএমই খাতে উদ্ভাবনের প্রধান বাধাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় হলো অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা। জানা যায়, ইনোভেশনের উচ্চ খরচ এবং অর্থের অভাব ছোট ব্যবসার জন্য সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধক । বাংলাদেশে আমরা দেখি, অনেক উদ্যোক্তা নতুন মেশিন বা প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করতে চান, কিন্তু ব্যাংক ঋণ পাওয়া কঠিন বা সুদের হার বেশি হওয়ায় তারা পিছিয়ে যান। উদাহরণ হিসেবে, একজন ক্ষুদ্র ফার্নিচার ব্যবসায়ী আধুনিক CNC মেশিন আনতে চান, কিন্তু অর্থের অভাবে তা সম্ভব হয় না - ফলে তিনি ঐতিহ্যগত পদ্ধতিতেই কাজ চালিয়ে যান।

আরেকটি বড় সমস্যা হলো দক্ষ মানবসম্পদের অভাব এবং পরিবর্তনের প্রতি অনীহা। অনেক সময় কর্মচারীরা নতুন প্রযুক্তি শিখতে আগ্রহী নয়, অথবা মালিক নিজেই পরিবর্তনকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করেন । যেমন, গ্রামীণ এলাকায় অনেক কৃষি উদ্যোক্তা এখনো ডিজিটাল সেচ ব্যবস্থা বা IoT প্রযুক্তি ব্যবহার করতে চান না, কারণ তারা মনে করেন এটি জটিল ও ব্যয়বহুল। অথচ সামান্য প্রশিক্ষণ দিলে তারা উৎপাদন বাড়াতে পারতেন। একইভাবে, আইটি খাতে অনেক ছোট প্রতিষ্ঠান নতুন সফটওয়্যার টুল গ্রহণে দেরি করে, ফলে তারা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ে।

এই সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠতে হলে সরকার, ব্যাংক এবং উদ্যোক্তাদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। সরকার সহজ শর্তে ঋণ, প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে পারে, আর উদ্যোক্তাদের উচিত ঝুঁকি গ্রহণে মানসিকভাবে প্রস্তুত হওয়া। উদাহরণ হিসেবে, স্টার্টআপ বাংলাদেশ বা বিভিন্ন ইনকিউবেশন প্রোগ্রাম ইতোমধ্যে কিছু উদ্যোক্তাকে সহায়তা দিচ্ছে, যা আরও বিস্তৃত করা প্রয়োজন। যদি আমরা উদ্ভাবনকে ব্যবসার মূল কৌশল হিসেবে গ্রহণ করতে পারি, তবে বাংলাদেশের এসএমই খাত শুধু টিকে থাকবে না, বরং বৈশ্বিক বাজারেও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবে।


মন্তব্য ৫ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:২৯

আলামিন১০৪ বলেছেন: কৃষকেরা সচরাচর অগভীর নলকুপ দিয়ে তাদের জমিতে সেচ দেন। এটাকে ডিজিটাল করার কিরকম প্রযুক্তি বর্তমানে বাংলাদেশে বিদ্যমান? এ প্রযুক্তি বেনিফিট/কস্ট রেশিও নিয়ে কোন গবেষণা আছে?

গানের বিষয়টি ঠিক বুঝলাম না। বাই দ্যা ওয়ে নববর্ষ কেমন কাটল।

১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:১৭

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




আমি ইউরোপের কয়েকটি দেশ ঘুরে দেখেছি, সেখানে নলকূপ নামক জিনিসটা এখন আর ব্যবহার করা হয় না।
কেন বলতে পারেন? কীভাবে তাঁরা পানির তেষ্টা নিবারণ করেন?

গানটি আমার প্রিয়। :)

ভালো থাকুন নিরন্তর।

১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:১৮

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




নববর্ষ কাজের মাঝে দিয়ে গিয়েছে।
খুব ব্যস্ত ছিলাম বিদেশের একটা প্রজেক্ট নিয়ে।

২| ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:১৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার লেখা অনেকদিন পড় এলো; আশা করি নিয়মিত হবেন ।

১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:২১

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



আমি চেষ্টা করবো আমার পুরনো ইংরেজিতে লেখা একাডেমিক আর্টিকেলগুলো এ,আই দিয়ে অনুবাদ করে নিয়মিত হতে।

ভালো থাকুন নিরন্তর।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.